📄 দ্বিতীয় খুতবা
দ্বিতীয় খুতবায় তিনি বলেছেন-
ইন্নাল হামদা লিল্লা-হি আহমাদুহূ ওয়া আসতাইনুহূ নাঊযুবিল্লা-হি মিন শুরূরি আনফুসিনা ওয়া সাইয়িআতি আমা-লিনা মান ইয়াহদিহিল্লা-হু ফালা মুদিল্লা লাহূ ওয়া মান ইয়ুদলিল ফালা হা-দিয়া লাহূ ওয়া আশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ ইন্না আহসানাল হাদীছি কিতা-বুল্লা-হি কাদ আফলাহা মান যাইয়্যানাহুল্লা-হু ফী কলবিহী ওয়া আদখালাহূ ফিল ইসলা-মি বাদাল কুফরি ফাখতা-রাহূ আলা মা সিওয়া-হু মিন আহাদীছিন না-সি ইন্নাহূ আহসানুল হাদীছি ওয়া আবলাগুহূ আহিব্বূ মা আহাব্বাল্লা-হু আহিব্বুল্লা-হা মিন কুল্লি কুলূবিকুম ওয়া লা তামাল্লূ কালা-মাল্লা-হি ওয়া যিকরাহূ ওয়া লা তাকসূ আনহু কুলূবুকুম ফাইন্নাহূ মিন কুল্লি মা ইয়াহলুকুল্লা-হু ইয়াসতাফী কাদ সাম্মা-হুল্লা-হু খিয়ারা-তাহূ মিনাল আমা-লি ওয়া মুসতাফা-হু মিনাল ইবা-দি ওয়া সালিহা মিনাল হাদীছি ওয়া মিন কুল্লি মা ঊতিয়ান না-সু মিনাল হালা-লি ওয়াল হারা-মি ফাবুদুল্লা-হা ওয়া লা তুশরিকূ বিহী শাইআঁ ওয়াত্তাকূহু হাক্কা তুক্বা-তিহী ওয়াসদুকুল্লা-হা সালিহা মা তাকুলূনা বিআফওয়া-হিকুম ওয়া তাহা-ব্বূ বিরূহিল্লা-হি বাইনাকুম ইন্নাল্লা-হা ইয়াগদাবু আন ইয়ানকুছা আহদাহূ ওয়াস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্।
“সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমি তাঁর প্রশংসা করছি, তাঁর কাছেই সাহায্য চাচ্ছি, আমরা আমাদের নফসের অকল্যাণ থেকে এবং খারাপ আমল থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। তিনি যাকে হিদায়াত করেন কেউ তাকে গোমরাহ করতে পারেনা। আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন কেউ তাকে সঠিক পথ দেখাতে পারেনা। আমি এই সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া সঠিক কোন উপাস্য নেই। তিনি এক, তার কোন শরীক নেই। নিশ্চয়ই সর্বোত্তম কথা হচ্ছে আল্লাহর কিতাব।
নিশ্চয়ই ঐ ব্যক্তি সফল হবে, যার অন্তরকে আল্লাহ্ তা'আলা কুরআনের মাধ্যমে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছেন এবং কুফরীতে লিপ্ত হওয়ার পর তাকে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় দিয়েছেন। সুতরাং মানুষের কথাগুলো বাদ দিয়ে সে আল্লাহর কালামকে বেছে নিয়েছে। কেননা আল্লাহর কথাই হচ্ছে সর্বোত্তম কথা ও তাঁর বাণীই হচ্ছে সর্বোচ্চ বাণী। আল্লাহ্ যা ভালাবাসেন তোমরা তাই ভালবাস এবং তোমাদের অন্তরসমূহকে আল্লাহর ভালবাসা দিয়ে ভরে দাও। আল্লাহর কালামকে পাঠ করতে এবং আল্লাহকে স্মরণ করতে তোমরা ক্লান্তিবোধ করো না। তোমাদের অন্তর যেন কুরআন থেকে (কুরআন ছেড়ে দিয়ে) পাষাণ না হয়ে যায়। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা সকল সৃষ্টি থেকে উত্তমটিই বাছাই করেন এবং তা নিজের জন্য নির্বাচন করেন। আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের আমলসমূহ থেকে কুরআন তিলাওয়াতকে সর্বোত্তম আমল হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বান্দাদের আমল থেকে তা পছন্দ করেছেন, তাকে সর্বোত্তম বাণী বলে ঘোষণা করেছেন এবং তার মাঝে মানুষের জন্য সকল হালাল ও হারাম বিষয় বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর। তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করোনা এবং তাঁকে যথাযথভাবে ভয় কর। তোমরা মুখ দিয়ে যে সমস্ত কথা উচ্চারণ করে থাকো, তা থেকে সর্বোত্তম কথার মাধ্যমে আল্লাহ্ সত্যতার ঘোষণা প্রদান কর। আল্লাহর রহমতের মাধ্যমে পরস্পর ভালবাসার বন্ধন রচনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাঁর সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গকারীকে মোটেই পছন্দ করেননা। ওয়াস্ সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্।”
📄 জুমআর দিনের ফযীলত ও বৈশিষ্ট্য
নাবী জুমআর দিনকে খুব সম্মান করতেন। তিনি এই দিনের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে-
১. জুমআর দিনের ফজরের সলাতে তিনি সূরা আলিফ-লাম-মীম সিজদাহ ও ইনসান পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু'টিতে জুমআর দিনে যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা সংঘটিত হবে তা বর্ণিত হয়েছে।
২. জুমআর দিনে ও রাতে নাবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেশী দুরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কেননা তাঁর মাধ্যমেই উম্মাত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনে ধন্য হয়েছে। জুমআর দিনেই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জিত হবে। কেননা এদিনেই তাদেরকে জান্নাতে তাদের ঘরসমূহে স্থান দেয়া হবে।
৩. জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। এ দিনে গোসল করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী।
৪. জুমআর দিন মিসওয়াক করা ও শরীরে খুশবো লাগানো মুস্তাহাব। এ দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করা অন্যান্য দিনে তা ব্যবহারের চেয়ে অধিক ফযীলতপূর্ণ কাজ। জুমআর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল বের হওয়া, আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা এবং ইমাম উপস্থিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সলাতরত থাকাও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৫. খুতবার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে তা শুনা জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইমাম যখন খুতবা দিবেন তখন চুপ থাকা ওয়াজিব।
৬. জুমআর দিন সুন্দর পোশাক পরিধান করা মুস্তাহাব।
৭. জুমআর দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পায়ে হেঁটে জুমআর সলাতে গমণকারীর জন্য প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর দিনের বেলা নফল সিয়াম রাখা ও রাতের বেলা তাহাজ্জুদ সলাতের ছাওয়াব রয়েছে।
৮. জুমআর দিনে বান্দার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হয়।
৯. এই দিনে রয়েছে দু'আ কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
টিকাঃ
৬৪. জুমআর দিনের আরও কতিপয় বৈশিষ্ট হচ্ছে, (ক) জুমআর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করলে পরবর্তি জুমআ পর্যন্ত নূর দ্বারা তাকে আলোকিত করা হয়। (খ) জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হচ্ছে এই দিন দুপুর বেলায় মাকরুহ সময়ে সলাত পড়তে কোন বাধা নেই।
নাবী জুমআর দিনকে খুব সম্মান করতেন। তিনি এই দিনের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে-
১. জুমআর দিনের ফজরের সলাতে তিনি সূরা আলিফ-লাম-মীম সিজদাহ ও ইনসান পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু'টিতে জুমআর দিনে যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা সংঘটিত হবে তা বর্ণিত হয়েছে।
২. জুমআর দিনে ও রাতে নাবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেশী দুরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কেননা তাঁর মাধ্যমেই উম্মাত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনে ধন্য হয়েছে। জুমআর দিনেই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জিত হবে। কেননা এদিনেই তাদেরকে জান্নাতে তাদের ঘরসমূহে স্থান দেয়া হবে।
৩. জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। এ দিনে গোসল করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী।
৪. জুমআর দিন মিসওয়াক করা ও শরীরে খুশবো লাগানো মুস্তাহাব। এ দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করা অন্যান্য দিনে তা ব্যবহারের চেয়ে অধিক ফযীলতপূর্ণ কাজ। জুমআর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল বের হওয়া, আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা এবং ইমাম উপস্থিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সলাতরত থাকাও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৫. খুতবার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে তা শুনা জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইমাম যখন খুতবা দিবেন তখন চুপ থাকা ওয়াজিব।
৬. জুমআর দিন সুন্দর পোশাক পরিধান করা মুস্তাহাব।
৭. জুমআর দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পায়ে হেঁটে জুমআর সলাতে গমণকারীর জন্য প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর দিনের বেলা নফল সিয়াম রাখা ও রাতের বেলা তাহাজ্জুদ সলাতের ছাওয়াব রয়েছে।
৮. জুমআর দিনে বান্দার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হয়।
৯. এই দিনে রয়েছে দু'আ কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
টিকাঃ
৬৪. জুমআর দিনের আরও কতিপয় বৈশিষ্ট হচ্ছে, (ক) জুমআর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করলে পরবর্তি জুমআ পর্যন্ত নূর দ্বারা তাকে আলোকিত করা হয়। (খ) জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হচ্ছে এই দিন দুপুর বেলায় মাকরুহ সময়ে সলাত পড়তে কোন বাধা নেই।
নাবী জুমআর দিনকে খুব সম্মান করতেন। তিনি এই দিনের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে-
১. জুমআর দিনের ফজরের সলাতে তিনি সূরা আলিফ-লাম-মীম সিজদাহ ও ইনসান পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু'টিতে জুমআর দিনে যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা সংঘটিত হবে তা বর্ণিত হয়েছে।
২. জুমআর দিনে ও রাতে নাবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেশী দুরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কেননা তাঁর মাধ্যমেই উম্মাত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনে ধন্য হয়েছে। জুমআর দিনেই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জিত হবে। কেননা এদিনেই তাদেরকে জান্নাতে তাদের ঘরসমূহে স্থান দেয়া হবে। তাতে প্রবেশের পর এ দিনেই তাদেরকে অতিরিক্ত নিয়ামাতটি (আল্লাহর দর্শন) দান করা হবে। অতিরিক্ত পুরস্কারটি পাওয়ার সময় তারা তাদের প্রভুর নিকটবর্তী হবে। আল্লাহর বান্দাগণের মধ্য হতে যারা জুমআর দিন দ্রুত জুমআয় উপস্থিত হবে ও ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে সে অনুপাতেই তারা আল্লাহর অধিক নিকটবর্তী হবে এবং অতিরিক্ত নিয়ামত প্রাপ্ত হবে।
৩. জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। এ দিনে গোসল করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলো গোপ্তাঙ্গ স্পর্শ করলে, নাক দিয়ে রক্ত বের হলে, বমি করলে ওযূ আবশ্যক হওয়ার দলীলসমূহের চেয়ে অধিক শক্তিশালী। এমনকি সলাতের শেষ বৈঠকে নাবী এর উপর দুরূদ পাঠ করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলোর চেয়েও অধিক মজবুত।
৪. জুমআর দিন মিসওয়াক করা ও শরীরে খুশবো লাগানো মুস্তাহাব। এ দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করা অন্যান্য দিনে তা ব্যবহারের চেয়ে অধিক ফযীলতপূর্ণ কাজ। জুমআর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল বের হওয়া, আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা এবং ইমাম উপস্থিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সলাতরত থাকাও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৫. খুতবার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে তা শুনা জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইমাম যখন খুতবা দিবেন তখন চুপ থাকা ওয়াজিব। সূরা জুমআ, মুনাফিকুন, সূরা আ'লা এবং সূরা গাশীয়া দিয়ে জুমআর সলাত পড়াও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৬. জুমআর দিন সুন্দর পোশাক পরিধান করা মুস্তাহাব।
৭. জুমআর দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পায়ে হেঁটে জুমআর সলাতে গমণকারীর জন্য প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর দিনের বেলা নফল সিয়াম রাখা ও রাতের বেলা তাহাজ্জুদ সলাতের ছাওয়াব রয়েছে।
৮. জুমআর দিনে বান্দার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হয়।
৯. এই দিনে রয়েছে দু'আ কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
টিকাঃ
৬৪. জুমআর দিনের আরও কতিপয় বৈশিষ্ট হচ্ছে, (ক) জুমআর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করলে পরবর্তি জুমআ পর্যন্ত (অপর বর্ণনায় রয়েছে কাবাঘর পর্যন্ত) নূর দ্বারা তাকে আলোকিত করা হয়। (খ) জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হচ্ছে এই দিন দুপুর বেলায় মাকরুহ সময়ে সলাত পড়তে কোন বাধা নেই।
নাবী জুমআর দিনকে খুব সম্মান করতেন। তিনি এই দিনের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে-
১. জুমআর দিনের ফজরের সলাতে তিনি সূরা আলিফ-লাম-মীম সিজদাহ ও ইনসান পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু'টিতে জুমআর দিনে যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা সংঘটিত হবে তা বর্ণিত হয়েছে।
২. জুমআর দিনে ও রাতে নাবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেশী দুরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কেননা তাঁর মাধ্যমেই উম্মাত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনে ধন্য হয়েছে। জুমআর দিনেই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জিত হবে। কেননা এদিনেই তাদেরকে জান্নাতে তাদের ঘরসমূহে স্থান দেয়া হবে। তাতে প্রবেশের পর এ দিনেই তাদেরকে অতিরিক্ত নিয়ামাতটি (আল্লাহর দর্শন) দান করা হবে। অতিরিক্ত পুরস্কারটি পাওয়ার সময় তারা তাদের প্রভুর নিকটবর্তী হবে। আল্লাহর বান্দাগণের মধ্য হতে যারা জুমআর দিন দ্রুত জুমআয় উপস্থিত হবে ও ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে সে অনুপাতেই তারা আল্লাহর অধিক নিকটবর্তী হবে এবং অতিরিক্ত নিয়ামত প্রাপ্ত হবে।
৩. জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। এ দিনে গোসল করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলো গোপ্তাঙ্গ স্পর্শ করলে, নাক দিয়ে রক্ত বের হলে, বমি করলে ওযূ আবশ্যক হওয়ার দলীলসমূহের চেয়ে অধিক শক্তিশালী।
৪. জুমআর দিন মিসওয়াক করা ও শরীরে খুশবো লাগানো মুস্তাহাব। এ দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করা অন্যান্য দিনে তা ব্যবহারের চেয়ে অধিক ফযীলতপূর্ণ কাজ। জুমআর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল বের হওয়া, আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা এবং ইমাম উপস্থিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সলাতরত থাকাও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৫. খুতবার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে তা শুনা জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইমাম যখন খুতবা দিবেন তখন চুপ থাকা ওয়াজিব।
৬. জুমআর দিন সুন্দর পোশাক পরিধান করা মুস্তাহাব।
৭. জুমআর দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পায়ে হেঁটে জুমআর সলাতে গমণকারীর জন্য প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর দিনের বেলা নফল সিয়াম রাখা ও রাতের বেলা তাহাজ্জুদ সলাতের ছাওয়াব রয়েছে।
৮. জুমআর দিনে বান্দার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হয়।
৯. এই দিনে রয়েছে দু'আ কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
টিকাঃ
৬৪. জুমআর দিনের আরও কতিপয় বৈশিষ্ট হচ্ছে, (ক) জুমআর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করলে পরবর্তি জুমআ পর্যন্ত নূর দ্বারা তাকে আলোকিত করা হয়। (খ) জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হচ্ছে এই দিন দুপুর বেলায় মাকরুহ সময়ে সলাত পড়তে কোন বাধা নেই।
নাবী জুমআর দিনকে খুব সম্মান করতেন। তিনি এই দিনের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে-
১. জুমআর দিনের ফজরের সলাতে তিনি সূরা আলিফ-লাম-মীম সিজদাহ ও ইনসান পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু'টিতে জুমআর দিনে যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা সংঘটিত হবে তা বর্ণিত হয়েছে।
২. জুমআর দিনে ও রাতে নাবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেশী দুরূদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কেননা তাঁর মাধ্যমেই উম্মাত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ অর্জনে ধন্য হয়েছে। জুমআর দিনেই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জিত হবে। এদিনেই তাদেরকে জান্নাতে তাদের ঘরসমূহে স্থান দেয়া হবে।
৩. জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। এ দিনে গোসল করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী।
৪. জুমআর দিন মিসওয়াক করা ও শরীরে খুশবো লাগানো মুস্তাহাব। এ দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করা অন্যান্য দিনে তা ব্যবহারের চেয়ে অধিক ফযীলতপূর্ণ কাজ। জুমআর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল বের হওয়া, আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা এবং ইমাম উপস্থিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সলাতরত থাকাও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৫. খুতবার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে তা শুনা জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইমাম যখন খুতবা দিবেন তখন চুপ থাকা ওয়াজিব।
৬. জুমআর দিন সুন্দর পোশাক পরিধান করা মুস্তাহাব।
৭. জুমআর দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পায়ে হেঁটে জুমআর সলাতে গমণকারীর জন্য প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর দিনের বেলা নফল সিয়াম রাখা ও রাতের বেলা তাহাজ্জুদ সলাতের ছাওয়াব রয়েছে।
৮. জুমআর দিনে বান্দার গুনাহ সমূহ ক্ষমা করা হয়।
৯. এই দিনে রয়েছে দু'আ কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
টিকাঃ
৬৪. জুমআর দিনের আরও কতিপয় বৈশিষ্ট হচ্ছে, (ক) জুমআর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করলে পরবর্তি জুমআ পর্যন্ত নূর দ্বারা তাকে আলোকিত করা হয়। (খ) জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হচ্ছে এই দিন দুপুর বেলায় মাকরুহ সময়ে সলাত পড়তে কোন বাধা নেই।
📄 রসূল (সাঃ) খুতবায় যেসব বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতেন
এ ছাড়া রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। মনে হতো তিনি যেন কোন সেনাবাহিনীর আক্রমণের ভয় দেখাচ্ছেন। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন।
খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন। মিম্বারে আরোহন করে উপস্থিত মুসল্লীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাম দিতেন।
তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন। তিনি বলতেন- জুমআর দিন খুতবার সময় যে ব্যক্তি তার পাশের ব্যক্তিকে বলবেঃ চুপ থাকো, সে অনর্থক কাজ করল। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কাজ করবে তার জুমআ বাতিল হয়ে যাবে।
জুমআর সলাত শেষে তিনি স্বীয় ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দুই রাকআত জুমআর সুন্নাত সলাত আদায় করতেন।
এ ছাড়া রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। মনে হতো তিনি যেন কোন সেনাবাহিনীর আক্রমণের ভয় দেখাচ্ছেন। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন।
খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন। মিম্বারে আরোহন করে উপস্থিত মুসল্লীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাম দিতেন।
তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন। তিনি বলতেন- জুমআর দিন খুতবার সময় যে ব্যক্তি তার পাশের ব্যক্তিকে বলবেঃ চুপ থাকো, সে অনর্থক কাজ করল। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কাজ করবে তার জুমআ বাতিল হয়ে যাবে।
জুমআর সলাত শেষে তিনি স্বীয় ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দুই রাকআত জুমআর সুন্নাত সলাত আদায় করতেন।
রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলিমদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং সাদকাহ করার প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন। খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বিলাল ইকামত দেয়া শুরু করতেন। তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন।
রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলিমদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং সাদকাহ করার প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন। খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বিলাল ইকামত দেয়া শুরু করতেন। তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন।
রসূল যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং সলাত দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। সময়ের দাবি অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলিমদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং সাদকাহ করার প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন। খুতবায় দু'আ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দু'আ করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বিলাল ইকামত দেয়া শুরু করতেন। তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন।
📄 সালাতুল ঈদাঈন তথা দুই ঈদের সালাতে নবী (সাঃ) এর হিদায়াত
পূর্ব দিক দিয়ে মদীনার প্রবেশ পথে অবস্থিত ঈদগাহে (মুসাল্লায়) তিনি দুই ঈদের সলাত আদায় করতেন। ঈদের দিন তিনি সর্বোত্তম পোশাক পরিধান করতেন। ঈদুল ফিতরের দিন বের হওয়ার পূর্বে বেজোড় সংখ্যায় খেজুর খেয়ে বের হতেন। আর ঈদুল আযহার দিন ঈদগাহ থেকে ফেরত আসার আগে কিছুই খেতেন না। রসূল পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যেতেন।
ঈদগাহে পৌঁছে তিনি আযান, ইকামত ও সলাতের জন্য ডাকাডাকি ছাড়াই সলাত শুরু করে দিতেন। তিনি এবং তাঁর সাহাবীগণ ঈদের মাঠে গিয়ে সলাতের পূর্বে বা পরে কোন সুন্নাত বা নফল সলাত পড়তেন না। তিনি খুতবার পূর্বে সলাত পড়তেন। প্রথম রাকআতে তাকবীরে তাহরীমাসহ মোট সাতটি তাকবীর পাঠ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকআতে পাঁচটি অতিরিক্ত তাকবীর পাঠ করতেন। তিনি প্রথম রাকআতে সূরা ফাতিহা অতঃপর সূরা ক্ব-ফ অথবা সূরা আ’লা পাঠ করতেন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা কামার অথবা সূরা গা-শীয়া পাঠ করতেন। সলাত শেষে মানুষের দিকে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে তাদেরকে উপদেশ দিতেন।