📄 বিতর ও ফজরের দুই রাকআত সুন্নাতের গুরুত্ব এবং তাতে সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস পড়ার হিকমত
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে। কথা ও কাজের পূর্বে যেহেতু ইলম (সঠিক আকীদাহ) জরুরী, ইলমই যেহেতু মানুষকে আমলের দিকে নিয়ে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করে তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান আর সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে। কথা ও কাজের পূর্বে যেহেতু ইলম (সঠিক আকীদাহ) জরুরী, ইলমই যেহেতু মানুষকে আমলের দিকে নিয়ে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করে তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান আর সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাসে আল্লাহর জন্য সকল প্রকার কামালিয়াত তথা পরিপূর্ণ ও পবিত্র গুণ সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং ত্রুটিপূর্ণ সকল গুণ থেকে মুক্ত হওয়ার কথাটি জোর দিয়ে বলা হয়েছে। মূলতঃ এই সূরায় তাওহীদের মূলনীতিগুলো বর্ণনা করা হয়েছে। তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান। আর সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে। কথা ও কাজের পূর্বে যেহেতু ইলম (সঠিক আকীদাহ) জরুরী, ইলমই যেহেতু মানুষকে আমলের দিকে নিয়ে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করে তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান আর সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাসে আল্লাহর জন্য সকল প্রকার কামালিয়াত তথা পরিপূর্ণ ও পবিত্র গুণ সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং ত্রুটিপূর্ণ সকল গুণ থেকে মুক্ত হওয়ার কথাটি জোর দিয়ে বলা হয়েছে। মূলতঃ এই সূরায় তাওহীদের মূলনীতিগুলো বর্ণনা করা হয়েছে। তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান। আর সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
📄 ফজরের সুন্নাত সালাতের পর ডান কাতে শয়ন করা
তিনি ফজরের সুন্নাতের পর ডান কাতে শয়ন করতেন। এই শয়নের ব্যাপারে দু'টি দল মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেছে। যাহেরী মাজহাবের লোকেরা এই শয়নকে ওয়াজিব বলেছে। আরেক দল এটিকে মাকরুহ বলেছে। ইমাম মালেক এবং অন্যান্য আলেমগণ এ ব্যাপারে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করে বলেছেন- একটু আরাম গ্রহণ করার জন্য এবং সামান্য সময়ের জন্য শয়ন করলে দোষের কিছু নয়। আর কেউ শয়নকে সুন্নাত মনে করে পালন করলে ইমাম মালেক এবং অন্যান্য ইমামগণ মাকরুহ বলেছেন।
📄 নবী (সাঃ) এর রাতের বা তাহাজ্জুদ সালাত
বাড়িতে কিংবা সফরে থাকা অবস্থায় কখনও রাতের তাহাজ্জুদ সলাত বর্জন করেন নি। রাতে যখন তাঁর ঘুম এসে যেত বা অসুস্থতা অনুভব করতেন তখন তিনি দিনের বেলায় বার রাকআত সলাত আদায় করতেন। তিনি রাতে এগার অথবা তের রাকআত সলাত আদায় করতেন। রাত ও দিনের সলাত সব মিলে চলিণ্টশ রাকআত হত। এই চলিণ্টশ রাকআত সলাত তিনি যত্নসহকারে আদায় করতেন। রাতে যখন তিনি জাগ্রত হতেন তখন দু'আ পাঠ করতেন এবং মিসওয়াক করতেন। কখনও তিনি সূরা আল-ইমরানের শেষ দশ আয়াত পাঠ করতেন। অতঃপর তিনি ওযু করে সংক্ষিপ্তভাবে দুই রাকআত সলাত আদায় করতেন।
টিকাঃ
৬০. তবে অধিকাংশ আলেমের মতে বিতরেরও কাযা আছে।
৬১. আবু দাউদ, আলএ. হা/১১০৪, শাইখ আলবানী এই হাদীছকে যঈফ বলেছেন।
📄 নবী (সাঃ) কয়েক পদ্ধতিতে বিতর সালাত পড়তেন
রাতের সলাত তিনি আট রাকআত পড়তেন। প্রত্যেক দুই রাকআতের পর সালাম ফেরাতেন। অতঃপর একটানে পাঁচ রাকআত বিতর পড়তেন। শেষ রাকআতের আগে তিনি তাশাহুদের জন্য বসতেন না।
তিনি কখনও একাধারে নয় রাকআত সলাত পড়তেন। শুধু অষ্টম রাকআতে বসতেন। বসে তিনি আল্লাহর যিকির করতেন, তাঁর প্রশংসা করতেন এবং দু'আ করতেন। অতঃপর সালাম না ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। তারপর নবম রাকআত পড়ে বসতেন, তাশাহুদ পাঠ করতেন এবং সালাম ফিরাতেন। সালাম ফিরানোর পর আরও দুই রাকআত সলাত পড়তেন।
উপরোক্ত নয় রাকআতের নিয়মে তিনি সাত রাকআতও পড়তেন। অতঃপর বসে দুই রাকআত সলাত আদায় করতেন।
তিনি দু'দু রাকআত করে সলাত পড়তেন। অতঃপর তিন রাকআত বিতর পড়তেন। এতে তাশাহুদ পাঠ বা বসার মাধ্যমে পার্থক্য করতেন না। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল আয়িশা থেকে এটিই বর্ণনা করেছেন। আয়িশা বলেন- নাবী তিন রাকআত বিতর পড়তেন। মাঝখানে কোন বিরতি নেন নি। তবে এই বর্ণনার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে। কেননা সহীহ ইবনে হিব্বানে আবু হুরায়রা হতে মারফু হিসাবে বর্ণিত হয়েছে যে, নাবী বলেছেন- তোমরা তিন রাকআত বিতর পড়বেনা। পাঁচ অথবা সাত রাকআত পড়। আর ولا تشبهوا بصلاة المغرب অর্থাৎ বিতরকে মাগরিবের মত করে আদায় করোনা। ইমাম দারকুতনী বলেন- এই হাদীছের সকল বর্ণনাকারীই সিকাহ তথা নির্ভরযোগ্য। হারব বলেন- ইমাম আহমাদকে বিতর সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন- দুই রাকআত পড়ে সালাম ফিরাবে। সালাম না ফিরালেও আমার মতে কোন অসুবিধা নেই। তবে নাবী থেকে সালাম ফিরানোর বর্ণনাই অধিক বিশুদ্ধ বলে প্রমাণিত। আবু তালেব থেকে এক বর্ণনায় এসেছে, এক রাকআত বিতর পড়ার ব্যাপারেই অধিকাংশ এবং অধিক শক্তিশালী হাদীস বর্ণিত হয়েছে। ইবনুল কাইয়্যিম বলেন- আমিও এই মতের পক্ষপাতী।
বিতর সলাতের আরেকটি পদ্ধতি হচ্ছে যা ইমাম নাসাঈ হুযায়ফা থেকে বর্ণনা করেছেন। হুযায়ফা বলেন যে, তিনি নাবী এর সাথে রামাযানের সলাত পড়েছেন। তিনি রুকুতে ঠিক সেই পরিমাণ সময় অবস্থান করেছেন, যে পরিমাণ সময় তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তাতে এই দু'আ পড়েছেনঃ سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ । এই হাদীছে রয়েছে যে, তিনি চার রাকআত সলাত পড়ে শেষ করতেই বিলাল তাঁকে ফজরের সলাত পড়ার জন্য ডাকতে আসলেন।