📄 মাগারিবের পূর্বেও সুন্নাত রয়েছে
মাগরিবের পূর্বের দুই রাকআত সম্পর্কে নাবী হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন- "তোমরা মাগরিবের পূর্বে সলাত আদায় কর। তৃতীয়বার তিনি বললেন- তবে যে ব্যক্তি তা পড়তে চায়। যাতে করে লোকেরা এটিকে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ হিসেবে গ্রহণ না করে"। এটিই সঠিক কথা। মাগরিবের পূর্বে দুই রাকআত পড়া মুস্তাহাব, সুন্নাতে রাতেবা (মুআক্কাদাহ) নয়।
টিকাঃ
৫৭. বুখারী তাও. হা/১১৮৩, মিশকাত, হাএ. হা/১১৬৫
📄 নফল ও সুন্নাত সালাত বাড়ীতে পড়া
নাবী সকল সুন্নাত ও যাবতীয় নফল সলাত বিশেষ কোন কারণ না থাকলে বাড়িতেই পড়তেন। বিশেষ করে মাগরিবের সুন্নাত তিনি বাড়িতেই আদায় করতেন। কখনও তিনি তা মাসজিদে পড়েছেন বলে সহীহ সূত্রে প্রমাণিত নেই। তবে মাসজিদে পড়লেও কোন অসুবিধা নেই। সমস্ত নফল সলাতের মধ্য হতে তিনি ফজরের সুন্নাতের প্রতি অধিক গুরত্ব প্রদান করতেন। ফজরের সুন্নাত এবং বিতর সলাত তিনি সফরে বা নিজ বাসস্থানে থাকা অবস্থায় কখনও ছাড়েন নি। সফর অবস্থায় ফজরের সুন্নাত ও বিতর সলাত ব্যতীত অন্য কোন সুন্নাত পড়েছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না।
নাবী সকল সুন্নাত ও যাবতীয় নফল সলাত বিশেষ কোন কারণ না থাকলে বাড়িতেই পড়তেন। বিশেষ করে মাগরিবের সুন্নাত তিনি বাড়িতেই আদায় করতেন। কখনও তিনি তা মাসজিদে পড়েছেন বলে সহীহ সূত্রে প্রমাণিত নেই। তবে মাসজিদে পড়লেও কোন অসুবিধা নেই। সমস্ত নফল সলাতের মধ্য হতে তিনি ফজরের সুন্নাতের প্রতি অধিক গুরত্ব প্রদান করতেন। ফজরের সুন্নাত এবং বিতর সলাত তিনি সফরে বা নিজ বাসস্থানে থাকা অবস্থায় কখনও ছাড়েন নি। সফর অবস্থায় ফজরের সুন্নাত ও বিতর সলাত ব্যতীত অন্য কোন সুন্নাত পড়েছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না।
নাবী সকল সুন্নাত ও যাবতীয় নফল সলাত বিশেষ কোন কারণ না থাকলে বাড়িতেই পড়তেন। বিশেষ করে মাগরিবের সুন্নাত তিনি বাড়িতেই আদায় করতেন। কখনও তিনি তা মাসজিদে পড়েছেন বলে সহীহ সূত্রে প্রমাণিত নেই। তবে মাসজিদে পড়লেও কোন অসুবিধা নেই। সমস্ত নফল সলাতের মধ্য হতে তিনি ফজরের সুন্নাতের প্রতি অধিক গুরত্ব প্রদান করতেন। ফজরের সুন্নাত এবং বিতর সলাত তিনি সফরে বা নিজ বাসস্থানে থাকা অবস্থায় কখনও ছাড়েন নি। সফর অবস্থায় ফজরের সুন্নাত ও বিতর সলাত ব্যতীত অন্য কোন সুন্নাত পড়েছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না।
নাবী সকল সুন্নাত ও যাবতীয় নফল সলাত বিশেষ কোন কারণ না থাকলে বাড়িতেই পড়তেন। বিশেষ করে মাগরিবের সুন্নাত তিনি বাড়িতেই আদায় করতেন। কখনও তিনি তা মাসজিদে পড়েছেন বলে সহীহ সূত্রে প্রমাণিত নেই। তবে মাসজিদে পড়লেও কোন অসুবিধা নেই। সমস্ত নফল সলাতের মধ্য হতে তিনি ফজরের সুন্নাতের প্রতি অধিক গুরত্ব প্রদান করতেন। ফজরের সুন্নাত এবং বিতর সলাত তিনি সফরে বা নিজ বাসস্থানে থাকা অবস্থায় কখনও ছাড়েন নি। সফর অবস্থায় ফজরের সুন্নাত ও বিতর সলাত ব্যতীত অন্য কোন সুন্নাত পড়েছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না।
নাবী সকল সুন্নাত ও যাবতীয় নফল সলাত বিশেষ কোন কারণ না থাকলে বাড়িতেই পড়তেন। বিশেষ করে মাগরিবের সুন্নাত তিনি বাড়িতেই আদায় করতেন। কখনও তিনি তা মাসজিদে পড়েছেন বলে সহীহ সূত্রে প্রমাণিত নেই। তবে মাসজিদে পড়লেও কোন অসুবিধা নেই। সমস্ত নফল সলাতের মধ্য হতে তিনি ফজরের সুন্নাতের প্রতি অধিক গুরত্ব প্রদান করতেন। ফজরের সুন্নাত এবং বিতর সলাত তিনি সফরে বা নিজ বাসস্থানে থাকা অবস্থায় কখনও ছাড়েন নি। সফর অবস্থায় ফজরের সুন্নাত ও বিতর সলাত ব্যতীত অন্য কোন সুন্নাত পড়েছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়না।
📄 বিতর ও ফজরের দুই রাকআত সুন্নাতের গুরুত্ব এবং তাতে সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস পড়ার হিকমত
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে। কথা ও কাজের পূর্বে যেহেতু ইলম (সঠিক আকীদাহ) জরুরী, ইলমই যেহেতু মানুষকে আমলের দিকে নিয়ে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করে তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান আর সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে। কথা ও কাজের পূর্বে যেহেতু ইলম (সঠিক আকীদাহ) জরুরী, ইলমই যেহেতু মানুষকে আমলের দিকে নিয়ে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করে তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান আর সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাসে আল্লাহর জন্য সকল প্রকার কামালিয়াত তথা পরিপূর্ণ ও পবিত্র গুণ সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং ত্রুটিপূর্ণ সকল গুণ থেকে মুক্ত হওয়ার কথাটি জোর দিয়ে বলা হয়েছে। মূলতঃ এই সূরায় তাওহীদের মূলনীতিগুলো বর্ণনা করা হয়েছে। তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান। আর সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে। কথা ও কাজের পূর্বে যেহেতু ইলম (সঠিক আকীদাহ) জরুরী, ইলমই যেহেতু মানুষকে আমলের দিকে নিয়ে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণ করে তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান আর সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুর্থাংশের সমান।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
ফিক্সবিদগণ বিতর ও ফজরের সুন্নাত- এদু'টির মধ্যে কোনটি বেশী গুরত্বপূর্ণ ও জরুরী তা নিয়ে মতভেদ করেছেন। ফজরের সুন্নাতের মাধ্যমে দিবসের সলাত শুরু হয় এবং বিতর সলাতের মাধ্যমে রাতের আমলের পরিসমাপ্তি হয়। এ জন্যই নাবী এই দুইটি সলাত সূরা ইখলাস ও সূরা কাফিরুন দিয়ে পড়তেন। কেননা এই সূরা দু'টির মধ্যে তাওহীদে ইলমী ও তাওহীদে আমলী তথা তাওহীদুল আসমাও ওয়াস্ সিফাত এবং তাওহীদুল উলুহীয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সূরা ইখলাসে আল্লাহর জন্য সকল প্রকার কামালিয়াত তথা পরিপূর্ণ ও পবিত্র গুণ সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং ত্রুটিপূর্ণ সকল গুণ থেকে মুক্ত হওয়ার কথাটি জোর দিয়ে বলা হয়েছে। মূলতঃ এই সূরায় তাওহীদের মূলনীতিগুলো বর্ণনা করা হয়েছে। তাই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান। আর সূরা ইখলাস পাঠকারী যেমন শির্কে এতেকাদী তথা আকীদায় শিরক হওয়া থেকে পরিত্রাণ পায় তেমনি সূরা কাফিরুন বান্দাকে তার আমলে শিরক সংঘটিত হওয়া থেকে মুক্ত রাখে।
টিকাঃ
৫৮. সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান হওয়ার ব্যাপারে আলেমগণ বিভিন্ন মত পোষণ করেছেন।
৫৯. সূরা কাফিরুন কুরআনের এক চতুথাংশের সমান। এর ব্যাখ্যায় আলেমগণের বিভিন্ন উক্তি রয়েছে।
📄 ফজরের সুন্নাত সালাতের পর ডান কাতে শয়ন করা
তিনি ফজরের সুন্নাতের পর ডান কাতে শয়ন করতেন। এই শয়নের ব্যাপারে দু'টি দল মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেছে। যাহেরী মাজহাবের লোকেরা এই শয়নকে ওয়াজিব বলেছে। আরেক দল এটিকে মাকরুহ বলেছে। ইমাম মালেক এবং অন্যান্য আলেমগণ এ ব্যাপারে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করে বলেছেন- একটু আরাম গ্রহণ করার জন্য এবং সামান্য সময়ের জন্য শয়ন করলে দোষের কিছু নয়। আর কেউ শয়নকে সুন্নাত মনে করে পালন করলে ইমাম মালেক এবং অন্যান্য ইমামগণ মাকরুহ বলেছেন।