📄 দীর্ঘ করে সালাত পড়ার জন্য দাঁড়ানোর পরও কোন কারণে সালাত সংক্ষিপ্ত করা
নাবী কখনও দীর্ঘ করে সলাত আদায়ের উদ্দেশ্যে দাঁড়াতেন। অতঃপর শিশুর কান্না শুনে সলাত সংক্ষিপ্ত করে দিতেন। যাতে শিশুর মায়ের কোন কষ্ট না হয়।
📄 সালাতে সামান্য কাজ করা
তিনি কখনও তাঁর নাতনী উমামা বিনতে যাইনাবকে কাঁধে নিয়ে ফরজ সলাত পড়তেন। দাঁড়ানো অবস্থায় তিনি মেয়েটিকে কাঁধে বহন করে রাখতেন এবং রুকু-সিজদাহ অবস্থায় নামিয়ে রাখতেন। ৪৮
তিনি সলাতরত থাকতেন। এমন সময় হাসান ও হুসাইন এসে তাঁর পিঠে আরোহন করত। তাদেরকে পিঠ থেকে নামিয়ে দেয়া অপছন্দ করতেন বলেই তিনি সিজদাহ দীর্ঘ করতেন। তিনি নফল সলাতে থাকা অবস্থায় আয়িশা আগমন করলে তিনি অগ্রসর হয়ে তাঁর জন্য দরজা খুলে দিতেন। অতঃপর তিনি সলাতের মুসাল্লায় ফেরত যেতেন। সলাতে তিনি হাতের ইশারায় সালামের জবাব দিতেন। সলাত অবস্থায় ইশারা করলে দ্বিতীয়বার সলাত পড়তে হবে বলে যে হাদীছে বর্ণিত হয়েছে তা বানোয়োট হাদীস। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বালা বর্ণনা করেছেন যে, প্রয়োজন বশতঃ তিনি সলাতরত অবস্থায় ফুঁ দিয়ে সিজদার জায়গা পরিষ্কার করতেন এবং কাশি দিতেন। তিনি কখনও সলাতে ক্রন্দন করতেন।
টিকাঃ
৪৮. বুখারী, অধ্যায়ঃ সলাত অবস্থায় কোন ছোট মেয়েকে ঘাড়ে বহন করা বৈধ।
📄 জুতা পরিহিত অবস্থায় সালাত পড়া
তিনি কখনও খালী পায়ে আবার কখনও জুতা পরিহিত অবস্থায় সলাত পড়েছেন। ইহুদীদের বিরোধিতা করে তিনি জুতা পরিধান করে সলাত আদায়ের আদেশও দিয়েছেন। কখনও তিনি মাত্র একটি কাপড় পরে আবার কখনও দু'টি আবার কখনও তার বেশী কাপড় পরিধান করে সলাত আদায় করেছেন।
📄 ফরয সালাতে কুনুত পড়া
তিনি একমাস পর্যন্ত ফজরের সলাতে রুকুর পর দু’আয়ে কুনুত পাঠ করেছেন। অতঃপর তা বাদ দিয়েছেন। তিনি মসীবতের সময়ও দু’আয়ে কুনুত পড়তেন। মসীবত চলে গেলে তা আর পাঠ করতেন না। সুতরাং তাঁর সুন্নাত ছিল শুধু বিপদাপদ আসার সময়ই দু’আয়ে কুনুত পাঠ করা এবং তার অবসান হলে বর্জন করা। তিনি শুধু ফজরের সলাতেই দু’আয়ে কুনুত পড়েন নি; বরং তাতে তিনি অধিকাংশ দু’আ কুনুত পড়েছেন। কারণ ফজরের সলাতে কিরাআত দীর্ঘ হয়ে থাকে। এ ছাড়া ফজরের সলাত তাহাজ্জুদ সলাতের অধিক নিকটবর্তী, দু’আ কবুলের সময়ের অতি নিকটে এবং দুনিয়ার আসমানে আল্লাহর নেমে আসার সময়ের খুব কাছাকাছি।
তিনি একমাস পর্যন্ত ফজরের সলাতে রুকুর পর দু’আয়ে কুনুত পাঠ করেছেন। অতঃপর তা বাদ দিয়েছেন। তিনি মসীবতের সময়ও দু’আয়ে কুনুত পড়তেন। মসীবত চলে গেলে তা আর পাঠ করতেন না। সুতরাং তাঁর সুন্নাত ছিল শুধু বিপদাপদ আসার সময়ই দু’আয়ে কুনুত পাঠ করা এবং তার অবসান হলে বর্জন করা। তিনি শুধু ফজরের সলাতেই দু’আয়ে কুনুত পড়েন নি; বরং তাতে তিনি অধিকাংশ দু’আ কুনুত পড়েছেন। কারণ ফজরের সলাতে কিরাআত দীর্ঘ হয়ে থাকে। এ ছাড়া ফজরের সলাত তাহাজ্জুদ সলাতের অধিক নিকটবর্তী, দু’আ কবুলের সময়ের অতি নিকটে এবং দুনিয়ার আসমানে আল্লাহর নেমে আসার সময়ের খুব কাছাকাছি।