📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 সালাতে নবী (সাঃ) এর সিজদা এবং দুই সিজদার মাঝখানে বসার নবী (সাঃ) এর পদ্ধতি কেমন ছিল?

📄 সালাতে নবী (সাঃ) এর সিজদা এবং দুই সিজদার মাঝখানে বসার নবী (সাঃ) এর পদ্ধতি কেমন ছিল?


তিনি আল্লাহু আকবার বলে রাফউল ইয়াদাইন করা ছাড়াই সিজদায় চলে যেতেন। তিনি প্রথমে উভয় হাঁটু এবং পরে উভয় হাত মাটিতে রাখতেন। অতঃপর কপাল ও নাক। নাবী কপাল ও নাকের উপর সিজদাহ করতেন। তিনি অধিকাংশ সময় মাটির উপর সিজদাহ করতেন। সিজদাহ করার সময় তিনি কপাল ও নাক যমীনে ভালভাবে লাগাতেন। বাহুদ্বয়কে পার্শ্বদেশ হতে আলাদা করে রাখতেন। সিজদাতে তিনি হস্তদ্বয়কে উভয় কাঁধ ও কান বরাবর রাখতেন এবং পিঠকে সোজা রাখতেন। সিজদাতে তিনি এই দু'আ পড়তেনঃ « سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى » "আমি প্রশংসার সাথে মহান সুউচ্চ প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি"।
সিজদায় তিনি আরও বলতেন- «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ وَعَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ» "হে আল্লাহ! তুমি আমার ছোট, বড়, পূর্বের, পরের, প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্য সকল গুনাহ ক্ষমা করে দাও”। সিজদার মধ্যে নাবী বেশী বেশী দু'আ করার আদেশ দিয়েছেন।

টিকাঃ
৩১. মুসল্লী সিজদায় যাওয়ার সময় মাটিতে হাঁটুর পূর্বে হাত রাখবে? না হাতের পূর্বে তার হাঁটু রাখবে? এ বিষয়ে আলেমদের দু'টি প্রসিদ্ধ মত রয়েছে।
৩২. জাবের বলেন, আমরা যখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর সাথে সলাত পড়তাম তখন আমাদের কেউ সালাম ফেরানোর সময় আস্ সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বলে স্বীয় হাত দিয়ে ডান ও বাম দিকে ইঙ্গিত করত। তখন রসূল বললেনঃ উশৃংখল ঘোড়ার লেজ ঘুরানোর ন্যায় হাত দিয়ে তোমরা কিসের দিকে ইঙ্গিত করছ?
৩৩. সহীহ হাদীছে অঙ্গুলি মিলিয়ে রাখার প্রমাণ এসেছে।
৩৪. মুসলিম, হাএ. হা/১৬৯৯, আবু দাউদ, আলএ. হা/৮৭১, তিরমিযী, মাপ, হা/২৬২, মিশকাত, হাএ. হা/৮৮০।
৩৫. বুখারী, তাও. হা/৮১৭, মিশকাত, হাএ. হা/৮৭১
৩৬. মুসলিম, হাএ. হা/৯৭৮, আবু দাউদ, আলএ, হা/৮৭২, মিশকাত, হাএ. হা৭৮২
৩৭. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ রাতের সালাত ও কিয়ামের দুআ।
৩৮. সহীহ মুসলিম, অধ্যায়ঃ রুকু ও সিজদায় পঠিতব্য দুআ, মিশকাত, হাএ. হা/৮৯২

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 তিন বা চার রাকআত বিশিষ্ট সালাতের প্রথম তাশাহুদে বসার ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত

📄 তিন বা চার রাকআত বিশিষ্ট সালাতের প্রথম তাশাহুদে বসার ক্ষেত্রে নবী (সাঃ) এর সুন্নাত


তাশাহুদে বসার পূর্বে তিনি 'আল্লাহু আকবার' বলে সিজদা হতে মাথা উঠাতেন। এ সময় তিনি রাফউল ইয়াদাইন করতেন না। বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর বসতেন এবং ডান পা খাড়া রাখতেন। দুই সিজদার মাঝখানে তিনি এই দু'আ পড়তেন- «اللَّهُمَّ اغْفِرْ লِي وَارْحَمْنِي وَاجْبُرْنِي وَاهْدِنِي وَارْزُقْنِي»
অতঃপর তিনি পা-দ্বয়ের অগ্রভাগে এবং হাঁটুতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। প্রথম রাকআতের মতই তিনি দ্বিতীয় রাকআত পূর্ণ করতেন। তিনি যখন তাশাহুদে বসতেন, তখন শাহাদাত অঙ্গুলি দিয়ে ইঙ্গিত করতেন। উহাকে সম্পূর্ণ খাড়া করে রাখতেন না; বরং সামান্য পরিমাণ বাঁকা করে রাখতেন এবং নাড়াতেন।
তাশাহুদে তিনি এই দু'আ পড়ার শিক্ষা দিতেন- «التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ»
তিনি খুব দ্রুত এই তাশাহুদ শেষ করতেন। মনে হত তিনি যেন গরম পাথরের উপর বসে আছেন।

টিকাঃ
৩৯. সহীহ তিরমিযী, মাথ, হা/২৮৪
৪০. বুখারী ও মুসলিম, অধ্যায়ঃ সিফাতুস্ সালাত, তিরমিযী, মাথ, হা/২৮৯, নাসায়ী, হা/১১৬২, আবু দাউদ, আলএ. হা/৯৬৮, মিশকাত, মাশা, হা/৯০৯

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 সালাতের মধ্যে দু‘আ করা

📄 সালাতের মধ্যে দু‘আ করা


শেষ তাশাহুদ পাঠের পর এবং সালাম ফেরানোর পূর্বে তিনি দু'আ করতেন। আবু হুরায়রা ও ফুযালা থেকে বর্ণিত হাদীছে তিনি তা পড়ার আদেশ দিয়েছেন। ৪৩
সালামের পর কিবলামুখী হয়ে কিংবা মুসল্লীদের দিকে ফিরে দু'আ করা কখনই রসূল এর সুন্নাতের অন্তর্ভূক্ত ছিল না। সলাতের সাথে সংশিলিষ্ট সকল দু'আ তিনি সলাতের ভিতরেই করতেন এবং সলাতের মধ্যেই দু'আ করার আদেশ দিয়েছেন। এটিই মুসল্লীর অবস্থার সাথে খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেননা মুসল্লী যতক্ষণ সলাতে থাকে ততক্ষণ তার প্রভুর দিকে মনোনিবেশ রত থাকে (এ অবস্থায় দু'আ কবুল হওয়ার বিরাট একটি সুযোগ)। সালাম ফেরানোর পর এই অবস্থার অবসান হয়ে যায়। অতঃপর তিনি ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাম ফেরানোর সময় বলতেন-
«السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ»
বাম দিকে সালাম ফেরানোর সময়ও তিনি তা করতেন। এটিই ছিল রসূল এর সার্বক্ষণিক আমল। হাদীছে সামনের দিকে শুধু একবার সালাম ফিরানোর কথাও বর্ণনা করা হয়। কিন্তু তা বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত নয়। এ ব্যাপারে সুনানের কিতাবসমহে আয়িশা হতে বর্ণিত হাদীসটিই সর্বোত্তম। তবে তা তাহাজ্জুদ সলাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আর এই হাদীসটিও মা'লুল (দুর্বল)। তারপরও এখানে এ কথা সুস্পষ্ট নয় যে, রসূল একবার সালাম ফিরানোকে যথেষ্ট মনে করতেন। তিনি সলাতে তথা শেষ বৈঠকে এই দু'আ পাঠ করতেনঃ
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ ফִتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فִتْنَةِ الْمَحْيَا وَفِتْنَةِ الْمَمَاتِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ»
“হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব হতে, জাহান্নামের শাস্তি হতে, জীবনের ও মরন কালীন ফিতনা (কঠিন পরীক্ষা) হতে, এবং মসীহ দাজ্জালের ফিতনা হতে। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি গুনাহ ও ঋণগ্রস্ত হওয়া থেকে ৪৪। তিনি এ দু'আও পাঠ করতেনঃ
«اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعُ لِي فِي دَارِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي»
“হে আল্লাহ! তুমি আমার গুনাহ ক্ষমা করো, আমার ঘরবাড়ি প্রশস্ত করে দাও এবং আমার রিযিকে বরকত দান করো"। ৪৫ তিনি আরও বলতেন-
«اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّদٍ ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّদٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ»
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الثَّبَاتَ فِي الْأَمْرِ وَالْعَزِيمَةَ عَلَى الرُّشْدِ وَأَسْأَلُكَ شُكُرَ نِعْمَتِكَ وَحُسْنَ عِبَادَتِكَ وَأَسْأَلُكَ قَلْبًا سَلِيمًا وَلِسَانًا صَادِقًا وَأَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا تَعْلَمُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا تَعْلَمُ وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا تَعْلَمُ ও অস্তাগফিরুকা লিমা তা'লামু ইন্নাকা আন্তা আল্লামুল গুয়ুব»
“হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে দ্বীনের উপর দৃঢ়তা এবং কল্যাণ ও হিদায়াতের পথে প্রতিষ্ঠিত রাখার প্রার্থনা করছি। তোমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় এবং উত্তমভাবে তোমার ইবাদত করার তাওফীক চাচ্ছি। আরও চাচ্ছি পরিশুদ্ধ আত্মা ও সত্যবাদী জবান। যেই কল্যাণ সম্পর্কে তুমি অবগত আছো, আমি তোমার কাছে তা প্রার্থনা করছি এবং যেই অকল্যাণ সম্পর্কে তুমি অবগত আছো তা থেকে আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তুমি আমার যে সমস্ত গুনাহ সম্পর্কে অবগত আছ, তা থেকে আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, নিশ্চয়ই তুমি অদৃশ্য জগতের সকল বস্তু সম্পর্কে অবগত। ৪৬ রসূল সলাতের সকল দু'আয় একবচনের শব্দ অর্থাৎ আমি / আমার / আমাকে ইত্যাদি একবচনের ব্যবহার করেছেন; আমরা / আমাদের / আমাদেরকে ইত্যাদি বহুবচনের শব্দ ব্যবহার করেননি।

টিকাঃ
৪৩. গ্রন্থকার এখানে আলাদাভাবে শেষ তাশাহুদে বসার ধরণ বর্ণনা করেন নি। সহীহ হাদীছ মুতাবেক চার রাকআত বা তিন রাকআত বিশিষ্ট সলাতের শেষ তাশাহুদে تورك তাওয়াক্কুক করা সুন্নাত। আলেমগণ তাওয়াব্রুকের একাধিক পদ্ধতি উল্লেখ করেছেন। তন্মধ্যে সর্বাধিক সহজ পদ্ধতিটি হচ্ছেঃ هو أن ينصب الرجل اليمنى ويخرج اليسرى من الجانب الأيمن ويمكن مقعدته من الأرض ডান পা খাড়া রেখে ডান দিক দিয়ে বাম পা-কে বের করে দিয়ে যমীনে নিতম্ব লাগিয়ে বসাকে তাওয়াক্কুক বলা হয়। অনুরূপভাবে লেখক শেষ বৈঠকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর দরূপ পাঠ করার কথাও সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন নি। তিনি শুধু বলেছেন যে, সালামের আগে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক দুআ পাঠ করতেন। অন্যান্য সহীহ হাদীছে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সালাম পেশ করার কথা বর্ণিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুরূদে ইবরাহীমি হচ্ছে সর্বোত্তম। দরূদে ইবরাহীমি নিম্নরূপঃ «اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّদٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّদٍ ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّদٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ» "হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের উপর ঐ রূপ রহমত নাযিল কর যে রূপ নাযিল করেছিলে ইবরাহীম ও তাঁর পরিবারের উপর নিশ্চয় তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের উপর বরকত নাজিল কর যেমনটি বরকত নাযিল করেছিলে ইবরাহীম ও তাঁর পরিবারের উপর। নিশ্চয় তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানিত। বুখারী, তাও. হা/৩৩৭০, আপ্র. হা/৩১২০, ইফা. হা/৩১২, মুসলিম, মিশকাত, হাএ. হা/৯১৯
৪৪. বুখারী, তাও. হা/৮৩২, মুসনাদে আহমাদ হা/২৪৬২২, মিশকাত, হাএ. হা/৯৩৯
৪৫. ইমাম সুন্নী দিবা-রাত্রির আমলে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম নববী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।, মুসনাদে আহমাদ হা/১৬৬৫০, ইমাম আলবানী বলেনঃ হাদীসটি যঈফ, তবে দুআটি সুন্দর। গায়াতুল মুরাম, হা/১১২।
৪৬. তিরমিযী, অধ্যায়ঃ কিতাবুত দাওয়াত। ইমাম আলবানী বলেনঃ হাদীসটির সনদ দুর্বল। আলকালিমুত তায়্যিব, হা/১০৫।

📘 মুখতাসার যাদুল মায়াদ 📄 সালাত আদায়কারীর দৃষ্টি কোন দিকে থাকবে?

📄 সালাত আদায়কারীর দৃষ্টি কোন দিকে থাকবে?


ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল বর্ণনা করেছেন যে, রসূল যখন সলাতে দাঁড়াতেন তখন মাথা নীচু করে (সিজদার দিকে) রাখতেন। আর তাশাহুদ পাঠ করার সময় তাঁর দৃষ্টি শাহাদাত আঙ্গুলের সীমা পার হত না। আল্লাহ্ তা'আলা সলাতের মাধ্যমেই তাঁর চক্ষু ও হৃদয়কে শীতল করতেন। তিনি বলতেন- হে বেলাল! সলাতের মাধ্যমে আমার মনকে শান্ত কর। ৪৭ সলাতের প্রতি তাঁর গভীর ভালবাসা ও আন্তরিকতা থাকা সত্বেও তিনি সবসময় মুক্তাদীদের প্রতি খেয়াল রাখতেন (সলাতকে অত্যন্ত দীর্ঘ করে তাদেরকে সংকটে ফেলতেন না)।

টিকাঃ
৪৭. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কথার অর্থ হচ্ছে, হে বিলাল! সলাতের সময় হয়েছে, আযান দাও। আমি সলাত আদায় করব। সলাতের মাধ্যমেই আমার চোখ ও অন্তর শীতল হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px