📄 ইশার কিরাআত
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি দীর্ঘ কিরাআত শুরু করায় নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি দীর্ঘ কিরাআত শুরু করায় নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সূরা বাকারা দিয়ে মুআয এর ইশার সলাত পড়ানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাবী বলেছেন- হে মুআয! তুমি কি মানুষকে ফিতনায় ফেলতে চাচ্ছ?
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি বিলম্বে ফিরে এসে সেদিন সূরা বাকারা শুরু করে দিলেন। এ কারণেই নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সূরা বাকারা দিয়ে মুআয এর ইশার সলাত পড়ানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাবী বলেছেন- হে মুআয! তুমি কি মানুষকে ফিতনায় ফেলতে চাচ্ছ?
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি বিলম্বে ফিরে এসে সেদিন সূরা বাকারা শুরু করে দিলেন। এ কারণেই নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সূরা বাকারা দিয়ে মুআয এর ইশার সলাত পড়ানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাবী বলেছেন- হে মুআয! তুমি কি মানুষকে ফিতনায় ফেলতে চাচ্ছ?
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি বিলম্বে ফিরে এসে সেদিন সূরা বাকারা শুরু করে দিলেন। এ কারণেই নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
📄 জুমআর সালাতের কিরাআত
জুমআর সলাতের প্রথম রাকআতে তিনি কখনও সূরা জুমআ এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা মুনাফিকুন পড়তেন। আবার কখনও প্রথম রাকআতে সূরা আ’লা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরাতুল গাশিয়া পাঠ করতেন। কিন্তু নাবী সালালাহু আলাইহি ওয়া সালাম সূরা জুমআ ও মুনাফিকুনের শুধু শেষ আয়াতগুলো দিয়ে কখনও জুমআর সলাত পড়েননি।
📄 দুই ঈদের সালাতের কিরাআত
ঈদের সলাতে কখনও তিনি সূরা কাফ ও কামারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করতেন। কখনও তিনি সূরা আলা ও সূরাতুল গাশিয়া পাঠ করতেন।
এই ছিল সলাতে কিরাআত পাঠের ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত রসূল এর সুন্নাত। তিনি একেক সময় একেক সূরা দিয়ে সলাত পড়েছেন এবং তাতে কখনও ছোট সূরা আবার কখনও বড় সূরা পাঠ করেছেন। তাঁর পরে খোলাফায়ে রাশেদীনও এই পন্থা অবলম্বন করেছেন। আবু বকর একবার ফজরের সলাতে সূরা বাকারা পাঠ করেছেন। এতে তিনি সূর্যোদয়ের একটু পূর্বে সালাম ফিরিয়েছেন। আবু বকরের পরে উমার ফজরের সলাতে সূরা ইউসুফ, সূরা নাহল, সূরা হুদ, সূরা বানী ইসরাঈল এবং অনুরূপ সূরা পড়েছেন।
রসূল এর বাণী- “তোমাদের কেউ যখন সলাতে মানুষের ইমামতি করবে তখন সে যেন সংক্ষিপ্ত সলাত পড়ে”। এ ব্যাপারে জেনে রাখা দরকার যে, রসূল কর্তৃক সলাত সংক্ষিপ্ত করার বিষয়টি ছিল আপেক্ষিক। অর্থাৎ তিনি সংক্ষিপ্ত করে যে সমস্ত সলাত পড়েছেন বলে বর্ণিত হয়েছে, সে ব্যাপারে কথা হচ্ছে, তাঁর সংক্ষিপ্ত সলাতসমূহ তাঁর দীর্ঘ সলাতগুলোর তুলনায় অধিক সংক্ষিপ্ত ছিল।
এমনটি নয় যে তিনি সব সময় সংক্ষিপ্ত করে সলাত পড়েছেন। দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত করার সীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রসূল এর আমলের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে, মুক্তাদীগণের দাবী অনুযায়ী কিরাআত ও সলাত দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত করা যাবেনা। রসূল তাঁর যে সুন্নাত ও তরীকা সব সময় অবলম্বন করেছেন, মতভেদপূর্ণ প্রত্যেক বিষয়ে তাই হবে ফয়সালাকারী। জুমআ ও দুই ঈদের সলাত ব্যতীত অন্যান্য সকল সলাতে তিনি এভাবে সূরা নির্দিষ্ট করে দেন নি যে, তা ছাড়া অন্যটি পড়া যাবে না।
📄 একই সালাতের দুই রাকআতে একই সূরা পাঠ করা এবং দ্বিতীয় রাকআতের প্রথম লম্বা করা
তাঁর সুন্নাত এই ছিল যে, কোন সলাতের এক রাকআতে তিনি পূর্ণ একটি সূরা পাঠ করতেন। কখনও তিনি একই সূরা উভয় রাকআতে পড়েছেন। নাবী থেকে সূরার শেষাংশ বা মাঝখান থেকে পাঠ করার কথা বর্ণিত হয়নি। নফল সলাতের এক রাকআতে কখনও দুইটি সূরা পাঠ করতেন। ফরজ সলাতে তিনি কখনও এমনটি করেন নি। একই সূরা একই সলাতের দুই রাকআতে খুব কমই পাঠ করতেন। তিনি প্রত্যেক সলাতের প্রথম রাকআত দ্বিতীয় রাকআতের তুলনায় অধিক লম্বা করতেন। তাঁর পবিত্র সুন্নাতের মধ্যে এটিও ছিল যে, যতক্ষণ পর্যন্ত জামাআতে শরীক হওয়ার উদ্দেশ্যে আগত মানুষের পায়ের আওয়াজ শুনতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি সলাতের প্রথম রাকআতের কিরাআত লম্বা করতেন।