📄 আসরের কিরাআত
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরাআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
📄 মাগারিবের কিরাআত
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন। ইমাম ইবনে আব্দুল বার বলেন- নাবী মাগরিবের সলাতে সূরা আলিফ-লাম-মীম সোয়াদ, সাফ্ফাত, দুখান, আলা, তীন, নাস, ফালাক এবং সূরা মুরসালাত পাঠ করেছেন। কখনও তিনি তাতে ছোট ছোট সূরা পড়েছেন। এ সমস্ত বর্ণনার সবগুলোই সহীহ এবং প্রসিদ্ধ।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন। ইমাম ইবনে আব্দুল বার বলেন- নাবী মাগরিবের সলাতে সূরা আলিফ-লাম-মীম সোয়াদ, সাফ্ফাত, দুখান, আলা, তীন, নাস, ফালাক এবং সূরা মুরসালাত পাঠ করেছেন। কখনও তিনি তাতে ছোট ছোট সূরা পড়েছেন। এ সমস্ত বর্ণনার সবগুলোই সহীহ এবং প্রসিদ্ধ।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন। ইমাম ইবনে আব্দুল বার বলেন- নাবী মাগরিবের সলাতে সূরা আলিফ-লাম-মীম সোয়াদ, সাফ্ফাত, দুখান, আলা, তীন, নাস, ফালাক এবং সূরা মুরসালাত পাঠ করেছেন। কখনও তিনি তাতে ছোট ছোট সূরা পড়েছেন। এ সমস্ত বর্ণনার সবগুলোই সহীহ এবং প্রসিদ্ধ।
📄 ইশার কিরাআত
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি দীর্ঘ কিরাআত শুরু করায় নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি দীর্ঘ কিরাআত শুরু করায় নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সূরা বাকারা দিয়ে মুআয এর ইশার সলাত পড়ানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাবী বলেছেন- হে মুআয! তুমি কি মানুষকে ফিতনায় ফেলতে চাচ্ছ?
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি বিলম্বে ফিরে এসে সেদিন সূরা বাকারা শুরু করে দিলেন। এ কারণেই নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সূরা বাকারা দিয়ে মুআয এর ইশার সলাত পড়ানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাবী বলেছেন- হে মুআয! তুমি কি মানুষকে ফিতনায় ফেলতে চাচ্ছ?
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি বিলম্বে ফিরে এসে সেদিন সূরা বাকারা শুরু করে দিলেন। এ কারণেই নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
নাবী ইশার সলাতে সূরা তীন পড়েছেন এবং মুআয এর জন্য তাতে সূরা শামস্, সূরা আলা, সূরা লাইল এবং অনুরূপ সূরা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সূরা বাকারা দিয়ে মুআয এর ইশার সলাত পড়ানোর প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাবী বলেছেন- হে মুআয! তুমি কি মানুষকে ফিতনায় ফেলতে চাচ্ছ?
টিকাঃ
২৩. প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, মুআয নাবী এর সাথে ইশার সলাত পড়তেন। তারপর তিনি তাঁর মহল্লায় গিয়ে উক্ত সলাতের ইমামতি করতেন। একবার তিনি বিলম্বে ফিরে এসে সেদিন সূরা বাকারা শুরু করে দিলেন। এ কারণেই নাবী মুআযের কাজকে অপছন্দ করেছেন।
📄 জুমআর সালাতের কিরাআত
জুমআর সলাতের প্রথম রাকআতে তিনি কখনও সূরা জুমআ এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা মুনাফিকুন পড়তেন। আবার কখনও প্রথম রাকআতে সূরা আ’লা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরাতুল গাশিয়া পাঠ করতেন। কিন্তু নাবী সালালাহু আলাইহি ওয়া সালাম সূরা জুমআ ও মুনাফিকুনের শুধু শেষ আয়াতগুলো দিয়ে কখনও জুমআর সলাত পড়েননি।