📄 ফজরের কিরাআত
ফজরের সলাতে তিনি ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন। তিনি উভয় রাকআতেই সূরা ক্ব-ফ, সূরা রোম, সূরা তাকভীর, সূরা যিলযাল পড়েছেন। তিনি সূরা ফালাক ও সূরা নাস দিয়েও ফজরের সলাত পড়েছেন।
তিনি একদা কোন এক সফরে ছিলেন। তখন তিনি ফজরের সলাতে সূরা মুমিনূন পড়তে শুরু করলেন। প্রথম রাকআতে যখন মুসা এবং হারুনের বর্ণনা আসল অর্থাৎ ৪৪ নং আয়াত পর্যন্ত পড়লেন তখন তাঁর কাশি এসে গেল। তখন তিনি কিরাআত পাঠ বন্ধ করে রুকুতে চলে গেলেন।
জুমআর দিন ফজরের সলাতের প্রথম রাকআতে তিনি আলিফ-লাম-মীম সাজদা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইনসান (সূরা দাহর) তথা পাঠ করতেন। এমনিভাবে তিনি দুই ঈদ এবং জুমআর ন্যায় বড় ধরণের সম্মেলনে সূরা কাফ, সূরা কামার, সূরা আ'লা এবং গাশিয়া পাঠ করতেন।
📄 যোহরের কিরাআত
যোহরের সলাতে কখনও তিনি লম্বা কিরাআত পাঠ করতেন। আবু সাঈদ বলেন- যোহরের সলাতে কিরাআত এত দীর্ঘ করতেন যে, ইকামত শুনে কেউ ইচ্ছা করলে বাকী নামক স্থানে গিয়ে প্রয়োজন সমাধা করে বাড়িতে ফিরে এসে ওযু করে মাসজিদে গিয়ে নাবী কে প্রথম রাকআতেই পেয়ে যেত। তিনি তাতে কখনও সূরা আলিফ-লাম-মীম সাজদাহ তিলাওয়াত করতেন। কখনও সূরা আলা, কখনও সূরা লাইল এবং কখনও সূরা বুরুজ তিলাওয়াত করতেন।
📄 আসরের কিরাআত
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরাআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
আসরের সলাতের কিরাআত যোহরের সলাতের কিরআতের অর্ধেক পরিমাণ লম্বা করতেন। আসরের লম্বা কিরাআত যোহরের সংক্ষিপ্ত কিরাআতের সমান ছিল।
টিকাঃ
২২. মুসলিম, অধ্যায়- যোহর ও আসরের সলাতের কিরাআত।
📄 মাগারিবের কিরাআত
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন। ইমাম ইবনে আব্দুল বার বলেন- নাবী মাগরিবের সলাতে সূরা আলিফ-লাম-মীম সোয়াদ, সাফ্ফাত, দুখান, আলা, তীন, নাস, ফালাক এবং সূরা মুরসালাত পাঠ করেছেন। কখনও তিনি তাতে ছোট ছোট সূরা পড়েছেন। এ সমস্ত বর্ণনার সবগুলোই সহীহ এবং প্রসিদ্ধ।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন। ইমাম ইবনে আব্দুল বার বলেন- নাবী মাগরিবের সলাতে সূরা আলিফ-লাম-মীম সোয়াদ, সাফ্ফাত, দুখান, আলা, তীন, নাস, ফালাক এবং সূরা মুরসালাত পাঠ করেছেন। কখনও তিনি তাতে ছোট ছোট সূরা পড়েছেন। এ সমস্ত বর্ণনার সবগুলোই সহীহ এবং প্রসিদ্ধ।
মাগরিবের সলাতের কিরাআতে রসূল এর সুন্নাত আজ কালের কিরাআতের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি একবার উভয় রাক'আতে সূরা আরাফকে দুইভাগ করে পাঠ করেছেন। একবার তিনি এতে সূরা তুর এবং অন্যবার সূরা মুরসালাত পড়েছেন।
মাগরিবের সলাতে সব সময় ছোট সূরা পাঠ করার রীতি উমাইয়া খলীফা মারওয়ান বিন হাকামের যুগ থেকে শুরু হয়েছে। তাই যায়েদ বিন ছাবিত তার এই কাজের প্রতিবাদ করেছেন। ইমাম ইবনে আব্দুল বার বলেন- নাবী মাগরিবের সলাতে সূরা আলিফ-লাম-মীম সোয়াদ, সাফ্ফাত, দুখান, আলা, তীন, নাস, ফালাক এবং সূরা মুরসালাত পাঠ করেছেন। কখনও তিনি তাতে ছোট ছোট সূরা পড়েছেন। এ সমস্ত বর্ণনার সবগুলোই সহীহ এবং প্রসিদ্ধ।