📄 গর্ভাবস্থায় মায়েদের প্রস্তুতি
• কোনো মাসে হায়েয না হলে ইউরিন টেস্টের মাধ্যমে গর্ভে সন্তান এসেছে বলে জানা গেলে প্রথম কাজ হচ্ছে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। প্রথম ভিজিটের পরীক্ষাগুলো (হিমোগ্লোবিং লেবেল টেস্ট, ব্লাড সুগার লেবেল টেস্ট, থাইরয়েড ফাংশন টেস্ট, আলট্রাসনোগ্রাফসহ ৭-৮টি টেস্ট) গুরুত্বের সাথে করা উচিত।
◇ হাইরিক্স প্রেগন্যান্সি বা উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন গর্ভাবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে তাহলে ডাক্তারের দেওয়া আল্ট্রাসনোগ্রাফি দেখেই ডাক্তার প্লাসেন্টার পজিশন সম্পর্কে বলে দেবেন। প্ল্যাসেন্টা গর্ভাবস্থায় জরায়ুতে বিকাশ লাভ করে। এটি গর্ভে ক্রমবর্ধমান শিশুর জন্য অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে এবং শিশুর রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ সরিয়ে দেয়। প্লাসেন্টা গর্ভের উপরে অবস্থান করলে সেটা নরমাল। কিন্তু যদি তা গর্ভের নিচে অবস্থান করে তাহলে তা হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। একে 'প্লাসেন্টা প্রিভিয়া' বলে। এ ছাড়াও হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সির আরও কিছু অবস্থা রয়েছে, যা ডাক্তার টেস্ট রিপোর্ট দেখে বলবেন। এসময় সহবাস থেকে দূরে থাকা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলা উচিত।
📄 ট্রাইমেস্টার
গর্ভাবস্থাকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা: ফাস্ট ট্রাইমেস্টার, সেকেন্ড ট্রাইমেস্টার, থার্ড ট্রাইমেস্টার।
• ফার্স্ট ট্রাইমেস্টার (প্রথম তিন মাস)
খাওয়া-দাওয়ায় সতর্ক থাকা, ফলিক এসিড ও জিংক ট্যাবলেট খাওয়া;
এই সময়ে সহবাস থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ এতে গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে;
সাধারণ কাজগুলো করা তবে ভারী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, এতে মানসিক চাপ নেওয়া যাবে না;
অতিরিক্ত চিন্তা না করে সবকিছু আল্লাহর কাছে সপে দিতে হবে। বারবার দু'আ, রুক্কইয়াহ, ইস্তেগফার করতে হবে;
হাইরিস্ক প্রেগন্যান্সি হলে দু'আ করতে হবে যাতে নরমাল ডেলিভারি হয়। দৃঢ় তায়াক্কুল, উত্তম সবর, আল্লাহর উপর সুধারণা রেখে দু'আ করলে আল্লাহ দু'আ কবুল করবেন ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ চাইলে নরমাল ডেলিভারি হওয়া অসম্ভব কিছুই না তাই প্রবল সুধারণা এবং পাশাপাশি তাহাজ্জুদ, দু'আ কবুলের বিশেষ সময়গুলোতে বেশি বেশি দু'আ করে যেতে হবে;
দিনে ১০-১২ গ্লাস পানি পান করা, কচুর লতি, শাক (রক্তশূন্যতা পূরণে সাহায্য করে), ফলমূল, সবুজ শাকসবজি, ২ গ্লাস করে দুধ ইত্যাদি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে হবে;
এসময় অনেকের বমি হয়। তাই খাবার একবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়া যেতে পারে;
বমি-বমি ভাব, বমি হওয়া, মাথা ঘোরা, খাওয়ায় অরুচি—এসব বিষয়গুলো এই সময়টায় বেশি হয়। একেই বলা হয় Morning Sickness। এই বিষয়গুলো আগে থেকেই পরিবারের লোকদের বিশেষ করে স্বামীর জেনে রাখা জরুরি। গর্ভকালে নারীদের ঘন ঘন মেজাজ পরিবর্তন (Mood Swing) হয়ে থাকে। অনেকেই বেশ খিটখিটে স্বভাবের হয়ে ওঠেন ও বিষণ্ণগ্রস্ত হয়ে পড়েন。
• সেকেন্ড ট্রাইমেস্টার (দ্বিতীয় তিন মাস)
এসময় ডাক্তার হিমোগ্লোবিন টেস্ট ও আলট্রাসনোগ্রাফ করতে বললে সেগুলো গুরুত্বের সাথে করতে হবে;
৫/৭ মাসে Congential Anamalies চেকআপের জন্য ডাক্তার আলট্রাসনোগ্রাফ করতে দিলে তা করাতে হবে। এর মাধ্যমে বাচ্চার কোনো ত্রুটি আছে কিনা তা দেখা হয়;
আয়রন ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খেতে হবে;
এই সময়ে একজন ভালো ডায়ট্রেশিয়ানের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে যাতে মায়ের খাদ্য তালিকায় কি কি খাবার থাকবে তা জেনে নেয়া যায়;
গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়মিত টেস্ট করা উচিত। একে Gestational Diabetes বলে। এটা নরমাল, কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় তাই টেস্ট করা জরুরি। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।
◆ থার্ড ট্রাইমেস্টার (তৃতীয় তিন মাস)
যাদের নরমাল প্রেগন্যান্সি তারা এই সময়টাতে সহবাসের মুহূর্তে সতর্ক থাকতে হবে যেন পেটে চাপ না পড়ে। অবশ্য পুরো প্রেগন্যান্সিতেই সহবাসের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। (প্রথম তিন মাস সহবাস না করাই ভালো);
এ সময়টাতে অধিক পানি খাওয়া উচিত। নাহলে ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে;
ডাক্তার এই সময়টাতে একটা আলট্রাসনোগ্রাফ করতে দেয় যাতে বাচ্চার ওজন ও প্লাসেন্টার অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। এটা ৩৭ সপ্তাহের দিকে করতে হয়;
গর্ভবতী মায়ের ওজন বেশি হয়ে গেলে কিংবা ডায়াবেটিস থাকলেও যদি মায়ের পেলভিস এরিয়া এবং বাচ্চার ওজন ঠিক থাকলে সমস্যা হবে না;
বাচ্চার মাথার অবস্থান যদি গর্ভের নিচের দিকে না থাকে এবং যদি বাকি সব স্বাভাবিক থাকে, তথা– পেলভিস এরিয়া বা বাচ্চা প্রসবের রাস্তা, বাচ্চার ওজন ইত্যাদি; তাহলে নরমাল ডেলিভারিতে সমস্যা নেই ইন শা আল্লাহ। তবে শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আপনার ডাক্তারই সঠিক বলতে পারবেন;
৩৭ সপ্তাহ হয়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শে কিছু প্রিনেটাল এক্সারসাইজ করা ভালো;
৩৭ সপ্তাহ পরে নিয়মিত ৭-৮টি খেজুর, পাকা পেঁপে খাওয়া উচিত। এ সময়ে ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার মা ও সন্তানের জন্য অধিক প্রয়োজন। এটি শিশুর স্পাইনা বিফিডা (অপরিণত মেরুদণ্ড)-এর মতো জন্মগত সমস্যাগুলোর আশঙ্কা কমিয়ে আনে। শাক, শিম, মটরশুঁটি, লেবু, কমলা, তরমুজ, কলা ইত্যাদিতে ভালো পরিমাণে ফলিক এ্যাসিড রয়েছে। এছাড়া ভালো ফলমূল, আমিষ, দুধ, ডিম সবই এই সময় মায়েদের খাওয়া উচিত। সন্তানের বুদ্ধি বিকাশের ক্ষেত্রে ২০% অবদান সন্তানের তারবিয়াতের ওপর নির্ভর করে। বাকি ৮০% বুদ্ধির বিকাশে অবদান রাখে খাদ্য। অথচ আমরা অনেকেই খাদ্যের দিকে অতটা নজরপাত করি না। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তার খাদ্য যেমন প্রয়োজন, গর্ভে থাকা অবস্থাতেও তা-ই। তবে অনেকেই গর্ভবতী মায়েদেরকে বলে থাকে যে, সন্তান গর্ভে থাকাকালীন ফলমূল কম খেতে। তাহলে নরমাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। এমনটি করা একদমই উচিত নয়। কেননা, এতে পুষ্টিহীনতার অভাবে বাচ্চা অসুস্থ এমনকি মারাও যেতে পারে।
এ ছাড়া অন্তত আধ-ঘণ্টা করে সকাল-বিকেল হাঁটা ও অন্যান্য সাধারণ কাজ করা যেতে পারে;
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে গর্ভকালীন সময়ের শেষের দিকে পরিচ্ছন্ন থাকা, নিয়মিত লোম পরিষ্কার করা, যোনিপথ পরিচ্ছন্ন রাখা, V-care ব্যবহার করা প্রয়োজনীয়। যোনিপথের স্বাভাবিক pH বজায় রাখতে V-care সাধারণ সাবানের চেয়ে অধিক কার্যকর যা পূর্বেও উল্লিখিত হয়েছে।
📄 সন্তান প্রসব
সি-সেকশন বা সিজারের মাধ্যমে ডেলিভারির অনেকগুলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাই সিজারে ডেলিভারি হলে ডেলিভারির পর অনেক সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। সে কারণে প্রত্যেকের উচিত নরমাল ডেলিভারির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। তবে কিছু অবস্থা ভিন্ন যেগুলোতে সি-সেকশন ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। যেমন: লেবার پین অনেক ঘণ্টা ধরে কিন্তু বাচ্চা উল্টো পজিশনে আছে, অক্সিজেন কমে গেছে, পানি ভাঙার অনেক পরেও پین না উঠা ও পজিশন উল্টো ইত্যাদি। এমন অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে সি-সেকশন করা লাগতে পারে।
তবে নরমাল ডেলিভারির জন্য নিজেকে আগে থেকেই কাউন্সিলিং করা উচিত। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দু'আ। আল্লাহর কাছে খুব দু'আ করা উচিত। নিজেকে বোঝাতে হবে যে- আল্লাহ মেয়েদেরকে সামর্থ্য দিয়ে পাঠিয়েছেন, তিনি সাধ্যের চেয়ে অধিক বোঝা চাপান না, তাই আমিও পারবো ইন শা আল্লাহ। প্রথমেই 'পারব না' ভেবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটা একটা সাধারণ প্রক্রিয়া। শতাব্দী ধরে কোটি কোটি মানুষ এভাবেই জন্মেছে। বরং সি-সেকশনই অস্বাভাবিক যদিও তা বর্তমানে ব্যাপক হারে গ্রহণযোগ্য। সি-সেকশন অনেক বড় একটা সার্জারি, নরমাল ডেলিভারির চেয়ে সি-সেকশনই বরং কঠিন। তাই অস্বাভাবিক কোনো কিছুতে যাওয়ার চিন্তা মাথায় আনা যাবে না। আমাদের সার্বক্ষণিক দু'আ করা ও আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করা উচিত। আল্লাহর উপর ভরসা করলে তিনি এমনভাবে সহজ করে দেবেন যেটা আমরা চিন্তাও করতে পারব না।
• নরমাল ডেলিভারির জন্য কিছু বিষয় লক্ষণীয়
• গর্ভধারণ কোনো রোগ নয়। এটা স্বাভাবিক, তাই স্বাভাবিক থাকতে হবে;
◆ সহজ কাজগুলোকে ব্যায়াম হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। হাই কমোড বাদ দিয়ে নরমাল কমোড/লো প্যান ব্যবহার করা উচিত। দিনে কমপক্ষে ২/৩ বার নরমাল কমোড ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে নরমাল ডেলিভারির জন্য পেলভিক এরিয়ার মাংসপেশির ব্যায়ামও হয়ে যায় যা নরমাল ডেলিভারির জন্য খুব দরকারি। ভারী কাজ বাদে ঘরের অন্যান্য স্বাভাবিক কাজ করা যাবে;
◇ হাসিখুশি থাকা, মেজাজ ঠিক রাখা;
• খাবারের দিকে নজর দেওয়া ও নিজের যত্ন নেওয়া;
◇ চতুর্থ মাস হতে বাচ্চার নড়াচড়া খেয়াল করা দরকার। শেষ সপ্তাহগুলোতে এ বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা, বাচ্চার নড়াচড়া না থাকলে ডাক্তার দেখানো জরুরি;
• ডেলিভারির পর যত দ্রুত সম্ভব বাচ্চাকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো যা পূর্বেও একাধিক বার উল্লেখ হয়েছে;
• যেসব মায়েদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের জন্য হাসপাতালে ডেলিভারি করানো আবশ্যক;
• এছাড়া সর্বাবস্থাতেই বাসায় ডেলিভারি না করে হাসপাতালে করানোই উত্তম, বাসায় করালে পেরিনিয়াল টেয়ার (যোনিপথ ও পায়ুপথের মধ্যবর্তী স্থান ছিঁড়ে যাওয়া) হওয়ার সম্ভবনা থাকে। পেরিনিয়াল টেয়ার যাতে না হয় এ জন্য হাসপাতালে এপিশিওটমি (Episiotomy) করে থাকে।
সন্তান বের হয়ে আসার রাস্তা সংকীর্ণ হলে তা একপাশ থেকে কেটে বড় করে নেওয়া হচ্ছে- এপিশিওটমি। এতে ভয় করার দরকার নেই, এটা দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং ইনফেকশনেরও ভয় থাকে না।
• এপিসিওটমি সম্পর্কে কিছু কথা
ডেলিভারির পর নিয়মিত হিপ বাথ নেওয়া - কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ পভিসেপ আয়োডিন মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট পানিতে বসে থাকতে হবে। দিনে ২ বার করে টানা ১ মাস এভাবে চালিয়ে যেতে হবে।
এতে সহবাস ও মলমূত্র ত্যাগে কোনো সমস্যা হয় না।
• কখন সি-সেকশন বা সিজার করতে হবে
বাচ্চার মাথা কোনমতেই নিচে না নামলে;
পানি ভেঙে গেলে ও বাচ্চার পজিশন ঠিক না থাকলে;
বাচ্চার হার্টবিট কমে গেলে ও বাচ্চার পজিশন ঠিক না থাকলে;
ইমার্জেন্সি ছাড়া সি-সেকশন করা যাবে না। প্রথম সিজারের পর নরমাল ডেলিভারি করা যাবে তবে সেলাইয়ের পুরুত্ব খেয়াল করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। সিজারে প্রথম বাচ্চা হওয়ার অন্তত ২ বছর পর পরবর্তী বাচ্চা নেওয়া যেতে পারে;
📄 পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন
পোস্ট-পার্টাম অর্থাৎ প্রসব-পরবর্তী মুহূর্তে হতাশা অনুভূত হওয়া গর্ভকালীন সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণীয় বিষয়। প্রসব-পরবর্তী সময়টাতে সাধারণত শিশুর দিকেই সবাই অধিক মনোযোগী হয়ে ওঠে এবং তাকে ঘিরেই এক আনন্দঘন মুহূর্ত তৈরি হয়।
প্রেগন্যান্সির একটা বড় চাপের পর হঠাৎ হরমোনাল পরিবর্তনের জন্য মায়ের মধ্যে এক ধরণের হতাশা কাজ করে। এটি একটি সাধারণ ফিজিওলজি। এ সময়ে মায়ের মনে এই ভেবে হতাশা জন্মায় যে, তার দিকে কেউ ততোটা মনোযোগ দিচ্ছে না, সকলে বাচ্চাকে নিয়ে মেতে আছে। তাই এই সময়টাতে মায়েরও অনেক পরিচর্যা করা দরকার। সবার উচিত তাকে সহযোগিতা করা ও সঙ্গ দেওয়া। পরিবারের সদস্যদেরকে; বিশেষ করে নিজের স্বামীকে ভালো করে প্রসবের পূর্বেই এই বিষয়ে বুঝিয়ে দেয়া উচিত। স্বামীর দায়িত্ব হবে পরিবারের বাকী সকলকে বিষয়টা বুঝানো। এ সম্পর্কে যখন সবাই মোটামুটি একটা ধারণা পাবে তখন তারা সবাই আগে থেকেই প্রস্তুত থাকবে বলে আশা করা যায়।
পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের কোনো প্রকার ধারণা না থাকার কারণে অনেক সময় মায়েদেরকে বহু পারিবারিক সমস্যা ও ভুল বোঝাবুঝির সম্মুখীন হতে দেখা যায়।
◇ পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশনের কিছু লক্ষণ
◇ দ্রুত মানসিক অবস্থার পরিবর্তন হওয়া, মন খারাপ থাকা;
◇ হতাশগ্রস্ত ও বিষণ্ণ থাকা;
◇ মানসিক অবসাদ বোধ করা;
◇ কেউ মায়ের খেয়াল নিচ্ছে না, সবাই শুধু বাচ্চাকে নিয়ে ব্যস্ত, মায়ের কাছে এমন মনে হওয়া;
◇ ঠিকমতো ঘুম না হওয়া;
◇ আগে যেসব কাজ করতে ভালো লাগত এখন তা করতে ভালো না লাগা;
◇ বাচ্চা বা স্বামীর প্রতি অনীহাও জন্ম নিতে পারে।