📘 মুহস্বানাত (পবিত্র নারীদের পাঠশালায়) > 📄 আবেদনময়ীতা

📄 আবেদনময়ীতা


পুরুষেরা আবেদনময়ী নারীই অধিক পছন্দ করে। তারা এমন নারী পছন্দ করে যেই নারী লজ্জাশীল হবে, সেই সাথে স্বামীর প্রতি তার থাকবে ব্যাপক যৌনাকর্ষণ। স্বামীরা চায় স্ত্রীরা মাঝে মাঝে নিজ থেকেই সহবাসের আহ্বান করুক। কিন্তু আমাদের উপমহাদেশের নারীগণ লজ্জাশীলতার দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়, কিন্তু অতি লজ্জার দরুন স্বামীকে সহবাসের প্রতি নিজ থেকে আহ্বান করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। আমাদের জরিপে অংশগ্রহণকারী ভাইদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তারা স্ত্রীদের মাঝে দ্বীনদারিতার পাশাপাশি কোন বৈশিষ্ট্যগুলো দেখতে চায়। তাদের কিছু মন্তব্য এখানে তুলে ধরা হচ্ছে-

• ধার্মিক হওয়ার পাশাপাশি এ যুগের স্ত্রীদের শারীরিক সৌন্দর্য ও লাস্যময়ী হওয়ার দিকেও মনোযোগ দেওয়া উচিত। নারীদেরকে শেখানো উচিত যে, কীভাবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারলে স্বামী পরকীয়া তো দূরের কথা, দ্বিতীয় বিয়ের কথাও ভুলে যাবে।

◇ স্ত্রী যদি আল্লাহর প্রতি অনুগত থাকে, স্বামীর প্রতি যত্নশীল হয়, স্বামীর প্রতি অনুগত থাকে, বুদ্ধিমত্তার সাথে স্বামীকে ফিতনার পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে পারে- এজন্য যদি তাকে কিছুটা ত্যাগও স্বীকার করতে হয় তবুও। এ ছাড়াও সে যদি স্বামীর মনে এই ধারণা দিতে পারে যে, স্বামীকে সে সবসময় কাছে পেতে চায়, সবসময় তাকে খুশি দেখতে চায় তাহলে হয়তো আল্লাহর ইচ্ছায় স্বামীও স্ত্রীর দিকেই ঝুঁকে থাকবে এবং সবসময় চেষ্টা করবে স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে, স্ত্রীকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য দিতে। স্বামীও তাহলে চেষ্টা করবে নানামুখী ফিতনা থেকে বেঁচে থেকে স্ত্রীর মন রক্ষা করতে।

◇ প্রথমত, রোমান্টিকতা; দ্বিতীয়ত, স্বামীর কাজের যে ক্ষেত্র, সেখানে পাশে থেকে সাহায্য করা (যেমন স্বামী লেখক হলে, স্ত্রী যদি সেরকম লেখক নাও হয়ে থাকে অন্তত স্বামীর লেখা মূল্যায়ন করা, আনুষাঙ্গিক উপাদান জোগাড় করে দেওয়া ইত্যাদি)। তৃতীয়ত, স্ত্রীর এমন কোনো একটা ক্ষেত্র থাকা যাতে সেই বিষয়ে স্বামী-স্ত্রীর প্রতি মুখাপেক্ষী থাকতে হয় (যেমন: বাহির থেকে এসে সাধারণ সমাদর স্ত্রীর থেকে পাওয়া, এই বিষয়ে স্ত্রীর প্রতি নির্ভরশীল থাকা যাতে স্ত্রী অনুপস্থিত থাকলে স্বামী তাকে ভালোভাবে মিস করে)। চতুর্থত, দ্বীনের ব্যাপারে অন্তত এতটুকু জ্ঞান রাখা যা দিয়ে স্বামীকে সহায়তা বা সতর্ক করতে পারে। পঞ্চমত, শাশুড়ির সাথে ঝামেলা না করা এবং শাশুড়ির নামে স্বামীর কাছে কথায় কথায় বিচার না দিয়ে হিকমতের সাথে শাশুড়ির সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা যাতে প্রয়োজনে স্বামীর সাথে ঝামেলা হলে শাশুড়ি দুইজনের প্রতি একই রকম ভালোবাসা থেকে বনিবনা করে দেয়। ষষ্ঠত, স্বামীর যদি কোনো বিশেষ দুর্বলতা বা স্পর্শকাতরতা থেকে থাকে তাহলে স্বামীর বোন বা মায়ের সাথে কথা বলে সেটা জানা এবং এই বিষয়ে সতর্ক থাকা; এবং সপ্তমত, কোনো কিছু নিয়ে খোঁটা অথবা বেশি খোঁচাখুঁচি করা থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি।

◇ সহায়ক প্রকৃতির হওয়া, স্বামীর ডাকে সাড়া দেওয়া, প্রেমময়ী হওয়া, শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় স্বামীর জন্যেই সাজগোজ করা, নিজেকে গুছিয়ে রাখা, বিভিন্ন চাল খাটানো (অর্থাৎ, পুরুষকে দুর্বল করার জন্য নারীদের স্বভাবসুলভ কৌশলগুলো শুধু স্বামীর ওপরই প্রয়োগ করা।) স্বামীর কথাকে মূল্যায়ন করা। হারাম কাজে আল্লাহর ভয়ের কথা স্মরণ করানো যেভাবে করলে ভালো হবে, আল্লাহর অবাধ্যতায় আনুগত্য না করা। ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বুদ্ধি খাঁটিয়ে স্বামীকে তা থেকে অনাসক্ত রেখে নিজের দিকে বেশি আকৃষ্ট করা। নিজেকে স্বামীর কাছে সর্বদা গ্রহণীয় রাখতে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া, আল্লাহ সহজ না করলে কিছুই সম্ভব নয়। ঘরে স্বামীর সাথে অবস্থানের সময়ে সুগন্ধী ব্যাবহার করা যেতে পারে।

◇ ১. স্বামীকে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসা। ২. পরিপূর্ণ দ্বীন মেনে চলা এবং দ্বীনের কোন বিষয়ে ছাড় না দেওয়া। ৩. স্বামীর দুর্বল দিকগুলো জানা থাকলে ওইগুলো নিয়ে খোটা না দেওয়া এবং ওই দুর্বল দিকগুলোই কীভাবে সুন্দর করে পজিটিভলি তার কাছে রিপ্রেসেন্ট করা যায় তা ভাবা। ৪. স্বামীর মা-বাবাকে সম্মান করা এবং যতটুকু পারা যায় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তাদের খেদমত করা। এটা স্ত্রীর কর্তব্য না কিন্তু অনেক বড় একটা ইহসান এবং এর দ্বারা স্বামীর সন্তুষ্টির একটা ভালো অংশ অর্জন করা সম্ভব হয়। ৫. দুই জনের সম্পর্ককে প্রতিযোগিতার চোখে না দেখে সহযোগিতার চোখে দেখা। ৬. একমাত্র স্বামীর জন্যই সাজগোজ করা এবং অন্যদের স্বামীর গুনাবলি তাকে বলে না বেড়ানো。

• আমার ধারণা স্ত্রীকে আরও আকর্ষণীয় হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। এর অর্থ, দ্বীনি পরিসীমা মেনে স্বামী যেভাবে চায় সেরকম সাজগোজ করা। পুরুষদের ক্ষেত্রে মেয়েদের রূপের ব্যাপারে পছন্দের অগ্রাধিকার থাকে। স্ত্রীর উচিত সাধ্যের মধ্যে যতটুকু সম্ভব সেরকমভাবে সেঁজে থাকার চেষ্টা করা। ছেলেদের খাহিশাত প্রায়ই আসে, এবং হঠাৎ আসে। তাই স্ত্রীদের সবসময় কিছুটা প্রস্তুত থাকা উচিত। তা ছাড়া ছেলেরা এমন মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে যারা নম্রস্বরে কথা বলে, চেঁচামেচি কম করে এবং বিনয়ী হয়। উচ্চস্বরে কথা বলা ও ঝগড়াটে মেয়েদের ওপর দ্রুত আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে।

• আমার নিজের সমস্যা থেকে যা মনে হয়, তেমন কিছু না- স্ত্রী স্বামীর সাথে গল্প করবে, আড্ডা দেবে বেশি বেশি। দ্বীনি গল্প হবে, উম্মাহকে নিয়ে গল্প হবে। আর স্ত্রী বিশেষ সময়গুলোতে যদি সাড়া দেয় ঠিকমতো, যৌনমিলন আনন্দময় করতে সহয়তা করে, প্রতিদিন বা দিনে কয়েকবার চাইলেও যদি সাড়া দেয়, তাহলেই যথেষ্ট।

◇ স্বামীর জন্য সাজগোজ করা। আর স্বামীর প্রতি পাগলের মতো ভালোবাসা প্রকাশ করা। ভালোবাসা প্রকাশ করা-এইটা খুবই কার্যকরী যদি স্ত্রী অনেক বেশি সুন্দরী নাও হয়ে থাকে।

◇ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য নারী-পুরুষ উভয়েরই ইলমের গভীরতা প্রয়োজন। আর ধারাবাহিক প্রক্রিয়া ছাড়া ইলমের গভীরতায় পৌঁছানো সম্ভব নয়। এর সাথে উভয় সঙ্গীর জীবনের মহৎ উদ্দেশ্য থাকা জরুরি। যেমন: আল্লাহর শাসন পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে কায়েম করা। উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উভয়েরই যথেষ্ট প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ কর্মপরিকল্পনা থাকা দরকার। মহৎ উদ্দেশ্য সামনে থাকলে সাংসারিক ছোটখাটো ঝামেলা তুচ্ছ মনে হবে।

◇ স্ত্রীর দরকার sexual fantasy, romanticism - এসব বিষয়গুলোকে বোঝা। স্বামীর জৈবিক চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করা উচিত।

• স্বামী বাইরে থাকলে তার জন্য সবসময় খুব অপেক্ষা করে থাকা এবং সেটা স্বামীকে বুঝতে দেওয়া। স্বামীর পছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া যদি না সেটা শরী'আতের পরিপন্থী হয়। স্বামীর জন্য মাঝে মাঝে সেঁজেগুজে থাকা।

◇ স্বামীর ডাকে সাড়া দেওয়া, সৌন্দর্যের প্রকাশ করা, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে তাকে উল্লাসিত রাখা, আবেদনময়ী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা, কখনো বিরক্তি প্রকাশ না করা।

◇ খুব প্রেমী, সুন্দর কুরআনের তিলাওয়াত, কিছু অনন্য হালাল ঢং।

◇ ভালো ফিগার, যাতে অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকাতে না হয়।

উপরের মন্তব্যগুলো থেকে কয়েকটা বিষয় ফুটে উঠছে- একজন নারীর কাছে সাজুগুজু, স্বামীর দৈহিক চাহিদার প্রতি খেয়াল, আবেদনময়িতা বা লাস্যময়িতা, দৈহিক সৌন্দর্য এসবই পুরুষদের মূল চাওয়া। দাম্পত্য জীবন শুরু হওয়ার পর থেকে সবসময়ই এই বিষয়গুলো ধরে রাখা দরকার। দাম্পত্য জীবনের শুরুর দিকের সময়গুলো মোক্ষম সময়। এই সময়গুলোতে স্বামীর থেকে যদি উত্তম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় তাহলেই সফলতা।

প্রবাদে বলা হয়, First impression is the last impression. তাই দাম্পত্য জীবনের প্রথম মুহূর্তগুলোতে স্বামীকে অধিক সময় দেওয়া উচিত, নিজ থেকে স্বামীকে আহ্বান করা যেতে পারে, বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক ইঙ্গিত করা যেতে পারে, উদ্দীপনামূলক খেলা উপভোগ করা যায়। এসবের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। তা নাহলে খুব জলদিই স্বামী আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে তার স্ত্রীর প্রতি। তাই সুস্থ- স্বাভাবিক ও ভালোবাসাময় দাম্পত্য জীবন বজায় রাখতে এই বিষয়ে সর্বদা প্রস্তুত থাকা বাঞ্ছনীয় এবং আল্লাহর কাছে সবসময় বেশি বেশি দু'আ করা উচিত।

এর পাশাপাশি স্বামী যাতে স্ত্রীর প্রতি কখনই আকর্ষণ হারিয়ে না ফেলে তাই স্ত্রীর উচিত বেশ কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা-

■ স্বামীর জন্য সাজগোজের সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা। নারীদের শরীরের সুগন্ধি পুরুষদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করে।

■ স্বামীর নাকে যাতে দুর্গন্ধ না যায় সেদিকে খেয়াল রাখা, যেমন রান্নাঘরের মসলার অধিক ঝাজালো গন্ধ, হায়েয দুর্গন্ধ ইত্যাদি। হায়েযের পর উক্ত স্থানে সুগন্ধি ব্যবহারের বিষয়ে আমরা পূর্বেও জেনেছিলাম। এ ছাড়া স্বামীর সাথে অবস্থানকালে বায়ু নির্গমনের বিষয়েও সাবধান হওয়া উচিত।

■ স্বামী দূর সফর থেকে ফিরে আসলে তার জন্য নিজেকে আকর্ষণীয় করে রাখা। এই অবস্থায় ক্ষুর ব্যবহার করে নিজেকে পরিষ্কারের বিষয়েও হাদীসে পাওয়া যায়। মূলত সফর থেকে ফিরে আসলে পুরুষেরা সহবাসের প্রতি উৎসুক থাকে। তাই স্বামীর জন্য সেরকম বিশেষ আয়োজন করা উচিত।

■ স্বামীর হালাল যত চাহিদা রয়েছে সেগুলো নিজের কাছে অপছন্দনীয় হলেও স্বামীকে খুশি করার উদ্দেশ্যে সেসব পালন করা।

• স্বামী যৌনক্রিয়ার সময় হারাম কোনো কাজ করতে চাইলে তাকে সহজভাবে বাধা দেওয়া। তাকে বোঝানো তবুও যদি সে না বুঝতে চায় সেক্ষেত্রে শক্ত অবস্থানে আসা। স্বামীর বাধ্যতা ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না সে আল্লাহর অবাধ্য হয়।

📘 মুহস্বানাত (পবিত্র নারীদের পাঠশালায়) > 📄 স্ত্রীর স্তন চোষা বা চুমু খাওয়া

📄 স্ত্রীর স্তন চোষা বা চুমু খাওয়া


স্বামী-স্ত্রী মিলনের পূর্বে একে অপরকে বিশেষ করে স্বামী স্ত্রীকে উত্তেজিত করে সহবাস করা ফুক্বাহাগণ মুস্তাহাব বলেছেন। যেমন: চুমু খেয়ে, স্তন মর্দন কিংবা তাতে চুমু খেয়ে অথবা চোষণের মাধ্যমে উত্তেজিত করা ইত্যাদি। এতে ৪ মাযহাবের সকল ইমাম একমত।

তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, স্ত্রীর স্তনে যদি দুগ্ধ থেকে থাকে তাহলে স্বামীকে সর্তকতার সাথে চোষণ করতে হবে, যেন দুগ্ধ মুখে চলে না যায়। নতুবা চোষণ থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা, স্ত্রীর স্তনের দুগ্ধ পান করা একটি মারাত্মক গুনাহের কাজ। কিন্তু যদি অধিক উত্তেজনাবশত নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কেউ স্ত্রীর দুধ পান করেও ফেলে তবে স্ত্রী তার জন্যে হারাম হবে না, যেমনটা প্রচলিত রয়েছে। তবে এ কাজের জন্যে তাওবাহ করতে হবে। [২৫]

টিকাঃ
[২৫] সূরা বাক্কারাহ- ২২৩; ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া (পুরাতন নুসখা)- ১২/৩১০; ফতোয়ায়ে শামী- ১/৩১, ৪/৩৯৭; তাফসীরে মাযহারী- ১/৩৫৬; কেফায়াতুল মুফতী- ৫/১৬২; আযীযুল ফাতাওয়া- ৭৭০; ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া (নতুন নুসখা)- ৬/৩৪৬

📘 মুহস্বানাত (পবিত্র নারীদের পাঠশালায়) > 📄 মিলনের সময় যোনিপথে আঙ্গুল প্রবেশ করানোর বিধান

📄 মিলনের সময় যোনিপথে আঙ্গুল প্রবেশ করানোর বিধান


উলামায়ে কেরামদের একদল একে জায়েয বলেছেন এই শর্তে যে, যেন পায়ুপথে এমন করা না হয় এবং হায়েয ও নিফাসের সময়েও এমন করা যাবে না। তবে এটি মাকারিমে আখলাক পরিপন্থী একটি কাজ। [২৬]

টিকাঃ
[২৬] আল্লামা দিমইয়াত্বির হাশিয়াতু ইয়ানাতিত ত্বলিবীন- ৩/৩৮৮

📘 মুহস্বানাত (পবিত্র নারীদের পাঠশালায়) > 📄 যোনি বা লিঙ্গ মুখ দিয়ে স্পর্শ করার বিধান

📄 যোনি বা লিঙ্গ মুখ দিয়ে স্পর্শ করার বিধান


এই কাজটিকে অধিকাংশ উলামাগণই মাকরুহ বলেছেন যদিও কতিপয় আলিম একে জায়েয বলে থাকেন। এ ছাড়াও এটি কুরআন সুন্নাহ কিংবা সাহাবি ও তাবেয়ীদের আসার (বর্ণনা) থেকে প্রমাণিত সুষ্ঠ যৌনাচার নয়। তবে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে সহবাসের পূর্বে পরস্পরের গোপনাঙ্গে চুমু খাওয়া বা নেড়ে দেওয়াতে সমস্যা নেই বরং এতে সাওয়াব হবে বলে ইমাম আবু হানীফা থেকে বর্ণিত। কিন্তু সহবাসের পর যদি নাপাকি লেগে থাকে তবে সে মুহূর্তে একে অপরের গোপনাঙ্গে চুমু খাওয়া জায়েয নেই। এর উপরেই হানাফী, হাম্বলী, শাফেয়ীদের একদল ও মালেকীদের একদল ফতোয়া দিয়েছেন। [২৭]

টিকাঃ
[২৭] বাহরুর রায়েক- ৮/৩৫৪; মুহীতুল বুরহানী- ৮/১৩৪; ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া- ৫/৩৭২; আহসানুল ফাতাওয়া- ৮/৪৫; নাজমুল ফাতাওয়া- ৩/৩৩৯; রদ্দুল মুহতার ৬/৩৬৭; যাখীরাতুল ফাতাওয়া- ৭/৩২৯; আল ইনসাফ, মারদাউই- ৮/৩৩; মাওয়াহিবুল জালিল- ৩/৪০৬; মাওয়াহিবুল জালিল- ৩/৪০৬; আল খিরাশি আলা মুখতাসারিল খালিল- ৩/১৬০; ইআনাতুত ত্বালিবীন- ৩/৩৪০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00