📄 পর্দা, ইভ-টিজিং এবং ধর্ষণ
বর্তমান সময়ে বিশেষত আমাদের দেশে অনেক বড় একটি জাতীয় ও সামাজিক সমস্যা নারী উত্ত্যক্ত বা ইভ টিজিং। সেই সাথে রয়েছে ধর্ষণ; যা মারাত্মক এক সামাজিক ব্যাধিতে রুপান্তরিত হয়েছে। দেশের কোথাও না কোথাও প্রতি সেকেন্ডেই এমন কোনো জঘন্য অপরাধের শিকার হচ্ছে নারীরা। এই অবস্থায় একদল প্রান্তিক লোক বলে থাকেন যে, "নারীরা যেভাবে চলতে চায় চলবে, তাই বলে কি ইভ টিজিং বা ধর্ষণ করতে হবে?" আবার কিছু মানুষ বলেন যে, "সব দোষ পোশাকের। পর্দা করে রাস্তায় চলাচল করলেই ইভ টিজিং বা ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে।"
কিন্তু যখন হাজারে একজন পর্দানশীল নারী দুর্ভাগ্যক্রমে ধর্ষিত হয় তখন দ্বিতীয় উক্তিটিকে কেন্দ্র করে তথাকথিত সুশীলদের আঙুল উঠে পর্দার বিধানের উপর। তাদের এসব কথা প্রভাবিত করে দুর্বল ঈমানের মুসলিমদেরকে। তাই আমাদের এসব বিষয়ে আরও হিকমাহ অবলম্বন করে, দূরদর্শিতার সাথে কথা বলা উচিত যাতে ইসলামের বিধানের ওপর আঘাত আনার মতো কোনো ফাঁক ফোঁকর তারা খুঁজে না পায়।
ধর্ষণ কিংবা ইভ টিজিং এর জন্য পুরুষই মূলত দায়ী। কিন্তু এখানে সাবধানতা অবলম্বন না করার দায়ভার নারীর। আর পর্দাই হচ্ছে সাবধানতা অবলম্বন। এরপরও যদি কোনো পর্দানশীল নারী ধর্ষিত হয় তাহলে এভাবে বলা যায়, সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বনের পরও চুরি হয়ে যায় আর সেটা ব্যতীক্রম। ব্যতীক্রম কখনই উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত হতে পারে না, যেমনটা ইংরেজিতে বলা হয় "exception is not an example"। ১০০ জন ধর্ষিতার মাঝে ১-২ জন হয়তো পাওয়া যাবে যারা পূর্ণ পর্দানশীল। তবুও এগুলোই খবরের কাগজের বড় বড় হেডলাইনে আসে। যেন তারা জাতিকে এটাই বোঝাতে চায় যে, পর্দা করেও নারীরা ধর্ষিত হচ্ছে অর্থাৎ পর্দা করে কোনো লাভ নেই।
এমতাবস্থায় অনেকের মাঝেই এই ধারণা এসে পড়েছে যে, পর্দার বিধানের মূল উদ্দেশ্য ধর্ষণ বা ইভ টিজিং থেকে রক্ষা পাওয়া। তারপর যখন আমরা সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি যে পর্দা করা সত্ত্বেও কেউ একজন ধর্ষিত হয়েছে তখন আমাদের মনে সংশয় জাগতে শুরু করে পর্দার বিষয়ে। অথচ পর্দার উদ্দেশ্য ইভ টিজিং বা ধর্ষণ থেকে বাঁচা নয়। এভাবে বলা যেতে পারে ইভ-টিজিং বা ধর্ষণ থেকে রেহাই পাওয়া পর্দার ফজিলতমাত্র, মূল উদ্দেশ্য নয়। পর্দার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর দেওয়া বিধান পালনের মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন।
📄 মনের পর্দা ও দেহের পর্দা
বর্তমান যুগে একটি বহুল প্রচলিত অজুহাত হলো 'মনের পর্দা'। যারা আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে পুরোপুরি গাফেল তাদেরকে যখন পর্দা করার কথা বলা হয় তখন তারা তোঁতা পাখির মতো বলতে থাকে "অন্তর পরিষ্কার থাকলেই হয়", "মনের পর্দাই বড় পর্দা", "কত বরকাওয়ালী অকাজ করে বেরায়" ইত্যাদি। তারা এভাবে ভেবে নেয় যে, তাদের তথাকথিত মনের পর্দাই যথেষ্ট, দেহের পর্দার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। অথচ যারা মনের তথাকথিত পর্দার কথা বলে, দেখা যায় তাদের অন্তরের অবস্থাই বরং অধিক নাজেহাল।
এ কথা ঠিক যে অন্তরের মাধ্যমেও জিনা হয়ে থাকে, সেই অর্থে জিনা থেকে বাঁচতে মনের পর্দারও প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু নিঃসন্দেহে দেহের পর্দার প্রাধান্য অধিক। এসব উক্তি-যুক্তি পর্দা থেকে বাঁচার জন্য অজুহাত বৈ কিছু নয়।
📄 নারীদের সতর ও সতর ঢাকার পদ্ধতি
সাধারণত নারীদের দুই পা ও দুই হাতের কব্জি ব্যাতীত পুরো শরীরই সতর (যদিও এই ২টি অঙ্গ পর্দার বিধানের অন্তর্ভুক্ত)। সতর ঢাকার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ-
• পোশাকটি মাত্রাতিরিক্ত পাতলা হতে পারবে না
ইসলামে এমন পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ, যা পরিধান করা সত্ত্বেও দেহের অঙ্গ দৃশ্যমান থাকে। এ ধরনের পোশাক পরিধানের কারণে মানুষকে বস্ত্রাবৃত হওয়া সত্ত্বেও বিবস্ত্র দেখায়। হাদীসে এ ধরনের পোশাক পরিধান করার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে। দিহইয়া কালবি-কে রাসুলুল্লাহ একটি কাপড়খণ্ড দিয়ে বলেছেন, "এটা দুই টুকরা করবে। এক টুকরা দিয়ে একটি জামা সেলাই করবে আর অন্য টুকরা তোমার স্ত্রীকে দিবে এবং জামাটিতে দুটি অংশ করে সেলাই করে নিতে বলবে, যাতে কাপড়ের নিচে চুল দেখা না যায়।"[২]
একবার বনু তামীম গোত্রের কিছু নারী আয়েশা এর কাছে আসেন। তাঁরা পাতলা কাপড় পরিহিতা অবস্থায় ছিলেন। এটা দেখে আয়েশা বলেন, "যদি তোমরা মু'মিনা হও, তাহলে এগুলো মু'মিনাদের পোশাক নয়। আর যদি তোমরা মু'মিনা না হও, তাহলে এসব কাপড় উপভোগ করো।"[৩]
একবার হাফসা বিনতে আবদুর রহমান পাতলা কাপড়ের ওড়না পরিধান করে আয়েশা এর কাছে আসেন। আয়েশা সেই কাপড়টি ছিঁড়ে ফেলেন এবং তাঁকে একটি মোটা কাপড়ের ওড়না পরিয়ে দেন।[৪]
হাদীসের ভাষ্যমতে, বহু মানুষ পোশাক পরিধান করা সত্ত্বেও বিবস্ত্র থাকবে, কারণ হলো পাতলা কাপড় পরিধান করা। এ আলোচনা থেকে জানা যায়, ইসলামে শুধু সতর ঢেকে রাখাই ওয়াজিব নয়, বরং সতরের অঙ্গগুলো মানুষের দৃষ্টির আড়াল করে রাখাও অপরিহার্য।
◇ আঁটসাঁট পোশাক হতে পারবে না
অনেকের এমন পোশাক পরিধান করে যা এতটাই চিপা ও সংকীর্ণ হয় যে, এতে সতরের অঙ্গগুলোর আকৃতি-গঠন, উত্থান-পতন দৃশ্যমান হয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে এটাও নগ্নতা ও বস্ত্রহীনতার নামান্তর। ইসলামী শরিআতে এমন বস্ত্র পরিধান করা নিষিদ্ধ। আর এমন পোশাক পরিহিত কারো দিকে তাকানোও হারাম।
এ বিষয়ে আল্লামা শামী লিখেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো নারীর পোশাক নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে, অতঃপর তার দৈহিক গঠন দেখতে থাকে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। তাই এমন কাপড় পরিহিত কাউকে দেখাও নিষিদ্ধ। কেননা এটি নিছকই কাপড় দেখা নয়; বরং সতরের অঙ্গগুলো দেখার শামিল।"[৫]
আমাদের সমাজে অনেক পুরুষও খুবই আঁটসাঁট প্যান্ট পরিধান করে। এমনকি আধুনিক (!) নারীরাও এরকম প্যান্ট পরে থাকে। উল্লিখিত বিধান অনুসারে এসব প্যান্ট নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই পরিধান করা হারাম। একইভাবে চিপা ও চুড়িদার পায়জামা পরিধান করাও নিষিদ্ধ।
রাসুলুল্লাহ কিয়ামতের পূর্বক্ষণে নগ্নতা ও অশ্লীলতার ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন। হাদীসে এসেছে- "নিশ্চয়ই এসব কিয়ামতের আলামত যে, একসময় কৃপণতা ও অশ্লীলতা প্রকাশ পাবে। খেয়ানতকারীকে আমানতদার মনে করা হবে। আমানতদারকে খেয়ানতকারী মনে করা হবে। নারীদের নতুন নতুন পোশাকের উদ্ভব ঘটবে, যেগুলো পরিধান করে নারীরা বস্ত্রাবৃত হয়েও নগ্ন থাকবে। নিকৃষ্ট লোকেরা অভিজাত লোকদের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে।"[৬]
অন্য হাদীসে এসেছে, নবী কারীম ইরশাদ করেছেন, "জাহান্নামীদের মধ্যে দুটি দলকে আমি দেখিনি। (কিয়ামতের আগে তাদের আবির্ভাব ঘটবে) এক দলের কাছে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, সেগুলো দিয়ে তারা মানুষকে প্রহার করতে থাকবে। আরেক দল হলো-এমন সব নারী, যারা কাপড় পরিহিত হবে; অথচ তারা প্রকৃত অর্থে নগ্ন থাকবে। তারা পুরুষদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইবে, নিজেরাও পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হবে। তাদের চুলের খোঁপা উটের চুট ও কুঁজের মতো একদিকে হেলে থাকবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের ঘ্রাণ বহুদূর থেকে পাওয়া যাবে।”[৭]
এই হাদীসের শব্দদ্বয়ের কয়েকটি ব্যাখ্যা হতে পারে-
• এর অর্থ হতে পারে, সেসব নারী আল্লাহর নিয়ামতপ্রাপ্ত হবে কিন্তু তারা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ থেকে বিরত থাকবে।
* তারা কাপড় পরিহিত হবে; কিন্তু নেক আমল, পরকালের ফিকর ও আল্লাহর আনুগত্য থেকে নিজেদের দূরে রাখবে।
* সেসব নারী কাপড় পরিধান করেও সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য শরীরের কিছু অংশ খোলা রাখবে। ফলে তারা বস্ত্রাবৃত হয়েও নগ্ন থাকবে।
* তারা বাহ্যিক সৌন্দর্য ও অলংকারে মোড়ানো থাকবে; কিন্তু তাকওয়ার পোশাক বা মানসিকতায় নগ্ন থাকবে।
* তারা এতই পাতলা কাপড় পরিধান করবে যে দেহের অভ্যন্তরীণ অংশ দেখা যাবে। ফলে কাপড় পরিহিত হয়েও তারা নগ্ন থাকবে। [৮]
* পোশাক দ্বারা সতরের অঙ্গগুলো ভালোভাবে ঢেকে ফেলতে হবে। নারীদের সতর কতটুকু তা আগে উল্লিখিত হয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে কতিপয় পুরুষদের সামনে সতর ঢেকে রাখতে হয়। এ নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা হবে ইন শা আল্লাহ।
টিকাঃ
[২] আবু দাউদ- ৪১১৬
[৩] কুরতুবি- ১৪/২৪৪
[৪] মুয়াত্তা ইমাম মালেক- ১৯০৭
[৫] রদ্দুল মুহতার- ৬/৩৬৬
[৬] তাবরানি আওসাত- ৭৪৮৯
[৭] মুসলিম শরিফ- ৪/২১৯২
[৮] শরহে নববী- ১৭/১৯০-১৯১; মিরকাতুল আফাতীহ- ৬/২৩০২
📄 নারীদের পোশাক যেমন হবে
পোশাকের প্রয়োজনীয়তা মূলত লজ্জাস্থান আবৃত রাখার সাথে সম্পৃক্ত। লজ্জাস্থান আবৃত করাকে মহান আল্লাহ পোশাক পরিধানের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ বলেন,
﴿يَبَنِي ءَادَمَ قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا يُورِي سَوْ تِكُمْ وَرِيشًا وَلِبَاسُ التَّقْوَى ذَلِكَ خَيْرٌ ذَلِكَ مِنْ ءَايَتِ اللَّهِ لَعَلَّهُمْ يَذَّكَّرُونَ)
হে বনী-আদম, আমি তোমাদের জন্যে পোশাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবতীর্ণ করেছি সাজসজ্জার বস্ত্র এবং তাক্বওয়ার পোশাক, এটিই সর্বোত্তম। এটি আল্লাহর কুদরতের অন্যতম নিদর্শন, যাতে তারা চিন্তা-ভাবনা করে। [৯]
বোঝা গেল, যেসব পোশাক দিয়ে লজ্জাস্থান আবৃত হয় না ইসলামে সেগুলোকে পোশাকই বলে না; অর্থমূল্য ও সৌন্দর্য প্রকাশে তা যতই অভিজাত হোক না কেন। যেহেতু এর মাধ্যমে পোশাকের আসল উদ্দেশ্যই অর্জিত হচ্ছে না। [১০]
নারীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ৪টি কারণে কোনো পোশাক নিষিদ্ধ হয়ে থাকে-
◇ ১ম কারণ- খোদ কাপড়টি গ্রহণ করা নিষিদ্ধ ও নাজায়েয হলে। যেমন-অবৈধ অর্থে কেনা কাপড়, এমন পাতলা কাপড় যার ফলে লজ্জাস্থান প্রকাশ পায়, আঁটসাঁট পোশাক যার ফলে বিভিন্ন অঙ্গের অবস্থান ও দৈহিক গঠন স্পষ্ট বোঝা যায় ইত্যাদি।
◇ ২য় কারণ- কাপড়টি গ্রহণ করা বৈধ কিন্তু এর পরিধানের পদ্ধতি নিষিদ্ধ। যেমন- পুরুষের জন্য টাখনুর নিচে কাপড় পরিধান করা হারাম। নারীদের জন্য হাতের কব্জি, পায়ের টাখনু ছাড়া অন্য অঙ্গ প্রদর্শন করা ও মাথার চুল খোলা রাখা নিষিদ্ধ।
◇ ৩য় কারণ- কাপড়টি গ্রহণ এবং এর পরিধানের পদ্ধতিও সঠিক কিন্তু এই কাপড় পরিধানের উদ্দেশ্য ও নিয়ত বিশুদ্ধ নয়। যেমন-খ্যাতি কিংবা লোক দেখানোর জন্য পোশাক পরিধান করা। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন,
مَنْ لَبِسَ ثَوْبَ شُهْرَةٍ الْبَسَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثَوْبَ مَذَلَّةٍ
যে ব্যক্তি দুনিয়ায় খ্যাতির জন্য পোশাক পরবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে লাঞ্ছনার পোশাক পরাবেন। [১১]
◇ ৪র্থ কারণ- নারী পুরুষদের পোশাক ও পুরুষ নারীদের পোশাক পরিধান করা না জায়েয। এতে কোনো ইখতেলাফ নেই। তা ছাড়া নারী-পুরুষ একে অন্যের সাদৃশ্যপূর্ণ, কাফির-মুশরিক ও পাপাচারীদের অনুকরণ করে পোশাক পরিধান করাও হারাম। [১২] আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত,
لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الرَّجُلَ يَلْبَسُ لِبْسَةَ الْمَرْأَةِ وَالْمَرْأَةَ تَلْبَسُ لِبْسَةَ الرَّجُلِ
রাসূলুল্লাহ নারীর পোশাক পরিধানকারী পুরুষ এবং পুরুষের পোশাক পরিধানকারী নারীর প্রতি অভিসম্পাত করেছেন। [১৩] আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস হতে বর্ণিত,
لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ، وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ
রাসূল পুরুষদের মধ্যে নারীর বেশ ধারণকারীদেরকে এবং নারীদের মধ্যে পুরুষের বেশ ধারণকারিণীদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন।[১৪]
টিকাঃ
[৯] সূরা আ'রাফ- ২৬
[১০] তাকমিলায়ে ফাতহিল মুলহিম- ৪/৭৭
[১১] সহীহ মুসলিম- ২০৭৭
[১২] আল মাওসূয়াতুল ফিকহিয়্যাহ কুয়েতিয়্যাহ- ১১/২৬৮
[১৩] সুনান আবু দাউদ- ৪০৯৮
[১৪] সহীহ বুখারী- ৫৮৮৫