📄 বর্তমান সময়ে পর্দার প্রয়োজনীয়তা
ভয়াবহ এক ফিতনাময় সময়ে আমরা বসবাস করছি। আর হালের অন্যতম বড় একটি ফিতনা হলো নারী-পুরুষজনিত ফিতনা। যা হাজারো ফিতনা-ফাসাদের দ্বার খুলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। এসব বাঁধহীন ফিতনা থেকে বাঁচতে হলে যার যার জায়গা থেকে গা বাঁচিয়ে চলার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। নারী-পুরুষজনিত এই ফিতনার দ্বার সিলগালা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজ থেকে প্রায় চৌদ্দশত বছর পূর্বে নেমে এসেছিল পর্দার ঐশী বিধান। আর ঐ পর্দার বিধান যদি সুষ্ঠুভাবে মেনে চলা হয় তাহলে আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা এই ফিতনা থেকে অনেকাংশেই বেঁচে যেতে পারব।
আজ থেকে এক শতাব্দী পূর্বেও বঙ্গদেশীয় নারীরা পরপুরুষদের সামনে যেত না, প্রয়োজনে আড়ালে থেকে কথা বলতো, ঘরের বাহিরে বের হওয়ার প্রয়োজন হলে অপাদমস্তক ঢেকে বের হতো। অপরদিকে বর্তমানে এই চরম জাহালতের মুহূর্তে যখন পর্দার জরুরত পূর্বের চেয়েও অধিক, অথচ আজ নারীরা বেপর্দা ও উলঙ্গপনায় মেতে উঠেছে। সেটাই কিনা আধুনিকতা, পর্দার বিধান সেকেলে! বর্তমান মুক্ত চিন্তার (!) সমাজে এসেও পর্দা কেন প্রয়োজনীয় এমন একটা প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে।
◆ ইসলামের বিধান কখনও পুরানো হয় না। চৌদ্দশত বছর আগে যা আল্লাহর তরফ থেকে বিধান হিসেবে নেমে এসেছে, আজও তা সেই এক আল্লাহরই বিধান। কিয়ামতের আগ পর্যন্ত তা পালনীয়। তাই এই যুগে এসেও পর্দা করার মূল এবং প্রথম কারণ এটাই যে, আল্লাহ এই বিধান নাযিল করেছেন কিয়ামতের আগ পর্যন্ত সকল মানুষের জন্য।
◆ সমাজে জিনা সহজলোভ্য। পুরুষেরা খুব সহজেই নারীসঙ্গ উপভোগ করছে। ফলে কতিপয় পুরুষের মানসিকতা এমন হয়ে গিয়েছে যেন সকল নারীই তাদের কাছে ভোগের বস্তু। এমতাবস্থায় সহজপ্রাপ্য নারীদের থেকে নিজেকে আলাদা করতে বর্তমান সমাজে পর্দা প্রয়োজন।
◇ আমরা এমন এক হাইপারসেক্সুয়াল সমাজে বসবাস করি যেখানে মানুষ একটি ক্লিকের ব্যবধানে জিনায় জড়ায়। পর্নোগ্রাফি এতোটাই সহজলভ্য যে, এমন পুরুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল যে কিনা ইলেক্ট্রনিক স্ক্রিনে কোনো উলঙ্গ নারীকে কখনো দেখেনি। এমতাবস্থায় কতিপয় পুরুষের মানসিকতা এতটাই বিকৃত হয়ে গিয়েছে যে, তারা নারী বলতে বুঝে কেবল এক টুকরো গোস্ত। পোশাকের ওপর দিয়েই তারা নারীদেরকে উলঙ্গ কল্পনা করে মজা লুটে। সেসব বেহায়া চোখে নিজেকে নগ্ন কল্পনা করতে দিতে চাইবে না কোনো সম্ভ্রান্ত নারী। প্রকৃত পর্দাই আসলে এর সর্বোচ্চ সমাধান।
◇ বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় দুটি সামাজিক ব্যাধি হচ্ছে ইভ টিজিং এবং ধর্ষণ। পর্দাজনিত বিধি-নিষেধের সঠিক অনুসরণই এসবের হাত থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় রক্ষা করতে পারে। বোরকা-নিকাবের অন্যতম একটি সুবিধা হলো-এটা পরিধানের পর বয়স বোঝা যায়না। সেই সাথে সমাজের দ্বীনবিমুখ মানুষেরা এটাই মনে করে যে, বোরকা-নিকাব বয়স্করা পরিধান করে। এভাবেই পর্দা ইভ টিজিং এমনকি ধর্ষণ থেকেও রক্ষা পাওয়ার মাধ্যম হয়েছে।
◆ পাশ্চাত্য সমাজ আমাদের মগজধোলাই করেছে। ফলে এই শাশ্বত বিধানকে তারা আমাদের চোখের সামনে এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেতে সক্ষম হয়েছে যে, পর্দা নারী-স্বাধীনতার পথে প্রাচীর। বস্তুত, তাদের স্বাধীনতা কেবল নারী দেহ থেকে কাপড় কমানো পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। তাই মুসলিম নারীদের পাশ্চাত্যের এই নীতির বিরুদ্ধাচরণস্বরূপ হিজাব, নিকাবের অধিক প্রচলন ও প্রচার-প্রসার ঘটানো জরুরি。
📄 পর্দা, ইভ-টিজিং এবং ধর্ষণ
বর্তমান সময়ে বিশেষত আমাদের দেশে অনেক বড় একটি জাতীয় ও সামাজিক সমস্যা নারী উত্ত্যক্ত বা ইভ টিজিং। সেই সাথে রয়েছে ধর্ষণ; যা মারাত্মক এক সামাজিক ব্যাধিতে রুপান্তরিত হয়েছে। দেশের কোথাও না কোথাও প্রতি সেকেন্ডেই এমন কোনো জঘন্য অপরাধের শিকার হচ্ছে নারীরা। এই অবস্থায় একদল প্রান্তিক লোক বলে থাকেন যে, "নারীরা যেভাবে চলতে চায় চলবে, তাই বলে কি ইভ টিজিং বা ধর্ষণ করতে হবে?" আবার কিছু মানুষ বলেন যে, "সব দোষ পোশাকের। পর্দা করে রাস্তায় চলাচল করলেই ইভ টিজিং বা ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে।"
কিন্তু যখন হাজারে একজন পর্দানশীল নারী দুর্ভাগ্যক্রমে ধর্ষিত হয় তখন দ্বিতীয় উক্তিটিকে কেন্দ্র করে তথাকথিত সুশীলদের আঙুল উঠে পর্দার বিধানের উপর। তাদের এসব কথা প্রভাবিত করে দুর্বল ঈমানের মুসলিমদেরকে। তাই আমাদের এসব বিষয়ে আরও হিকমাহ অবলম্বন করে, দূরদর্শিতার সাথে কথা বলা উচিত যাতে ইসলামের বিধানের ওপর আঘাত আনার মতো কোনো ফাঁক ফোঁকর তারা খুঁজে না পায়।
ধর্ষণ কিংবা ইভ টিজিং এর জন্য পুরুষই মূলত দায়ী। কিন্তু এখানে সাবধানতা অবলম্বন না করার দায়ভার নারীর। আর পর্দাই হচ্ছে সাবধানতা অবলম্বন। এরপরও যদি কোনো পর্দানশীল নারী ধর্ষিত হয় তাহলে এভাবে বলা যায়, সর্বোচ্চ সাবধানতা অবলম্বনের পরও চুরি হয়ে যায় আর সেটা ব্যতীক্রম। ব্যতীক্রম কখনই উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত হতে পারে না, যেমনটা ইংরেজিতে বলা হয় "exception is not an example"। ১০০ জন ধর্ষিতার মাঝে ১-২ জন হয়তো পাওয়া যাবে যারা পূর্ণ পর্দানশীল। তবুও এগুলোই খবরের কাগজের বড় বড় হেডলাইনে আসে। যেন তারা জাতিকে এটাই বোঝাতে চায় যে, পর্দা করেও নারীরা ধর্ষিত হচ্ছে অর্থাৎ পর্দা করে কোনো লাভ নেই।
এমতাবস্থায় অনেকের মাঝেই এই ধারণা এসে পড়েছে যে, পর্দার বিধানের মূল উদ্দেশ্য ধর্ষণ বা ইভ টিজিং থেকে রক্ষা পাওয়া। তারপর যখন আমরা সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি যে পর্দা করা সত্ত্বেও কেউ একজন ধর্ষিত হয়েছে তখন আমাদের মনে সংশয় জাগতে শুরু করে পর্দার বিষয়ে। অথচ পর্দার উদ্দেশ্য ইভ টিজিং বা ধর্ষণ থেকে বাঁচা নয়। এভাবে বলা যেতে পারে ইভ-টিজিং বা ধর্ষণ থেকে রেহাই পাওয়া পর্দার ফজিলতমাত্র, মূল উদ্দেশ্য নয়। পর্দার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর দেওয়া বিধান পালনের মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন।
📄 মনের পর্দা ও দেহের পর্দা
বর্তমান যুগে একটি বহুল প্রচলিত অজুহাত হলো 'মনের পর্দা'। যারা আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে পুরোপুরি গাফেল তাদেরকে যখন পর্দা করার কথা বলা হয় তখন তারা তোঁতা পাখির মতো বলতে থাকে "অন্তর পরিষ্কার থাকলেই হয়", "মনের পর্দাই বড় পর্দা", "কত বরকাওয়ালী অকাজ করে বেরায়" ইত্যাদি। তারা এভাবে ভেবে নেয় যে, তাদের তথাকথিত মনের পর্দাই যথেষ্ট, দেহের পর্দার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। অথচ যারা মনের তথাকথিত পর্দার কথা বলে, দেখা যায় তাদের অন্তরের অবস্থাই বরং অধিক নাজেহাল।
এ কথা ঠিক যে অন্তরের মাধ্যমেও জিনা হয়ে থাকে, সেই অর্থে জিনা থেকে বাঁচতে মনের পর্দারও প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু নিঃসন্দেহে দেহের পর্দার প্রাধান্য অধিক। এসব উক্তি-যুক্তি পর্দা থেকে বাঁচার জন্য অজুহাত বৈ কিছু নয়।
📄 নারীদের সতর ও সতর ঢাকার পদ্ধতি
সাধারণত নারীদের দুই পা ও দুই হাতের কব্জি ব্যাতীত পুরো শরীরই সতর (যদিও এই ২টি অঙ্গ পর্দার বিধানের অন্তর্ভুক্ত)। সতর ঢাকার ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ-
• পোশাকটি মাত্রাতিরিক্ত পাতলা হতে পারবে না
ইসলামে এমন পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ, যা পরিধান করা সত্ত্বেও দেহের অঙ্গ দৃশ্যমান থাকে। এ ধরনের পোশাক পরিধানের কারণে মানুষকে বস্ত্রাবৃত হওয়া সত্ত্বেও বিবস্ত্র দেখায়। হাদীসে এ ধরনের পোশাক পরিধান করার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে। দিহইয়া কালবি-কে রাসুলুল্লাহ একটি কাপড়খণ্ড দিয়ে বলেছেন, "এটা দুই টুকরা করবে। এক টুকরা দিয়ে একটি জামা সেলাই করবে আর অন্য টুকরা তোমার স্ত্রীকে দিবে এবং জামাটিতে দুটি অংশ করে সেলাই করে নিতে বলবে, যাতে কাপড়ের নিচে চুল দেখা না যায়।"[২]
একবার বনু তামীম গোত্রের কিছু নারী আয়েশা এর কাছে আসেন। তাঁরা পাতলা কাপড় পরিহিতা অবস্থায় ছিলেন। এটা দেখে আয়েশা বলেন, "যদি তোমরা মু'মিনা হও, তাহলে এগুলো মু'মিনাদের পোশাক নয়। আর যদি তোমরা মু'মিনা না হও, তাহলে এসব কাপড় উপভোগ করো।"[৩]
একবার হাফসা বিনতে আবদুর রহমান পাতলা কাপড়ের ওড়না পরিধান করে আয়েশা এর কাছে আসেন। আয়েশা সেই কাপড়টি ছিঁড়ে ফেলেন এবং তাঁকে একটি মোটা কাপড়ের ওড়না পরিয়ে দেন।[৪]
হাদীসের ভাষ্যমতে, বহু মানুষ পোশাক পরিধান করা সত্ত্বেও বিবস্ত্র থাকবে, কারণ হলো পাতলা কাপড় পরিধান করা। এ আলোচনা থেকে জানা যায়, ইসলামে শুধু সতর ঢেকে রাখাই ওয়াজিব নয়, বরং সতরের অঙ্গগুলো মানুষের দৃষ্টির আড়াল করে রাখাও অপরিহার্য।
◇ আঁটসাঁট পোশাক হতে পারবে না
অনেকের এমন পোশাক পরিধান করে যা এতটাই চিপা ও সংকীর্ণ হয় যে, এতে সতরের অঙ্গগুলোর আকৃতি-গঠন, উত্থান-পতন দৃশ্যমান হয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে এটাও নগ্নতা ও বস্ত্রহীনতার নামান্তর। ইসলামী শরিআতে এমন বস্ত্র পরিধান করা নিষিদ্ধ। আর এমন পোশাক পরিহিত কারো দিকে তাকানোও হারাম।
এ বিষয়ে আল্লামা শামী লিখেছেন, "যে ব্যক্তি কোনো নারীর পোশাক নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে, অতঃপর তার দৈহিক গঠন দেখতে থাকে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। তাই এমন কাপড় পরিহিত কাউকে দেখাও নিষিদ্ধ। কেননা এটি নিছকই কাপড় দেখা নয়; বরং সতরের অঙ্গগুলো দেখার শামিল।"[৫]
আমাদের সমাজে অনেক পুরুষও খুবই আঁটসাঁট প্যান্ট পরিধান করে। এমনকি আধুনিক (!) নারীরাও এরকম প্যান্ট পরে থাকে। উল্লিখিত বিধান অনুসারে এসব প্যান্ট নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই পরিধান করা হারাম। একইভাবে চিপা ও চুড়িদার পায়জামা পরিধান করাও নিষিদ্ধ।
রাসুলুল্লাহ কিয়ামতের পূর্বক্ষণে নগ্নতা ও অশ্লীলতার ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন। হাদীসে এসেছে- "নিশ্চয়ই এসব কিয়ামতের আলামত যে, একসময় কৃপণতা ও অশ্লীলতা প্রকাশ পাবে। খেয়ানতকারীকে আমানতদার মনে করা হবে। আমানতদারকে খেয়ানতকারী মনে করা হবে। নারীদের নতুন নতুন পোশাকের উদ্ভব ঘটবে, যেগুলো পরিধান করে নারীরা বস্ত্রাবৃত হয়েও নগ্ন থাকবে। নিকৃষ্ট লোকেরা অভিজাত লোকদের ওপর প্রভাব বিস্তার করবে।"[৬]
অন্য হাদীসে এসেছে, নবী কারীম ইরশাদ করেছেন, "জাহান্নামীদের মধ্যে দুটি দলকে আমি দেখিনি। (কিয়ামতের আগে তাদের আবির্ভাব ঘটবে) এক দলের কাছে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, সেগুলো দিয়ে তারা মানুষকে প্রহার করতে থাকবে। আরেক দল হলো-এমন সব নারী, যারা কাপড় পরিহিত হবে; অথচ তারা প্রকৃত অর্থে নগ্ন থাকবে। তারা পুরুষদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইবে, নিজেরাও পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হবে। তাদের চুলের খোঁপা উটের চুট ও কুঁজের মতো একদিকে হেলে থাকবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের ঘ্রাণ বহুদূর থেকে পাওয়া যাবে।”[৭]
এই হাদীসের শব্দদ্বয়ের কয়েকটি ব্যাখ্যা হতে পারে-
• এর অর্থ হতে পারে, সেসব নারী আল্লাহর নিয়ামতপ্রাপ্ত হবে কিন্তু তারা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ থেকে বিরত থাকবে।
* তারা কাপড় পরিহিত হবে; কিন্তু নেক আমল, পরকালের ফিকর ও আল্লাহর আনুগত্য থেকে নিজেদের দূরে রাখবে।
* সেসব নারী কাপড় পরিধান করেও সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য শরীরের কিছু অংশ খোলা রাখবে। ফলে তারা বস্ত্রাবৃত হয়েও নগ্ন থাকবে।
* তারা বাহ্যিক সৌন্দর্য ও অলংকারে মোড়ানো থাকবে; কিন্তু তাকওয়ার পোশাক বা মানসিকতায় নগ্ন থাকবে।
* তারা এতই পাতলা কাপড় পরিধান করবে যে দেহের অভ্যন্তরীণ অংশ দেখা যাবে। ফলে কাপড় পরিহিত হয়েও তারা নগ্ন থাকবে। [৮]
* পোশাক দ্বারা সতরের অঙ্গগুলো ভালোভাবে ঢেকে ফেলতে হবে। নারীদের সতর কতটুকু তা আগে উল্লিখিত হয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে কতিপয় পুরুষদের সামনে সতর ঢেকে রাখতে হয়। এ নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা হবে ইন শা আল্লাহ।
টিকাঃ
[২] আবু দাউদ- ৪১১৬
[৩] কুরতুবি- ১৪/২৪৪
[৪] মুয়াত্তা ইমাম মালেক- ১৯০৭
[৫] রদ্দুল মুহতার- ৬/৩৬৬
[৬] তাবরানি আওসাত- ৭৪৮৯
[৭] মুসলিম শরিফ- ৪/২১৯২
[৮] শরহে নববী- ১৭/১৯০-১৯১; মিরকাতুল আফাতীহ- ৬/২৩০২