📄 ইস্তিহাযা বিষয়ক প্রশ্ন
১৫. আমার প্রায় সবসময়ই সাদাস্রাব হয়। তবে আমি মা'য়ূর নই। ১.৫-২ ঘণ্টা পর পর সাদাস্রাব হয়। এখন বাসায় থাকলে আমার সালাত আদায়ে কোনো সমস্যা হয় না, আলহামদুলিল্লাহ। তবে যখন লম্বা সময়ের জন্য বাহিরে যাই, যেমন: কোচিং বা কলেজের জন্য বাইরে থাকি তখন আমি বাসা থেকে ওযু করে বের হই, যাতে সালাত আদায় করতে পারি। এখন ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে আমার যে সাদাস্রাব হয়েছে সেটা আমি নিশ্চিত থাকি। স্রাব বাইরে বের না হলেও যোনিপথের ভিতরে থাকে। যখন প্রস্রাব হয় তখন সাদা ঘন পদার্থের মতো বের হয়ে যায়। এখন বাইরে তো কোনোভাবেই ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হওয়া সম্ভব হয় না। তাই ওযু ভঙ্গের অন্য কারণ না ঘটলে আমি কি সেই ওযু দিয়ে সালাত আদায় করতে পারবো? সালাত পড়তে না পারলেও এক্ষেত্রে আমি কি করতে পারি যাতে আমার সালাত কাজা না হয়?
যদি স্রাব যোনিপথের বাইরে না আসে তাহলে ওযু ভাঙবে না। সেই ক্ষেত্রে সেই ওযু দিয়েই নামায পড়ে নিতে পারবে। কিন্তু যখন স্রাব বের হয়ে যোনিপথের বহিরাংশ ভিজবে তখনই ওযু ভেঙে যাবে। সেক্ষেত্রে সম্ভব হলে পরিষ্কার হয়ে ওযু করে নেবে। আর পরিষ্কার হওয়া সম্ভব না হলে এমনিতেই ওযু করে বা আগের ওযুতেই নামায সঠিক সময়ে আদায় করে নেবে, পরবর্তীতে সেই নামায বাসায় ফিরে পবিত্র হয়ে আবার আদায় করবে।
১৬. স্রাব আটকে রাখার জন্য লজ্জাস্থানে তুলা বা কাপড় দিয়ে রাখলে যদি লজ্জাস্থানের সাথে তুলা/কাপড়ের লেগে থাকা অংশ ভিজে যায় তাহলে কি ওযু ভেঙে যাবে?
ওযু করার পর এমন হলে ওযু ভেঙে যাবে। তবে তুলা বা কাপড় না ভিজলে ওযু ভাঙবে না।
১৭. স্রাব না আসার জন্য লজ্জাস্থানে কাপড়/তুলা দিয়ে এরপর ওযু করে বাইরে যাওয়ার পর যখন নামাজের ওয়াক্ত হবে তখন যদি বুঝতে না পারি যে স্রাব আসছে কিনা এবং ওই অবস্থায় সালাত আদায় করি এবং বাসায় আসার পর যদি লজ্জাস্থানে দিয়ে রাখা কাপড়/তুলা বের করার পর তাতে স্রাব লেগে আছে দেখতে পাই তাহলে কি আমার নামায আদায় হবে? আর যদি আমার বাইরে থাকা অবস্থায় সন্দেহ হয় স্রাব এসে গেছে কিন্তু আমি নিশ্চিত না আর নামাজের ওয়াক্ত হয়ে যায় তখন কি করবো?
পবিত্রতার ক্ষেত্রে কেবল সন্দেহ গ্রহণযোগ্য নয়, নিশ্চিত বা প্রবল ধারণা হতে হবে। যদি নিশ্চিত হন যে, ওযুর পরেই সাদাস্রাব এসেছে তাহলে নামায আবার আদায় করে নিতে হবে আর যদি নিশ্চিত হন নামাজের পরে বের হয়েছে তাহলে সালাত পুনরায় আদায় করতে হবে না।
১৮. কারো মাঝে মাঝে লাগাতার সাদাস্রাব যায়, আবার কখনো বন্ধ থাকে। অর্থাৎ, সে অনিশ্চিত এই বিষয়ে। এক্ষেত্রে সে কোনো ওয়াক্তের নামাজের পূর্বে যদি ওযু করে সাথে সাথেই নামাজে দাঁড়ায় এবং ভেজা অনুভব করে, মনে হয় যেন সাদাস্রাব বের হয়েছে তাহলে কি তার ওযু ভেঙে যাবে?
মনে হলে ওযু ভাঙবেনা। নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই সালাত আদায় করতে থাকবে।
১৯. ইস্তিহাযার বিধানে প্রত্যেক ওয়াক্তে ওযু করে সালাত পড়তে হয় এক্ষেত্রে কি কাপড় পরিবর্তন করা লাগবে? প্রত্যেক ওযুর সময় রক্ত বা স্রাব পরিষ্কার করতে হবে নাকি শুধু ওযু করলেই পবিত্রতা হাসিল হয়ে যাবে?
◆ এক্ষেত্রে কাপড়টিও যথাসম্ভব পবিত্র রাখতে হবে।
২০. আমরা জেনেছি সাদাস্রাব বের হলে ওযু করতে হয়। তাহলে এটি যদি আমাদের কাপড়ে লেগে যায় তখন কি কাপড় পরিবর্তন করা জরুরি? নাকি ওই কাপড় পরা অবস্থায় ওযু করলেই পবিত্র হতে পারবো?
◆ কাপড়ের ওই অংশ ধুয়ে নিলেই যথেষ্ট হবে。
📄 লোমকর্তন-বিষয়ক প্রশ্ন
২১. বগলের অবাঞ্ছিত লোম পুরোপুরি না চেঁছে বা না উপড়ে ফেলে যদি কেঁটে ছোট করে নিই তাহলে কি কোনো সমস্যা হবে?
◆ সমস্যা নেই।
২২. অবাঞ্ছিত লোম যে সময়সীমার মধ্যে কাঁটতে হয় মাঝে মাঝে সেই সময়ের মধ্যে কাঁটা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় কি নামায হচ্ছে?
◇ জি, নামায হচ্ছে। তবে সময়সীমার ৪০ দিনের মধ্যে লোমকর্তন না করা মাকরুহে তাহরীমী।
📄 পবিত্রতাজনিত অন্যান্য প্রশ্ন
২৩. নামায ফরয হবার পরেও অনেকটা বয়স পর্যন্ত স্বপ্নদোষের বিষয়টা জানা ছিল না। এমন হয়তো অনেক সময়ই হয়েছে যে, স্বপ্ন দেখেছি এবং ঘুম থেকে উঠার পর ভেজা ভাব ছিল। যেহেতু এসব জানতাম না তাই কেবল ওযু করেই নামায পড়েছি। এখন সে নামাযগুলো কি আদায় হয়নি? এর জন্য কি কিছু করণীয় আছে?
◆ উক্ত নামাযগুলো আন্দাজ করে সুযোগমতো কাজা আদায় করলেই হবে।
২৪. পিরিয়ডের জন্য ব্যবহৃত কাপড় যদি অন্য কোনো পবিত্র কাপড়ে লাগে বা রোদে শুকাতে দিলে ভালো কাপড়ের সাথে লেগে যায় তাহলে কি ঐগুলোও নাপাক হয়ে যাবে? ভালো কাপড় ও পিরিয়ডের কাপড় একই স্থানে দিলে কি কোনো সমস্যা হবে?
◆ নাপাকির ভেজা ও আদ্রতা অন্য কাপড়ে না লাগলে সেই অংশ নাপাক হবে না। তবে আলাদা করে রোদে শুকাতে দেয়াই উত্তম।
২৫. আজানের আগেই তো নামায পড়া যায়। যদি এমন হয়, ওয়াক্ত হয়েছে নামাজের, কিন্তু সে আজানের জন্য অপেক্ষা করে নামায আদায় করেনি। আর ওই ওয়াক্তের সময়ই হায়েয হয়ে গিয়েছে, তাহলে কি পরবর্তীতে ওই নামায আদায় করতে হবে?
◆ ইবরাহীম নাখায়ী বলেন- "নামাজের সময়ের মধ্যে কোনো মহিলার অপবিত্রতা শুরু হলে ওই নামায তাকে কাজা করতে হবে না।” [২] এছাড়া হাসান বসরী, মুহাম্মাদ ইবনে সীরিন সহ প্রমুখ থেকেও অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। [৩]
২৬. ইস্তিঞ্জা করার পর পবিত্র হওয়ার জন্য টিস্যু ব্যবহার না করে পানি ব্যবহার করলে মাঝে মাঝে পানি যোনিপথের ভিতরে থেকে যায়। যখন একটু হাঁটা-চলা হয় বা সালাতে রুকু সিজদা করা হয় তখন পানিগুলো বের হয়ে যায়। এক্ষেত্রে কি আমার ওযু বা সালাত ভেঙে যায়?
◆ এটা যদি পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত পানি হয় তাতে ওযু ভাঙবে না। আর এটা যদি নাপাক তথা প্রস্রাব বা স্রাবের পানি হয় তাহলে ওযু ভেঙে যাবে।
২৭. ফরয গোসলের সময় ৩ বারের অধিক মাথায় পানি দেওয়া যাবে?
◆ যাবে। তবে পানির অপচয় করার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা, ওযুর ক্ষেত্রে ৩ বারের অধিক পানি নেওয়া হাদীসে নিষেধ রয়েছে।
২৮. বাচ্চা গায়ে প্রস্রাব/পায়খানা করে দিলে জায়গাটা পরিষ্কার করে ওযু করে নিলে হবে নাকি আবার গোসল করতে হবে?
◆ যদি শরীরের কোনো স্থানে লাগে তাহলে সেই স্থান ধুয়ে নিলেই হবে গোসল বা ওযু করতে হবে না। আর কাপড়ে লাগলে কাপড়ের সেই স্থানের সাথে শরীরের নাপাক অংশটুকু ধুতে হবে।
২৯. রাতে ওযু করে ঘুমানোর সময় ঘুমানোর জিকির করার পর যদি ওযু ভেঙে যায় তাহলে কি আবার ওযু করে এসে জিকির করতে হবে?
◆ জরুরি নয়。
টিকাঃ
২] কিতাবুল আছার- ১/৮৪
৩] কিতাবুল আছল- ১/২৮৬; ফাতহুল কাদীর- ১/১৫২; আলবাহরুর রায়েক- ১/২০৫; রদ্দুল মুহতার- ১/২৯১; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া- ১/৪৮৩
📄 মেডিকেল বিষয়ক প্রশ্ন
◇ পরিচ্ছন্নতা
৩০. যোনিপথ পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার করা যাবে?
◆ সাবান ব্যবহার না করাই উত্তম। কেননা সাবানের ক্ষারের কারণে ভ্যাজাইনার পিএইচ পরিবর্তন হয়ে যায়। বাজারে বিভিন্ন ভ্যাজাইনাল ওয়াশ লিকুইড পাওয়া যায়, যেমন: V-care, V-wash ইত্যাদি। সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩১. পিরিয়ড ভালো হওয়ার কয়েকদিন পর (৫-৭দিন) গোপনাঙ্গের আশেপাশে গোল গোল দানার শক্ত ফোঁড়ার মতো হয়। মাঝেমধ্যে ব্যথা করে, একবার একটু পুঁজও হয়েছিল। কয়েকদিন পর আবার তা মিলিয়ে যায়, একাই ভালো হয়ে যায়। এটার জন্য কি করতে পারি?
◆ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন, লোমকর্তনের সময় রেজার ডেটল-স্যাভলনের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে নিন, কুসুম গরম পানি ব্যবহার করবেন লোম কর্তনের পর। অন্তর্বাস ধোয়ার সময় ডেটল-সেভলনের পানি ব্যবহার করবেন। ইন শা আল্লাহ এগুলো অনুসরণ করলে এই সমস্যা হবে না, তবুও যদি সমস্যা চলমান থাকে তাহলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখান।
৩২. গুপ্তাঙ্গের লোমকূপে চুলকানি, এটাতে করণীয় কি?
◆ চুলকানি মাসিকের রাস্তায় কিনা সেটা লক্ষ্য করুন। যদি শুধুই লোমকূপে হয় তাহলে কিছু বিষয় খেয়াল করুন- লোম কর্তনের সময় রেজার ইউজ করলে অবশ্যই স্যাভলন বা ডেটলের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করুন। লোমকর্তন শেষে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। হাইজিন মেইনটেইন করুন, অন্তর্বাস সব সময় পরিচ্ছন্ন রাখুন, প্রস্রাবের পর ভালো করে পরিচ্ছন্নতা গ্রহণ করুন।
৩৩. গোপনাঙ্গের লোমকর্তনের ক্ষেত্রে হেয়ার রিমুভাল ক্রীম এবং রেজারের মধ্যে কোনটি ব্যবহার করা অধিক স্বাস্থ্যসম্মত?
• রেজার ব্যবহার করাই ভালো। ভিট ক্যামিকেল হওয়ায় যোনিপথ কালো হয়ে যাওয়া ও অস্বস্তি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি কোনো হারবাল হেয়ার রিমুভাল ব্যবহার করতে পারেন সেক্ষেত্রে সেটাও ভালো হবে ইন শা আল্লাহ।
◇ সাদাস্রাব
৩৪. আমার হায়েয শেষ হওয়ার পর সাদা পানি পড়ে। এটা কি সাদাস্রাব?
◆ সাদা, গন্ধহীন তরল (ঘনত্ব কম বা বেশি) সাদাস্রাব হিসেবেই গণ্য করা হয়।
৩৫. আপু আমার পিরিয়ড নিয়মিত কিন্তু ২০১২ বা ২০১৩ সাল হতে পিরিয়ডের ৫-৭ দিন আগ থেকেই অনেক সাদাস্রাব বের হয়। এবং তার থেকে পরিষ্কার হতে বেশ সময় লাগে। আমি এই সময় টা তে সাদাস্রাব বের হবার পর বেশ দুর্বলতা অনুভব করি। এটা কি অস্বাভাবিক কিছু?
◆ অস্বাভাবিক হবে যখন সাদাস্রাবে গন্ধ হবে বা সাথে চুলকানি থাকবে অথবা জ্বর থাকবে। আপনার ক্ষেত্রে এসকল লক্ষণ না থাকলে এটি স্বাভাবিক।
◇ হায়েয
৩৬. পিরিয়ডের পূর্বে স্তনে ব্যথা হয় ও শক্ত চাকার মতো হয়ে যায়। এটা কি স্বাভাবিক?
◆ এটা স্বাভাবিক। পিরিয়ড এর সময় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে এটা হয়। এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই ইন শা আল্লাহ। তবে আপনি সেল্ফ এক্সামিনেশন করুন নিজে নিজে। Self examination of breast লিখে ইউটিউবে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। সে অনুযায়ী করে দেখুন স্বাভাবিক আছে কিনা।
৩৭. পিরিয়ডের ব্যথায় কী করণীয়?
◆ গরম পানির সেঁক দেওয়া, গরম পানিতে কালজিরা, আদা, মধু মিশিয়ে পান করা, মাত্রাধিক্য ব্যথা হলে প্রয়োজনে ডাক্তার দেখানো।
৩৮. আমার গত ২ মাস ধরে ১৫ দিন পর পর পিরিয়ড হয়েছে। এই মাসে পিরিয়ড হয়েছে কিন্তু রক্ত যাচ্ছে না। প্রথম দিন কালো রক্ত গিয়েছে, এরপর বন্ধ হয়ে যায়। করণীয় কী?
◆ অস্বাভাবিক মাসিকের অন্য কোনো লক্ষণ আছে কিনা জানতে হবে। ৩-৪ মাস টানা এমন হলে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন ইন শা আল্লাহ।
৩৯. মেন্সট্রুয়াল কাপ কত ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে?
◆ ৬-৭ ঘণ্টার বেশি না।
৪০. আমার ৩ মাস হলো পিরিয়ড হয়নি পরের কয়েক মাস ঠিকমতো পিরিয়ড হয়েছে। এখন আবার ৩ মাস ধরে পিরিয়ড হচ্ছে না। তবে এখন প্রচুর সাদাস্রাব যাচ্ছে। এটা কি স্বাভাবিক? এক্ষেত্রে কী করা উচিত?
◆ এমন অনিয়মিত মাসিক হলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখান। কিছু টেস্ট দেবে সেগুলো করাবেন ইন শা আল্লাহ।
৪১. হায়েযের রক্ত জমাট বাঁধে না কিন্তু আমার হায়েযের সাথে মাঝে মাঝে জেলি বা নরম আবরণের মতো কী যেন বের হয়। এটা কি স্বাভাবিক?
◆ এগুলো হায়েযের রক্ত না, বরং এগুলো ওভাম এবং জরায়ুর ভেতর তৈরি হওয়া নরম স্তর যেগুলো বাচ্চা গর্ভে না আসলে পিরিয়ডের রক্তের সাথে বের হয়ে যায়।
৪২. হায়েযের সময় প্রথম দিকে গাঢ় রক্তের সাথে জমাট রক্তও থাকে, তাহলে কী করণীয়? কারণ, বলা হয়েছে রক্ত জমাট হলে তা হায়েযের রক্ত না?
◆ তরল লাল রক্তের সাথে জমাট বস্তু থাকতেই পারে। সেগুলো মূলত রক্ত না। তবে তরলবিহীন বেশি বড় জমাট রক্তের মতো কিছু বের হচ্ছে কিনা সেটা খেয়াল করতে হবে। এমন হলে এর সাথে অসহনীয় ব্যথা বা জ্বর আছে কিনা এই ব্যাপারগুলো দেখতে হবে। এক্ষেত্রে ডাক্তার দেখানো উচিত।
৪৩. পিরিয়ডের সময় কাপড় ব্যবহার করা যাবে?
◆ কাপড় ব্যবহার করলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। স্যাভলন দিয়ে ধোয়া, ৩ ঘণ্টা পর পর তা পরিবর্তন করা ইত্যাদি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
৪৪. পিরিয়ডের সময় প্যাডের ওপর পেপার ন্যাপকিন নামে যে চারকোণা টিস্যু পেপার পাওয়া যায়, তা ব্যবহার করা কতটুকু স্বাস্থ্যকর?
◆ টিস্যু ব্যবহার করা অনুচিত। কারণ এগুলো ভিজে যোনিপথে ঢুকে যেতে পারে, ফলে পরবর্তীতে ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে।
৪৫. তিন মাস ধরে হায়েয হচ্ছে না। তবে হায়েযের সময় আসলে ব্রেস্টে ব্যথা অনুভব হয় কিন্তু রক্তস্রাব হয় না। এক্ষেত্রে কি করণীয়?
◇ দ্রুত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখান ইন শা আল্লাহ।