📄 হায়েয বিষয়ক প্রশ্নোত্তর
১. হায়েয ও নিফাস চলাকালীন অবস্থায় কী আযানের উত্তর দেওয়া, আল্লাহর নামসমূহ মুখস্থ করা, ইসলামিক বই, সিরাত, দু'আর বই পড়া ইত্যাদি কাজ করা যাবে?
◆ যাবে, তবে কুরআনের আয়াত পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. মোবাইল ফোনে কুরআন পড়ার আগে ওযু করা কি জরুরি?
◆ কিছু কিছু আলিমদের মতে ওযু জরুরি নয়। তবে আমাদের মতামত হচ্ছে, ওযু ব্যতীত স্ক্রিনে কুরআনের আয়াত স্পর্শ করা যাবে না। উপমহাদেশের অধিকাংশ আলিমদের মতে এ্যাপ থেকে কুরআন স্পর্শ করে পড়তে হলে ওযু জরুরি।
৩. হায়েয বা তুহুর অবস্থায় ওযু ছাড়া মুসহাফ (বা গিলাফ বাধাইকৃত মুসহাফ) কি ধরা যাবে? পবিত্র অবস্থায় ওযু ছাড়া তিলাওয়াত করা যাবে কি?
◆ আলগা পবিত্র কাপড় দিয়ে ধরা যাবে, কিন্তু কুরআনের সাথে বাধাইকৃত কাপড় বা গিলাফ থাকলেও ধরা যাবে না। আর পবিত্র অবস্থায় মুসহাফ না ধরে ওযু ছাড়া তিলাওয়াত করা যাবে।
৪. হায়েযের সময় দৈনন্দিন আমল হিসেবে সূরা মুলক মুখস্থ তিলাওয়াত করা যাবে?
◆ না। অন্যান্য দু'আ, দুরুদ পড়ে ঘুমাবে এবং ঘুমানোর আগে রেকর্ড বা কারো থেকে সূরা মুলক শুনে নেবে।
৫. হায়েয চলাকালীন রাতে ঘুমানোর আগে দু'আ হিসেবে সূরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়া যাবে?
◆ সূরা বাকারাহর শেষ দুই আয়াত কেবল দু'আ হিসেবে পড়া যাবে।
৬. কারো পিরিয়ড যদি অভ্যাসমাফিক ২ দিনে ভালো হয় তবে এটা কি হায়েয নাকি ইস্তিহাযা হিসেবে গণ্য হবে?
◆ মাসিকের রক্ত হানাফী মাযহাব মোতাবেক কমপক্ষে ৩ দিন চলমান থাকবে নাহলে তা মাসিক নয় বরং ইস্তিহাযা হিসেবেই গণ্য হবে। কিন্তু কোনো যুবতি মেয়ের মাসিক যদি আজীবন ২ দিনই হয় তাহলে সেটি হায়েয।
৭. আমার মাসিক শুরু হওয়ার ২-৪ দিন আগে থেকে কুদরার মতো কিছু দেখা যায়, প্রবাহমান না, খুবই নগণ্য। এমন ২-৩ দিন চলার পর মাসিকের রক্ত আসে, রক্ত আসার ৬ষ্ঠ দিনে ফরয গোসল করতে হয়। আমি কি এই কুদরাকে মাসিকের অন্তর্ভুক্ত ধরব নাকি ধরব না? সেই সময় সালাত ও সাওমের হুকুম কী হবে? আমার মাসিক নিয়মিত, তবে কুদরার সমস্যা বিগত দু-এক বছর থেকে আছে, আমি আল্ট্রাসাউন্ড করিয়েছি একবার। তখন জরায়ুর কোনো সমস্যাও ধরা পড়ে নি।
◆ উল্লিখিত কুদরা মাসিকের অন্তর্ভুক্ত নয়। হায়েযের অভ্যাসগত দিন ব্যতীত সুফরা বা কুদরা কোনোটিই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৮. আমার কোনো কোনো মাসে এমন হয় যে ৫-৬ দিন স্বাভাবিকভাবে পিরিয়ড হয়ে একদম বন্ধ হয়ে যায়, তাই গোসল করে নামায শুরু করি। ৪-৫ ওয়াক্ত নামায পড়ার পর আবার রক্ত দেখি। এই রক্ত কয়েক ঘণ্টা পর একেবারে বন্ধ হয়ে যায়, তারপর থেকে আর হয় না। আমার প্রশ্ন হলো, যেহেতু আমার প্রায়ই এমন হয় তাহলে কি আমার ৫-৬ দিন পিরিয়ড হয়ে বন্ধ হওয়ার পর আমার ১ দিন অপেক্ষা করা উচিত যেহেতু আবার তো রক্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে?
◆ যখন সম্পূর্ণ বন্ধ হবে তখনই সালাত পড়বেন, একদিন অপেক্ষার দরকার নেই।
৯. সবসময় হায়েয হয় ৫ দিন। হঠাৎ কোনো মাসে যদি ৭ দিন হয় তবে কি ৫ দিনই হায়েয ধরে ইবাদাত শুরু করে দেব নাকি অপেক্ষা করবো?
◆ যখন সাত দিন হবে তখন ৭ দিনই হায়েয থাকবে। কিন্তু যদি ১০ দিন অতিক্রম করে ফেলে তখন হানাফী মাযহাব মতে অভ্যাস মোতাবেক হায়েয ৫ দিন ধরে পরবর্তী সালাতগুলো কাজা আদায় করতে হবে আর ৫ দিনের পরে যতদিন রক্ত দেখা যাবে ততদিন ইস্তিহাযা বিবেচিত হবে। কিন্তু ১০ দিনের নিচে যতদিন থাকবে তা হায়েয বলেই গণ্য হবে।
১০. কারো ক্ষেত্রে যদি এমন হয় যে তার নিয়মিত হায়েয হয় না। শুধু ফোঁটা ফোঁটা বের হয়ে দু-তিন দিন থাকে আবার চার-পাঁচ দিন পর পুনরায় হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় মেনেও হয় না। এক্ষেত্রে সে কোন সময়টাকে হায়েয হিসেবে ধরে নেবে?
* তার আগের ২-৩ দিন হায়েয হয়ে আবার ৪-৫ দিন পর হলেও তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে, পুরো ১০ দিন পর আবার দেখা গেলে আগের মাসে যতদিন হায়েয হয়েছিল ততদিন ধরে বাকি দিনগুলোর সালাত কাজা করবে।
১১. যাদের অনিয়মিত হায়েয হয়, যেমন- কোনো মাসে ৯ দিন হায়েয হলো, তো কোনো মাসে ১২ দিন অথবা ১৫ দিন। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক মাসেই ১৫ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে তারপর যে কদিন ব্লিডিং ছিলো না সেই ক'দিনের কাজা করে নিতে হবে? নাকি মাঝখানে রক্ত না দেখলেই নামায শুরু করতে হবে?
* হায়েয বন্ধ হলেই পবিত্র হয়ে সালাত পড়বে। আগের মাসের হিসাব এজন্যে করা হয়, যদি কোনো মাসে হায়েযের সর্বোচ্চ সময়সীমা ১০ দিন অতিক্রম হয়ে যাওয়ার পরও হায়েয চলমান থাকে তাহলে যাতে নারীরা আগের মাসের হিসাব ধরে ছুটে যাওয়া সালাতগুলো কাজা করে নিতে পারে। আর সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার আগে যদি হায়েয বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তখনই পবিত্র হয়ে সালাত আদায় করতে হবে।
১২. হায়েযের রক্ত আসার আগের দিন হালকা হলুদ স্রাব আসে তারপর মেটে রঙের স্রাব এরপর লাল রঙের রক্ত। আমার প্রশ্ন হলো- যখন লাল রঙ দেখবো তখন কি আমি নিজেকে হায়েযগ্রস্থ বলে ধরে নেবো নাকি সাইকেল অনুযায়ী হলুদ স্রাব পেলেই আমি হায়েযগ্রন্থ?
* মাসের অভ্যাস অনুযায়ী যেদিন হায়েয আসে সেদিন হলুদ বা মেটে স্রাব দেখলে তা হায়েয বলে গণ্য হবে আর যদি অভ্যাসের দিনে না হয় বরং হায়েয হওয়ার অভ্যাসগত দিনের আগে এমন দেখা যায় তবে তা হায়েয হিসেবে গণ্য হবে না। এটি হানাফী ও হাম্বলী উভয়ের মত। [১]
টিকাঃ
[১] মাউসূআতুল আহকামিত তহারাত, আবু উমার আদ দিবইয়ান- ৬/২৮১-২৯৯; আল মাওসূয়াতু ফিরুহিয়্যাহ কুয়েতিইয়্যাহ- ১৮/২৯৬, আল মুগনী- ১/২০২; আল মাজমু'- ২/৪২৩
📄 নিফাস বিষয়ক প্রশ্নোত্তর
১৩. আমার ১ম সন্তানের সময় নিফাসের রক্ত ৬০ দিন চলমান ছিল। ২য় সন্তানের সময় ৫৫ দিন। এক্ষেত্রে ৪০ দিন শেষে বাকি দিনগুলো ইস্তিহাযা। আমি যেহেতু নিয়ম জানতাম না তাই রক্ত দেখেলেসালাতপড়তাম না। এখন করণীয় কী?
◆ জি, ৪০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর যে রক্ত দেখা গিয়েছে তা ইস্তিহাযা। ইস্তিহাযার দিনগুলোতে ছুটে যাওয়া অর্থাৎ, ২০ দিন আর ১৫ দিনের সালাতগুলো কাজা করতে হবে।
১৪. নিফাসের ক্ষেত্রে যদি মাঝখানে কয়েকবার কয়েকদিন করে রক্ত বন্ধ থাকে আর সে দিনগুলোতে নামায না পড়ে যদি ৪০ দিন পর একবারে কাজা পড়ে নেয় তাহলে কি হবে? যেমন- কারো যদি ২০ দিনের পর ১০ দিন ব্লিডিং বন্ধ থেকে আবার ৩৬, ৩৭ তম দিনে ব্লিডিং হয়ে একবারে বন্ধ হয়ে গেল। কিন্তু ওই নারী ৪০ দিনই অপেক্ষা করে তারপর ৩৭ দিনের পর থেকে নামায গুলো কাজা পড়লো। একই ভাবে কেউ যদি ৪০ দিন অপেক্ষা করতে গিয়ে দেখে যে, অনেক আগেই সে পবিত্র হয়ে গিয়েছে। এরপর সে নামাযগুলো কাজা করে নিলো। নামাযগুলো এভাবে কাজা করার কারণে কি গুনাহ হবে? সে তো জানতো না যে, সে আসলেই পবিত্র হয়েছে কিনা। কেননা ৪০ দিনের আগ পর্যন্ত তো আবার ব্লিডিং-এর সম্ভাবনা থেকে যায়।
◆ নিফাসের অভ্যাসগত কোনো নিয়ম না থাকলে ৪০ দিনের আগে যখনই দেখবে রক্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছে তখনই পবিত্র হয়ে সালাত আদায় করবে। ৪০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেনা। যদি ৪০ দিনের মধ্যে আবার রক্ত দেখা যায় তবে তিনি সালাত আদায় থেকে বিরত থাকবেন।
কিন্তু যদি পূর্বের নিফাসের সময়সীমা ও অভ্যাস জানা থাকে সেক্ষেত্রে রক্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও পূর্বের অভ্যাসের সময়ানুযায়ী পুনরায় রক্ত দেখার প্রবল ধারণা থাকলে সালাত আদায় থেকে বিরত থাকবে। কিন্তু ঘটনাক্রমে যদি দেখা যায় যে, এই ৪০ দিন পর্যন্ত তিনি আর কোনো রক্ত দেখেনি, তাহলে যেদিন রক্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেদিন থেকে সেই ৪০ তম দিন পর্যন্ত সালাতগুলোর কাজা আদায় করে নেবে。
📄 ইস্তিহাযা বিষয়ক প্রশ্ন
১৫. আমার প্রায় সবসময়ই সাদাস্রাব হয়। তবে আমি মা'য়ূর নই। ১.৫-২ ঘণ্টা পর পর সাদাস্রাব হয়। এখন বাসায় থাকলে আমার সালাত আদায়ে কোনো সমস্যা হয় না, আলহামদুলিল্লাহ। তবে যখন লম্বা সময়ের জন্য বাহিরে যাই, যেমন: কোচিং বা কলেজের জন্য বাইরে থাকি তখন আমি বাসা থেকে ওযু করে বের হই, যাতে সালাত আদায় করতে পারি। এখন ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে আমার যে সাদাস্রাব হয়েছে সেটা আমি নিশ্চিত থাকি। স্রাব বাইরে বের না হলেও যোনিপথের ভিতরে থাকে। যখন প্রস্রাব হয় তখন সাদা ঘন পদার্থের মতো বের হয়ে যায়। এখন বাইরে তো কোনোভাবেই ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হওয়া সম্ভব হয় না। তাই ওযু ভঙ্গের অন্য কারণ না ঘটলে আমি কি সেই ওযু দিয়ে সালাত আদায় করতে পারবো? সালাত পড়তে না পারলেও এক্ষেত্রে আমি কি করতে পারি যাতে আমার সালাত কাজা না হয়?
যদি স্রাব যোনিপথের বাইরে না আসে তাহলে ওযু ভাঙবে না। সেই ক্ষেত্রে সেই ওযু দিয়েই নামায পড়ে নিতে পারবে। কিন্তু যখন স্রাব বের হয়ে যোনিপথের বহিরাংশ ভিজবে তখনই ওযু ভেঙে যাবে। সেক্ষেত্রে সম্ভব হলে পরিষ্কার হয়ে ওযু করে নেবে। আর পরিষ্কার হওয়া সম্ভব না হলে এমনিতেই ওযু করে বা আগের ওযুতেই নামায সঠিক সময়ে আদায় করে নেবে, পরবর্তীতে সেই নামায বাসায় ফিরে পবিত্র হয়ে আবার আদায় করবে।
১৬. স্রাব আটকে রাখার জন্য লজ্জাস্থানে তুলা বা কাপড় দিয়ে রাখলে যদি লজ্জাস্থানের সাথে তুলা/কাপড়ের লেগে থাকা অংশ ভিজে যায় তাহলে কি ওযু ভেঙে যাবে?
ওযু করার পর এমন হলে ওযু ভেঙে যাবে। তবে তুলা বা কাপড় না ভিজলে ওযু ভাঙবে না।
১৭. স্রাব না আসার জন্য লজ্জাস্থানে কাপড়/তুলা দিয়ে এরপর ওযু করে বাইরে যাওয়ার পর যখন নামাজের ওয়াক্ত হবে তখন যদি বুঝতে না পারি যে স্রাব আসছে কিনা এবং ওই অবস্থায় সালাত আদায় করি এবং বাসায় আসার পর যদি লজ্জাস্থানে দিয়ে রাখা কাপড়/তুলা বের করার পর তাতে স্রাব লেগে আছে দেখতে পাই তাহলে কি আমার নামায আদায় হবে? আর যদি আমার বাইরে থাকা অবস্থায় সন্দেহ হয় স্রাব এসে গেছে কিন্তু আমি নিশ্চিত না আর নামাজের ওয়াক্ত হয়ে যায় তখন কি করবো?
পবিত্রতার ক্ষেত্রে কেবল সন্দেহ গ্রহণযোগ্য নয়, নিশ্চিত বা প্রবল ধারণা হতে হবে। যদি নিশ্চিত হন যে, ওযুর পরেই সাদাস্রাব এসেছে তাহলে নামায আবার আদায় করে নিতে হবে আর যদি নিশ্চিত হন নামাজের পরে বের হয়েছে তাহলে সালাত পুনরায় আদায় করতে হবে না।
১৮. কারো মাঝে মাঝে লাগাতার সাদাস্রাব যায়, আবার কখনো বন্ধ থাকে। অর্থাৎ, সে অনিশ্চিত এই বিষয়ে। এক্ষেত্রে সে কোনো ওয়াক্তের নামাজের পূর্বে যদি ওযু করে সাথে সাথেই নামাজে দাঁড়ায় এবং ভেজা অনুভব করে, মনে হয় যেন সাদাস্রাব বের হয়েছে তাহলে কি তার ওযু ভেঙে যাবে?
মনে হলে ওযু ভাঙবেনা। নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই সালাত আদায় করতে থাকবে।
১৯. ইস্তিহাযার বিধানে প্রত্যেক ওয়াক্তে ওযু করে সালাত পড়তে হয় এক্ষেত্রে কি কাপড় পরিবর্তন করা লাগবে? প্রত্যেক ওযুর সময় রক্ত বা স্রাব পরিষ্কার করতে হবে নাকি শুধু ওযু করলেই পবিত্রতা হাসিল হয়ে যাবে?
◆ এক্ষেত্রে কাপড়টিও যথাসম্ভব পবিত্র রাখতে হবে।
২০. আমরা জেনেছি সাদাস্রাব বের হলে ওযু করতে হয়। তাহলে এটি যদি আমাদের কাপড়ে লেগে যায় তখন কি কাপড় পরিবর্তন করা জরুরি? নাকি ওই কাপড় পরা অবস্থায় ওযু করলেই পবিত্র হতে পারবো?
◆ কাপড়ের ওই অংশ ধুয়ে নিলেই যথেষ্ট হবে。
📄 লোমকর্তন-বিষয়ক প্রশ্ন
২১. বগলের অবাঞ্ছিত লোম পুরোপুরি না চেঁছে বা না উপড়ে ফেলে যদি কেঁটে ছোট করে নিই তাহলে কি কোনো সমস্যা হবে?
◆ সমস্যা নেই।
২২. অবাঞ্ছিত লোম যে সময়সীমার মধ্যে কাঁটতে হয় মাঝে মাঝে সেই সময়ের মধ্যে কাঁটা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় কি নামায হচ্ছে?
◇ জি, নামায হচ্ছে। তবে সময়সীমার ৪০ দিনের মধ্যে লোমকর্তন না করা মাকরুহে তাহরীমী।