📄 দৈহিক মিলনরত অবস্থায় হায়েয
দৈহিক মিলনরত অবস্থায় হায়েয শুরু হলে ঐ অবস্থাতেই মিলন থেকে বিরত হয়ে যেতে হবে। যদি পুরুষের ইনযাল তথা বীর্য নিক্ষিপ্ত হওয়ার পর্যায়ে এসে পড়ে অথবা যদি যৌন চাহিদার ওপর সবর করা কঠিন হয় তাহলে ওই অবস্থায় যোনিদ্বারে সহবাস না করে গুহ্যদ্বার ব্যতীত স্ত্রী অন্য কোনো অঙ্গে ঘর্ষণ করে স্বামীর বীর্য নিক্ষেপ করে দিতে পারবে। বিশেষ করে হাঁটু থেকে নাভী পর্যন্ত অংশ বাদ দিয়ে অন্যান্য অঙ্গ দ্বারা স্বামীর যৌনস্পৃহা নিবারণ করা যাবে। যেমন: হাত, স্তন, দেহের বিভিন্ন খাঁজ ইত্যাদি।[৪১] নবী -কে আব্দুল্লাহ ইবনু সা'দ জিজ্ঞাসা করলেন (মুয়াজ ইবনু জাবাল সহ আরও বেশ কিছু সাহাবি থেকেও একই বর্ণনা রয়েছে),
ما يحل امرأتي وهي حائض؟
হায়েয অবস্থায় আমার স্ত্রীর কোন অংশ আমার জন্য (যৌন চাহিদা নিবারণের ক্ষেত্রে) হালাল?
তিনি উত্তরে বলেন,
لك ما فوق الإزار
তুমি তার ইযারের ওপরের অংশ (নাভীর ওপর) উপভোগ করতে পারবে। [৪২]
নবী আরও বলেন,
اصنعوا كل شيء إلا النكاح
(হায়েয-নিফাস অবস্থায় বিবির সাথে) সহবাস ব্যতীত সবই করতে পারো। [৪৩]
এক্ষেত্রে স্ত্রীর নাভীর নিম্নাংশে কাপড় না থাকলেও হাত অথবা অন্য কোনো অঙ্গ দ্বারা স্বামীর যৌন চাহিদা মেটানো যাবে। তবে স্বামী সরাসরি যোনিতে স্পর্শ করবে না।
টিকাঃ
[৪১] আদ্দুররুল মুখতার- ১/২৯২
[৪২] সুনান দারেমী- ১/২৪১-২৪২; মুসনাদে আহমাদ- ৪/৩৪২; সুনান আবু দাউদ- ২১২,২১৩; জামে তিরমিযী- ১/৮৯, হাদীস- ১৩৩; সুনানুল কুবরা- ১/৩১২, হাদীস- ১৩৯৪; আল মুখতারাহ, জিয়া আল মাক্কদেসী- ৯/৪১, হাদীস- ৩৯০; আবু দাউদের ব্যাখ্যাকার আবু যুর'আহ আল ইরাক্কী এর সনদকে সহীহ বলেছেন।
[৪৩] সহীহ মুসলিম- ৩০২