📄 শরঈ সম্পাদকের কথা
نحمده حمداً كثيراً، فلا أحد أحق بالحمد منه، ولن نبلغ كمال حمده مهما حمدناه، ونشكره على ما هدانا وأولانا، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له؛ من عرفه أحبه و عظمه و عبده و لهج بحمده وشكره والثناء عليه بما هو أهله، ومن جهله تمزق قلبه، وضاق صدره، وشقي في دنياه وأخراه ﴿ وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا) وأشهد أن محمداً عبده ورسوله؛ كان أكثر الناس بالله تعالى علما و معرفة، وأشدهم حبا وتعظيم له سبحانه، وأكثرهم خضوعاً وتعبداله عز وجل، قام ليلة يصلي فاقتربت منه عائشة رضي الله عنها فقال: «يَا عَابِشَةُ ذَرِينِي أَتَعَبَّدُ اللَّيْلَةَ لِرَبِّي» فما زال يصلي و يبكي حتى الفجر، صلى الله وسلم وبارك عليه وعلى آله وأصحابه وأتباعه بإحسان إلى يوم الدين أما بعد
আল্লাহ -এর এক অপরুপ সৌন্দর্যমন্ডিত সৃষ্টি হচ্ছে নারীজাতি। পুরুষকুলের মানসিক স্বস্তি ও মানবকুল বিস্তারে তারাই অগ্রনী ভুমিকা পালন করে থাকেন। আল্লাহ বলেন,
هُوَ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَجَعَلَ مِنْهَا زَوْجَهَا لِيَسْكُنَ إِلَيْهَا )
তিনি ঐ সত্ত্বা যিনি তোমাদের একটি প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন। এবং এর মাঝ থেকেই তিনি তোমাদের একে অপরের (বৈবাহিক) জোড়া নির্ধারণ করেছেন যাতে করে সে তার কাছে স্বস্তি পেতে পারে। [১]
মহান আল্লাহ কুরআনুল কারীমে নারীদের ফজিলত ও তাদের ব্যাপারে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিধিবিধান নিয়ে স্বতন্ত্র সূরাই নাযিল করেছেন যার নাম 'আন নিসা'। 'নিসা' শব্দের অর্থই হচ্ছে- 'নারী'। এছাড়াও নেককার নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে এমন এক সৎকর্মশীল নারীর নামেও আল্লাহ আলাদা একটি সূরা নাযিল করেছেন যার নাম 'আল মারিয়াম'।
এছাড়াও আরও বহু আয়াত ও হাদীসে তাদের ব্যাপারে যেসব বক্তব্য এসেছে তাতে ঈর্ষান্বিত হওয়া ছাড়া উপায় নেই। অথচ পুরুষ জাতির ব্যাপারে এসব দৃষ্টান্ত বেনজির! এতেই বুঝা যাচ্ছে আল্লাহ পুণ্যবতী নারীদের ব্যাপারে কতটা সজাগ ও সদয়! আল্লাহ বলেন,
فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتُ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللَّهُ
সুতরাং পুণ্যবতী নারীরা (যারা) অনুগত, তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে (নিজেদের) হিফাযত করে ঐ বিষয়ের যা স্বয়ং আল্লাহ হিফাযত করেছেনে। [২]
পুণ্যবতী ও পবিত্র নারীদের ফজিলতের ব্যাপারে বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। নিম্নে কতিপয় হাদীস বর্ণনা করা হচ্ছে-
الدنيا كلها متاع، وخير متاع الدنيا المرأة الصالحة
গোটা দুনিয়াই হচ্ছে সম্পদ আর এর মাঝে উত্তম সম্পদ হচ্ছে পুণ্যবতী নারী। [৩]
أربع من السعادة : المرأة الصالحة، والمسكن الواسع، والجار الصالح، والمركب الهنيء وأربع من الشَّقاوة: الجار السوء، والمرأة السوء، والمسكن الضيق، والمركب السوء
৪টি বিষয় হচ্ছে সৌভাগ্যের-নেককার নারী, সুপ্রশস্থ ঘর, নেককার প্রতিবেশী এবং দ্রুতগামী তবে নিরাপদে চলে এমন আরোহন। আর ৪টি বিষয় হচ্ছে দুর্ভাগ্যের- বদকার প্রতিবেশী, বদকার নারী, সংকীর্ণ (স্থানের) ঘর আর খারাপ আরোহন। [৪]
قيل يا رسول الله، أي النساء خير؟ قال: التي تسرُّهُ إِذا نَظَرَ ، وتُطِيعُهُ إذا أمر، ولا تُخالفه في نفسها ولا في ماله بما يكره
নবীজি -কে জিজ্ঞাস করা হলো যে, “হে আল্লাহর রাসূল! কোন নারী উত্তম?” তিনি বললেন- "ঐ স্ত্রী যার দিকে তুমি তাকালে তোমাকে সে খুশি করে। তাকে নির্দেশ দিলে আনুগত্য করে। তুমি তার থেকে অনুপস্থিত থাকলে সে তার নিজেকে এবং তোমার সম্পদকে সকল অনিষ্ট হতে হেফাজত করে।” [৫]
সাহাবাগণ একবার বললেন-
يَا رَسُولَ اللهِ ، أَيُّ الْمَالِ نَتَّخِذُ؟ فَقَالَ : لِيَتَّخِذْ أَحَدُكُم قَلْبًا شَاكِرًا، وَلِسَانًا ذَاكِرًا وزوجةً مُؤْمِنَةً تُعِينُ أَحَدَكُم عَلَى أَمرِ الآخِرَةِ
হে আল্লাহর রাসূল, কোন সম্পদ আমরা গ্রহণ করব?" তিনি বললেন- "তোমরা শুকরিয়া আদায়কারী অন্তর, সদা সর্বদা আল্লাহর যিকিরে লিপ্ত জিহ্বা এবং তোমাদের আখিরাতে সফল করতে সহায়তা করবে এমন স্ত্রীদেরকে উত্তম সম্পদ হিসেবে গ্রহণ করো।” [৬]
جَاءَ رَجُلُ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ بِحُسْنِ صَحَابَتِي؟ قَالَ: أُمُّكَ قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : ثُمَّ أُمُّكَ قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : ثُمَّ أُمُّكَ قَالَ : ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ : ثُمَّ أَبُوكَ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ -এর কাছে এসে জিজ্ঞাস করলেন যে, “কোন ব্যক্তি আমার উত্তম আচরণের অধিক হকদার?" তিনি বললেন- "তোমার মা।" লোকটি বলল- "অতঃপর কে?" তিনি আবারও জবাব দিলেন- "তোমার মা।" লোকটি আবার বলল- "অতঃপর কে?" তিনি এবারও জবাব দিলেন- "তোমার মা!" এরপর লোকটি একই প্রশ্ন আবার করলে এবার নবীজি উত্তর দিলেন- “তোমার বাবা!” [৭]
নেককার ও পুণ্যবতী নারীদের ফজিলত বুঝাতে উল্লেখিত আয়াত ও হাদীস সমূহ দ্বারা সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলো।
নেককার নারী যেমনিভাবে সম্মান, আক্র, মর্যাদা ও উপকারের সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থান করে; অনুরুপভাবে নারী যদি বদকার হয় তাহলে সে ব্যাক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও জাতির জন্য অভিশাপ ও অনিষ্টকারিনী হয়ে থাকে। নারী যেমন তার পুণ্য ও পবিত্রতা দ্বারা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও জাতির নির্মলতা বজায় রেখে সেগুলো গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখে; তদ্রূপ বদকার নারী উল্টো পরিবার, সমাজ এবং জাতির জন্য হয়ে উঠে বিধ্বংসী!
নবীজি বলেন,
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ
আমার চলে যাওয়ার পর আমি পুরুষদের উপর ফিতনার (পরীক্ষার) বিষয় হিসেবে নারী অপেক্ষা অধিকতর ক্ষতিকর আর কিছু রেখে যাচ্ছি না! [৮]
অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে যে,
صِنْفَانِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ لَمْ أَرَهُمَا: قَوْمٌ مَعَهُمْ سِيَاطٌ كَأَذْنَابِ الْبَقَرِ يَضْرِبُونَ بِهَا النَّاسَ، وَنِسَاءٌ كَاسِيَاتٌ عَارِيَاتٌ مُمِيلَاتٌ مَائِلاتٌ، رُؤُوسُهُنَّ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْمَائِلَةُ لَا يَدْخُلْنَ الْجَنَّةَ، وَلَا يَجِدْنَ رِيحَهَا، وَإِنَّ رِيحَهَا لَيُوجَدُ مِنْ مَسِيرَةِ كَذَا وَكَذَا ( وفي رواية: من مسيرة خمسمائة عام)
দুই প্রকার জাহান্নামী মানুষ আমি (এখন পর্যন্ত) প্রত্যক্ষ করি নি (অর্থাৎ, আমার পরে তাদের আবির্ভাব ঘটবে)- এমন এক সম্প্রদায় যাদের কাছে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, যা দিয়ে তারা জনগণকে প্রহার করবে। আর পোশাক পরিহিত উলঙ্গ নারী (অর্থাৎ নারীরা এমন নগ্ন ও পাতলা পোশাক পরবে যে, বাস্তবে উলঙ্গ থাকবে), (পর পুরুষকে) নিজেদের প্রতি আকর্ষণ করবে ও নিজেরাও (পর পুরুষের প্রতি) আকৃষ্ট হবে। (ফ্যাশন ও স্টাইল করার নিমিত্তে) তাদের মাথা (চুলের গোছা) হবে উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মতো! এ ধরনের নারীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরত্বের পথ থেকে পাওয়া যাবে (এক বর্ণনায় রয়েছে যে, তা ৫০০ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়)। [৯]
আরেকটি হাদীসে বর্ণিত আছে যে,
سَيَكُونُ فِي آخِرِ أُمَّتِي رِجَالٌ يَرْكَبُونَ عَلَى سُرُوحٍ، كَأَشْبَاهِ الرِّحَالِ، يَنْزِلُونَ عَلَى أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ ( وفي رواية الحاكم: سَيَكُونُ فِي آخِرِ هَذِهِ الْأُمَّةِ رِجَالٌ يَرْكَبُونَ عَلَى الْمَيَاثِرِ حَتَّى يَأْتُوا أَبْوَابَ مَسَاجِدِهِمْ ، نِسَاؤُهُمْ كَاسِيَاتُ عَارِيَاتُ، عَلَى رُءُوسِهِمْ كَأَسْنِمَةِ الْبُخْتِ الْعِجَافِ الْعَنُوهُنَّ، فَإِنَّهُنَّ مَلْعُونَاتُ، لَوْ كَانَتْ وَرَاءَكُمْ أُمَّةٌ مِنَ الْأُمَمِ لَخَدَمْنَ نِسَاؤُكُمْ نِسَاءَهُمْ، كَمَا يَخْدِمْنَكُمْ نِسَاءُ الْأُمَمِ قَبْلَكُمْ
অচিরেই আমার উম্মতের মাঝে শেষ যামানায় একদল পুরুষের আবির্ভাব হবে, যারা বাহনে বসার জন্য তৈরিকৃত নরম ও রেশমের কাপড়ে তৈরি গদিতে আরোহন করবে। এমনকি তাদের ঐ যানবাহন নিয়েই তারা মসজিদে সালাত পড়তে আসবে (লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে)! তাদের মেয়েরা কাপড় পরিহিত হয়েও উলঙ্গ থাকবে! (ফ্যাশন ও স্টাইল করার নিমিত্তে) তাদের মাথা হবে উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মতো! ওদের অভিশাপ দাও কেননা ওরা সবাই অভিশপ্ত! যদি আল্লাহ এই উম্মতের পর অন্য কোন উম্মত সৃষ্টি করতেন তাহলে এসব নারীদেরকে তাদের পরবর্তী উম্মতের খাদেমা হিসেবে নিযুক্ত করতেন যেমনটি তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের (বনী ইসরাইলের) নারীদেরকে (তাদের অকৃতজ্ঞতা ও নাফরমানির কারণে) তাদের পরবর্তী উম্মতের খাদেমা নিযুক্ত করা হয়েছিল! [১০]
এসব হাদীস থেকে অনুমান করা যায় যে, বদকার নারী আল্লাহ ও তাঁর রাসূল দৃষ্টিতে নিন্দিত ও অভিশপ্ত।
এজন্যই একজন নারী শরী'আতে ইসলামীর বিধি-নিষেধ জেনে কিভাবে আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ও পুণ্যবতী হয়ে মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারিনী হতে পারে এবং কিভাবে একটি পবিত্র ও সুন্দর পরিবার, সমাজ এবং জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে তারই নজির ও দৃষ্টান্ত পেশ করার নিমিত্তে আমাদের 'ইনবাত এডুকেশন'-এর উদ্যোগে অনলাইনে নারী বিষয়ক একটি কোর্সের আয়োজন করা হয়েছিলো। কোর্সের অংশগ্রহণকারী প্রায় সকল বোনই এখান থেকে বেশ উপকৃত হয়েছে বলে আমরা আশা করি। সেই উপকারকে আরও সুবিস্তৃত করতে এই অধমের আগ্রহে ইনবাত এডুকেশনের সম্মানিত পরিচালক ও ইনবাত পাবলিকেশনের প্রকাশক সাহেব কোর্সের মোডিউলশীট কিছুটা হ্রাস-বৃদ্ধি করে বই আকারে প্রকাশ করতে সিদ্ধান্ত নেন। এরপর বইটির নাম কি হতে পারে সেই চিন্তায় আল্লাহ এই অধমের অন্তরে কুরআনের সূরা নিসা- ২৪, ২৫; সূরা আম্বিয়া- ৯১; সূরা নুর- ২৪ সহ কয়েকটি আয়াত মনে করিয়ে দিলেন।
যেখানে আল্লাহ পবিত্র, সতীসাধ্বী ও পতিব্রতা নারীদের কে 'মুহস্বানাত' )محصنات( শব্দ দ্বারা সম্বোধন করেছেন। আমার নিকট নেককার নারীদেরকে 'আল-মুহস্বানাত- 'আল-হুসনাত' শব্দ দ্বারা উপাধি দেওয়া অপেক্ষা অন্য কিছুকে উত্তম মনে হয়নি। সুতরাং প্রকাশক সাহেবের সাথে পরামর্শক্রমে বইটির নাম রাখা হয়েছে 'মুহসানাত (পবিত্র নারীদের পাঠশালায়)' আলহামদুলিল্লাহ আ'লা কুল্লি হাল।
অধমের পাশাপাশি বইটি সাজাতে পুরুষদের মনস্তাত্ত্বিক, নারীদের প্রায়োগিক ও মেডিক্যাল বিষয়াদি লেখা লিখে সম্পন্ন করতে সার্বিকভাবে অক্লান্ত, নিরলস ও আন্তরিক ভুমিকা রেখেছেন প্রিয় অনুজ উস্তায আব্দুল্লাহ ইবনে জা'ফর (যাদ্দাল্লাহু হিম্মাতাহু), বারিয়াহ বিনতে আতিয়ার (আফাল্লাহু আনহা), সায়মা সাজ্জাদ মৌসি (কাশাফাল্লাহু গুম্মাতাহা), খন্দকার মারিয়াম হুমায়ুন (হাস্সানাল্লাহু আখলাক্বাহা)। আল্লাহ এই কিতাবের সাথে সংশ্লিষ্ট আমাদের সবাইকে এর উত্তম বিনিময় দুনিয়া ও আখিরাতে প্রদান করুন। আমীন।
এত কিছুর পরেও মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। তাই এই বইয়ের শরী'আহ সম্পর্কিত লেখালেখির যা কিছু সঠিক ও উপকারী বিষয় বিবেচিত হবে তা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং যেসব ভুল হবে তার দায়ভার আমার ও বিতাড়িত শয়তানের দিকে সম্পৃক্ত হবে!
ইন আহসান্তু ফামিনাল্লাহ, ওয়া ইন আসা'তু আও আখতা'তু ফামিন নাফসি ওয়াশশায়ত্বান।
আহক্বারুল ই'বাদ-
আব্দুল্লাহ আল মামুন (উ'ফিয়া আনহু)
১৫ জুমাদাল আউয়াল ১৪৪২
৩১ ডিসেম্বর ২০২০
টিকাঃ
[১] সূরা আ'রাফ- ১৮৯
[২] সূরা নিসা- ৩৪
[৩] সহীহ মুসলিম- ১৪৬৭; সুনানে ইবনু মাজাহ- ১৮৫৫
[৪] মুসনাদে আহমাদ- ১৪৪৮; সহীহ ইবনু হিব্বান- ৪০৩২, হাদীসটির মান সহীহ।
[৫] সুনানে আবু দাউদ- ১৬৬৪; সুনানে নাসাঈ- ৩২৩১; সুনানে ইবনু মাজাহ- ১৮৫৭; মুসনাদে আহমাদ- ২/৪৩২, ৪৩৮, ২৫১, হাদীস ৭৪২১; মুস্তাদরাকে হাকেম- ২/১৬১, সনদ হাসান।
[৬] মুসনাদে আহমাদ- ২২৪৩৭; জামেউস সগীর- ৭৫২৬; সুনানে ইবনু মাজাহ- ১৮৫৬, শাইখ শুয়াইব আল আরনাউত্ব একে হাসান লি গইরিহী বলেছেন এবং অনেক মুহাদ্দিস এর সনদকে সহীহ লি গইরিহী আখ্যায়িত করেছেন।
[৭] সহীহ বুখারী- ৫৯৭১; সহীহ মুসলিম- ২৫৪৮
[৮] সহীহ বুখারী- ৫০৯৬; সহীহ মুসলিম- ২৭৪০
[৯] সহীহ মুসলিম- ২১২৮; শরহু মুসলিম, নববী- ১৭/১৯১; মাজমুউল ফাতাওয়া- ১৪৬/২২
[১০] মুসনাদে আহমাদ- ১১/৬৫৪; সহীহ ইবনু হিব্বান- ৫৭৫৩; মুস্তাদরাকে হাকেম- ৪/৪৩৬; ফতহুর রব্বানী, আহমাদ আব্দুর রহমান আল বান্না- ১৭/৩০১