📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 যেসকল কারণে জন্মনিরন্ত্রণ জায়েয নেই

📄 যেসকল কারণে জন্মনিরন্ত্রণ জায়েয নেই


নিম্নবর্ণিত কারণগুলো অস্থায়ীভাবেও জন্মনিয়ন্ত্রণ বৈধ হওয়ার ওজর হিসেবে ধর্তব্য হবে না: * পুরুষ বা নারী নিজেদের দৈহিক সৌন্দর্য বা ফিগার ঠিক রাখার জন্য। * কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার ভয়ে। যাতে পরবর্তী সময় এদের বিয়ে-শাদির ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। * গর্ভধারণ কষ্ট, প্রসববেদনা, নিফাস, দুধ পান করানো এবং বাচ্চার সেবা-যত্ন ইত্যাদি কষ্ট থেকে বাঁচার জন্য। * গর্ভধারণ থেকে শুরু করে বাচ্চা বড় হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে এর সেবা-যত্নের পিছনে কল্পনাতীত শ্রম দেওয়ার কারণে সৃষ্ট সম্ভাব্য খিটখিটে মেজাজ থেকে বাঁচার জন্য। * অধিক সন্তান নেওয়াকে লজ্জার বিষয় মনে করা। * অধিক সন্তান জন্ম নিলে তাদের ভরণ-পোষণে আর্থিক অভাব-অনটন, খাদ্য ও ভূমি- সম্পদ সংকট দেখা দেবে এই ভয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা।

উল্লিখিত কারণসমূহ সামনে রেখে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা সম্পূর্ণভাবে নাজায়েয এবং হারাম। বিশেষ করে শেষের কারণটি ইসলামী আক্বীদা-বিশ্বাস ও আদর্শের সাথে প্রকাশ্য এবং সরাসরি সাংঘর্ষিক হওয়ার কারণে এর ভয়াবহতা অনেক মারাত্মক।

কিন্তু আফসোসের বিষয়ে হলো, বর্তমানে এই কারণটিকে সামনে রেখেই অধিকাংশ মানুষ জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে। অথচ আর্থিক দুর্বলতা ও সচ্ছলতা এবং রিযিকের ব্যবস্থা একমাত্র আল্লাহর হাতে নিয়ন্ত্রিত। আল্লাহ কুরআন মাজীদে ইরশাদ করেন,

وَمَا مِن دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا) আর পৃথিবীতে বিচরণকারী সকলের রিযিক বা জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ নিয়েছেন। [২৩]

وَلَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُم مِّنْ إِمْلَاقٍ ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُكُمْ وَإِيَّاهُمْ) তোমরা স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্র্যের কারণে হত্যা কোরো না। আমিই তোমাদেরকে রিযিক দিই এবং তাদেরকেও। [২৪]

وَلَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُمْ خَشْيَةَ إِمْلَاقٍ ۖ نَّحْنُ نَرْزُقُهُمْ وَإِيَّاكُمْ ۚ إِنَّ قَتْلَهُمْ كَانَ خِطْأً كَبِيرًا দারিদ্র্যের ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা কোরো না। তাদেরকে এবং তোমাদেরকেও আমিই রিযিক দান করে থাকি। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ [২৫]

উল্লিখিত আয়াতসমূহ দ্বারা যখন এ কথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, প্রত্যেকটি প্রাণীর জীবিকার ব্যবস্থা আল্লাহ নিজ দায়িত্বে নিয়ে রেখেছেন, তখন এই জীবিকার ভয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা আল্লাহকে অযোগ্য ঘোষণা করার শামিল এবং এই আয়াতসমূহ অস্বীকার করার নামান্তর। তাই এ বিষয়ে প্রত্যেক মুসলমানকে ভেবে-চিন্তে সতর্কতার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, দুনিয়ার সামান্য ভোগবিলাস, কষ্ট বা লোকলজ্জার ভয়ে আমরা যেন আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ ঈমান ও আখিরাতকে বরবাদ না করে দিই।

* আলোচনার সারসংক্ষেপ • স্থায়ীভাবে প্রজননক্ষমতা নষ্ট করা নাজায়েয এবং হারাম। তবে যদি জরায়ুতে এমন কোনো রোগ হয়, যার থেকে জরায়ু কেটে ফেলা ছাড়া আরোগ্য লাভ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, তাহলে তা কেটে ফেলা জায়েয আছে。

■ অস্থায়ী পদ্ধতিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ মাকরুহ। তবে শরঈ ওজরবশত জায়েয।

[২৩] সূরা হুদ-৬ [২৪] সূরা আন'আম- ১৫১ [২৫] সূরা বনী ইসরাঈল- ৩১

📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 ভ্রূণ নষ্ট করার বিষয়ে শরী‘আহর বিধান

📄 ভ্রূণ নষ্ট করার বিষয়ে শরী‘আহর বিধান


গর্ভে সন্তান চলে আসার পর অকারণে ভ্রূণ নষ্ট করা জায়েয নেই। তবে নিম্নোক্ত শরঈ ওজরগুলো পাওয়া গেলে গর্ভস্থ সন্তানের ৪ মাসের আগে এবরশন বা ভ্রূণ নষ্ট করা যাবে। আর সেগুলো হলো: মহিলা অসুস্থ ও দুর্বল হওয়ার কারণে গর্ভধারণ বিপজ্জনক হলো। গর্ভধারণের কারণে দুধ শুকানোর দরুন পূর্বের বাচ্চার স্বাস্থ্যহানির আশঙ্কা হলে এবং দুধের বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও না থাকলে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অমিল হওয়ার কারণে পৃথক হওয়ার ইচ্ছা থাকলে। মুসলিম বিজ্ঞ ডাক্তারের মতানুযায়ী বাচ্চা নিলে মায়ের জীবননাশের বা ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে। দারুল হারবে (যেখানে কাফিরদের সাথে ইসলামী সশস্ত্র জিহাদ ফরয হয়ে গেছে) বসবাসের কারণে নবাগত সন্তানের ক্ষতির আশঙ্কা হলে। কোনো কাফির জোরপূর্বক মুসলিম মেয়ের সাথে যিনা করেছে ফলে পেটে বাচ্চা চলে এলে।

তবে যদি বাচ্চার শরীরে রুহ চলে আসে, তাহলে তা নষ্ট করা জায়েয হবে না। পেটের বাচ্চার শরীরে রূহ আসে চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন পর। ভ্রূণের বয়স ১২০ দিন পার হয়ে গেলে তা নষ্ট করা সর্বসম্মত মতানুসারে হারাম।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ বলেন, মহা সত্যবাদী আল্লাহর রাসূল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, "নিশ্চয় তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান নিজ নিজ মায়ের পেটে চল্লিশ দিন পর্যন্ত বীর্যরূপে অবস্থান করে, অতঃপর তা জমাটবাঁধা রক্তে পরিণত হয়। ওইভাবে চল্লিশ দিন অবস্থান করে। অতঃপর তা গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়ে (আগের মতো চল্লিশ দিন) থাকে। অতঃপর আল্লাহ একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন। আর তাঁকে চারটি বিষয়ে আদেশ দেওয়া হয়। তাঁকে আমল, রিযিক, আয়ু এবং সে কি পাপী হবে নাকি নেককার হবে তা লিপিবদ্ধ করতে বলা হয়। অতঃপর তার মধ্যে আত্মা ফুঁকে দেওয়া হয়।” [২৭]

টিকাঃ
[২৭] সহীহ বুখারী- ৩২০৮; সহীহ মুসলিম- ৬৫৯৯

📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 পায়ুপথে সংগম করার বিধান

📄 পায়ুপথে সংগম করার বিধান


স্ত্রীর পায়ুপথে সহবাস করা মারাত্মক কবীরা গুনাহ। কেননা, এটা হারাম হওয়ার ব্যাপারে কুরআন-সুন্নাহে স্পষ্ট দলিল রয়েছে। এমনকি ইমাম ত্বহাবী বলেন, “এর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত হাদীসগুলো মুতাওয়াতির (অর্থাৎ বর্ণনা-পরম্পরার প্রতিটি স্তরেই রয়েছে বৃহৎসংখ্যক রাবী)।” [২৮]

ইমাম নববী বলেন,

واتفق العلماء الذين يعتد بهم على تحريم وطء المرأة في دبرها حائضا كانت أو طاهرا،
لأحاديث كثيرة مشهورة

হায়েয কিংবা পবিত্র উভয় অবস্থাতেই স্ত্রীর পায়ুগমন নিষেধ হওয়া মর্মে বহু প্রসিদ্ধ হাদীস বর্ণিত হওয়ায় সকল নির্ভরযোগ্য আলিম এই পায়ুগমন হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে একমত। [২৯]

ইমাম ইবনুল আরাবী ইমাম কাযী ইয়ায থেকে বর্ণনা করেন,

حرم الله تعالى الفرج حال الحيض لأجل النجاسة العارضة، فأولى أن يُحرم الدبر لأجل النجاسة اللازمة

যেখানে আল্লাহ অস্থায়ী নাপাকীর কারণেই হায়েয অবস্থায় যোনিপথে গমন করা হারাম করেছেন সেখানে স্থায়ী নাপাকীর কারণে পায়ুপথে গমন করা হারাম হওয়া অধিক অগ্রগণ্য। [৩০]

স্ত্রীর পায়ুগমন হারাম হওয়ার বিষয়ে ইমাম যাহাবী আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং তাতে এই বিষয়ে উল্লেখ করেছেন। [৩১]

এবং এটি হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় ১২ জনের অধিক সাহাবী থেকে পৃথকভাবে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যার সবগুলোই সহীহ ও হাসান পর্যায়ের। যেমনটি ইমাম কুরতুবী তার তাফসীরে উল্লেখ করেছেন। [৩২]

এ-সংক্রান্ত কতিপয় সহীহ হাদীস

مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَا فَقَدْ بَرِئَ مِمَّا أُنْزِلَ عَلَى مُحَمَّدٍ * যে তার স্ত্রীর পশ্চাদ্দেশে সংগম করে, সে যেন আল্লাহ কর্তৃক মুহাম্মাদ-এর ওপর নাযিলকৃত দ্বীন হতে মুক্ত হয়ে গেল। [৩৩]

* ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলেছেন,

لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى رَجُلٍ أَتَى امْرَأَةً فِي الدُّبُرِ যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে স্ত্রীর পায়ুপথে যৌনমিলন করে, আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না। [৩৪]
* খুযাইমা ইবন সাবিত থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলেছেন,

إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي مِنَ الْحَقِّ لَا تَأْتُوا النِّسَاءَ فِي أَدْبَارِهِنَّ নিশ্চয় আল্লাহ সত্য (প্রকাশের) ব্যাপারে লজ্জা করেন না। তোমরা স্ত্রীলোকদের পশ্চাদদেশে সংগম কোরো না। [৩৫]
* আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ বলেছেন,

مَلْعُونَ مَنْ أَتَى امْرَأَتَهُ فِي دُبُرِهَا যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে নিতম্বে সহবাস করে, সে লা'নতপ্রাপ্ত। [৩৬]

৪ মাযহাবসহ যাহেরী মাযহাবেও একে নাজায়েয ও নিষিদ্ধ ফতোয়া দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের দেহ থেকে সকল উপায়ে সুখ নেওয়ার অনুমতি ইসলামে রয়েছে। কেননা আল্লাহ বলেন,

( نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَّكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ )

তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের জন্য খেতস্বরূপ; অতএব তোমরা যেভাবেই ইচ্ছা তোমাদের খেতে গমন করো। [৩৭]

তবে যেসব উপায়ে সুখ নেওয়া হারাম হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট দলিল আছে, সেগুলো পরিহারযোগ্য। যেমন : * মলদ্বারে সহবাস; * ঋতুমতী অবস্থায় সহবাস; * প্রসব-পরবর্তী সময়ে নির্গত রক্তস্রাব অর্থাৎ নিফাসরত অবস্থায় সহবাস।

টিকাঃ
[২৮] শরহু মাআগ্নিউল আসার- ৩/৪৩
[২৯] শরহে সহীহ মুসলিম- ৭/১০
[৩০] আহকামুল কুরআন- ১/১৭৪; তাফসীরে কুরতুবী- ৩/৯৪
[৩১] সিয়ারু আলামিন নুবালা- ১৪/১২৮
[৩২] তাফসীরে কুরতুবী- ৩/১৫
[৩৩] সুনানে আবু দাউদ- ৩৯০৪
[৩৪] সুনানে তিরমিযী- ১১৬৫
[৩৫] সুনানে নাসাঈ- ৮৯৩৩; সুনানে ইবন মাজাহ- ১৯২৪; মুসনাদে আহমাদ- ২১৮৫৮; মুসনাদে শাফেয়ী- ৯০; মুসনাদে ইমাইদী- ৪৪০; আল মুনতাক্কা, ইবনু জারুদ- ৭২৮; সহীহ ইবন হিব্বান- ৪২০০; মু'জামুল কাবীর- ৩৭১৬, হাদীসটি সহীহ।
[৩৬] সহীহ বুখারী- ৫৮৬৫; সুনানে আবু দাউদ- ২১৬২; মুসনাদে আহমাদ- ২/৪৭৯
[৩৭] সূরা বাকারাহ- ২২৩

📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 বিভিন্ন আসনে (Position) সহবাস করায় শরঈ দৃষ্টিকোণ

📄 বিভিন্ন আসনে (Position) সহবাস করায় শরঈ দৃষ্টিকোণ


ইমাম মুজাহিদ সহ মুফাসসিরগণ তাফসীরে বলেন,

قَائِمَةً وَقَاعِدَةٌ وَمُقْبِلَةٌ وَمُدْبِرَةٌ فِي الْفَرْحِ

দাঁড়ানো ও বসা অবস্থায়, সামনের দিক থেকে এবং পিছনের দিক থেকে (সংগম করতে পারো, তবে তা হতে হবে) স্ত্রীর যোনিপথে। [৩৮]

মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে,

إِنْ شَاءَ مُجَنِّيَةٌ، وَإِنْ شَاءَ غَيْرَ مُجَنِّيَةٍ، غَيْرَ أَنَّ ذَلِكَ فِي صِمَامٍ وَاحِدٍ

ইচ্ছে হলে উপুড় হয়ে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে (সহবাস করতে পারবে), তবে তা একই দ্বারে (যোনিপথে) হতে হবে। [৩৯]

ইমাম তিরমিযী, আহমাদ, ত্বহাবী ও ইবনু হিব্বান হায়েয-নিফাস অবস্থায় ও পায়ুপথ ব্যতীত যোনিপথে সামনে কিংবা পিছন দিয়ে গমন করার বিধানে এই আয়াতের ব্যাখ্যায় উমার-এর ঘটনা-সংবলিত একটি হাদীস নিয়ে আসেন। [৪০]

ইমাম ইবন কাইয়্যিম আল জাওযিয়্যাহ সূরা বাক্বারাহর একটি আয়াত দ্বারা যুক্তি সহকারে স্ত্রীর পায়ুপথ গমন হারাম সাব্যস্ত করেছেন। কেননা, আল্লাহ নারীর যোনিপথকে শস্যক্ষেত্র বলেছেন, যা মূলত সন্তান জন্মের স্থান। সে ক্ষেত্রে এ আয়াতে স্ত্রীর যোনিপথে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে (যেকোনো আসনে) গমন করার কথা বলেছেন। [৪১]

টিকাঃ
[৩৮] তাফসীর ত্ববারী- ২/৩৮৭-৩৮৮; তাফসীরে ইবনু কাসীর- ২/৩০৫; দুররে মানছুর- ১/২৬৫; মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা- ৪/২৩২
[৩৯] সহীহ মুসলিম- ১৪৩৫
[৪০] সুনানে তিরমিযী- ৮/২৫৮ (তুহফাতুল আহওয়াযীসহ); মুসনাদে আহমাদ- ১/২৯৭; মুশকিলিল আসার- ৫৩৫৪; সহীহ ইবনু হিব্বان- ১/৬১৬, হাদীসটির মান সহীহ।
[৪১] যাদুল মা'আদ ফী হাদয়ি খইরিল ইবাদ- ৪/২৪০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00