📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 হাহায়াভ-এর বিবরণ

📄 হাহায়াভ-এর বিবরণ


الطهارة শব্দটির শাব্দিক অর্থ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা অর্জন করা। শরী'আতের পরিভাষায় শরীরে বিদ্যমান যেসব অপবিত্রতার কারণে সালাত ও এ-জাতীয় ইবাদাত পালন করা নিষিদ্ধ হয় তা দূর করাকে الطهارة (ত্বাহারাত) বলে।[২৭]

আলিমগণ শরঈ ত্বাহারাতকে দুভাগে ভাগ করেছেন।

: الطهارة من النجاسة বা طهارة حقيقية (১) এ প্রকার ত্বাহারাত হলো ময়লা বা নাপাকী হতে পবিত্রতা অর্জন করা। আর এ ত্বাহারাত শরীর, কাপড় ও স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন: শরীরে কুকুরের লালা লেগে যাওয়া, পোশাকে মূত্র লেগে যাওয়া, কোনো স্থানে মল লেগে থাকা ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে পানির মাধ্যমে নাপাকী ধৌত করে তা থেকে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। এই পবিত্রতা অর্জন করতে হয় যখন নাজাসাত চোখে দেখা যায়।

: الطهارة من الحدث বা طهارة حكمية (২) এ প্রকার ত্বাহারাত হলো আল্লাহর বিধানগত অপবিত্রতা থেকে পবিত্রতা অর্জন। এটা শরীরের সাথে নির্দিষ্ট এবং এই অপবিত্রতা চোখে দেখা যায় না। এ প্রকার ত্বাহারাত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা: * বড় ধরনের পবিত্রতা, যেমন: অপবিত্রতা দূর করতে গোসল করা। * ছোট ধরনের পবিত্রতা অর্জন, যেমন: ওযু করা। * অপারগতাবশত গোসল ও ওযুর পরিবর্তে তায়াম্মুম করা।

টিকাঃ
[২৭] সূরা ইবরাহীম- ৩২; সূরা যুমার- ২১; সহীহ বুখারী- ৭৪৪; সহীহ মুসলিম- ৫৯৮; সুনানে আবু দাউদ- ৬৬, ৮৩; সুনানে ইবনি মাজাহ- ৩৮৬; মুসনাদে আহমাদ- ৮৭২০, ১১২৭৫; সুনানে তিরমিযী- ৬৬, ৬৯; সুনানে নাসায়ী- ৫৯, ৩২৬; হাশিয়ায়ে ইবনু আবেদীন- ১/১৭৯-১৮০; বিদায়াতুল মুজতাহিদ- ১/২৩; আল মাজমু'- ১/৮২; মাজমুউল ফাতাওয়া, ইবনু তাইমিয়া- ২১/৪১; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, বুহুতী- ১/১৫; আল মাওসূআতুল ফিকহিয়্যাহ কুয়েতিয়‍্যাহ- ৩৯/৩৫৬

📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 পবিত্রতার বিচারে পানির ধরন

📄 পবিত্রতার বিচারে পানির ধরন


পবিত্রতার বিচারে পানির পাঁচটি প্রকারভেদ রয়েছে।

১ প্রথম প্রকার পানি : এ পানি তার সৃষ্টিগত স্বাভাবিক অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। এটি নিজে পবিত্র, অন্য জিনিসকে পবিত্র করতে পারে এবং এটি ব্যবহার করা মাকরুহ নয়। এ পানি দ্বারা পোশাক, স্থানের অপবিত্রতা ও শরীরের পবিত্র অঙ্গে আপতিত নাজাসাত দূর করা যায়। আল্লাহ বলেছেন,

وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُم مِّنَ السَّمَاءِ مَا ءُ لِيُطَهِّرَ كُم بِهِ

এবং আকাশ থেকে তোমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন, এর মাধ্যমে তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করেন। [২৮]

বৃষ্টির পানি পবিত্র। এ ছাড়াও নদী বা খালের পানি, কূপের পানি, ঝর্নার পানি, সমুদ্রের পানি, বরফ গলা পানি, শিলা-গলা পানি ইত্যাদিও এই প্রথম প্রকার পানির অন্তর্ভুক্ত। [২৯]

> দ্বিতীয় প্রকার পানি : নাজাসাত ব্যতীতই যে পানির রং, স্বাদ বা গন্ধ পরিবর্তন হয়ে গেছে। এ ধরনের পানি নিজে পবিত্র এবং অন্যকেও পবিত্র করতে পারে, তবে এর ব্যবহার মাকরুহ। মাকরুহ হওয়ার জন্য এর যেকোনো একটি গুণ পরিবর্তন হয়ে যাওয়াই যথেষ্ট। এ ধরনের পানি দিয়ে ওযু-গোসল হয়ে যাবে। [৩০]

১ তৃতীয় প্রকার পানি : যে পানি নিজে পবিত্র কিন্তু অন্য জিনিসকে পবিত্র করতে পারবে কি না সে ব্যাপারে বেশ সন্দেহ রয়েছে। অল্প বা বেশি নাজাসাতের কারণে যদি পানির যেকোনো একটি গুণ পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা যাবে না। যেমন: গাধা বা খচ্চর পান করেছে এমন পানি।

১ চতুর্থ প্রকার পানি: যে পানি নিজে পবিত্র কিন্তু অন্য জিনিসকে পবিত্র করতে পারে না। একে মাউল মুস্তা'আমাল (ماء المستعمل) বলে। এ পানি ব্যবহারযোগ্য, পান করা যাবে, থালা-বাসন ধৌতকরণে ব্যবহার করা যাবে; কিন্তু এ পানি দ্বারা নাপাকী দূর হবে না, পবিত্রতা হাসিলের উদ্দেশ্যে ওযু, গোসল করা যাবে না। [৩১]

১ পঞ্চম প্রকার পানি: এমন স্বল্প ও স্থির পানি যার মাঝে নাজাসাত বা নাপাক বস্তু রয়েছে। একে বলা হয় মাউল কালীল (ماء القليل)। যেমন: ড্রামের মাঝে সংরক্ষণ করে রাখা পানি যার মধ্যে কোনো প্রাণী, মানুষের প্রস্রাব বা মলের ছিটে-ফোঁটা পড়ে গিয়েছে।

এ পানি দ্বারা পবিত্র হওয়া যায় না। এরূপ পানি নিজেই নাপাক হিসেবে পরিগণিত হবে। [৩২]

টিকাঃ
[২৮] সূরা আনফাল- ১১
[২৯] সূরা ইবরাহীম- ৩২; সূরা যুমার- ২১; সহীহ বুখারী- ৭৪৪; সহীহ মুসলিম- ৫৯৮; সুনানে আবু দাউদ-৬৬, ৮৩; সুনানে ইবনি মাজাহ- ৩৮৬; মুসনাদে আহমাদ- ৮৭২০, ১১২৭৫; সুনানে তিরমিযী- ৬৬, ৬৯; সুনানে নাসায়ী- ৫৯, ৩২৬; হাশিয়ায়ে ইবনু আবেদীন- ১/১৭৯ ও ১৮০; বিদায়াতুল মুজতাহিদ- ১/২৩; আল মাজমূ'- ১/৮২; মাজমুউল ফাতাওয়া, ইবনু তাইমিয়া- ২১/৪১; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, বুহুতী- ১/১৫; আল মাওসূআতুল ফিকহিয়্যাহ কুয়েতিয়‍্যাহ- ৩৯/৩৫৬
[৩০] সুনানে তিরমিযী- ৩৭৩৮; মুসনাদে আহমাদ- ১৪১৭; সহীh ইবনু হিব্বান- ৬৯৭৯; সুনানে কুবরা- ১/২৬৯; বাহরুর রায়েক- ১/৭১; আল বিনায়াহ শারহুল হিদায়াহ- ১/৩৬৪; ফাতহুল কাদীর, ইবনুল হুমام- ১/৭২; হাশিয়াতুত ত্বাহত্ববী আলা মারাক্কিল ফালাহ, পৃষ্ঠা- ১৮; মাওয়াহিবুল জালীল, হাক্বাব- ১/৭৫; শারহুল কাবীর, দারদীর- ১/৩৫; শারহু মুখতাসারি খলীল, খিরাশী- ১/৬৮; বিদায়াতুল মুজতাহিদ- ১/২৩; আল মাজমূ'- ১/১০৫; কিতাবুল উম্ম, শাফেঈ- ১/২৭-২৯; আল মুগনী- ১/১২; আল ইনসাফ, মারদাউই- ১/৩১; কাশশাফুল কিনা, বুহুতী- ১/৩২; ফাতাওয়া আল কুবরা, ইবনু তাইমিয়া- ১/২১৪; আল আওসাত্ব, ইবনুল মুনযির- ১/৩৬৬, ২১/২৫; আল ইজমা, ইবনুল মুনযির, পৃষ্ঠা- ৩৪; মাওসুআতুল ফিকহিয়্যাহ কুয়েতিয়্যাহ- ৩৮/৩৫৮
[৩১] হিদায়াহ, কিতাবুত ত্বাহারাহ- ১/৩৯; আল মুগনী- ১/৩১; আল মাজমু'- ১/১৫০; সহীh মুসলিম- ২৮৩; তাসরীবু ফী শারহিত তাকরীব- ২/৩৪; ফাতহুল বারী- ১/৩৪৭; মাজমুউল ফাতওয়াহ, ইবনে তাইমিয়া- ২১/৪৬; রদ্দুল মুহতার- ১/৩৫২
[৩২] বাহরুর রায়েক- ১/৭৮; আল আওসাত্ব- ১/৩৬৮

📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 গোসলের বিধান

📄 গোসলের বিধান


বিভিন্ন অবস্থাভেদে গোসল কখনো ফরয, কখনো সুন্নাহ আবার কখনো মুস্তাহাব।

> গোসল যখন ফরয হয়: (১) স্ত্রী সহবাস বা অন্য কোনো কারণে উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে গোসল ফরয হয়। (২) নারীদের ওপর গোসল ফরয হয় যখন সে হায়েয থেকে পবিত্র হয়। (৩) নারীদের নিফাস-পরবর্তী অপবিত্রতা থেকে পবিত্র হতে ফরয গোসল করতে হয়। (৪) জীবিতদের ওপর (শহীদ ব্যতীত) মৃতদের গোসল করানো ফরয হয়ে যায়। [৩৩]

• গোসল যখন সুন্নাহ হয়: (১) জুমু'আর দিন গোসল করা। কিছু আলেম জুমু'আর দিনে গোসল করাকে ওয়াজিবও বলেছেন। তবে অধিকাংশ আলিমের মতানুযায়ী এটি মুস্তাহাব বা সুন্নাহ। (২) দুই ঈদের নামাজের আগে। (৩) হজ্জ-উমরার ইহরাম বাঁধার আগে গোসল করা সুন্নাহ। (৪) আরাফার ময়দানে অবস্থানকালে সূর্য হেলে যাওয়ার পর হাজীদের জন্য গোসল করে নেয়া সুন্নাহ। [৩৪]

১ গোসল যখন মুস্তাহাব হয় :

(১) পবিত্র অবস্থায় ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তির জন্যে গোসল মুস্তাহাব। কিন্তু সেই ব্যক্তি যদি অপবিত্র হয় অর্থাৎ জুনুব অবস্থায় থাকার কারণে গোসল যদি তার ওপরে ফরয হয় (যার সম্ভাবনাই অধিক), তখন ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তিকে ফরয গোসলই করতে হবে।
(২) লাইলাতুল কদরের রাতে গোসল।
(৩) সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের সালাতের জন্যে গোসল।
(৪) বৃষ্টি প্রার্থনার সালাতের জন্য গোসল।
(৫) মুসিবত দূরীকরণের জন্যে সালাতুল হাজতের পূর্বে গোসল।
(৬) দিনের বেলা কোনো অস্বাভাবিক অন্ধকার অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যে সালাত (সালাতুল খওফ) আদায়ের আগে গোসল।
(৭) ঝড়ের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে।
(৮) নতুন কাপড় পরিধানের পূর্বে গোসল।
(৯) গোনাহ থেকে তাওবা করার পরে গোসল।
(১০) সফর থেকে আগমনকারীর জন্যে গোসল।
(১১) মক্কার হারাম শরীফে প্রবেশের ইচ্ছাকারীর জন্যে গোসল।
(১২) মদীনাতুল মুনাওয়ারায় প্রবেশের ইচ্ছাকারীর জন্যে গোসল।
(১৩) ১০ই জ্বিলহজ্জ মুজদালিফায় অবস্থানকারী হাজীদের জন্যে প্রভাতে গোসল।
(১৪) তাওয়াফে যিয়ারতের সময়।
(১৫) মৃত ব্যক্তিকে গোসলকারী ব্যক্তির গোসল।
(১৬) হিজামা অর্থাৎ কাপিং বা শিংগা লাগানোর পরে গোসল।
(১৭) কারও পাগল বা বেহুঁশ বা নেশাগ্রস্ত অবস্থা কেটে গেলে গোসল।
(১৮) শাবান মাসের ১৫ তারিখ রাতে গোসল করার বিষয় বর্ণনা রয়েছে। তবে এর সনদ দুর্বল-যয়িফ। অনেক ফক্বিহ তাই একে সর্বোচ্চ মুস্তাহাব বলেছেন।[৩৫]

• গোসলের ফরযসমূহ : (১) গড়গড়ার সাথে (রমাদান মাস ব্যতীত) কুলি করা। (২) নাকের নরম অংশ পর্যন্ত পানি পৌঁছানো। (৩) এমনভাবে শরীর ভেজাতে হবে যেন কোনো পশম পর্যন্ত শুকনো না থাকে। শুকনো থাকলে গোসল হবে না। নতুন করে গোসল করতে হবে অথবা ওই অংশ ভিজিয়ে নিতে হবে। [৩৬]

• গোসলের সুন্নাহসমূহ : (১) গোসলের পূর্বে বিসমিল্লাহ বলা। (২) পবিত্রতা অর্জনের জন্যে গোসল করছি এই নিয়ত করা। (৩) ওযুর মতো প্রথমে দুই হাত ও কজি ধৌত করবে। (৪) গোসলের পূর্বে যে অঙ্গে বা পোশাকে নাপাকী লেগে আছে তা প্রথমে ধৌত করবে। (৫) গোসলের পূর্বে ওযু করা। ওযুর প্রতিটি আহকাম ধারাবাহিকভাবে করা; কেবল গোসলের শেষে পা ধৌত করা। (৬) সমস্ত শরীরে তিনবার পানি ঢালা। (৭) ক্রমানুসারে মাথায়, ডান কাঁধে এরপর বাম কাঁধে পানি ঢালা। (৮) শরীরে কিছুটা ঘষাঘষি-মাজামাজি করা যাতে ময়লা উঠে যায়। (৯) ক্রমাগত শরীর ধৌত করা-পরবর্তী অঙ্গ ধৌত করার আগে পূর্বে ধৌত করা অঙ্গ যাতে শুকিয়ে না যায়। [৩৭]

টিকাঃ
[৩৩] সূরা বাকারাহ- ২২২; সূরা মায়িদা- ৬; সূরা ত্বারিক- ৬; বুখারি, হাদীস- ২৮২, ২৯১, ৩০৯, ১১৭৫; সহীহ মুসলিম- ৩১৩, ৩৪৩; কানজুল উম্মাল- ৯/১১০৯; সুনানুল কুবরা, বাইহাক্বী ১/২৮২, হাদীস- ৪১১; হেদায়া- ১/১৬, ৩১, ৪৫; আল মাবসূত্ব- ১/১২০; ফাতাওয়ায়ে তাতারখানিয়া- ১/২৭৮; বাদায়েউস সানায়ে- ১/১৩, ১৪৮; আন নুতাফ ফিল ফাতাওয়া, পৃষ্ঠা- ২৯; মুহীতুল বুরহানী- ১/২২৯; রদ্দুল মুহতার- ১/১৬০, ১৬৫,২৯৫; আশ শারহুল কাবীর, দারদীর (হাশিয়াতুদ দাসুকী সহ)- ১/১২৭; মাওয়াহিবুল জালীল, হাজ্বাব- ১/৪৪৫; বিদায়াতুল মুজতাহিদ, ইবনু রুশদ- ১/৪৭; আল ক্বাওয়ানীনুল ফিকহিয়্যাহ, ইবনু জুযাই, পৃষ্ঠা- ২৩; আল ইনসাফ, মারদাউই- ১/২২৭; আল মুগনী- ১/১৪৬-১৪৯, ১৫৪; কাশশাফুল কিনা, বুহুতী-১/১৩৯; আল মুহাল্লা- ১/৪০০; মারাতিবুল ইজমা, ইবনু হাযাম, পৃষ্ঠা- ২১।
[৩৪] সহীহ বুখারী- ৮৮০; মুসলিম-৮৪৬, ৮৫৭, ১২১৮; মুসান্নাফে ইবনি আবী শাইবা- ১৫৮৪৭; মুসনাদে বাযযার- ৬১৫৮; মুজামুল কাবীর, ত্ববারানী- ১৩/২৭৩, হাদীস- ১৪০৩৪; সুনানে তিরমিযী- ৪৮৬, ৭৬০; সুনানে ইবনে মাজাহ- ১৩০৬; আল মু'জামুল কাবীর, ত্ববারানী- ১/৩০৭; মুয়াত্তা মালেক- ১/৩২২, ২/২৪৮; মুসান্নাফে ইবনি আব্দির রযযাক- ৫৭৫৩; সুনানে বাইহাকী- ৩/২৭৮ হা:৬৩৪৪; আল হিদায়া, মারগীনানী- ১/১৭; ফাতহুল কাদীর, ইবনুল হুমাম- ১/৬৫; বাদায়েউস সানায়ে, কাসানী- ১/৩৫, ২/১৪৩; বাহরুর রায়েক, ইবনু নুজাইম- ২/১৭১: হাশিয়াতু ইবনি আবেদীন- ২/১৬৮; বিদায়াতুল মুজতাহিদ, ইবনু রুশদ- ১/৩৩৬; মাওয়াহিবুল জালীল, হাব্বাব- ২/৫৪৩; আত তামহীদ, ইবনু আব্দিল বার- ১০/৭৮-৭৯; ফাওয়াকিহুদ দাওয়ানী, নাফরাউই- ১/৯০; আশ শারহুল কাবীর, দারদীর- ২/৩৮; শারহু মুখতাসারি খলীল, খিরাশী- ২/৩২২: হাশিয়াতুল আদাউই- ২/৫৩৩; আল ইসতেযকার, ইবনু আব্দিল বার- ২/৩৭৮; আল মাজমূ', নববী- ৪/৫৩৫, ৭/২১১-২১২: কিতাবুল উম্ম, শাফেঈ- ১/২৬৫; আল মুগনীল মুহতাজ, শারবীনি- ১/৩২৫, ৪৭৮; নিহায়াতুল মুহতাজ, রমালী- ২/৩২৮; আল ইনসাফ, মারদাউই- ১/১৮১,১৮৩; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, বুহুতী- ২/৬১; কাশশাফুল কিনা, বুহুতী- ২/৫১, ১৫১; আল ফুরু', ইবনু মুফলিহ- ১/২৬৩; আশ শারহুল কাবীর, ইবনু কুদামা- ৩/৪২৭; আল মুগনী, ইবনু কুদামা- ৩/২৫৬; ইখতিলাফুল আইম্মাতিল উলামা, ইবনু হুবাইরাহ- ১/১৫৯।
[৩৫] সূরা মায়িদা- ৬; সুরা হাক্কাহ- ৬; সহীহ বুখারী- ৩৪, ৬৪৬, ১৪৭০; সুনানে আবু দাউদ- ২৯৪, ২৯৯, ২৭৪৯; সুনানে তিরমিযী- ২৭২৩; সুনানে ইবনে মাজাহ- ৪২৪০; সুনানে দারাকুতনী- ২৭২৬; মুসান্নাফে ইবনি আব্দির রাজ্জাক- ১/১৩২; সহীহ ইবনে হিব্বান- ৪/৪২; জামেউল আহাদীস- ৩৯/৪৮৬; আল ফিকহুল ইসলামি- ১/৪৮০; বাহিরুর রায়েক, ইবনু নুজাইম- ২/৩৫০; বাদায়েউস সানায়ে- ১/৩৫; মাওয়াহিবুল জালীল, হাত্ত্বাব- ৪/১৪৫; আল মাজমূ', নববী- ২/৮; আল ইক্কনা, হাজ্জাউই- ১/৩৭৯; আশ শারহুল কাবীর, ইবনু কুদামা- ১/২১২
[৩৬] সহীহ বুখারী- ২৫৭, ২৬৫, ২৭২, ২৭৪; সহীহ মুসলিম- ৩১৬, ৩১৭, ৩২৯; সুনানে আবু দাউদ- ২১৭, ৫৬৬; সুনানে ইবনে মাজাহ- ৫৬৬; আল মাবসূত্ব, সারাখসী- ১/৪৫; উমদাতুল ক্বারী, আইনী- ৩/২০১; বাদায়েউস সানায়ে- ১/৩৪; তাবঈনুল হাক্বায়েক, যাইলাঈ- ১/১৩; ফাতহুল কাদীর, ইবনুল হুমام- ১/২৫, ৫১; বিদায়াতুল মুজতাহিদ, ইবনু রুশদ- ১/৪৫; আল ক্বাওয়ানীনুল ফিকহিয়‍্যাহ, ইবনু জুযাই- ১/২২; আয যাখীরাহ, করাফী- ১/৩০৮; ফাওয়াকিহুদ দাওয়ানী, নাফরাউই- ১/৪০৫; কিতাবুল উম্ম, শাফেঈ- ১/৫০; আল মাজমূ', নববী- ২/১৮৪; আল মুগনী- ১/১৬২; শারহুল কাবীর, ইবনু কুদামা- ১/২১৭; আল মুদি, ইবনু মুফলিহ- ১/১৫৩; আল উদ্দাহ ফী শারহিল উমদাহ, বাহাউদ্দীন মাকদিসী হাম্বলী, পৃষ্ঠা- ৪৬; আল ফুরু', ইবনু মুফলিহ- ১/১৭৪; কাশশাফুল কিনা, বুহুতী- ১/১৫৪; সুবুলুস সালাম, সানআনী- ১/৯৩; নাইলুল আওত্বার, শাওকানী- ২/২৫২
[৩৭] হানাফী মাযহাবের দলিল : হাশিয়াহ ইবনে আবেদীন- ১/১২৩, ১৫৬; বাদায়েউস সানায়ে, কাসানী- ১/২০, ৩৪; ফাতহুল কাদীর- ১/২১, ৫৭; আদ্দুররুল মুখতার- ১/১৫৬; ফাতওয়ায় হিন্দিয়াহ- ১/৮; হিদায়া, মারগিনানী- ১/১৩; আল মাবসুত্ব- ১/৪৪। মালেকী মাযহাবের দলিল: আশ শারহুল কাবীর- ১/১৩৭; হাশিয়াতুল 'আদাওয়ী 'আলা শারহি মুখতাস্বারু খলীল- ১/১৭১; আল কাফী- ১/১৭৩; আয যাখিরাহ- ১/৩১২; আত তাজু ওয়াল ইকলীল- ১/৩১৪। শাফেঈ মাযহাবের দলিল: আল ইনস্বাফ- ১/১৫২ ও ১৮৮; আল মাজমু'- ২/১৮০ ও ১৮১; আলহাওয়ীল কাবীর- ১/১০১, ২১৯ ও ২২৭; রওয়াতুত ত্বালেবীন- ১/৮৮; নিহায়াতুল মুহতাজ- ১/২২৭। হাম্বলী মাযহাবের দলিল: আল মুগনী- ১/১৬২; কাশশাফুল কিনা'- ১/১৮৪; মাত্বালেবুল আলিয়াহ- ২/৪৪৩, হাদীস- ১৬২; আল আওসাত্ব- ২/৯, হাদীস- ৩৪৪; বায়হাকী- ৯৪০০।

📘 মুহসিনীন উত্তম পুরুষদের পাঠশালায় > 📄 ধারাবাহিকভাবে ফরয গোসল

📄 ধারাবাহিকভাবে ফরয গোসল


* প্রথমেই স্বপ্নদোষের কারণে নির্গত বীর্য বা দৈহিক মিলনজনিত নাপাকী ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ফরয গোসলের নিয়মানুযায়ী গোসল করবে।
* ফরয গোসলের জন্য মনে মনে নিয়ত করবে।
* প্রথমে দুই হাত কব্জি পর্যন্ত ৩ বার ধুয়ে নেবে।
* এরপর ডানহাতে পানি নিয়ে বামহাত দিয়ে লজ্জাস্থান এবং তার আশপাশ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। শরীরের অন্য কোনো জায়গায় নাপাকী লেগে থাকলে সেটাও ধুয়ে নেবে।
* এবার বাম হাতকে ভালো করে ধৌত করবে।
* তারপর 'বিসমিল্লাহ' বলে ওযু করবে, অর্থাৎ 'বিসমিল্লাহ' বলে ডান হাতে পানি নিয়ে উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধোয়া, তিনবার কুলি করা, তিনবার নাকে পানি দেয়া ও নাক ঝাড়া, কপালের শুরু হতে দুই কানের লতি ও থুতনির নিচ পর্যন্ত ধোয়া। যেসকল পুরুষের ঘন দাড়ি এবং গাল ও থুতনি দৃশ্যমান হয় না, তারা হাতে এক অঞ্জলি পানি নিয়ে দাড়ি খিলাল করে নিলেই যথেষ্ট হবে। আর যাদের দাড়ি পাতলা এবং গাল ও থুতনি দৃশ্যমান হয় তারা ভালোমতো রগড়ে নেবে যাতে পানি গাল ও থুতনি পর্যন্ত পৌঁছে। এরপর প্রথমে ডান হাত ও পরে বাম হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধোয়া, আঙুলে আংটি থাকলে তা নেড়ে-চেড়ে উক্ত স্থান ভিজিয়ে নেওয়া, অতঃপর সম্পূর্ণ মাথা মাসেহ করা। কেবল দুই পা ধোয়া থেকে বিরত থাকবে।
* অতঃপর প্রথমে মাথায় তিনবার (৩ অঞ্জলি) পানি ঢেলে ভালোভাবে খিলাল করে চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছাতে হবে। এবার সমস্ত শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে ৩ বার ডানে তার পরে ৩ বার বামে পানি ঢেলে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে, যেন শরীরের কোনো অংশ বা কোনো লোমও শুকনো না থাকে। গোসল এমনভাবে করতে হবে যাতে বগল, দেহের খাঁজ, নাভি ও কানের ছিদ্র পর্যন্ত পানি দ্বারা ভিজে যায়। অতঃপর আবার সমস্ত শরীরে পানি ঢালবে।
* সবার শেষে একটু অন্য জায়গায় সরে গিয়ে দুই পা ৩ বার ভালোভাবে ধুয়ে নেবে।

মনে রাখতে হবে: » নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই উলঙ্গ হয়ে গোসল করা মাকরুহ, তবে এটি হারাম নয়। আর গোসল বা ওযুর পরে হাঁটুর ওপরে কাপড় উঠে গেলেও ওযু ভাঙে না।[৩৮]

» উলঙ্গ হয়ে গোসল করা অবস্থায় কিবলার দিকে মুখ-পিঠ করা মাকরুহে তানযীহী। তাই এমতাবস্থায় উত্তর-দক্ষিণ হয়ে গোসল করা উচিত। আর যদি সতর ঢেকে গোসল করা হয়, তাহলে যেকোনো দিকে মুখ-পিঠ করা যাবে।[৩৯]

» যেখানে পুরুষের সতর অনুধাবন হওয়ার সুযোগ থাকে সেখানে গোসল না করা, বরং একাকী এবং সতর প্রকাশ যেন না পায় এমন স্থানে গোসল করা উচিত। নারী হোক কিংবা পুরুষ, সকলকে রাসূলুল্লাহ ﷺ পর্দার সহিত গোসল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু যদি কোনো পুরুষের গোসল ওয়াজিব হয় এবং এমন মুহূর্তে পর্দার ব্যবস্থা না থাকে অর্থাৎ অনেক পুরুষের উপস্থিতিতেই গোসল করতে হবে, সে ক্ষেত্রে সেভাবেই গোসল করবে।[৪০]

» ফজর গোসলের ক্ষেত্রে সমস্ত শরীরে ভালোভাবে পানি পৌঁছাতে হবে। এমনকি নাভির ভেতর এবং যৌনাঙ্গের অগ্রভাগ আঙুল দিয়ে ভালো করে মলতে হবে, যাতে বাহ্যিক অঙ্গে চুল পরিমাণ স্থানও শুকনো না থাকে। অন্যথায় ফরয গোসল শুদ্ধ হবে না। মাথার ত্বক ও পুরুষদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ চুল, দাড়ি ভালোভাবে ভিজতে হবে।[৪১]

» রং, আঠা, সুপার গ্লু ইত্যাদি যা কিছু শরীরের কোনো অঙ্গে পানি পৌঁছার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয়, ফরয গোসলের পূর্বে তা উঠিয়ে নেয়া জরুরি। কেননা, শরীরের প্রতিটি স্থানে পানি পৌঁছানো বাধ্যতামূলক। অন্যথায় গোসল শুদ্ধ হবে না।[৪২]

• এই নিয়মে গোসলের পর নতুন করে আর ওযুর দরকার নেই, যদি ওযু না ভাঙে। ওযু করার পর কোনো ইবাদাত না করে ওযু না ভাঙা সত্ত্বেও পুনরায় ওযু করা মাকরুহ। কেননা, হযরত আয়েশা বলেন, “নবী মুহাম্মাদ ফরয গোসলের পর আর ওযু করতেন না।”[৪৩]

• উঁচু স্থানে বসে গোসল করা, যাতে পানি নিচে গড়িয়ে যায় ও গায়ে ছিটা না লাগে। তবে বসে ও দাঁড়িয়ে উভয় অবস্থায় গোসল করা জায়েয আছে। [৪৪] এ ছাড়া রাসূল পরিষ্কার ও লোকসমাগম-বিহীন স্থানে গোসল করতেন। তিনি এক মুদ্দ (৬২৫ গ্রাম) পানি দিয়ে ওযু এবং অনধিক পাঁচ মুদ্দ (৩১২৫ গ্রাম) বা প্রায় সোয়া তিন লিটার পানি দিয়ে গোসল করতেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো বস্তু অপচয় করা ঠিক নয়। এ ছাড়া গোসলের ক্ষেত্রে অধিক সময় নেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে। [৪৫]

• নাপাক কাপড় পরিধান অবস্থাতেই গোসল করার ক্ষেত্রে যদি যথেষ্ট পরিমাণ পানি কাপড়ের ওপর ঢেলে কাপড় এমনভাবে কচলে ধুয়ে নেওয়া হয়, যার ফলে কাপড় থেকে নাপাকী দূর হয়ে গিয়েছে এ ব্যাপারে প্রবল ধারণা করা যায়, তাহলে এর দ্বারা কাপড়টি পাক হয়ে যাবে। আর দৃশ্যমান কোনো নাপাকী থাকলে কচলে ধুয়ে ওই নাপাকী দূর করে নিলেই কাপড় পাক হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, শরীর বা কাপড়ের কোনো অংশে নাপাকী লেগে থাকলে তা গোসলের আগেই পৃথকভাবে ধুয়ে পবিত্র করে নেওয়া উচিত। অন্তর্বাস পরিহিত অবস্থায় গোসল করলে যদি কাপড়ের নিচে পানি পৌঁছে যায় এবং শরীরের ঢাকা অংশও ধুয়ে ফেলা যায়, তাহলে গোসল সহীহ হবে। [৪৬]

• ওযু করার সময় ওযুর পাত্রে যদি হালকা দু-এক ফোঁটা ওযুর পানি পড়ে, তা দিয়ে বাকি ওযু হয়ে যাবে। কিন্তু কুলি করার সময় কুলির পানি যদি পাত্রে পড়ে, মুখ ধোয়ার সময় সেই পানির বেশির ভাগই যদি পাত্রে পড়ে যায়, তাহলে সেই পানি ফেলে দিয়ে নতুন পানি দিয়ে ওযু করতে হবে।

• জানাবাত অবস্থায় গোসল না করেই খাদ্যগ্রহণের ইচ্ছা করলে অন্তত ওযু করে নেয়া উচিত। এ ছাড়া অপবিত্র অবস্থায় বেশিক্ষণ অবস্থান না করে যত দ্রুত সম্ভব গোসল করে নেওয়াই উত্তম।

বিভিন্ন রোগের কারণে অনেকের দাঁতে এমনভাবে ক্যাপ লাগানো হয়ে থাকে, যার দরুন কুলি করলে দাঁতে পানি পৌঁছে না এবং তা খুললেও ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। এ ক্ষেত্রে গোসলের সময় তা খোলা জরুরি নয়। আর যদি এমন কিছু লাগানো থাকে যা সহজে খোলা যায় এবং খুললে কোনো সমস্যাও নেই, তাহলে খুলে ভেতরে পানি পৌঁছানো জরুরি। [৪৭]

গোসলখানা বা বাথরুমে বাতি অথবা আলোর ব্যবস্থা করে নিতে হবে। [৪৮]

বর্তমান প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে সম্মিলিত পায়খানা ও গোসলখানায় গোসল করা সহীহ বিবেচনা করা হয়, যদি তা পবিত্র থাকে এবং নাপাকীর ছিটা আসার সম্ভাবনা না থাকে। কিন্তু যদি সন্দেহজনক হয়, তাহলে গোসলের পূর্বে প্রথমে পানি ঢেলে মেঝে থেকে নাপাকী দূর করে নেবে। [৪৯]

টিকাঃ
[৩৮] সুনানে তিরমিযী- ২৭৬৯; সুনানে আবী দাউদ- ৪০১৭; সুনানে ইবনি মাজাহ- ১/৬১৭, হাদীস- ১৯২০; মুসনাদে আহমাদ- ৫/৩, ৪, ৭৯, ৯৭; সহীহ ইবনু হিব্বান- ২৩৩৩; মু'জামুল কাবীর, ত্ববারানী- ১৮৮১; মুসনাদে আবী ইয়ালা- ৭৪৬০, ৭৪৭৯; শারহে মা'আনীউল আসার, ত্বহাবী- ১/৫৩। ইমাম বুসরী, ইমাম ইবনু হাজার এ ও ইমাম হাকেম এর সনদকে সহীহ বলেছেন। আর ইমাম হাকেমের বক্তব্যকে ইমাম যাহাবী সমর্থন করেছেন। (মিসবাহুয যুজাজাহ- ১/১৩৪; ফাতহুল বারী- ১/৩৮৫,৩৮৬; মুস্তাদরাকে হাকেম- ৪/১৭৯)। এ ছাড়াও এই বর্ণনার অনেক শাহেদ রয়েছে। গোসলখানায় যদি কোনো পর্দাহীনতা না হয়, তাহলে উলঙ্গ হয়ে গোসল করা জায়েয রয়েছে। তবে এটা না করাই উত্তম। কেননা, শয়তান তখন ধোঁকা দেয়। তাই এটা নিন্দনীয় কাজ। (ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ৪/৩৮৭)। এ বিষয়ে কেউ কেউ মুসা -এর বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার ঘটনাও প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। (দেখুন: সহীহ বুখারী- ৩৪০৪)।
[৩৯] আগলাতুল আওয়াম, পৃষ্ঠা- ২৯
[৪০] ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম- ২/১৬৯
[৪১] বাদায়েউস সানায়ে- ১/৩৪; রদ্দুল মুহতার- ১/১৪২; শরহে মুখতাসারুত ত্বহাবী- ১/৫১০
[৪২] ফাতাওয়া হিন্দিয়া- ১/১৩
[৪৩] সুনানে তিরমিযী- ১০৩, মিশকাত- ৪০৯
[৪৪] ইমদাদুল ফাতায়া- ১/৩৬
[৪৫] সহীহ বুখারী- ২৫৮; সহীহ মুসলিম- ৩২৮; বাদায়েউস সানায়ে- ১/৩৪; বাদায়েউস সানায়ে- ১/৩৪-৩৫; রদ্দুল মুহতার- ১/৯৪; আপকে মাসায়েল আওর উনকা হাল্ল- ২/৮১
[৪৬] আপকে মাসায়েল আওর উনকা হাল্ল- ২/৮১
[৪৭] রদ্দুল মুহতার- ১/১৫৪; আহসানুল ফাতাওয়া- ২/৩২
[৪৮] ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া- ১০/২০২
[৪৯] আপকে মাসায়েল আওর উনকা হাল্ল- ২/৫৩

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00