📄 নীল সাগরের ফেনার জীবন
চারদিক এক অশ্লীলতার আঁধারে ছেয়ে গিয়েছে। সমাজে মুসলিম পুরুষদের মাঝে অনেকেই একটা সময় জাহিলিয়াতের ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। বড় বড় পাপগুলো ছিল তাদের কাছে মামুলি বিষয়। আল্লাহর ফাযল ও কারমে এমন অনেকেই ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসে। কিন্তু তবুও আগের ভুতুড়ে সেসব স্মৃতি প্রতিনিয়ত তাদেরকে হাতছানি দেয়। মাঝে মাঝে বীরেরা হেরে যায় অন্তরের সাথে এক ঠান্ডা যুদ্ধে। রাজ্যের বিষাদ গ্রাস করে তাকে। বিয়েই যেন একমাত্র সমাধান। কিন্তু যিনা-ব্যভিচার এখন সহজ, বিয়ে হয়ে গিয়েছে কঠিন। যিনা কি কেবল নারী-পুরুষের অবৈধ যৌনক্রিয়াতেই হয়? না! ভোগবাদী সমাজ আজ মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে একটা ভিন্ন জগতের সাথে। সেই জগৎ আমাদের থেকে একটি ক্লিক আর কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানের দূরত্বে। বলছি পর্নোগ্রাফির নীল অন্ধকারের কথা। ওই গহিন সাগরে ডুব লাগিয়ে ফিরে আসতে পারেনি অনেকে। কীভাবে বোঝাই পর্নোগ্রাফির তিরে বিদ্ধ হয়ে কত সাদা পায়রা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে! এ নিয়ে লিখলে কয়েক পাতায় শেষ করা কি আদৌ সম্ভব? তাই সামনে একটু বিস্তৃত করেই আনার চেষ্টা করা হয়েছে। এই বিষয়ে এখানেই মুলতুবি...
📄 মন বুঝে কথা বলা
নারীদের তুলনায় পুরুষদেরকে মানুষের সাথে অধিক সংযোগ স্থাপন করতে হয়। দৈনন্দিন জীবনে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, কর্মক্ষেত্রে, ঘরে এবং দা'ওয়াতি ময়দানে অনেক মানুষের সাথে উঠবস করতে হয় পুরুষদের। একেকজনের চিন্তাধারা একেক রকম, তাই প্রত্যেকের সাথে কথা বলার সময় কে কোন চিন্তাধারার সে সম্পর্কে ধারণা রাখা এবং মানসিকতা বুঝে কথা বলায় পারদর্শিতা অর্জন করতে হয় পুরুষদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও সহপাঠী কিংবা কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সাথে কীভাবে কথাবার্তা বলতে হবে তা জানা জরুরি। যাদের দ্বীনের বুঝ নেই তাদের সাথে কথা বলার সময় নম্রতা ও ভদ্রতা বজায় রাখা দরকার, যাতে এই আচরণে বিমোহিত হয়ে তারা দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট হয়। অনেক সময় তারা লিবাসের জন্য টিটকারি মেরে অনেক প্রশ্ন করতে পারে। উত্তর দেয়ার একান্ত প্রয়োজন না হলে চুপ থাকাই উত্তম। আর উত্তর দেয়া আবশ্যক হলে হিকমাহ ও বিচক্ষণতার সাথে উত্তর দিতে হবে। যদি আপনি বিচক্ষণতার প্রমাণ দিতে পারেন এবং তাদের তির তাদের দিকেই ফিরিয়ে দিতে পারেন একটা সময় তারা আপনাকে উত্ত্যক্ত করা থেকে বিরত থাকতে শুরু করবে।
দা'ওয়াতি ক্ষেত্রে মাদ'উ বা যাকে দা'ওয়াহ দেয়া হচ্ছে তার অঙ্গভঙ্গি লক্ষ করা এবং তার মনস্তত্ত্ব বোঝার চেষ্টা করা অত্যন্ত জরুরি। তাই তাকে আগে কিছুক্ষণ কথা বলতে দেয়া যেতে পারে, এই ফাঁকে তাকে পর্যবেক্ষণ করার যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে। আমরা অনেক সময় একটা ভুল করি, মাদ'উকে আমরা কথার মাধ্যমে আক্রমণ করে বসি। এতে শুধরানো তো দূরের কথা, হিতে বিপরীত হওয়ারই সম্ভাবনা অধিক। কোথায় কোন কথা বলতে হয় না আর. কোথায় কোন কথা বলতে হয় এই বিষয়ে আমাদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে।
সর্বোপরি, সবচেয়ে সাবধানে কথা বলা উচিত ঘরের মানুষদের সাথে। এ ক্ষেত্রে কয়েকটা প্রেক্ষাপট হতে পারে:
* আপনি দ্বীনদার, পরিবার তেমন দ্বীনদার না : কোনো ব্যক্তির মাঝে হঠাৎ পরিবর্তন ঘটলে পরিবারের কাছে অনেক সময় আপন সন্তানকে অচেনা মনে হতে থাকে। এ ছাড়া, শয়তান যখন সদ্য দ্বীনে আসা সেই ব্যক্তিকে কাবু করতে অক্ষম হয় তখন সে তার পরিবারকে প্ররোচিত করে তাকে ভালো কাজ থেকে বিরত রাখতে। অথবা এর বিপরীতে পরিবার তথা বাবা-মায়ের ওপর সে যাতে চড়াও হয়ে যায় সেই চেষ্টা করে। উভয় ক্ষেত্রে শয়তান জয়ী। অধিকাংশ সময় দেখা যায়, আমরা এই দুইয়ের যেকোনো এক ফাঁদে পরে যাই। তাই শয়তানের ফাঁদ চিনতে হবে।
* আপনার বিয়ের প্রয়োজন, পরিবার অবুঝ : সমাজ এতটাই অবুঝ করে দিয়েছে আমাদেরকে যে সত্য, সুন্দর ও সহজাত একটি বিষয়কে আমরা কঠিনভাবে দেখতে শুরু করেছি। ক্ষুধার্ত হলে খাদ্যের প্রয়োজন হয় এটা যেমন স্বাভাবিক, জৈবিক চাহিদা থাকাটাও তেমনি স্বাভাবিক। আল্লাহ ব্যবস্থা রেখেছেন বিয়ের, এটাই সহজ। আর বিপরীতে রয়েছে যিনা, সেটাই বরং কঠিন। কিন্তু বস্তুখোর সমাজ এখানে সফল, তারা সহজাতকে উল্টো করতে সক্ষম হয়েছে! আর আমাদের মা-বাবারাও সেই তালে চলছে। সন্তান তার নিজের বিয়ের ইচ্ছের কথা পরিবারকে জানালে অনেক মা-বাবাই হয় সন্তানকে তিরস্কার করে অথবা 'সময় হলে বিয়ে দেয়া হবে' এই আশ্বাস দিয়ে প্রেম চালিয়ে যেতে বলে!
তাই এই অবস্থায় বিয়ের অত্যন্ত প্রয়োজন হলে এবং বারবার গুনাহে জড়িয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে বাবা-মাকে নাছোড়বান্দার মতো বোঝাতে হবে উত্তম আখলাক বজায় রেখে। কিছু পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়। একমাত্র অভিভাবক আল্লাহ। তাই আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে দু'আ করতে হবে।
* আপনি বিবাহিত, পরিবার দ্বীনদার না : এই পরিস্থিতিতে স্ত্রীর পর্দা রক্ষা, দম্পতির ব্যক্তিগত সময় কাটানো, পরবর্তী প্রজন্মকে দ্বীনি পরিবেশে বড় করাসহ আরও বেশ কিছু বিষয়ে ঝামেলা পোহাতে হতে পারে। এসবও খুব সবর ও বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিচালনা করতে হবে। এখানে পুরুষের মাথার ওপর অনেক বড় একটা কর্তব্য হচ্ছে মা এবং স্ত্রীর মাঝে ইনসাফ ঠিক রাখা। পরে এই বিষয়ে আমরা আলোচনা পাব।
📄 কিল ইওর টক্সিক ইগো
পুরুষেরা সহজাতগতভাবেই প্রভাব বিস্তার করতে ভালোবাসে। একে তারা নিজেদের জন্য বিজয় মনে করে। যে যত প্রভাববিস্তারকারী সে ততই বিজয়ের প্রত্যাশী। বিজয়ের প্রতি যখন একটা লোভ সৃষ্টি হয় তখন ভেতরে অহমিকা কাজ করে। পরাজয় মেনে নিতে ইচ্ছে করে না। এটাই একটা সময় পুরুষকে আত্মবাদী (egoistic) করে তোলে। পুরুষদের জন্য ইগো অনেক ভয়ানক। বিশেষ করে পরিবারের সাথে এটা অধিক পরিলক্ষিত হয়। পরাজয়ের প্রতি বিরূপ মনোভাব সম্পর্ক ভাঙনের কারণ হয়। অথচ কিছু কিছু বিজয় লুকিয়ে থাকে পরাজয়ের আবডালে। মাঝে মাঝে আপনার স্ত্রী সঠিক ও আপনি ভুল, এই অপছন্দনীয় সত্যটা মেনে নিতে হবে। এজন্য প্রতিটি বিষয়ে নিজেকে নিজের বিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে শিখতে হবে। নিজের বিচার নিজেই করুন মহান বিচারকের বিচারের আগে। যখন বুঝবেন আপনি ভুল তখন তা মেনে নিন। আমিত্ব নিজের মাঝে যখন শিকড় ছড়িয়ে দেয় তখন আদল ও ইনসাফ ঠিক রাখা সম্ভব হয় না। আমরা যেহেতু মানুষ, তাই জীবনের পাতায় পাতায় আমাদের কিছু ভুল থাকবেই। সেগুলো কেউ যখন দেখিয়ে দেবে তখন আমরা সাদরে মেনে নেব, দ্বীন আমাদেরকে এটাই শেখায়। নিজের ভুল ঢাকার চেষ্টা বা ভুল জেনেও নিজের পক্ষে একটা যুক্তি দাঁড় করানো এসব একজন সুস্থ অন্তরের মানুষের জন্য মানায় না। নিজের ভুল মেনে নেয়াই বুদ্ধিমানদের কাজ। আর যদি বুঝতে পারেন যে, আপনি সঠিক কিন্তু তা প্রকাশ করলে হিতে বিপরীত হবে, তাহলে চুপ থাকুন। আল্লাহর রাসূল বলেন,
من ترك المراء وهو مبطل بني له بيت في ربض الجنة ومن تركه و هو محق بني له في وسطها و من حسن خلقه بني له في أعلاها
নিজের মত বাতিল হওয়ার কারণে যে ব্যক্তি বিতর্ক পরিত্যাগ করবে তার জন্য জান্নাতের পাদদেশে বাড়ি নির্মাণ করা হবে। আর যে ব্যক্তি নিজের মত সঠিক হওয়া সত্ত্বেও বিতর্ক পরিত্যাগ করবে তার জন্য জান্নাতের মধ্যবর্তী স্থানে বাড়ি নির্মাণ করা হবে। আর যার আচরণ সুন্দর তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে বাড়ি নির্মাণ করা হবে। [১]
নিঃসন্দেহে অহংকার শয়তানের বৈশিষ্ট্য। ইবলিস নিজেকে আদম-এর চেয়ে সেরা দাবি করেছিল, নিজেকে বড় মনে করেছিল। ফলে সে আজ ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নিজেদের বড়ত্ব জাহির করাই ছিল ফেরাউন-নমরুদের ধ্বংসের কারণ। তাই অহংকার থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে হবে। কুরআনেই রয়েছে এর সবক:
وَلَا تَمْشِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّكَ لَن تَخْرِقَ الْأَرْضَ وَلَن تَبْلُغَ الْجِبَالَ طُولًا)
জমিনে গর্বভরে চলাফেরা কোরো না, তুমি কখনোই জমিনকে বিদীর্ণ করতে পারবে না আর উচ্চতায় পর্বতের ন্যায়ও হতে পারবে না। [২]
টিকাঃ
[১] মুনযিরী, আত-তারগীব ১/৭৭; আলবানী, সহীহুত তারগীব ১/১৩২
[২] সূরা বনী ইসরাঈল-৩৭
📄 হতাশা শয়তানের হাতিয়ার
শয়তানের শয়তান হয়ে ওঠার পেছনে হতাশা প্রাথমিকভাবে দায়ী। তাই শয়তানও চায় আল্লাহর বান্দাদেরকে হতাশাগ্রস্ত করতে। শয়তানের হতাশার নিশানা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই। কিন্তু পুরুষদেরকে হতাশাগ্রস্ত করা অধিক সহজ। হতাশা সেই ঘরেই থাকে যেই ঘরে সবর নেই। আর পুরুষদের মাঝে তুলনামূলক সবর কম বিধায় হতাশা তাদেরকে গ্রাস করে খুব সহজেই। এ ছাড়া পুরুষদের জীবনে স্থিরতা কম। মাঝে মাঝে পুরুষের জীবন খুব আনন্দময়। দুনিয়ার আনন্দে বুঁদ হয়ে ধ্যান-জ্ঞান খোয়াতে পারে খুব সহজেই। এই আবার জীবন ক্ষণে ক্ষণে নিমিষেই বিষিয়ে ওঠে। তখন হতাশা গ্রাস করে। হৃৎপিণ্ডের গলা চিপে ধরে অক্কা পেতে ইচ্ছে করে। এই হতাশা থেকেই আত্মহত্যার ঘটনাগুলো খবরের কাগজে রচিত হয়। জেনে অবাক হতে হয়, বিশ্বব্যাপী নারীদের তুলনায় পুরুষদের আত্মহত্যার হার অধিক। পাশ্চাত্যের নর্দমায় সংখ্যাটা ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি। [৩]
পুরুষদের জীবন মাত্রাধিক্য রোমাঞ্চকর। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পুরুষদের মিশে যেতে হয় এই দুনিয়ার সাথে। আর নিঃসন্দেহে দুনিয়া অন্তরের জন্য বিষ। পুরুষদেরকে খুব সকালে জলদি জলদি ঘুম থেকে উঠে নিজেকে দিনটির জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অন্তরাত্মাকে সে নিজে প্রশ্ন করে, "নতুন দিন, নতুন আরেক যুদ্ধ। পারব তো?" একবার নিজেকে দেখে নিয়ে লম্বা একটা শ্বাস গ্রহণ করে চোখটা বুঝেই দেয় ছুট। দিন শেষে ঘরে ফিরে বদরী চাঁদের হাসি নিয়ে। বাবাকে দেখে সন্তানের হই-হুল্লোর, স্ত্রীর এগিয়ে এসে অভ্যর্থনা জানানো, এই তো সাময়িক স্বস্তি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে পুরুষ সয়ে নেয় অনেক কিছু। কাদামাখা রাস্তায় পাশ দিয়ে গাড়ি ক্রম করে হাঁকিয়ে যাওয়া; বসের কাছে বকুনি খাওয়া; নাম, ব্যক্তিত্ব বা সামান্য ভুঁড়ির জন্য কলিগের হাসির পাত্র হওয়া। মাঝে মাঝে ঝগড়া, হাতাহাতি, পুলিশের কেস-ঘুষ, অন্যকে মিথ্যা বলে ঠকিয়ে নিজেকে লাভবান করা আরও কী কী যুদ্ধ যে করতে হয় পুরুষকে। এবার ভাবুন দ্বীনদারির স্থান থেকে। ওপরের নমুনার যাবতীয় যুদ্ধ তো আপনাকে করতে হচ্ছেই, সেই সাথে কর্পোরেট জীবনে হালাল-হারام মেনে চলা, সুদ-ঘুষকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা, লিবাস-দাঁড়ির জন্য কলিগদের মাধ্যমে উত্ত্যক্তের শিকার হওয়া ইত্যাদি। জীবনের অপর মুদ্রায় নিজের ফরয ইবাদাত ঠিক রাখা, হকের প্রতি মানুষকে দা'ওয়াত দেয়া, সারাদিনের কাজের পর স্ত্রী-সন্তানদেরকে 'কোয়ালিটি টাইম' দেয়ার প্রতিশ্রুতি, মাইর-বকুনি-জেল-হাজতের কথা সর্বদা মাথায় গিজগিজ করা, পরিবার-নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকে দ্বীন পালনের কারণে হাসি-ঠাট্টার পাত্র হওয়া, দ্বীনের বিরুদ্ধে কেউ আঙুল তুললে তাকে এক হাত দেখে নেয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। এত উপাদান আছে পুরুষদের জীবনে, তবুও পুরুষগুলো বেঁচে থাকে? এটাই বিস্ময়কর নয় কি?
দুনিয়া জীবনকে দুমড়ে-মুচড়ে দেবে। তবুও হতাশ হওয়া যাবে না। যে হতাশ হয়ে যায় সে আবার কেমন পুরুষ? পূর্ববর্তী প্রায় সকল জাতিই তাদের পুত্রসন্তানদের শৈশবকাল থেকে যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তুলত। আসন্ন জীবনের জন্য তাদেরকে প্রস্তুত করত। আমাদেরও এভাবেই নিজেদেরকে যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পুরুষদের মাঝে হতাশ হওয়ার এত উপাদান যেহেতু বিদ্যমান রয়েছে, কাজেই বুঝে নিতে হবে পুরুষদেরকে আল্লাহ হতাশার সাথে যুদ্ধ করারও সক্ষমতা দিয়েছেন। কারণ আল্লাহ বলেন,
لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا)
আল্লাহ কারও সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না। [৪] কুরআনে আল্লাহ আরও বলেন,
قُلْ يَعِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বলুন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হোয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [৫]
টিকাঃ
[৩] https://ourworldindata.org/grapher/male-female-ratio-of-suicide-rates
[৪] সূরা বাকারাহ- ২৮৬
[৫] সূরা যুমার- ৫৩