📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 মুহাম্মদ ﷺ এর আদর্শ মানতে হবে

📄 মুহাম্মদ ﷺ এর আদর্শ মানতে হবে


নবী ﷺ এর আনুগত্য করার নির্দেশ :
وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ فَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَإِنَّمَا عَلَى رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তার রাসূলের আনুগত্য করো, যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও তবে আমার রাসূলের দায়িত্ব শুধু স্পষ্টভাবে প্রচার করা। (সূরা তাগাবুন- ১২)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَا تَوَلَّوْا عَنْهُ وَأَنْتُمْ تَسْمَعُونَ হে মুমিনগণ! আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো। যখন তোমরা তার কথা শ্রবণ কর তখন তা হতে মুখ ফিরিয়ে নিয়ো না। (সূরা আনফাল- ২০)
মুহাম্মাদ এর আনুগত্যই আল্লাহর আনুগত্য :
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ ، وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করল সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করল এবং যে ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিল তবে (মনে রেখো) তোমাকে তাদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রেরণ করিনি। (সূরা নিসা- ৮০)
নবী এর ফায়সালা মেনে নেয়া বাধ্যতামূলক :
وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ - وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُبِينًا কোন মুমিন पुरुष কিংবা মুমিন নারীর জন্য এ অবকাশ নেই যে, আল্লাহ ও তার রাসূল যখন কোন কাজের নির্দেশ দেন, তখন সে কাজে তাদের কোন নিজস্ব সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করে সে তো প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় নিপতিত হয়। (সূরা আহযাব- ৩৬)
নবী ﷺ এর ফায়সালা না মানলে মুমিন হওয়া যায় না:
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
কিন্তু না, তোমার প্রতিপালকের শপথ! ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের ঝগড়া-বিবাদের বিচারভার তোমার উপর অর্পণ না করে। অতঃপর তোমার সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাদের মনে কোন দ্বিধা না থাকে এবং তা মেনে না নেয়। (সূরা নিসা- ৬৫) এ নির্দেশটি কেবল রাসূল এর জীবন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি কিয়ামত পর্যন্ত কার্যকর হবে। নবী আল্লাহর কাছ থেকে যা কিছু এনেছেন এবং আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী যে পদ্ধতিতে কাজ করেছেন, তা চিরস্থায়ীভাবে মুসলিমদের জন্য চূড়ান্ত ফায়সালাকারী সনদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সনদটি মানা ও না মানার উপরই কোন ব্যক্তির মুমিন হওয়া না হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে। যে ব্যক্তি এ সনদটি যতটুকু পালন করবে তার ঈমানের পরিমাণটাও ততটুকুই নির্ধারিত হবে।
যে বিষয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে কোন হুকুম প্রমাণিত হয়, সে বিষয়ে কোন মুসলিম ব্যক্তি, জাতি, প্রতিষ্ঠান, আদালত, পার্লামেন্ট বা রাষ্ট্রের নিজের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকে না। মুসলিম হওয়ার অর্থই হচ্ছে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সামনে নিজের স্বাধীনতাকে বিসর্জন দেয়া। যে ব্যক্তি মুসলিম হিসেবে বেঁচে থাকতে চায় তাকে অবশ্যই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সামনে আনুগত্যের শির নত করতে হবে। আর যে নত করতে চায় না, সে মুসলিম নয়। যে ব্যক্তি তার কামনা-বাসনাকে রাসূল ﷺ এর আনীত দ্বীনের মধ্যে সীমাবদ্ধ করতে না পারবে, সে কখনই ঈমানদার হতে পারবে না। এটা ঈমানের প্রাথমিক ও মৌলিক দাবি। যে ব্যক্তি আল্লাহকে তার রব এবং আল্লাহর রাসূলকে তার পথপ্রদর্শনকারী হিসেবে মানে, সে নিজের মতামত ও ধ্যান-ধারণাকে কখনো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সিদ্ধান্তের উপর অগ্রাধিকার দিতে পারে না, সে বিভিন্ন ব্যাপারে স্বাধীন মতামত পোষণ করে না এবং ঐসব ব্যাপারে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না। বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ঐসব ব্যাপারে কোন দিকনির্দেশনা দিয়েছেন কি না এবং দিয়ে থাকলে কী দিয়েছেন সে বিষয়ে আগে জানার চেষ্টা করবে। এ নির্দেশটি শুধু মুসলিমদের ব্যক্তিগত বিষয়সমূহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাদের পুরো সামাজিক ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। মুসলিমদের সরকার, বিচারালয় এবং পার্লামেন্ট কোনকিছুই এ আইনের বাহিরে নয়।
নবী ﷺ এর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা জরুরি:
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ
রাসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা তোমরা গ্রহণ করো এবং যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করে তা হতে বিরত থাকো। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো; নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি দানে খুবই কঠোর। (সূরা হাশর- ৭) মুসলিমগণ সবসময় সব ব্যাপারেই রাসূল এর আনুগত্য করবে। রাসূল বলেছেন, “আমি কোন বিষয়ে তোমাদের নির্দেশ দিলে তা যথাসাধ্য পালন করো। আর যে বিষয়ে বিরত থাকতে বলি তা থেকে দূরে থাকো।” আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) একবার বক্তৃতাকালে বললেন, “আল্লাহ তা'আলা অমুক অমুক ফ্যাশনকারিণী মহিলাকে লানত করেছেন।” এটা শুনে এক মহিলা বলল, এ কথা আপনি কোথায় পেয়েছেন? তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর কিতাব পড়ে থাকলে এ কথা অবশ্যই পেতে। তুমি কি এ আয়াত পড়েছ?
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا অর্থাৎ রাসূল তোমাদের নিকট যা কিছু নিয়ে আসে, তোমরা তা গ্রহণ করো। আর তিনি তোমাদেরকে যা থেকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো। (সূরা হাশর- ৭) তখন সে বলল, হ্যাঁ- এ আয়াত তো আমি পড়েছি। তিনি বললেন, রাসূল এ কাজ করতে নিষেধ করেছেন এবং জানিয়ে দিয়েছেন যে, এরূপ কাজে লিপ্ত নারীদের ওপর আল্লাহ তা'আলা লানত করেছেন। তখন মহিলাটি বলল, এখন আমি বুঝতে পারলাম।

📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 নবী ﷺ এর অনুসরণ করার উপকারিতা

📄 নবী ﷺ এর অনুসরণ করার উপকারিতা


নবী ﷺ এর অনুসরণের মধ্যেই আল্লাহর ভালোবাসা নিহিত:
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ ) তাদেরকে বলে দাও, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও তবে আমার অনুসরণ করো। (যদি কর) তাহলে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সূরা আলে ইমরান- ৩১)
নবী ﷺ এর আনুগত্যকারীরা হেদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত হবে :
وَانْ تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ যদি তোমরা তার আনুগত্য কর তবে সৎপথ পাবে; আর রাসূলের কাজ তো কেবল স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেয়া। (সূরা নূর- ৫৪)
তারা সফলকাম হবে:
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَخْشَ اللَّهَ وَيَتَّقْهِ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفَائِزُونَ যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর অবাধ্যতা হতে সাবধান থাকে তারাই সফলকাম। (সূরা নূর- ৫২)
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে তো মহাসাফল্য লাভ করবে। (সূরা আহযাব- ৭১)
তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে :
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, তাকে তিনি এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহমান থাকবে। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে; আর এটাই তো মহাসাফল্য। (সূরা নিসা- ১৩)
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ وَمَنْ يَتَوَلَّ يُعَذِّبُهُ عَذَابًا أَلِيمًا যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কথা মেনে চলবে আল্লাহ তাকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা বহমান থাকবে। আর যারা মুখ ফিরিয়ে নেবে তাদেরকে কষ্টদায়ক আযাব দেয়া হবে। (সূরা ফাতহ-১৭)
তারা নবীগণ ও শ্রেষ্ঠ লোকদের সাথে থাকবেন :
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَالرَّسُوْلَ فَأُولَئِكَ مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ مِّنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ وَحَسُنَ أُولَئِكَ رَفِيقًا যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে সে নবী, সত্যনিষ্ঠ, শহীদ ও সৎকর্মপরায়ণ লোকদের সঙ্গী হবে, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন; আর তারা কতই না উত্তম সঙ্গী! (সূরা নিসা- ৬৯)

টিকাঃ
২৭ সহীহ বুখারী, হা/৭২৮৮; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩২১।
২৮ সহীহ বুখারী, হা/৪৮৮৬, সহীহ মুসলিম, হা/৫৬৯৫।

📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 মুহাম্মদ ﷺ এর অনুসরণ না করার পরিণাম

📄 মুহাম্মদ ﷺ এর অনুসরণ না করার পরিণাম


নবী এর বিরুদ্ধাচরণকারীরা লাঞ্ছিত হবে :
إِنَّ الَّذِينَ يُحَادُّونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ كُبِتُوا كَمَا كُبِتَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ যারা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে তাদেরকে লাঞ্ছিত করা হবে, যেমন লাঞ্ছিত করা হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীদেরকে। (সূরা মুজাদালা- ৫)
إِنَّ الَّذِينَ يُحَادُّونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ أُولَئِكَ فِي الْأَذَلِّينَ নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে তারা লাঞ্ছিতদের দলভুক্ত হবে। (সূরা মুজাদালা- ২০)
তাদের ওপর বিপর্যয় বা আযাব আসবে:
فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَنْ تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে তারা সতর্ক হোক যে, তাদের ওপর বিপর্যয় পতিত হবে অথবা তাদের ওপর পতিত হবে মর্মান্তিক শাস্তি। (সূরা নূর- ৬৩)
তাদের আমল নষ্ট হয়ে যাবে :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো এবং নিজেদের আমলকে নষ্ট করো না। (সূরা মুহাম্মাদ-৩৩)
তারা পরকালে আফসোস করবে:
يَوْمَئِذٍ يَوَدُّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَعَصَوُا الرَّسُولَ لَوْ تُسَوَّى بِهِمُ الْأَرْضُ وَلَا يَكْتُمُونَ اللَّهَ حَدِيثًا যারা কুফরী করেছে এবং রাসূলের অবাধ্য হয়েছে সেদিন তারা কামনা করবে, যদি তারা মাটির সঙ্গে মিশে যেত! আর তারা আল্লাহর কাছ থেকে কোন কথাই গোপন করতে পারবে না। (সূরা নিসা-৪২)
وَيَوْمَ يَعَضُّ الظَّالِمُ عَلَى يَدَيْهِ يَقُولُ يَا لَيْتَنِي اتَّخَذْتُ مَعَ الرَّسُولِ سَبِيلًا সেদিন যালিম ব্যক্তি নিজ হস্তদ্বয় কামড়াতে কামড়াতে বলবে, হায়! আমি যদি রাসূলের সাথে সৎপথ অবলম্বন করতাম! (সূরা ফুরক্বান- ২৭)
يَوْمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمْ فِي النَّارِ يَقُولُونَ يَا لَيْتَنَا أَطَعْنَا اللَّهَ وَأَطَعْنَا الرَّسُولَا যেদিন তাদের চেহারা জাহান্নামের আগুনের মধ্যে উলট-পালট করা হবে সেদিন তারা বলবে- হায়! আমরা যদি আল্লাহ ও রাসূলের আদেশ পালন করতাম! (সূরা আহযাব- ৬৬)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00