📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 মুহাম্মদ ﷺ-কে লেজকাটা বলে দোষারোপ করা

📄 মুহাম্মদ ﷺ-কে লেজকাটা বলে দোষারোপ করা


নবী ﷺ এর পুত্র ইবরাহীম মারা গেলে মক্কার মুশরিকরা একে অপরকে বলাবলি করতে লাগল, মুহাম্মাদ লেজকাটা হয়ে গেছে। মুশরিকদের এ সকল অশালীন উক্তির কারণে নবী কষ্ট পেতেন। বিপদের সময় নিজের আত্মীয়-স্বজন পাশে দাঁড়ানোর কথা, কিন্তু তারাই তাঁর কষ্টকে আরো বাড়িয়ে তুলছিল। এ বেদনাদায়ক পরিস্থিতিতে আল্লাহ তা'আলা এ আয়াতগুলো নাযিল করে নবী-কে সান্ত্বনা দেন,
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ - فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ - إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ
(হে নবী!) অবশ্যই আমি তোমাকে কাওসার (নিয়ামতের ভাণ্ডার) দান করেছি। অতএব তুমি (আমাকে স্মরণের জন্য) নামায কায়েম করো এবং (আমারই উদ্দেশ্যে) কুরবানী করো, নিশ্চয় (পরিশেষে) তোমার নিন্দুকেরাই হবে লেজকাটা (অসহায়)। (সূরা কাওসার)

📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 নবী ﷺ-কে পাগল বলে দোষারোপ করা

📄 নবী ﷺ-কে পাগল বলে দোষারোপ করা


মুহাম্মাদ সম্পর্কে ইসলামের দুষমনরা যেসব দোষারোপ করত তার মধ্যে অন্যতম একটি ছিল, তারা নবী-কে পাগল বলে আখ্যায়িত করত। তাদের এসব দোষারোপের প্রতিবাদ করে আল্লাহ তা'আলা বলেন,
ن وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ - مَا أَنْتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ)
নূন। শপথ কলমের এবং তারা (ফেরেশতাগণ) যা লিপিবদ্ধ করে তার। তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও। (সূরা ক্বালাম- ১, ২)
وَمَا صَاحِبُكُمْ بِمَجْنُونٍ)
আর তোমাদের সাথি (মুহাম্মাদ) পাগল নয়। (সূরা তাকভীর- ২২)

📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 নবী ﷺ-কে গণক বলে দোষারোপ করা

📄 নবী ﷺ-কে গণক বলে দোষারোপ করা


নবী ﷺ যত দোষারোপের শিকার হয়েছিলেন তার মধ্যে একটি ছিল যে, মানুষ তাকে গণক বলত। তাই আল্লাহ তা'আলা এ দোষারোপের প্রতিবাদ করে বলেন,
فَذَكِّرْ فَمَا أَنْتَ بِنِعْمَتِ رَبِّكَ بِكَاهِنٍ وَلَا مَجْنُونٍ)
অতএব তুমি উপদেশ দিতে থাকো, তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি গণক নও এবং উন্মাদও নও। (সূরা তুর- ২৯)
সকল যুগেই নবীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাদের ব্যাপারে নানা ভুল ধারণা পোষণ করা হয়েছে।

📘 মুহাম্মদ সা সম্পর্কে ভুল ধারনা ও তার জীবনী > 📄 নবী ﷺ-কে যাদুকর বলে দোষারোপ করা

📄 নবী ﷺ-কে যাদুকর বলে দোষারোপ করা


নবী ﷺ এর বিরোধীরা নবী ﷺ এর প্রতি যত ধরনের অপবাদ ও দোষারোপ করেছিল তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে, তারা তাঁকে যাদুকর বলে আখ্যায়িত করেছিল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, كَذلِكَ مَا أَتَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ مِنْ رَسُولٍ إِلَّا قَالُوا سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ - أَتَوَاصَوْا بِهِ * بَلْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُونَ﴾
এভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল এসেছেন তখনই তারা বলেছে, তুমি তো এক যাদুকর অথবা উন্মাদ। তারা কি একে অপরকে এই উপদেশই দিয়ে এসেছে? বস্তুত তারা এক সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়। (সূরা যারিয়াত- ৫২, ৫৩)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00