📘 মুহাম্মাদ ﷺ ই সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল > 📄 সকল নবীর নিকট শপথ গ্রহণ

📄 সকল নবীর নিকট শপথ গ্রহণ


মহান আল্লাহ বলেন,
إِذْ أَخَذَ الله مِيثَاقَ النَّبِيِّينَ لَمَا آتَيْتُكُمْ مِنْ kjit وَحِكْمَةٍ ثُمَّ جَاءَكُمْ رَسُولُ مُصَدِّقُ لِمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهِ وَلَتَنْصُرَنَّهُ قَالَ أَأَقْرَرْتُمْ وَأَخَذْتُمْ عَلَى ذَلِكُمْ إِصْرِي قَالُوا أَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوا وَأَنَا مَعَكُمْ مِنَ الشَّاهِدِينَ .
অর্থাৎ 'আর যখন মহান আল্লাহ সকল নবীর শপথ নিলেন, আমি তোমাদেরকে কিতাব ও হিকমত দান করেছি। অতঃপর যখন আমার পক্ষ থেকে তোমাদের নিকটে রাসূল আসবেন। তোমাদের কাছে যা আছে তার সত্যায়ন করবেন। তখন অবশ্যই তোমরা তার উপর ঈমান আনবে এবং তাকে সাহায্য করবে। আল্লাহ নবীগণকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমরা কি স্বীকৃতি দিলে এবং এই কথা মানার অঙ্গীকার করলে? তখন সকল নবী বললেন, আমরা স্বীকৃতি দিলাম। আল্লাহ বললেন, তোমরা সাক্ষী থাক এবং আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী থাকলাম' (আলে ইমরান ৩/৮১)।
ইবনু কাছীর (রহঃ) অত্র আয়াতের তাফসীরে বলেন,
فالرسول محمد خاتم الأنبياء صلوات الله وسلامه عليه، دائما إلى يوم الدين، وهو الإمام الأعظم الذي لو وجد في أي عصر وجد لكان هو الواجب الطاعة المقدم على الأنبياء كلهم؛ ولهذا كان إمامهم ليلة الإسراء لما اجتمعوا ببيت المقدس، وكذلك هو الشفيع في يوم الحشر في إتيان الرب لفصل القضاء، وهو المقام المحمود الذي لا يليق إلا له
'আর মুহাম্মাদ তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক ক্বিয়মাত পর্যন্ত। তিনিই হচ্ছেন মহান ইমাম। যদি তাঁকে কোন যুগে পাওয়া যায়, তাহলে সকল নবীর উপর তাঁর আনুগত্য করা যরূরী হবে। এই জন্য তিনিই তো মে'রাজের রাত্রে তাদের ইমাম ছিলেন, যখন তারা বায়তুল মাক্বদিসে একত্রিত হয়েছিলেন। অনুরূপ তিনিই হাশরের ময়দানে আল্লাহ্র নিকট বিচার শুরু করার সুফারিশ করবেন। আর এটাই মাক্বামাম মাহমূদ, যা তিনি ব্যতীত কারো জন্য শোভা পায় না।
সুতরাং এই আয়াত স্পষ্ট প্রমাণ করছে যে, মুহম্মাদ (ছাঃ)-এর উপর ঈমান নিয়ে আসার জন্য সকল রাসূলের শপথ নেয়াটা মুহম্মাদ (ছাঃ)-এর সকল রাসূলের উপর শ্রেষ্ঠ হওয়ার প্রমাণ বহন করে।

টিকাঃ
১৫. দেখুন : তাফসীরে ইবনু কাছীর, সূরা আলে ইমরান ৮১ নং আয়াতের ব্যাখ্যা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00