📄 আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা
আবূ হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
إِنَّ اللَّهَ خَلَقَ الْخَلْقَ حَتَّى إِذَا فَرَغَ مِنْهُمْ قَامَتِ الرَّحِمُ فَقَالَتْ: هَذَا مَقَامُ الْعَائِذِ مِنَ الْقَطِيْعَةِ، قَالَ: نَعَمْ، أَمَا تَرْضَيْنَ أَنْ أَصِلَ مَنْ وَصَلَكِ وَأَقْطَعَ مَنْ قَطَعَكِ؟ قَالَتْ: بَلَى، قَالَ: فَذَاكِ لَكِ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ: إِقْرَؤُوا إِنْ شِئْتُمْ فَهَلْ عَسَيْتُمْ إِن تَوَلَّيْتُمْ أَن تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ وَتُقَطِعُوا أَرْحَامَكُمْ ) أُولَئِكَ الَّذِينَ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فَأَصَتَهُمْ وَأَعْمَى أَبْصَرَهُمْ أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْءَانَ أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا ﴾ [محمد: ٢٢ - ٢٤] .
"আল্লাহ্ তা'আলা যখন সৃষ্টিকুল সৃজন করে শেষ করলেন তখন আত্মীয়তার বন্ধন দাঁড়িয়ে বললো: এটিই হলো সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনাকারীর স্থান। আল্লাহ্ তা'আলা বললেন: হ্যাঁ, ঠিকই। তুমি কি এ কথায় সন্তুষ্ট নও যে, আমি ওর সঙ্গেই সম্পর্ক স্থাপন করবো যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবে এবং আমি ওর সাথেই সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করবো যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করবে। তখন সে বললো: আমি এ কথায় অবশ্যই রাজি আছি হে আমার প্রভু! তখন আল্লাহ্ তা'আলা বললেন: তা হলে তোমার জন্য তাই হোক। এরপর রাসূল বলেন: তোমাদের মনে চাইলে নিম্নোক্ত আয়াতটি পড়তে পারো যার মর্মার্থ হলো, "ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। আল্লাহ্ তা'আলা এদেরকেই করেন অভিশপ্ত, বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন। তারা কি কুর'আন নিয়ে এতটুকুও চিন্তা করে না। না কি তাদের অন্তরের উপর তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে”। (মুহাম্মাদ: ২২-২৪)
'আব্দুর রহমান বিন্ 'আউফ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি একদা রাসূল কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন:
قَالَ اللهُ: أَنَا الرَّحْمَنُ وَهِيَ الرَّحِمُ، شَقَقْتُ لَهَا اسْمًا مِنْ اسْمِي، مَنْ وَصَلَهَا وَصَلْتُهُ وَمَنْ قَطَعَهَا بَتَتْهُ .
"আল্লাহ্ তা'আলা বলেন: আমি রহমান। আর আত্মীয়তার বন্ধনের নাম হলো রাহিম্। আমি নিজের নাম থেকেই আত্মীয়তার বন্ধনের নাম নির্গত করেছি। যে ব্যক্তি তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে আমিও তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবো। আর যে ব্যক্তি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে আমিও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবো”। (আবূ দাউদ ১৬৯৪ স্বা'হী'হুত-তারগীবি ওয়াত-তারহীব ২৫২৮)
ইমাম নাওয়াওয়ী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা মানে, আত্মীয়-স্বজনদের প্রতি যথাসাধ্য দয়া করা। আর তা যিনি দয়া করছেন ও যার প্রতি দয়া করা হচ্ছে তাদের উভয়ের অবস্থার ভিত্তিতেই সম্পাদিত হবে। কখনো তা সম্পদের মাধ্যমে হতে পারে। আবার কখনো তা শারীরিক খিদমাতের মাধ্যমে। আবার কখনো তা সাক্ষাত ও সালাম ইত্যাদির মাধ্যমে। (মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যা/নাওয়াওয়ী: ২/২০১)
📄 গরীব-দুঃখীদের খবরাখবর নেয়া
আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
﴿ لِلْفُقَرَاءِ الَّذِينَ أُحْصِرُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ لَا يَسْتَطِيعُونَ ضَرْبًا فِي الْأَرْضِ يَحْسَبُهُمُ الْجَاهِلُ أَغْنِيَاءَ مِنَ التَّعَفُّفِ تَعْرِفُهُم بِسِيمَهُمْ لَا يَسْتَلُونَ النَّاسَ الْحَافَا وَمَا تُنفِقُوا مِنْ خَيْرٍ فَإِنَّ اللَّهَ بِهِ عَلِيمٌ ﴾ [البقرة: ٢٧٣] .
"এটি ওই অভাবগ্রস্তদেরই প্রাপ্য যারা আল্লাহ্ তা'আলার পথে আটকে আছে। রিযিকের অনুসন্ধানে দেশময় ঘুরে বেড়ানোর যাদের কোন সুযোগ নেই। ভিক্ষাবৃত্তি না করার দরুন মূর্খরা যাদেরকে ধনী মনে করে। তুমি তাদের চেহারা দেখেই তাদেরকে চিনতে পারবে। যারা মানুষের কাছে বার বার ভিক্ষার হাত বাড়ায় না। আর তোমরা নিজেদের সম্পদ থেকে যা কিছু ব্যয় করবে নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা সে ব্যাপারে সুপরিজ্ঞাত”। (আল-বাক্বারাহ্: ২৭৩)
আল্লাহ্ তা'আলা উক্ত আয়াতে এ সংবাদ দিলেন যে, সমাজে এমন কিছু লোকও রয়েছে যারা অন্যের সহযোগিতার একান্ত মুখাপেক্ষী। তবে তাদের মর্যাদাপূর্ণ অন্তর কারোর নিকট কিছু চাওয়া কখনোই মেনে নিতে পারেনি। এ জন্য সর্ব যুগের নেককাররা সর্বদা তাদের খবরাখবর নিতেন। এ দিকে আল্লাহ্'র রাসূল ও আমাদেরকে নিজ প্রতিবেশীর সাথে এমন আচরণ করারই আদেশ করেছেন।
'আব্দুল্লাহ্ বিন্ 'আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
لَيْسَ الْمُؤْمِنُ الَّذِي يَشْبَعُ وَجَارُهُ جَائِعٌ .
"সে মু'মিন নয় যে পেট পুরে খায়; অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত"। ('হাকিম ২১৬৬ স্বা'হী'হুত-তারগীবি ওয়াত-তারহীব ২৫২৮)
এমনো হয়েছে যে, কিছু হাদিয়া জনৈক সাহাবীর নিকট এসেছে। আর তিনি তা তাঁর প্রতিবেশীর নিকট পাঠিয়েছেন। তিনিও তার প্রতিবেশীর নিকট। এভাবে তা দশটি ঘর ঘুরে আবারো প্রথম জনের নিকট পৌঁছায়।
একদা জনৈক ব্যক্তি তার বন্ধুর বাড়িতে এসে তার দরজা নক করলে সে তার বাড়ি থেকে বের হয়ে এসে তার বন্ধুকে বললো: বন্ধু! তোমার কী প্রয়োজন? সে বললো: আমার চার শত দিরহাম ঋণ প্রয়োজন। অতঃপর লোকটি তার বন্ধুকে চার শত দিরহাম ঋণ বুঝিয়ে দিয়ে নিজ ঘরে ফিরে এসে কাঁদতে লাগলে তার স্ত্রী তাকে বললো: তোমার কষ্ট লাগলে তাকে চার শত দিরহাম ঋণ দিলে কেন? সে বললো: আমি কাঁদছি এ জন্য যে, আমি কেন ইতিপূর্বে তার খবরাখবর নিলাম না। যার দরুন তাকেই আমার নিকট আসতে হলো।
📄 মানুষের চলাচলের পথ থেকে কষ্টদায়ক যে কোন বস্তু সরিয়ে দেয়া
আবূ হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
الْإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُوْنَ أَوْ بِضْعٌ وَسِتُّوْنَ شُعْبَةً، فَأَفْضَلُهَا قَوْلُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الْأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الْإِيْمَانِ .
"ঈমানের তেয়াত্তর কিংবা তেষট্টির বেশি শাখা রয়েছে। তার মধ্যকার সর্বোত্তম শাখা হলো এ কথা বলা যে, আল্লাহ্ তা'আলা ছাড়া সত্য কোন মা'বুদ নেই। আর তার মধ্যকার সর্বনিম্ন শাখা হলো মানুষের চলাচলের পথ থেকে যে কোন কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানেরই একটি বিশেষ শাখা"। (মুসলিম ৩৫)
আবু যর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী ইরশাদ করেন:
عُرِضَتْ عَلَيَّ أَعْمَالُ أُمَّتِي حَسَنُهَا وَسَيِّتُهَا، فَوَجَدْتُ فِي مَحَاسِنِ أَعْمَالِهَا الْأَذَى يُمَاطُ عَنِ الطَّرِيقِ، وَوَجَدْتُ فِي مَسَاوِي أَعْمَالِهَا النُّخَاعَةَ تَكُوْنُ فِي الْمَسْجِدِ لَا تُدْفَنُ .
"আমার নিকট আমার উম্মতের ভালো-মন্দ সকল আমলই উপস্থাপন করা হয়েছে। অতঃপর আমি তাদের নেক আমলগুলোর মাঝে পেয়েছি মানুষের চলাচলের পথ থেকে যে কোন কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেয়া। আর তাদের মন্দ কাজগুলোর মাঝে পেয়েছি মানুষের নাকের ময়লা মসজিদ থেকে না মুছে ফেলে তাতে এমনিভাবেই রেখে দেয়া"। (মুসলিম ৫৫৩)
আবূ হুরাইরাহ্ থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
بَيْنَا رَجُلٌ يَمْشِي بِطَرِيقٍ، وَجَدَ غُصْنَ شَوْكٍ عَلَى الطَّرِيقِ فَأَخَذَهُ فَشَكَرَ اللهُ لَهُ فَغَفَرَ لَهُ .
"একদা জনৈক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলো। এমতাবস্থায় সে মানুষের চলাচলের পথে একটি কাঁটাবিশিষ্ট ডাল দেখতে পেয়ে তা রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলো। আর আল্লাহ্ তা'আলা তার এ কাজের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তাকে ক্ষমা করে দিলেন"। (বুখারী ৬২৪ মুসলিম ১৯১৪)
📄 পশুদের প্রতি দয়া করা
অন্যের প্রতি এক জন মোসলমানের কল্যাণকামিতা দমকা বায়ুর ন্যায় ব্যাপক হতে হবে। এমনকি আল্লাহ্ তা'আলার সকল সৃষ্টি জীব তাকে দিয়ে উপকৃত হতে হবে। এমনকি পশুরাও।
আবূ হুরাইরাহ্ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
بَيْنَمَا رَجُلٌ يَمْشِي بِطَرِيقِ اشْتَدَّ عَلَيْهِ الْعَطَشُ فَوَجَدَ بِثْرًا فَنَزَلَ فِيْهَا فَشَرِبَ، ثُمَّ خَرَجَ فَإِذَا كَلْبٌ يَلْهَثْ يَأْكُلُ الثَّرَى مِنَ الْعَطَشِ، فَقَالَ الرَّجُلُ: لَقَدْ بَلَغَ هَذَا الْكَلْبَ مِنَ الْعَطَشِ مِثْلُ الَّذِي كَانَ بَلَغَ مِنِّي، فَنَزَلَ الْبِثْرَ فَمَلَأَ خُفَّهُ مَاءً، ثُمَّ أَمْسَكَهُ بِفِيْهِ حَتَّى رَقِيَ فَسَقَى الْكَلْبَ، فَشَكَرَ اللَّهُ لَهُ فَغَفَرَ لَهُ، قَالُوا: يَا رَسُوْلَ اللَّهِ! وَإِنَّ لَنَا فِي هَذِهِ الْبَهَائِمِ لَأَجْرًا؟ فَقَالَ: فِي كُلِّ كَبِدِ رَطْبَةٍ أَجْرٌ .
"একদা জনৈক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ভীষণভাবে তৃষ্ণার্ত হলে সে একটি কুয়া পেয়ে তাতে নেমে মনভরে পানি পান করলো। কুয়া থেকে বের হয়ে সে দেখলো, একটি কুকুর তৃষ্ণার দরুন জিহ্বা বের করে নরম মাটি খাচ্ছে। তখন লোকটি মনে মনে বললো: এ কুকুরটিরও তৃষ্ণা লেগেছে যেমনিভাবে ইতিপূর্বে আমারও লেগেছিলো। অতঃপর সে কুয়ায় নেমে তার মোজাখানা পানি দিয়ে ভর্তি করে নিজের মুখ দিয়ে ধরে কুয়ার পাড়ে উঠে কুকুরটিকে পানি পান করালে আল্লাহ্ তা'আলা তার কৃতজ্ঞতা আদায়ার্থে তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সাহাবায়ে কিরাম বললেন: হে আল্লাহ্'র রাসূল! আমাদের জন্য কি এ পশুগুলোর রক্ষণাবেক্ষণেও নিশ্চয়ই সাওয়াব রয়েছে? তিনি বললেন: প্রতিটি তাজা প্রাণের রক্ষণাবেক্ষণে তোমাদের জন্য সাওয়াব রয়েছে”। (বুখারী ২২৩৪ মুসলিম ২২৪৪)
ইমাম নাওয়াওয়ী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: হাদীসে বর্ণিত প্রতিটি তাজা প্রাণে সাওয়াব আছে মানে, প্রতিটি জীবিত প্রাণীকে পানি পান ইত্যাদির মাধ্যমে দয়া করলে তাতে নিশ্চয়ই সাওয়াব রয়েছে। (মুসলিম শরীফের ব্যাখ্যা/নাওয়াওয়ী: ১৪/২৪১)
কোন কোন জ্ঞানী বলেছেন: যখন আল্লাহ্ তা'আলা একটি তৃষ্ণার্ত কুকুরকে পানি পান করানোর দরুন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন তখন কেউ কোন তৃষ্ণার্ত মোসলমানকে পানি পান করালে, কোন ক্ষুধার্তকে পেট ভরে খাওয়ালে কিংবা কোন উলঙ্গ ব্যক্তিকে কাপড় পরালে আল্লাহ্ তা'আলা নিশ্চয়ই তাকে ক্ষমা করবেন।
জাবির বিন্ আব্দুল্লাহ্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল ইরশাদ করেন:
مَنْ حَفَرَ مَاءً لَمْ يَشْرَبْ كَبِدٌ حَيٌّ مِنْ جِنِّ وَلَا إِنْسٍ وَلَا طَائِرٍ إِلَّا آجَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ .
"যে ব্যক্তি পানির জন্য কোন কুয়া খনন করলো আর সে পানি কোন জীবন্ত প্রাণী তথা জিন, মানুষ ও পাখী পান করলো তা হলে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে কিয়ামতের দিন সে জন্য সাওয়াব দিবেন”। (ইবনু খুযাইমাহ্: ২/২৬৯ স্বা'হী'হুত-তারগীবি ওয়াত-তারহীব ২৭১)
'উমর বিন খাত্ত্বাব বলেন:
لَوْ عَثَرَتْ بَغْلَةٌ بِالْعِرَاقِ لَسَأَلَنِيَ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى عَنْهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ .
"যদি কোন খচ্চর ইরাকের কোন রাস্তায় হোঁচট খায় তা হলে আল্লাহ্ তা'আলা কিয়ামতের দিন তার সম্পর্কে আমাকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করবেন"। (আন্সাবুল-আশ্রাফ: ৩/৪০৯)