📄 স্ত্রী
এ অধ্যায়টা একটু ভালো করে পড়তে হবে। একজন পুরুষের জন্য সবচেয়ে সৎ কুমারী মেয়েকে বিয়ে করা। যে এর আগে কোনো পুরুষকে চেনেনি।
জুনানীরা বলেছেন, “কুমারী মেয়েরা তোমাদের জন্য। অকুমারীবা তোমাদের বিরুদ্ধে।” কিন্তু বয়স্ক লোকের অল্প বয়সী মেয়েকে বিয়ে করা খুব বড় ভুল। কারণ, সে তার সব চাহিদা পূরণ করতে পারবে না। আর একারণে বয়স্ক স্বামীর প্রতি সেই স্ত্রীর মনও অরুচি ধরবে। অল্প বয়সী কোনো স্ত্রীর সাথে বিয়ের পর এমন অবস্থা তৈরি হলে, ভালো আচরণ, সহনশীলতা আর তার সোহনে অচেলে টাকাপয়সা খরচ করে তার মনের অরুচি দূর করার চেষ্টা করতে হবে। আমি আমার জাশ-শাইহ (পাকা চুল) বইতেও এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বলেছিলাম।
স্ত্রীর সামনে নিজেকে সুন্দর করে তুলে ধরতে হবে। ঠিক যেমন আপনি চান আপনার স্ত্রী আপনার সামনে সৌন্দর্যের পসরা মেলে ধরুক। শরীরীর যা দেখতে স্ত্রী পছন্দ করে না তার সামনে সে অংশ অনাবৃত রাখবেন না। স্ত্রীরও সেরকম করা উচিত।
যেসব কারণে স্ত্রী বিপথে যায়
স্ত্রীর সাথে খুব বেশি কৌতুক করবেন না। তাতে একসময় স্ত্রী আপনাকে হাসিতামাশার পাত্র মনে করবে। অবাধ্যা হবে। রোজগারের সব টাকা স্ত্রীর হাতে তুলে দেবেন না। যাতে আপনি তার অধীনে না থাকেন। টাকা পেয়ে সে আপনাকে ছেড়ে যেতে পারে। সুবহান আল্লাহ বলেছেন,
“আল্লাহ যা দিয়ে তোমাদের আয়রোজগারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, সেই টাকা দুর্বলমনের মানুষদের হাতে তুলে দিও না। [আন-নিসা', ৪:৬৫]
হাসিঠাট্টা করবেন, তবে নিজের মর্যাদা ঠিক রেখে।
জীবনসঙ্গীকে শৃঙ্খলা শেখাবেন কীভাবে
স্ত্রীকে শৃঙ্খলা শেখানোর সেরা উপায় হচ্ছে, অধার্মিক আজেবাজে নারীদের সাথে কথা বলতে দেবেন না। বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে দেবেন না। বয়স্ক জ্ঞানী মহিলাকে দায়িত্ব দেবেন তাকে শেখাতে। তিনি তাকে শেখাবেন কীভাবে স্বামীকে শ্রদ্ধা করতে হবে, স্বামীর অধিকার আর যারা রয়েসয়ে খরচ করে তাদেরকে মর্যাদার চোখে দেখাতো। তিনি তার তত্ত্বাবধানী হিসেবে কাজ করবে।
যৌবনের উন্মত্ততা খুব ভয়ঙ্কর।
সমবয়সী বিয়ে করা
বয়স্ক ব্যক্তি এমন নারীকে বিয়ে করবেন যে কিশোর পার করেছে, কিন্তু প্রৌঢ় নয়া। এতে সংসার জীবন সবচেয়ে উপযোগী হবে। এমন স্ত্রীর স্বামীর উপর কর্তৃত্ব ফলানয়; বরং তার প্রতি অনেক বেশি শ্রদ্ধাশীল থাকে।
স্ত্রীকে নিয়ে তুষ্ট থাকা
ঠিক যেমনটা চেয়েছিলেন যদি অনেকটা সেরকম স্ত্রী পেয়ে থাকেন, তাহলে কী পাননি সেগুলো নিয়ে আর আফসোস করবেন না। যা পেয়েছেন তা মাথায় রেখে যা পাননি তা ভুলে যান। শেকড়বাকড় কাণ্ড ঠিক থাকলে শাখাপ্রশাখা কিছু না থাকলে সেগুলো কল্যাণ উল্লেখ করে? তাছাড়াও অসুস্থ হয়ে একাধিক বিয়ে করলে সমানুপাতিক হারে দায়িত্বও বাড়ে। সেই দায়িত্বের মধ্যে সবচেয়ে কমটা ও অনেক। তাদের ঠিকমতো খেয়াল করা।
📄 পরিবার, কাজের লোক
পরিবারের লোকজন যদি দেখে টাকাপয়সায় মর্যাদায় আপনি তাদের ছাড়িয়ে গেছেন, তারা তখন আপনাকে হিংসের করতে পারে। কিন্তু তাদের সাথে যেহেতু সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে না, সেজন্য তাদেরকে কৌশলে সামলাতে হবে। বিষয়টা বেশ জটিল নিঃসন্দেহে। তারা আপনার ব্যাপারে যা জানে না, সেটা তাদেরকে না জানতে দিয়ে ভালো সহৃদয় আচরণ করবেন।
পরিবারের কাউকে অন্যের চেয়ে প্রাধান্য দিলে সবচেয়ে খারাপ ভুলটা করবেন। যদি কোনো কারণে করতে হয়, তা হলে সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন অন্যদের থেকে তা গোপন রাখতো। না হলে এর কারণে অন্যরা তাকে ঘৃণা করবে।
দাসদাসী (কাজের লোকেরা) সত্যি বলতে তাদের মনিব মালিক। খানাপিনার দায়িত্ব তারাই দেখে। এজন্য তাদের সাথে আপনাকে সদয় হতে হবে যাতে তাদের হাতে আপনি মারা না পড়েন [খাবার বা পানিতে বিষ মেশানোর ফলে]। বিষুর জামহুর বলেছেন, আমরা আমাদের লোকদের রাজা। আর আমাদের রাজা আমাদের কাজের লোকেরা। তাদের ব্যাপারে পুরোপুরি সতর্ক হওয়া সম্ভব না। এজন্য ওদের সঙ্গে জ্ঞানবুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করি।
একজন রাজাকে ওদের সাথে মর্যাদা রেখে চলতে হবে। কোমল আচরণ করতে হবে। যারা তার খানাপিনার দায়িত্বে তাদের সাথে আরও বেশি কোমল হতে হবে।
আপনার কাজের লোক দাসদাসী যদি চতুর হয়, তাহলে আপনার কাছ থেকে কোনো কিছু লুকিয়ে ধোঁকা দিতে পারে। আবার বোকা-সোকা হলে তাদের থেকে কোনো উপকারই পাবেন না। কারণ, তারা বুঝবেই না আপনি কী চান। সেজন্য তা পূরণও করতে পারবে না।
সঠিক উপায় হচ্ছে বোকা-সোকা লোক ঘরের ভেতর রাখবেন। আর চালাকচতুর লোককে বাইরের কাজে রাখবেন। তাহলে আপনার সব ধরনের চাহিদা নিরাপদে পূরণ হবে।
সতর্ক থাকা
তরুণ বয়সী কাজের ছেলেকে ঘরের ভেতরের কাজে রাখলে খুব ভুল করবেন। বিশেষ করে দেখতে-শুনতে যদি ভালো হয় তাহলে তো বিপদ আরও বেশি। ঘরে মেয়েরা থাকলে তারা এই ছেলের প্রতি দুর্বল না হলেও সে তাদের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। আবার সাবালক ছেলেকে দাসীদের মাঝে ছেড়ে দিলে অন্য বিপদ। শারীরিক চাহিদার তীব্রতা আর এ বয়সের উদ্বুদ্ধ মন অবৈধ শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর মতো ভয়াবহ হারামকেও ভুলিয়ে দেয়।
সঠিক ওষুধ প্রয়োগ করে এগুলোর প্রতিকার করতে হবে। খারাপ কোনো ঘটনা ঘটে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা যাবে না।
📄 মানুষের সাথে মেলামেশা
মানুষের প্রকৃতি যেমন বৈচিত্র্যময় তেমনি নানামুখী। সবার সাথে মিলেমিশে চলা কঠিন। বুদ্ধিমান মানুষের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে নিজেকে আলাদা রাখা। নিজেকে নিজের হাওয়ায় রাখা। এতেই স্বস্তি, প্রশান্তি।
তবে চলতে ফিরতে মানুষজনের সাথে যেহেতু মিশতে হয়, সেক্ষেত্রে সদয়ভাবে সেটা করতে হবে। কোমল আচরণ করতে হবে। নিজের অধিকার ভুলে তাদের অধিকার ঠিক রাখতে হবে। নির্বোধ লোককদের সাথে ধৈর্য ধরতে হবে। অন্যায়কারীদের ক্ষমা করতে হবে। অহংকারী লোককদেরকে মজলিসের ভালো আসনে জায়গা করে দিতে হবে। তাদের ভালোবাসা পাওয়ার সেরা উপায় ক্ষমা আর দান। তাছাড়া তাদেরকে চালানো দুষ্কর। অনুচরের মাধ্যমে আপনি তাদেরকে অধীনে রাখতে পারবেনা। হাদিসে উল্লেখ আছে, “লোকদের সাথে সুবুয়েসুরে চলা এক প্রকারের দান।”
সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা
'আলিমকে অনেক সময়ে একদম সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে হয়। তাদের সাথে উঠাবসা করার বেলায় খুব সতর্ক থাকতে হবে। তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য 'আলিমদের মতো না। কেউ কোনো একটা নিয়ে খুশি তো অন্যজন সেটা নিয়েই অসুখি। আবার কাউকে কাউকে শুদ্ধের দিলে সে রেগে যায়। তারা সবিকটাকে ভুল মনে করে। নিজে জানে না, তারপরও 'আলিমরা যা বলে তা তারা তা মেনে নেয় না।
আপনি 'আলিম হলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যতটা সম্ভব ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলবেন। খুব বেশি মেলামেশা অসম্মান নিয়ে আসবে। তাদের চোখে আপনি ছোট্ট হয়ে যাবেন। আপনার জ্ঞানের অবমূল্যায়ন করবে তারা।
পাপী লোকেরা 'আলিমকে হাসতে দেখে বা তার বিষয়াদির কথা শুনলে তার ব্যাপারে খারাপ ধারণা নেয় [তারা ভাবে এই লোকও দুনিয়াবি সুখ খুঁজছে, পরকালীন না]। এজন্য এদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন। বনি ইসরাঈলের সময়ে এসব সাধারণ মানুষরাই ছিল নবিদের হত্যাকারী।
সামাজিক যোগাযোগের খাতিরে কথাবার্তা বলতে গেলে খুব বেশি কথা বলবেন না। এমনভাবে কথা বলতে যাবেন না, যাতে তারা ক্ষমতা নিতে পারে। বা তাদের সাথে যেসব বিষয়ে কথা বলা আপনার জন্য শোভন না সেসব বিষয়ে কথা বলবে না। এভাবে চললে তাদের থেকে নিরাপদে থাকতে পারবেন।
📄 নিখাদ চরিত্র
সুঠীন চরিত্রের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে: ছোট বয়স থেকেই সত্যের প্রতি অনুরাগ, সঠিক সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা, যুবক বয়সেই বিচক্ষণ মাথা। সুমহান আল্লাহ বলেছেন, “আমি অবশ্যই ইবরাহীমকে আগে দিকনির্দেশ দিয়েছিলাম” [আম্বিয়া, ২১:৫১]
নিখাদ চরিত্র অর্জন করতে হলে আপনার ভেতরে এমন কিছু থাকতে হবে যেটা বড় বড় স্বপ্নকে বাস্তব করতে পারবে। নীচু কাজ থেকে বিরত থাকতে পারবে। ছোট বয়সে খেলাধুলা করে এমন অনেক বাচ্চাকে দেখা যায় তারা অন্যান্য বাচ্চাদের নেতা হতে পছন্দ করে। সে যখন বড় হবে এ ধরনের ভালো বৈশিষ্ট্যগুলো এমনিতেই তার মাঝে মজ্জিত হয়ে যাবে। আল্লাহা করা শিখতে হবে না। লাজুক-স্বভাব হবে তার পোশাক, তাকে এজন্য বাধ্য করা লাগবে না। অন্য অনুশাসনেই তার মধ্যে প্রভাব পড়বে। ঠিক যেমন শানপাথর স্টিলে কাজে লাগে, লোহায় কোনো কাজ করে না।
সে যখন বুদ্ধিব বিবেচনার বয়সে পৌঁছাবে, আল্লাহর অস্তিত্বের প্রমাণ জানবে, কেন তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সেটা বুঝবে, কুর'আনের বাণী, তার শেষ গন্তব্য সবকিছুর মর্ম নিয়ে ভাববে, তখন সে পরকাল অর্জনের কোমর বেঁধে নামবে। জ্ঞান তার সামনে সবকিছুর বাস্তবতা মেলে ধরবে। সে বুঝবে যা তাকে আল্লাহর কাছে নিয়ে আসে সেটাই সবথেকে দামি। সেই দামি জিনিসটা হচ্ছে জ্ঞান আর সে অনুযায়ী কাজ। শরীরে যতটুকু কুঁজোয় তার সবটুকু নিংড়ে সে তা অর্জনের চেষ্টা করবে। নিয়াতকে তাজা করে ঝাঁপিয়ে পড়বে।
আপনি কখনো কখনো দেখবেন কেউ জ্ঞানের শুধু একটি অংশে নিজেকে আটকে রেখেছেন। এই যেমন কেউ সারাজীবন শুধু ব্যাকরণ পড়ছেন। কেউ হাদিস-শাস্ত্র।
কিন্তু এই লোকটি জানে সব ধরনের জ্ঞানই গুরুত্বপূর্ণ। সে জানে সব ধরনের জ্ঞান এই সীমিত আয়ুর জীবনে অর্জন করা অসম্ভব। সেজন্য যেখান থেকে যতটুকু তার উদ্দেশ্য পূরণে প্রয়োজন, সে তা কুঁড়িয়ে নেয়। তার জ্ঞান অনুযায়ী কাজ করে।
সময় থেকে মুনাফা বের করে নেয়। কারণ, সে শঙ্কায় থাকে কখন এ সময় ফুরিয়ে যায়। অনর্থকারি অনর্থক কাজে একটা ক্ষণও নষ্ট করে না সে। এমনকি খাওয়া-দাওয়া ঘুমে সময়টারও ফায়দা নেয়। কারণ, সময় খুব খুব কম। এক কবি বলেছেন,
দ্রুত তোমার লক্ষ্য হাসিল করো তোমার বয়স এক সফর ছাড়া আর কী! ঘোড়দৌড়ের ঘোড়ার মতো দৌড়াও, প্রথম হও ওগুলো তোমাকে ধার দেওয়া হয়েছে, একদিন ফেরত দিতে হবে। সময়ের প্রতিটা সেকেন্ড কল্যাণকর কাজ দিয়ে রাঙিয়ে নিতে সে সদাসংগ্রামে রত। সে তার খায়েশের বশে রাখে আচরণ ঠিক করার জন্য। সে শুধু উপকারী জ্ঞান শেখে।
তার মনটা ব্যক্ত থাকে খায়েশের মুখে লাগام পরাতে। তার শরীরের প্রতিটি কণা আল্লাহর প্রতি সমর্পিত। আল্লাহ যা দিয়েছেন তা নিয়ে সে খুশি। অন্যের কাছে হাত পাতে না। নিজের মর্যাদা ধরে রাখতে অন্যের কাছে ভিক্ষা করে না। এজন্য সে তাদের চেয়েও ভালো। সে আত্মনির্ভরশীল। সে নাসিহাহ-সদুপদেশ ছড়িয়ে দিয়ে অন্যের খারাপ স্বভাব দূর করে।
মানুষের সাথে ইনসাফ ও ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ করে সে। তার মর্যাদার কারণে সে নিজেকে আরও উঁচুতে তোলার সাধনায় মগ্ন। কেউ উপদেশ চাইলে সে সাদরে উপদেশ দেয়। নিজেকে সংশোধন-সাধনার কারণে সে বাকিদের চেয়ে আলাদা। অন্যভাবেও জানার জন্ম তার [ভালো কাজের] মালপত্র গুছিয়ে সে প্রস্তুত। প্রতিটি সেকেন্ডের সদব্যবহার করে সে। রসদের জোগান রেখে নিজেকে শক্তিশালী করে। সে জানে এই সফর অনেক লম্বা। সে তার জ্ঞান পরিবর্ধন সংগ্রামে রত। যাতে মৃত্যুর পর তার পদচিহ্ন রয়ে যায়।
সে দুনিয়ামুখি। সারাদিন চলা জন্মটা খুব না হলেওই না, শুধু যতটুকু দিয়েই পেট ভরে সে। অনুমোদিত বৈধ কিছু থেকে যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি নেয়, তা হলে সেটা শুধু তার ঔটের শক্তি বাড়ানোর জন্ম। যাতে সেটা তাকে বহন করে নিতে দুর্বল না হয়।
সে তার প্রভু অনুগ্রহ থাকেও একসময় প্রতিটি নিঃশ্বাসে তাকে ভালোবাসতে শুরু করে। তাঁর তার থ্রেল অনুগ্রহ হয় তখন। আল্লাহর ভাবনা এত ভালো লাগে, লোকজনদের সাথে থাকলে দেহ তাদের সাথে থাকলেও মন পড়ে থাকে আল্লাহর কাছে।
এসৰ মানুষেরা পৃথিবীতে আল্লাহর সব থেকে প্রিয় মানুষ। অনুসারিরা তাদের সুবাস তাদের কথামালা বুক ভরে টেনে নেয়। কবরে দাফনের পরেও তাদের সতবাদিতার সৌরভ ছড়াতে থাকে। তাদের কবরে আছে সম্মান। সেটা বলে দেয় তাদের প্রত্যেকের মর্যাদা।
তাদের কাজগুলো শুনলে অনুসারীদের মধ্যে বৈশ্বত্বি বাড়ে। বিচারাদিনে ধার্মিকেরা হবে মহাবিশ্বের নক্ষত্র। তারা হবেন যে সূর্য বা চাঁদের মতো।
আল্লাহ আমাদেরকে তাদের অনুকরণের সামর্থ্য দিন। তাদের মতো মর্যাদা দিন। তাদের নৈতিকতার চাদরে আমাদের অলস্কৃত করুন। তিনি সব সব শোনেন।
তিনি তার দাসদের সবচ কাছে।
আল্লাহর শান্তি ও আশিস বর্ষিত হোক শেষ নবি মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার ও সাহাবিদের ওপর।