📄 কা’বা ধৌতকরণ
আল্লাহ কোরআনে বলেছেন:
وَطَهِّرْ بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ -
'আমার ঘরকে তওয়াফকারী, এতেকাফকারী এবং রুকু-সাজদাকারী নামাজীদের জন্য পবিত্র কর।'
এ নির্দেশের ভিত্তিতে প্রত্যেক বছর কাবা শরীফ ধোয়ার পদ্ধতি চালু আছে। আল্লাহর এই পবিত্র ঘরকে অধিকতর পবিত্র করার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর এই ঘরের ভেতরাংশ ধোয়া হয়। বাইরের দেয়ালে গেলাফ থাকার কারণে তা ধোয়া হয় না।
মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সা) যমযমের পানি দিয়ে কাবা শরীফের ভেতর পরিষ্কার করেন। আবু বকর বিন আল মোনজের হযরত উসামা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সা) কাবার ভেতর কিছু ছবি দেখতে পান। আমি বালতিতে করে পানি এনে দিতাম, আর রাসূলুল্লাহ (সা) সেই সকল ছবির উপর পানি মেরে তা পরিষ্কার করেন।
বর্তমানে, বছরে দু'বার কাবা ধোয়া হয়। রমযান আসার পূর্বে একবার এবং হজ্জের আগে আরেকবার কাবার ভেতর ধোয়া হয়। যমযমের পানি দিয়ে কাবা ধোয়া হয়। এই পানির সাথে সুঘ্রাণযুক্ত আতর ঢালা হয় এবং কাপড়ের ন্যাকড়া দিয়ে ভেতরের দেয়াল ও ভিটি মোছা হয়।
সৌদী সরকারের একজন প্রতিনিধি, বিশেষ করে মক্কার গভর্নর এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি থাকেন। সৌদী আরবে নিযুক্ত মুসলিম বিশ্বের কূটনীতিবিদসহ প্রখ্যাত উলামা ও ব্যক্তিবর্গকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সবাই কাবা ধোয়ার কাজে অংশ নেয় এবং অনেকেই এই সুযোগে ভেতরে নামায পড়ে। পরে, অনেকেই সুঘ্রাণযুক্ত কাপড়ের ন্যাকড়া সাথে করে বাইরে নিয়ে আসে।