📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর ঈর্ষা বা আত্মমর্যাদা

📄 মহান আল্লাহর ঈর্ষা বা আত্মমর্যাদা


মহান আল্লাহর ঈর্ষা আছে। সে ঈর্ষা কোন সৃষ্টির মত নয়। তার কোন উপমা নেই, উদাহরণ নেই। মহানবী ﷺ বলেন, হে মুহাম্মাদের উম্মত! আল্লাহ অপেক্ষা বেশি ঈর্ষাবান কেউ নেই যে, তার ক্রীতদাস অথবা দাসী ব্যভিচার করবে। হে মুহাম্মাদের উম্মত! আল্লাহর কসম! আমি যা জানি যদি তোমরা তা জানতে, তাহলে অল্প হাসতে এবং বেশি কাঁদতে।

একদা সা'দ বিন উবাদাহ বললেন, 'যদি কোন ব্যক্তিকে আমার স্ত্রীর সাথে দেখি, তাহলে তরবারির ধারালো দিকটা দিয়ে তাকে আঘাত করব।' এ কথা নবী ﷺ-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেন, "তোমরা কি সা'দের ঈর্ষায় আশ্চর্যান্বিত হও? নিশ্চয় আমি ওর থেকে বেশি ঈর্ষান্বিত এবং আল্লাহর আমার চেয়েও বেশি ঈর্ষান্বিত।"

📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর ধারণ করা

📄 মহান আল্লাহর ধারণ করা


মহান আল্লাহ ধরেন, ধারণ করেন, গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে (ধরে) স্থির রাখেন, যাতে ওরা কক্ষচ্যুত না হয়। ভূপৃষ্ঠে যত বিচরণকারী জীব রয়েছে, তাদের প্রত্যেকেরই চুলের ঝুঁটি তিনি ধারণ ক'রে আছেন (সবাই তাঁর করায়ত্তে)।

তিনি হাতে গ্রহণ করেন। "সে ব্যক্তির ঐ দানকে আল্লাহ ডান হাতে গ্রহণ করেন। পরিশেষে তা রহমানের করতলে বৃদ্ধিলাভ ক'রে পাহাড় থেকেও বড় হয়ে যায়।" এ ধারণ ও গ্রহণ নিশ্চয় মানুষের মত নয়। তাঁর জন্য যেভাবে শোভনীয় সেইভাবে ধারণ ও গ্রহণ করেন। তা মানুষের কল্পনার বাইরে।

📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর ঘর

📄 মহান আল্লাহর ঘর


মহান আল্লাহ থাকেন আরশের উপরে। তাঁর পর্দা হল নূর বা জ্যোতি। কিয়ামতে শাফাআতের হাদীসে মহানবী ﷺ বলেন, "লোকেরা আমার কাছে আসবে। তখন আমি আমার প্রতিপালকের নিকট তাঁর ঘর প্রবেশের অনুমতি চাইব। আমাকে তাঁর নিকট যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলে আমি তাঁকে দেখামাত্র সিজদায় পতিত হব..."

তাঁর 'ঘর' বলতে তাঁর জন্য যেমন শোভনীয় তেমন ঘর। হয়তো বা তা নূরের ঘর। অনেকে বলেছেন, তাঁর ঘর হল জান্নাত অথবা আরশের নিচে মাক্কামে মাহমুদ। যেমন কা'বাগৃহ তথা সকল মসজিদকে আল্লাহর ঘর বলা হয়। সে যাই হোক, তাঁর ঘর বলেই আমরা বিশ্বাস রাখব। আর তার কেমনত্ব নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলব না। এটাই হল গভীর ঈমানের দাবী।

📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর লুঙ্গী ও চাদর

📄 মহান আল্লাহর লুঙ্গী ও চাদর


রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "আল্লাহ তাআলা বলেন, 'সম্মান আমার লুঙ্গি এবং গর্ব আমার চাদর। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার কাছ থেকে এর মধ্য থেকে যে কোন একটি টেনে নিতে চাইবে আমি তাকে শাস্তি দেব।”

তাঁর লুঙ্গি ও চাদরের ব্যাপারে আমাদেরকে সেইভাবেই ঈমান রাখতে হবে, যেভাবে মহানবী ﷺ-এর মুখে এসেছে। তা কেমন, কিরূপ ইত্যাদি প্রশ্ন আমাদের মনে উঁকি দেওয়া উচিত নয়। অবশ্য এ কথা নিশ্চিতভাবে জানতে হবে যে, সে লুঙ্গি ও চাদর নিশ্চয় মানুষের তৈরি নয়। মহান আল্লাহ যেমন আমাদের নিকট অদৃশ্য, তেমনি তাঁর গুণাবলীও অদৃশ্য। তা কিসের ও কেমন কে বলতে পারে?

ফন্ট সাইজ
15px
17px