📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর রাগ ও ক্রোধ

📄 মহান আল্লাহর রাগ ও ক্রোধ


অসন্তোষ, রাগ, রোষ বা ক্রোধ মহান আল্লাহর একটি কর্মগত গুণ। যার ফলে তিনি ক্রোধভাজন ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন এবং তার নিকট থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন বিশ্বাসীকে হত্যা করবে, তার শাস্তি জাহান্নাম। সেখানে সে চিরকাল থাকবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে অভিসম্পাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত ক'রে রাখবেন।

হে বিশ্বাসিগণ! আল্লাহ যে সম্প্রদায়ের প্রতি ক্রোধান্বিত, তোমরা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো না। তিনি আরো বলেন, এটা এ জন্য যে, যা আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে, তারা তার অনুসরণ করে এবং তাঁর সন্তুষ্টিকে অপছন্দ করে। তাদের অনেককে তুমি অবিশ্বাসীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবে। তাদের কৃতকর্ম কত নিকৃষ্ট, যে কারণে আল্লাহ তাদের উপর রাগান্বিত হয়েছেন! যখন ওরা আমাকে ক্রোধান্বিত করল, আমি ওদের নিকট থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম এবং ওদের সকলকে ডুবিয়ে মারলাম।

📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর কষ্ট পাওয়া

📄 মহান আল্লাহর কষ্ট পাওয়া


মহান আল্লাহ কষ্ট পান। হতভাগা আদম-সন্তান তাঁকে কষ্ট দেয়। হাদীসে কুদসীতে তিনি নিজে বলেছেন, "আদম-সন্তান আমাকে কষ্ট দেয়; বলে, 'হায়রে দুর্ভাগা যুগ!' সুতরাং তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই না বলে, 'হায়রে দুর্ভাগা যুগ!' কারণ, আমিই তো যুগ। তার রাত ও দিনকে আমিই আবর্তন ক'রে থাকি।"

অন্য এক বর্ণনায় আছে, (আল্লাহ বলেন,) "আদম-সন্তান আমাকে কষ্ট দিয়ে থাকে; সে কাল-কে গালি দেয়। অথচ আমিই তো কাল। আমিই দিবা-রাত্রিকে আবর্তন ক'রে থাকি।” সুতরাং তা কিভাবে সম্ভব, সে প্রশ্ন আমাদের মনে আসা উচিত নয়।

📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর অপছন্দনীয়তা

📄 মহান আল্লাহর অপছন্দনীয়তা


যে কাজের জন্য ঘৃণার উদ্রেক হয়, মহান আল্লাহ সেই কাজকে ঘৃণা ও অপছন্দ করেন। তিনি বলেন, যদি তারা ( wars) বের হওয়ার ইচ্ছা করত, তাহলে এর কিছু সরঞ্জাম তো প্রস্তুত করত, কিন্তু আল্লাহ তাদের যাত্রাকে অপছন্দ করেছেন, এ জন্য তাদেরকে বিরত রাখলেন।

তিনিই পৃথিবীতে তোমাদেরকে প্রতিনিধি করেছেন। সুতরাং কেউ অবিশ্বাস করলে তার অবিশ্বাসের জন্য সে নিজেই দায়ী হবে। অবিশ্বাসীদের অবিশ্বাস কেবল ওদের প্রতিপালকের ঘৃণা (বা ক্রোধ)ই বৃদ্ধি করে। তোমরা যা কর না, তোমাদের তা বলা আল্লাহর নিকট অতিশয় ঘৃণিত।

📘 মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলী 📄 মহান আল্লাহর খুশী

📄 মহান আল্লাহর খুশী


খুশীর কাজ দেখে মহান আল্লাহ খুশী হন। মহানবী ﷺ বলেন, “নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার তওবায় যখন সে তওবা করে তোমাদের সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশী খুশী হন, যে তার বাহনের উপর চড়ে কোন মরুভূমি অতিক্রমকালে বাহনটি তার নিকট থেকে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে তা ফিরে পেলে খুশীর চোটে ভুল বকে বলে ওঠে, 'হে আল্লাহ! তুমি আমার দাস, আর আমি তোমার প্রভু!'” তাঁর খুশী কোন সৃষ্টির খুশীর মত নয়। সুতরাং তা তাঁর জন্য কোন ত্রুটিও নয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px