📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 বিস্ময়কর হাট-বাজার : যেখানে গেলে কালো মানুষও সুন্দর হয়ে যাবে

📄 বিস্ময়কর হাট-বাজার : যেখানে গেলে কালো মানুষও সুন্দর হয়ে যাবে


عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ لَقِيَ أَبَا هُرَيْرَةَ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَسْأَلُ اللَّهَ أَنْ يَجْمَعَ بَيْنِي وَبَيْنَكَ فِي سُوقِ الْجَنَّةِ قَالَ سَعِيدٌ أَوَفِيهَا سُوقٌ قَالَ نَعَمْ أَخْبَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ أَهْلَ الْجَنَّةِ إِذَا دَخَلُوهَا نَزَلُوا فِيهَا بِفَضْلِ أَعْمَالِهِمْ فَيُؤْذَنُ لَهُمْ فِي مِقْدَارِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ مِنْ أَيَّامِ الدُّنْيَا فَيَزُورُونَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَيُبْرِزُ لَهُمْ عَرْشَهُ وَيَتَبَدَّى لَهُمْ فِي رَوْضَةٍ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ فَتُوضَعُ لَهُمْ مَنَابِرُ مِنْ نُورٍ وَمَنَابِرُ مِنْ لُؤْلُةٍ وَمَنَابِرُ مِنْ يَاقُوتٍ وَمَنَابِرُ مِنْ زَبَرْجَدٍ وَمَنَابِرُ مِنْ ذَهَبٍ وَمَنَابِرُ مِنْ فِضَّةٍ وَيَجْلِسُ أَدْنَاهُمْ وَمَا فِيهِمْ دَنِيءٌ عَلَى كُثْبَانِ الْمِسْكِ وَالْكَافُورِ مَا يُرَوْنَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَرَاسِي بِأَفْضَلَ مِنْهُمْ مَجْلِسًا قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ, قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ, هَلْ نَرَى رَبَّنَا قَالَ نَعَمْ هَلْ تَتَمَارَوْنَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ قُلْنَا لاَ, قَالَ, كَذلِكَ لا تَتَمَارَوْنَ فِي رُؤْيَةِ رَبِّكُمْ عَزَّ وَجَلَّ وَلَا يَبْقَى فِي ذلِكَ الْمَجْلِسِ أَحَدٌ إِلَّا حَاضَرَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ مُحَاضَرَةً حَتَّى إِنَّهُ يَقُولُ لِلرَّجُلِ مِنْكُمْ أَلا تَذْكُرُ يَا فُلانُ يَوْمَ عَمِلْتَ كَذَا وَكَذَا يُذَكِّرُهُ بَعْضَ غَدَرَاتِهِ فِي الدُّنْيَا فَيَقُولُ يَا رَبِّ أَفَلَمْ تَغْفِرُ لِي فَيَقُولُ بَلَى فَبِسَعَةِ مَغْفِرَتِي بَلَغْتَ مَنْزِلَتَكَ هَذِهِ فَبَيْنَمَا هُمْ كَذلِكَ غَشِيَتْهُمْ سَحَابَةٌ مِنْ فَوْقِهِمْ فَأَمْطَرَتْ عَلَيْهِمْ طِيبًا لَمْ يَجِدُوا مِثْلَ رِيحِهِ شَيْئًا قَط ثُمَّ يَقُولُ قُومُوا إِلَى مَا أَعْدَدْتُ لَكُمْ مِنَ الْكَرَامَةِ فَخُذُوا مَا اشْتَهَيْتُمْ, قَالَ فَنَأْتِي سُوقًا قَدْ حُقَّتْ بِهِ الْمَلائِكَةُ فِيهِ مَا لَمْ تَنْظُرِ الْعُيُونُ إِلَى مِثْلِهِ وَلَمْ تَسْمَعِ الْآذَانُ وَلَمْ يَخْطُرُ عَلَى الْقُلُوبِ, قَالَ فَيُحْمَلُ لَنَا مَا اشْتَهَيْنَا لَيْسَ يُبَاعُ فِيهِ شَيْءٌ وَلَا يُشْتَرَى وَفِي ذَلِكَ السُّوقِ يَلْقَى أَهْلُ الْجَنَّةِ بَعْضُهُمْ بَعْضًا فَيُقْبِلُ الرَّجُلُ ذُو الْمَنْزِلَةِ الْمُرْتَفِعَةِ فَيَلْقَى مَنْ هُوَ دُونَهُ وَمَا فِيهِمْ دَنِيءٌ فَيَرُوعُهُ مَا يَرَى عَلَيْهِ مِنَ الرِّبَاسِ فَمَا يَنْقَضِي آخِرُ حَدِيثِهِ حَتَّى يَتَمَثَّلَ لَهُ عَلَيْهِ أَحْسَنُ مِنْهُ وَذَلِكَ أَنَّهُ لا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يَحْزَنَ فِيهَا, قَالَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ إِلَى مَنَازِلِنَا فَيَتَلَقَّانَا أَزْوَاجُنَا فَيَقُلْنَّ مَرْحَبًا وَأَهْلاً لَقَدْ جِئْتَ وَإِنَّ بِكَ مِنَ الْجَمَالِ وَالطَّيبِ أَفْضَلَ مِمَّا فَارَقْتَنَا عَلَيْهِ فَنَقُولُ إِنَّا جَالَسْنَا الْيَوْمَ رَبَّنَا الْجَبَّارَ عَزَّ وَجَلَّ وَيَحِقْنَا أَنْ تَنْقَلِبَ بِمِثْلِ مَا انْقَلَبْنَا

অর্থ: সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যাব রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি আবু হুরায়রা রাযি. এর সাথে সাক্ষাত করলেন। তখন আবু হুরায়রা রাযি. বললেন, আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন আমাকে ও তোমাকে জান্নাতের বাজারে একত্র করেন। সাঈদ রহ. বললেন, জান্নাতে কি বাজারও আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে অবহিত করেছেন যে, জান্নাতীরা যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন নিজ নিজ নেক আমল অনুসারে সেখানে মর্যাদা লাভ করবে। তারপর দুনিয়ার সময় অনুসারে এক জুমুআর দিনে তাদেরকে (তাদের প্রভুকে দেখার) অনুমতি দেয়া হবে এবং তারা তাদের মহামহিম আল্লাহর দর্শন লাভ করবে। তাদের জন্য তাঁর আরশ উন্মুক্ত হবে। জান্নাতের কোনো এক উদ্যানে তাদের সামনে তাদের প্রভুর (তাজাল্লীর) প্রকাশ ঘটবে। তাদের জন্য নূর, মণি-মুক্তা, পদ্মরাগমণি, যমরূদ ও সোনা-রূপা ইত্যাদির আসন স্থাপন করা হবে। তাদের মধ্যকার সবচেয়ে নিম্নস্তরের জান্নাতীও কস্তুরী ও কপূরের স্তূপের উপর আসন গ্রহণ করবে। তবে সেখানে কেউ হীন বা নীচ হবে না। মিম্বারে আসীন ব্যক্তিগণকে তারা তাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বা উৎকৃষ্ট ভাববে না।
আবু হুরায়রা রাযি. বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কি আমাদের প্রভুকে দেখতে পাবো? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সূর্য বা পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে তোমাদের কি কোনো সন্দেহ হয়? আমরা বললাম, 'না'। তিনি বললেন, তদ্রূপ তোমরাও তোমাদের মহান প্রভুর দর্শন লাভে কোনো সন্দেহ থাকবে না। সেই মজলিসে উপস্থিত এমন কোন লোক থাকবে না, যার সামনে মহান আল্লাহ প্রকাশিত হবেন না। এমনকি তিনি একে একে তাদের নাম ধরে ডেকে বলবেন, হে অমুকের পুত্র অমুক! তুমি অমুক দিন এরূপ এরূপ আমল করেছ, তা তোমার স্মরণ আছে কি? এভাবে তিনি তাকে দুনিয়ার কতক নাফরমানী ও বিদ্রোহের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন। সে তখন বলবে, হে আমার প্রভু! আপনি কি আমাকে ক্ষমা করেননি? এ অবস্থায় হঠাৎ তাদের উপর একখন্ড মেঘ এসে তাদেরকে ছেয়ে ফেলবে এবং তা থেকে তাদের উপর সুঘ্রাণ (নূরের বৃষ্টি) বর্ষিত হবে, যেরূপ সুঘ্রাণ তারা ইতোপূর্বে কখনো কিছুতে পায়নি। অতঃপর তিনি বলবেন, ওঠো! আমি তোমাদের সম্মানে মেহমানদারীর আয়োজন করেছি, সেদিকে অগ্রসর হও এবং যা কিছু পছন্দ হয় গ্রহণ করো।
তখন আমরা একটি বাজারে এসে উপস্থিত হবো, যা ফেরেশতাগণ পরিবেষ্টন করে রাখবেন। সেখানে এমন সব পণ্যসামগ্রী থাকবে, যা না কোন চক্ষু দেখেছে, না কোনো কান শ্রবণ করেছে এবং না কখনো কোনো অন্তর কল্পনা করেছে। আমরা সেখানে যা চাইবো, তাই তুলে দেয়া হবে। তবে ক্রয়-বিক্রয় হবে না। সেই বাজারে জান্নাতীগণ পরস্পরের সাথে সাক্ষাত করবে। উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন জান্নাতী সামনে অগ্রসর হয়ে তার চেয়ে অল্প মর্যাদাসম্পন্ন জান্নাতীর সাথে সাক্ষাত করবে। তবে সেখানে তাদের মধ্যে উঁচু-নীচু বোধ থাকবে না। তিনি তার পোশাক দেখে পেরেশান হয়ে যাবেন। এ কথা শেষ হতে না হতেই তিনি মনে করতে থাকবেন যে, তার পরনেও পূর্বাপেক্ষা উত্তম পোশাক শোভা পাচ্ছে। আর এরূপ এজন্যই হবে যে, সেখানে কাউকে দুঃখ- কষ্ট বা দুশ্চিন্তা স্পর্শ করবে না। অতঃপর আমরা নিজেদের জায়গায় ফিরে আসবো এবং স্ব স্ব স্ত্রীর সাক্ষাত পাবো। তারা বলবে, মারহাবা, আহলান। কী ব্যাপার! যেরূপ আকর্ষণীয় রূপ-সৌন্দর্য নিয়ে এখান থেকে গিয়েছিলে, তার চেয়ে উত্তম সৌন্দর্য নিয়ে ফিরে এসেছো। আমরা বলবো, আজ আমরা আমাদের মহাপ্রতাপশালী মহান প্রভুর সাথে মজলিসে বসেছিলাম। তাই আমাদের এই পরিবর্তন ঘটেছে এবং এরূপ ঘটাই ছিলো স্বাভাবিক। (বুখারী- ৮০৬, মুসলিম-১২৭, ১২৮, আবু দাউদ-১২৯, ১৩৫, তিরমিযী-২৪৩৪, ২৫৪৯, ৩১৪৮, নাসাঈ- ১১৪০, ইবনে মাজাহ-৪৩৩৬, দারিমী-২৮০১, ২৮১৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 মহিলা সাহাবীর বিস্ময়কর ধৈর্য

📄 মহিলা সাহাবীর বিস্ময়কর ধৈর্য


সন্তান মারা যাওয়ার পর স্বামীকে সান্ত্বনা দিলেন ফলে একটির পরিবর্তে ৯টি হাফেজে কুরআন সন্তান পেলেন

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : اشْتَكَى ابْنُ لِأَبِي طَلْحَةَ، قَالَ: فَمَاتَ وَابُو طَلْحَةَ خَارِجٌ ، فَلَمَّا رَأَتِ امْرَأَتُهُ أَنَّهُ قَدْ مَاتَ هَيَّأْتُ شَيْئًا، وَنَحَتْهُ فِي جَانِبِ البَيْتِ، فَلَمَّا جَاءَ أَبُو طَلْحَةَ قَالَ : كَيْفَ الغُلامُ ، قَالَتْ : قَدْ هَدَأَتْ نَفْسُهُ، وَارْجُو أَنْ يَكُونَ قَدِ اسْتَرَاحَ، وَظَنَّ أَبُو طَلْحَةَ أَنَّهَا صَادِقَةٌ، قَالَ: فَبَاتَ، فَلَمَّا أَصْبَحَ اغْتَسَلَ. فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ أَعْلَمَتْهُ أَنَّهُ قَدْ مَاتَ ، فَصَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ أَخْبَرَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَا كَانَ مِنْهُمَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يُبَارِكَ لَكُمَا فِي لَيْلَتِكُمَا قَالَ سُفْيَانُ: فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ: فَرَأَيْتُ لَهُمَا تِسْعَةَ أَوْلَادٍ كُلُّهُمْ قَدْ قَرَأُ القُرْآنَ

অর্থ: হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আবু তালহা রাযি.-এর একটি পুত্র সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়লো। রাবী বলেন, অতঃপর সে এমন সময় ইন্তিকাল করলো, যখন আবু তালহা রাযি. বাড়ির বাইরে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী যখন দেখলেন যে, ছেলেটি ইন্তিকাল করেছে, তখন তিনি কিছু প্রস্তুতি নিলেন এবং ঘরের এক কোণে ছেলেটিকে (ঢেকে) রেখে দিলেন। আবু তালহা রাযি. (রাতে বাড়িতে এসে) ছেলের অবস্থা জানতে চাইলেন। স্ত্রী বললেন, তার আত্মা শান্ত হয়েছে এবং আশা করি সে এখন শান্তিতে আছে। আবু তালহা রাযি. মনে মনে ভাবলেন, তাঁর স্ত্রী সত্যিই বলছেন। রাবী বলেন, এরপর তিনি রাত যাপন (স্ত্রী মিলন) করলেন এবং সকালে গোসল করলেন। অতঃপর (ভোরে) তিনি বাইরে যেতে ইচ্ছে করলে স্ত্রী তাঁকে জানালেন যে, ছেলেটি ইন্তিকাল করেছে। এরপর তিনি (আবু তালহা রাযি. মসজিদে চলে গেলেন এবং) নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (ফজরের) নামাজ আদায় করে রাতের বিস্তারিত ঘটনা জানালেন। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন: আশা করা যায় আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে এ রাতে বরকত দান করবেন। সুফিয়ান রহ. বলেন, এক আনসারী ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে, আমি আবু তালহা দম্পতির ৯টি সন্তান দেখেছি, তাদের প্রত্যেকেই কুরআন সম্পর্কে দক্ষ (কুরআনের হাফেজ) ছিলেন। (বুখারী-১৩০১, ১৫০২, ৫৪৭০, ৫৫৪২, ইফা.-১২২৩, মুসলিম-২১৪৪, আবু দাউদ-২৫৬৩, ৪৯৫১, আহমাদ-১১৬১৭, ১২৩৩৯, ১২৩৮৪, ১২৪৫৪, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 বিরে মাউনায় ৭০জন সাহাবীকে যেভাবে শহীদ করা হলো

📄 বিরে মাউনায় ৭০জন সাহাবীকে যেভাবে শহীদ করা হলো


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَاهُ رِعْلٌ، وَذَكْوَانُ وَعُصَيَّةٌ، وَبَنُو لَحْيَانَ، فَزَعَمُوا أَنَّهُمْ قَدْ أَسْلَمُوا، وَاسْتَمَدُّوهُ عَلَى قَوْمِهِمْ فَأَمَدَّهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَبْعِينَ مِنَ الأَنْصَارِ، قَالَ أَنَسٌ : كُنَّا نُسَمِّيْهِمُ القُرَّاءَ يَحْطِبُونَ بِالنَّهَارِ وَيُصَلُّونَ بِاللَّيْلِ ، فَانْطَلَقُوا بِهِمْ ، حَتَّى بَلَغُوا بِئْرَ مَعُونَةً ، غَدَرُوا بِهِمْ وَقَتَلُوهُمْ ، فَقَنَتَ شَهْرًا يَدْعُو عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ، وَبَنِي لَحْيَانَ، قَالَ قَتَادَةُ: وَحَدَّثَنَا أَنَسٌ : أَنَّهُمْ قَرَءُوا بِهِمْ قُرْآنَا : أَلا بَلِّغُوا عَنَّا قَوْمَنَا بِأَنَّا قَدْ لَقِينَا رَبَّنَا. فَرَضِيَ عَنَّا وَأَرْضَانَا، ثُمَّ رُفِعَ ذَلِكَ بَعْدُ

অর্থ: আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট 'রিল, যাকওয়ান, উসাইয়া ও বনূ লাহইয়ান গোত্রের কিছু লোক এসে বললো, আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছি। এরপর তারা তাঁর নিকট তাদের কওমের মোকাবেলায় সাহায্য প্রার্থনা করলো। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৭০জন আনসার সাহাবীকে পাঠিয়ে তাদের সাহায্য করলেন। আনাস রাযি. বলেন, আমরা তাদের ক্বারী নামে আখ্যায়িত করতাম। তারা দিনের বেলা লাকড়ী সংগ্রহ করতেন আর রাতে সালাতে মগ্ন থাকতেন। তারা তাঁদের নিয়ে রওয়ানা হয়ে গেল। যখন তাঁরা 'বীরে মাউনা' নামক স্থানে পৌঁছালো, তখন তারা আনসার সাহাবীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলো এবং তাঁদেরকে হত্যা করলো। এ সংবাদ শোনার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রিল, যাকওয়ান ও বনূ লাহইয়ান গোত্রের বিরুদ্ধে একমাস পর্যন্ত কুনূতে নাযেলার মাধ্যমে বদ-দুআ করেছিলেন। কাতাদা রহ. বলেন, আনাস রাযি. আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তারা তাঁদের সম্পর্কে কিছুকাল যাবৎ কুরআনের এ আয়াতটি পড়তে থাকেন: আমাদের সংবাদ আমাদের কওমের নিকট পৌঁছে দাও যে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের সাক্ষাত পেয়েছি। তিনি আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং আমাদেরকে সন্তুষ্ট করেছেন। এরপর এ আয়াত পাঠ করা বন্ধ করে দেয়া হয় অর্থাৎ আয়াতটি মানসুখ হয়ে যায়। (বুখারী-৩০৬৪, ২৮০১, ২৮১৪, ৩১৭০, ৪০৮৮, ৪০৮৯, ৪০৯০, ৪০৯১, ৪০৯২, ৪০৯৩, ৪০৯৪, ৪০৯৫, ৪০৯৬, ৬৩৯৪, ইফা.-২৮৪৮, মুসলিম-৬৭৭, নাসাঈ-১০৭০, ১০৭১, ১০৭৭, আবু দাউদ-১৪৪৪, ইবনে মাজাহ-১১৮৩, ১১৮৪, আহমাদ-১১৪৭, ১১৭৪২, ১২২৪৪, ১২২৯৪, ১২৪৩৮, ১২৫০০, ১৩০৫০, ১৩৬৬০, দারিমী-১৫৯৬, ১৫৯৯, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

নোট: আলোচ্য পরিচ্ছেদ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো- প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ, ইত্যাদির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সৈন্যবাহিনী (রিজার্ভ ফোর্স) পাঠিয়ে সাহায্য করা জায়েয। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীসে বর্ণিত চারটি গোত্রের লোকদেরকে দ্বীনী শিক্ষা এবং কওমের অমুসলিমদের বিরুদ্ধে সাহায্যের জন্য সত্তর জন হাফেজে কুরআন সাহাবীকে প্রেরণ করেছিলেন। তারা যখন 'বীরে মাউনা' নামক স্থানে পৌঁছালেন তখন ঐসব মুনাফিক বিশ্বাসঘাতকতা করে সাহাবীদেরকে শহীদ করে ফেলে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহীর মাধ্যমে এ সংবাদ শোনার পর রি'ল, যাকওয়ান ও বনূ লাহইয়ান গোত্রের বিরুদ্ধে একমাস পর্যন্ত কুনূতে নাযেলার মাধ্যমে বদ-দুআ করেছিলেন। হযরত আনাস রাযি. বলেন, 'বীরে মাউনা'র কাছে শাহাদাৎবরণকারী সাহাবীদের সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে এই আয়াতটি নাযিল হয়-

أَلا بَلِّغُوا عَنَّا قَوْمَنَا بِأَنَّا قَدْ لَقِيَنَا رَبَّنَا ، فَرَضِيَ عَنَّا وَأَرْضَانَا

“আমাদের সংবাদ আমাদের কওমের নিকট পৌঁছে দাও যে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের সাক্ষাত পেয়েছি। তিনি আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং আমাদেরকে সন্তুষ্ট করেছেন।” উল্লেখ্য যে, পরবর্তীতে এ আয়াতটি মানসুখ হয়ে যায়। (তোহফাতুল বারী শরহে সহীহ আল-বুখারী-৩য় খন্ড)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 যে ঘটনা পড়লে চোখ অশ্রুসিক্ত হবেই

📄 যে ঘটনা পড়লে চোখ অশ্রুসিক্ত হবেই


عَنْ بُرَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: أَنَّ مَاعِزَ بْنَ مَالِكِ الأَسْلَمِي أَتَى رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم : فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ ظَلَمْتُ نَفْسِي وَزَنَيْتُ وَإِنِّي أُرِيدُ أَنْ تُطَهِّرَنِي. فَرَدَّهُ فَلَمَّا كَانَ مِنَ الْغَدِ أَتَاهُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ زَنَيْتُ. فَرَدَّهُ الثَّانِيَةَ فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى قَوْمِهِ فَقَالَ , أَتَعْلَمُونَ بِعَقْلِهِ بَأْسًا تُنْكِرُونَ مِنْهُ شَيْئًا فَقَالُوا مَا نَعْلَمُهُ إِلَّا وَفِي الْعَقْلِ مِنْ صَالِحِينَا فِيمَا نُرَى فَأَتَاهُ الثَّالِثَةَ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِمْ أَيْضًا فَسَأَلَ عَنْهُ فَأَخْبَرُوهُ أَنَّهُ لَا بَأْسَ بِهِ وَلَا بِعَقْلِهِ فَلَمَّا كَانَ الرَّابِعَةً حَفَرَ لَهُ حُفْرَةٌ ثُمَّ أَمَرَ بِهِ فَرْجِمَ . قَالَ فَجَاءَتِ الْغَامِدِيَّةُ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ زَنَيْتُ فَطَهِّرْنِي. وَانَّهُ رَدَّهَا فَلَمَّا كَانَ الْغَدُ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ لِمَ تَرُدُّنِي لَعَلَّكَ أَنْ تَرُدَّنِي كَمَا رَدَدْتَ مَاعِرًا فَوَاللَّهِ إِنِّي لَحُبْلَى. قَالَ ، إِمَّا لَا فَاذْهَبِي حَتَّى تَلِدِي . فَلَمَّا وَلَدَتْ أَتَتْهُ بِالصَّبِيِّ فِي خِرْقَةٍ قَالَتْ هَذَا قَدْ وَلَدْتُهُ. قَالَ اذْهَبِي فَأَرْضِعِيهِ حَتَّى تَفْطِمِيهِ ، فَلَمَّا فَطَمَتُهُ أَتَتْهُ بِالصَّبِيِّ فِي يَدِهِ كِسْرَةُ خُبْرٍ فَقَالَتْ هَذَا يَا نَبِيَّ اللَّهِ قَدْ فَطَمْتُهُ وَقَدْ أَكَلَ الطَّعَامَ. فَدَفَعَ الصَّبِيَّ إِلَى رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَحُفِرَ لَهَا إِلَى صَدْرِهَا وَامَرَ النَّاسَ فَرَجَمُوهَا فَيُقْبِلُ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ بِحَجَرٍ فَرَمَى رَأْسَهَا فَتَنَضَّحَ الدَّمُ عَلَى وَجْهِ خَالِدٍ فَسَبَّهَا فَسَمِعَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَبَّهُ إِيَّاهَا فَقَالَ ، مَهْلاً يَا خَالِدُ فَوْالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَقَدْ تَابَتْ تَوْبَةً لَوْ تَابَهَا صَاحِبُ مَكْسٍ لَغْفِرَ لَهُ, ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَصَلَّى عَلَيْهَا وَدُفِنَتْ

অর্থ: হযরত বুরাইদা রাযি. তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: মায়েজ ইবনে মালিক আসলামী রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আগমন করলো। তারপর বললো, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আমি আমার আত্মার উপর যুলুম করেছি এবং ব্যভিচার করেছি। আমি আশা করি, আপনি আমাকে পবিত্র করবেন। তখন তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। পরের দিন সে পুনরায় তাঁর কাছে আগমন করলো এবং বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ব্যভিচার করেছি। তখন দ্বিতীয়বারও তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন।
এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক ব্যক্তিকে তার সম্প্রদায়ের লোকের কাছে প্রেরণ করলেন। তিনি সেখানে গিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনারা কি মনে করেন যে, তার বুদ্ধির বিভ্রাট ঘটেছে (পাগল হয়েছে) এবং সে মন্দ কাজে লিপ্ত হয়েছে। তারা প্রতি উত্তরে বললেন, আমরা তো তার বুদ্ধির বিভ্রাট সম্পর্কে কোনো কিছু জানিনা। আমরা তো জানি যে, সে সম্পূর্ণ সুস্থপ্রকৃতির। এরপর মায়েজ তৃতীয়বার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আগমন করলো। তখন তিনি আবারও একজন লোককে তার গোত্রের কাছে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রেরণ করলেন। তখনো তারা তাকে জানালো যে, আমরা তার সম্পর্কে খারাপ কোনো কিছু জানি না এবং তার বুদ্ধিরও কোনো বিভ্রাট ঘটেনি।
এরপর যখন চতুর্থবার সে আমগন করলো, তখন তার জন্য একটি গর্ত খনন করা হলো এবং তার প্রতি (ব্যভিচারের শাস্তি প্রদানের) নির্দেশ প্রদান করলেন। তখন তাকে পাথর নিক্ষেপ করা হলো।
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর গামেদী (গোত্রের) এক মহিলা আগমন করলো এবং বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ব্যভিচার করেছি, আপনি আমাকে পবিত্র করুন। তখন তিনি তাঁকে ফিরিয়ে দিলেন। পরবর্তী দিন পুনরায় ঐ মহিলা আগমন করলো এবং বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আপনি কি আমাকে সেভাবে ফিরিয়ে দিতে চান, যেভাবে আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মায়েজকে। আল্লাহর কসম করে বলছি, নিশ্চয়ই আমি গর্ভবতী। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যদি ফিরে যেতে না চাও, তবে এখন চলে যাও এবং সন্তান প্রসব পর্যন্ত অপেক্ষা করো।
রাবী বলেন, এরপর যখন সে সন্তান প্রসব করলো তখন সে ঐ সন্তানকে এক টুকরা কাপড়ের মধ্যে নিয়ে তাঁর কাছে আগমন করলো এবং বললো, এই সন্তান আমি প্রসব করেছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: এখন চলে যাও এবং তাকে (সন্তানকে) দুধ পান করাও। দুধপান করানোর সময় উত্তীর্ণ হলে পরে এসো। এরপর যখন তার দুধপান করানোর সময় সমাপ্ত হলো তখন ঐ মহিলা শিশু সন্তানটিকে নিয়ে তাঁর কাছে আগমন করলো এমন অবস্থায় যে, শিশুটির হাতে এক টুকরা রুটি ছিল। এরপর বললো, হে আল্লাহর নবী! এইতো সেই শিশু, যাকে আমি দুধপান করানোর কাজ শেষ করেছি। সে এখন খাদ্য খায়। তখন শিশু সন্তানটিকে তিনি কোনো একজন মুসলিমকে প্রদান করলেন। এরপর তার প্রতি (ব্যভিচারের শাস্তি) প্রদানের নির্দেশ দিলেন।
মহিলার বক্ষ পর্যন্ত গর্ত খনন করানো হলো, এরপর জনগণকে (তার প্রতি পাথর নিক্ষেপের) নির্দেশ দিলেন। তারা তখন তাকে পাথর মারতে শুরু করলো। খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রাযি. একটি পাথর নিয়ে অগ্রসর হলেন এবং মহিলার মাথায় নিক্ষেপ করলেন, তাতে রক্ত ছিঁটকে পড়লো খালিদ রাযি. এর মুখমণ্ডলে। তখন তিনি মহিলাকে গালি দিলেন। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গালি শুনতে পেলেন। তিনি বললেন, সাবধান! হে খালিদ! সেই মহান আল্লাহর শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ, জেনে রেখো! নিশ্চয়ই সে এমন তাওবাহ করেছে, যদি কোনো 'হক্কুল ইবাদ' বিনষ্টকারী ব্যক্তিও এমন তাওবাহ করতো, তবে তারও ক্ষমা হয়ে যেতো। এরপর তার জানাযার নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিলেন এবং তিনি তার জানাযায় নামাজ আদায় করলেন। এরপর তাকে দাফন করা হলো। (সহীহ মুসলিম-৪৫২৮, ৪৫২৭, ৪৩২৩, ৪৩২৪, ইফা, ৪২৮৩, তিরমিযী-১৪৩৫, নাসাঈ-১৯৫৭, আবু দাউদ-৪৪৪০, ইবনে মাজাহ-২৫৫৫, আহমাদ-১৯৩৬০, ১৯৪০২, ১৯৪২৪, ১৯৪৫২, দারিমী-২৩২৫, হাদীসের শব্দাবলী মুসলিমের)

নোট: সুবহানাল্লাহ! এই ঘটনা পড়ার পর কারো চোখে অশ্রু না এসে পারে না। আসলে খাঁটি মানুষ ছিলেন তাঁরা। দুনিয়ার জীবন এবং দুঃখ-কষ্টকে কিছুই মনে করতেন না; বরং তাঁদের নিকট আখেরাতই ছিলো আসল। তারা জানতেন যে, এই শাস্তি আখেরাতের তুলনায় কিছুই না। তাই পরকালীন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্যেই এভাবে নিজেকে সোপর্দ করেছিলেন।
নোট: ব্যভিচার ও ব্যভিচারীনীকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে পাথর মেরে হত্যা করাকে ইসলামী পরিভাষায় 'রজম' বলে। বাহ্যিকভাবে 'রজম' দৃষ্টিকটু ও অমানবিক মনে হলেও এটি লাখো-কোটি মা-বোনের জান, মাল ও ইজ্জত রক্ষার অত্যন্ত কার্যকরী ঔষধ। যদি সঠিকভাবে মাত্র দুই/চারটি শাস্তি কার্যকর করা যায় এবং দেশের সকল প্রচার মাধ্যমগুলোতে তা প্রচার করা হয়, তবে অল্প দিনের মধ্যেই সারা দেশ থেকে 'ব্যভিচার ও ধর্ষণের মতো মরণব্যাধি চিরতরে খতম হয়ে যাবে। 'রজম' এর শাস্তি কার্যকর করার দ্বারা যদিও একজন অমানুষের মৃত্যু ঘটে, তবে এর দ্বারা লাখো মা-বোনের জীবন রক্ষা পায়। তাই সমাজে শান্তি ও জীবনের নিরাপত্তা বিধানের জন্যে এই শাস্তি কার্যকর করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00