📄 খেজুর গাছ নবীজীর জন্য শিশুর মতো ফুঁপিয়ে কাঁদলো
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ امْرَأَةً مِنَ الْأَنْصَارِ قَالَتْ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَا رَسُولَ اللهِ أَلَا أَجْعَلُ لَكَ شَيْئًا تَقْعُدُ عَلَيْهِ، فَإِنَّ لِي غُلَامًا نَجَّارًا قَالَ : إِنْ شِئْتِ ، قَالَ : فَعَمِلَتْ لَهُ المِنْبَرَ، فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ الجُمُعَةِ قَعَدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى المِنْبَرِ الَّذِي صُنِعَ، فَصَاحَتِ النَّخْلَةُ الَّتِي كَانَ يَخْطُبُ عِنْدَهَا ، حَتَّى كَادَتْ تَنْشَقُ ، فَنَزَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَخَذَهَا. فَضَمَّهَا إِلَيْهِ ، فَجَعَلَتْ تَئِنُّ أَنِينَ الصَّبِيِّ الَّذِي يُسَكَّتُ، حَتَّى اسْتَقَرَّتْ، قَالَ: بَكَتْ عَلَى مَا كَانَتْ تَسْمَعُ مِنَ الذِّكْرِ
অর্থ: হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাযি. থেকে বর্ণিত। একজন আনসারী মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি আপনার জন্য এমন একটি জিনিস তৈরি করে দিব, যার উপর আপনি উপবেশন করবেন? কেননা, আমার একজন কাঠমিস্ত্রি গোলাম আছে। তিনি বললেন, যদি তুমি ইচ্ছে করো (তবে দিতে পারো)। বর্ননাকারী বলেন, অতঃপর সেই মহিলা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য একটি মিম্বর বানিয়ে দিলেন। যখন জুমুআর দিন হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই মিম্বরের উপরে উপবেশন করলেন। সে সময় যে খেঁজুর গাছের কাণ্ডের উপর ভর দিয়ে তিনি খুতবাহ প্রদান করতেন, সেটি এমনভাবে চিৎকার করে উঠলো, যেন তা (শোকে-দুঃখে) ফেটে পড়বে। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিম্বর থেকে) নেমে এসে তাকে নিজের সাথে জড়িয়ে ধরলেন। তখন সেটি ফোঁপাতে লাগলো, যেমন ছোট শিশুকে চুপ করানোর সময় ফোঁপায়। অবশেষে তা স্থির হয়ে গেল। তিনি বলেন, খেঁজুর কাণ্ডটি যে ওয়াজ-নসীহত শুনতে পেতো, তা থেকে বঞ্চিত হবার কারণে কেঁদেছিলো। (বুখারী-২০৯৫, ৪৪৯, ইফা.-১৯৬৫, ইবনে মাজাহ-১৪১৭, আহমাদ- ১৩৭০৫, ১৩৭২৯, ১৩৮৭০, ১৪০৫৯, দারিমী-৩৩, ১৫৬২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
নোট: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় হিজরত করার পর (সাত মাস পর্যন্ত) হযরত আবু আইয়ূব আনসারী রাযি.-এর বাড়িতে অবস্থান করেন। এসময় তিনি (১ম হিজরী সনের শাওয়াল মাসে) একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যাকে মসজিদে নববী বলা হয়। তিনি প্রাথমিক অবস্থায় একটি খেজুর গাছের মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবাহ প্রদান করতেন। কিন্তু বেশ কিছু দিন পর যখন খেজুর গাছের সেই মিম্বরটি সরিয়ে অন্য একটি কাঠের মিম্বর সেখানে স্থাপন করলেন, তখন সেই খেজুর গাছের মিম্বরটি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হয়ে কাঁদতে লাগলো। যার বিবরণ সহীহ বুখারীতে এভাবে উল্লেখ আছে, হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাযি. বলেন-
كَانَ جِذْعٌ يَقُومُ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَلَمَّا وُضِعَ لَهُ الْمِنْبَرُ سَمِعْنَا لِلْجِذْعِ مِثْلَ أَصْوَاتِ العِشَارِ حَتَّى نَزَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهِ
অর্থ: মসজিদে নববীতে একটি খেজুর বৃক্ষের খুঁটি ছিলো যার সাথে হেলান দিয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াতেন। এরপর যখন তাঁর জন্য মিম্বর, স্থাপন করা হলো, আমরা তখন খুঁটি থেকে দশ মাসের গর্ভবতী উটনীর মতো কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম। এমনকি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বর থেকে নেমে এসে খুঁটির উপর হাত রাখলেন (তখন তার কান্না বন্ধ হলো)। (বুখারী-৯১৮, ৪৪৯, ইফা.-৮৭২, ইবনে মাজাহ-১৪১৭, আহমাদ-১৩৭০৫, ১৩৭২৯, ১৩৮৭০, ১৪০৫৯, দারিমী-৩৩, ১৫৬২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
📄 নবীজীর আঙ্গুলের নিচ থেকে পানি উথলে উঠলো
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَحَانَتْ صَلَاةُ العَصْرِ ، فَالْتَمَسَ النَّاسُ الوَضُوءَ فَلَمْ يَجِدُوهُ، فَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِوَضُوءٍ ، فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ الْإِنَاءِ يَدَهُ، وَأَمَرَ النَّاسَ أَنْ يَتَوَضَّلُوا مِنْهُ قَالَ : فَرَأَيْتُ المَاءَ يَنْبُعُ مِنْ تَحْتِ أَصَابِعِهِ حَتَّى تَوَضَّلُّوا مِنْ عِنْدِ آخِرِهِمْ
অর্থ: হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখলাম, তখন আসরের নামাজের সময় হয়ে গিয়েছিল। আর লোকজন অজুর পানি অনুসন্ধান করছিলো। কিন্তু পেল না। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কিছু পানি আনা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পাত্রে তাঁর হাত রাখলেন এবং লোকদেরকে সে পাত্র থেকে অজু করতে নির্দেশ করলেন। আনাস রাযি. বলেন, আমি দেখলাম, তাঁর আঙ্গুলের নীচ থেকে পানি উথলে উঠছে। এমনকি তাঁদের শেষ ব্যক্তি পর্যন্ত সেখান থেকে অজু করলো। (সহীহ বুখারী-১৬৯, ১৯৫, ২০০, ৩৫৭২, ৩৫৭৩, ৩৫৭৪, ৩৫৭৫, ইফা.-১৭০, সহীহ মুসলিম- ২২৭৯, তিরমিযী-৩৬৩১, নাসাঈ-৭৬৭৮, আহমাদ-১১৯৩৯, ১১৯৯৩, ১২০০৪, ১২০৮৮, ১২২৮৩, ১২৩১৬, ১২৩৩১, ১২৩৮৩, ১২৮৩২, ১২৮৫৪, ১২৪৯৯, ১৩১৮৩, ১৩৬৬৭, মালিক-৬৪, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
📄 দুআর বরকতে এক সাহাবীর শীত-গরম চলে গেলো
عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ كَانَ أَبُو لَيْلَى يَسْمُرُ مَعَ عَلِيٌّ فَكَانَ يَلْبَسُ ثِيَابَ الصَّيْفِ فِي الشَّتَاءِ وَثِيَابَ الشَّتَاءِ فِي الصَّيْفِ فَقُلْنَا لَوْ سَأَلْتَهُ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ إِلَى وَأَنَا أَرْمَدُ الْعَيْنِ يَوْمَ خَيْبَرَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَرْمَدُ الْعَيْنِ فَتَفَلَ فِي عَيْنِي ثُمَّ قَالَ : اللَّهُمَّ أَذْهِبْ عَنْهُ الْحَرَّ وَالْبَرْدَ قَالَ فَمَا وَجَدْتُ حَرًّا وَلَا بَرْدًا بَعْدَ يَوْمِئِذٍ وَقَالَ لأَبْعَثَنَّ رَجُلاً يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيُحِبُّهُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ لَيْسَ بِفَزَارٍ فَتَشَوَّفَ لَهَا النَّاسُ فَبَعَثَ إِلَى عَلِي فَأَعْطَاهَا إِيَّاهُ
অর্থ: আবদুর রহমান ইবনে আবু লাইলা রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু লাইলা রহ. কখনো কখনো আলী রাযি. এর সাথে সফর করতেন। আলী রাযি. শীতকালে গ্রীষ্মকালীন পোশাক এবং গ্রীষ্মকালে শীতকালীন পোশাক পরিধান করতেন। আমরা বললাম, আপনি যদি তাকে (এর কারণ) জিজ্ঞেস করতেন! তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধের সময় আমাকে ডেকে পাঠান। তখন আমি চক্ষুপীড়ায় আক্রান্ত ছিলাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি চক্ষুপীড়ায় আক্রান্ত। তিনি তাঁর মুখের লালা আমার চোখে লাগিয়ে দিয়ে বললেন: হে আল্লাহ! তার থেকে গরম ও ঠান্ডা দূর করে দাও। তিনি বলেন, সেদিন থেকে আমি না গরম অনুভব করছি, না ঠান্ডা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: নিশ্চয়ই আমি এমন এক ব্যক্তিকে (যুদ্ধে) প্রেরণ করবো, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালোবাসেন এবং সে পৃষ্ঠপ্রদর্শনকারীও নয়। লোকদের এই মর্যাদা লাভের আকাঙ্ক্ষা হলো। তিনি আলী রাযি.-কে ডেকে পাঠান এবং তার কাছেই পতাকা অর্পণ করেন। (ইবনে মাজাহ-১১৭, আহমাদ-৭৮০, হাদীসটি হাসান, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 মুসআব রাযি. এর কাফনের কাপড়ও ছিলো না
عَنْ خَبَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: هَاجَرْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَلْتَمِسُ وَجْهَ اللَّهِ، فَوَقَعَ أَجْرُنَا عَلَى اللَّهِ ، فَمِنَّا مَنْ مَاتَ لَمْ يَأْكُلْ مِنْ أَجْرِهِ شَيْئًا، مِنْهُمْ مُصْعَبُ بْنُ عُمَيْرٍ وَمِنَّا مَنْ أَيْنَعَتْ لَهُ ثَمَرَتُهُ، فَهُوَ يَهْدِبُهَا، قُتِلَ يَوْمَ أُحُدٍ، فَلَمْ نَجِدُ مَا نُكَفِّنُهُ إِلَّا بُرْدَةً إِذَا غَطَيْنَا بِهَا رَأْسَهُ خَرَجَتْ رِجْلَاهُ، وَإِذَا غَطَيْنَا رِجْلَيْهِ خَرَجَ رَأْسُهُ، فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نُغَطِيَ رَأْسَهُ، وَأَنْ نَجْعَلَ عَلَى رِجُلَيْهِ مِنَ الْإِذْخِرِ
অর্থ: হযরত খাব্বাব রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমরা নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মদিনায় হিজরত করেছিলাম। এতে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টিই কামনা করেছিলাম। আমাদের পুরস্কার আল্লাহর দরবারে নির্ধারিত হয়ে আছে। তারপর আমাদের মধ্যে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন (শহীদ হয়েছেন)। কিন্তু তারা তাদের পুরস্কারের কিছুই ভোগ করতে পারেননি। তাঁদেরই একজন মুসআব ইবনে উমাইর রাযি.। আর আমাদের মধ্যে অনেকে এমনও রয়েছেন যাদের অবদানের ফল পরিপক্ক হয়েছে। আর তাঁরা তা ভোগ করছেন। মুসআব রাযি. উহুদের যুদ্ধে শহীদ হলেন। আমরা তাকে কাফন দেয়ার জন্য এমন একটি চাদর ব্যতীত আর কিছুই পেলাম না; যা দিয়ে তাঁর মাথা ঢাকলে তাঁর দু'পা উন্মুক্ত থাকে, আবার দু'পা ঢেকে দিলে তাঁর মাথা খোলা থাকে। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা ঢেকে দিতে এবং তাঁর দু'পায়ের উপর ইযখির (এক প্রকার ঘাস) দ্বারা ঢেকে দিতে আমাদের নির্দেশ দিলেন। (সহীহ বুখারী-১২৭৬, ৩৮৯৭, ৩৯১৩, ৩৯১৪, ৪০৪৭, ৪০৮২, ৬৪৩২, ৬৪৪৮, ইফা.-১২০২, সহীহ মুসলিম-৯৪০, হাদীস-২১১৩৪, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
নোট : হযরত আবু যার গিফারী রাযি. এতো উঁচু মর্যাদাসম্পন্ন সাহাবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি এরূপ বৈরাগ্যের জীবন অবলম্বন করেছিলেন যে, ইন্তিকালের সময় তাঁর নিকট কাফনের কাপড়টুকুও ছিলো না। মৃত্যুশয্যায় তাঁর স্ত্রী ক্রন্দন করছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কাঁদছ কেন? সে বললো, আপনার ইন্তিকাল হলে আপনার কাফনের কী ব্যবস্থা হবে? আবু যার রাযি. বললেন, সে চিন্তা তোমার করতে হবে না। আমার ইন্তিকাল হলে তুমি পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে এ ঘোষণা দিবে- أَلَا إِنَّ أَبَا ذَرٍ قَدْ مَاتَ “হায়! আবু যার রাযি.-এর ইন্তিকাল হয়েছে!!" কিছুক্ষণ পরেই হযরত আবু যার রাযি.-এর ইন্তিকাল হয়ে গেল। অসিয়ত অনুযায়ী তাঁর স্ত্রী পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে মৃত্যুর ঘোষণা দিতে লাগলেন। ঘটনাক্রমে ঐ সময় বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. একদল লোক নিয়ে ঐ রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এ সংবাদ শোনার সাথে সাথে আবু যার রাযি.-এর বাড়ীতে ছুটে এলেন। এরপর নিজের পাগড়ী দ্বারা তাঁর কাফনের ব্যবস্থা করলেন। (তোহফাতুল বারী শরহে সহীহ বুখারী-২/২৫৪)