📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 এক কেজি আটার রুটি এক হাজার সাহাবী খেলেন

📄 এক কেজি আটার রুটি এক হাজার সাহাবী খেলেন


عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَقَالَ: إِنَّا يَوْمَ الخَنْدَقِ نَحْفِرُ، فَعَرَضَتْ كُدْيَةٌ شَدِيدَةً، فَجَاءُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا: هَذِهِ كُرْيَةً عَرَضَتْ فِي الخَنْدَقِ، فَقَالَ: أَنَا نَازِلْ . ثُمَّ قَامَ وَبَطْنُهُ مَعْصُوبٌ بِحَجَرٍ ، وَلَبِثْنَا ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ لَا نَذُوقُ ذَوَاقًا، فَأَخَذَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المِعْوَلَ فَضَرَبَ، فَعَادَ كَثِيبًا أَهْيَلَ أَوْ أَهْيَمَ ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، ائْذَنْ لِي إِلَى البَيْتِ، فَقُلْتُ لِامْرَأَتِي: رَأَيْتُ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا مَا كَانَ فِي ذَلِكَ صَبْرٌ ، فَعِنْدَكِ شَيْءٌ؟ قَالَتْ: عِنْدِي شَعِيرٌ وَعَنَاقُ، فَذَبَحَتِ العَنَاقَ، وَطَحَنَتِ الشَّعِيرَ حَتَّى جَعَلْنَا اللَّحْمَ فِي البُرْمَةِ، ثُمَّ جِئْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالعَجِينُ قَدْ انْكَسَرَ وَالبُرْمَةُ بَيْنَ الأَثَانِي قَدْ كَادَتْ أَنْ تَنْضَجَ ، فَقُلْتُ : طُعَيِّمٌ لِي ، فَقُمْ أَنْتَ يَا رَسُولَ اللهِ وَرَجُلٌ أَوْ رَجُلانِ ، قَالَ: كَمْ هُوَ, فَذَكَرْتُ لَهُ ، قَالَ : كَثِيرٌ طَيِّبٌ ، قَالَ : قُلْ لَهَا : لَا تَنْزِعِ البُرْمَةَ، وَلَا الخُبْزَ مِنَ التَّنُّورِ حَتَّى آتِي، فَقَالَ: قُومُوا, فَقَامَ المُهَاجِرُونَ، وَالْأَنْصَارُ، فَلَمَّا دَخَلَ عَلَى امْرَأَتِهِ قَالَ: وَيُحَكِ جَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ وَمَنْ مَعَهُمْ ، قَالَتْ: هَلْ سَأَلَكَ؟ قُلْتُ: نَعَمْ، فَقَالَ: ادْخُلُوا وَلَا تَضَاغَطُوا فَجَعَلَ يَكْسِرُ الخُبْزَ وَيَجْعَلُ عَلَيْهِ اللَّحْمَ، وَيُخَمِّرُ البُرْمَةَ وَالتَّنُّورَ إِذَا أَخَذَ مِنْهُ، وَيُقَرِّبُ إِلَى أَصْحَابِهِ ثُمَّ يَنْزِعُ، فَلَمْ يَزَلْ يَكْسِرُ الخُبْزَ، وَيَغْرِفُ حَتَّى شَبِعُوا وَبَقِيَ بَقِيَّةٌ، قَالَ: كُلِي هَذَا وَأَهْدِي، فَإِنَّ النَّاسَ أَصَابَتْهُمْ مَجَاعَة
وفي روايةٍ قَالَ جَابِرٍ : لَمَّا حُفِرَ الخَنْدَقُ رَأَيْتُ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمَصًا شَدِيدًا، فَانْكَفَأْتُ إِلَى امْرَأَتِي، فَقُلْتُ: هَلْ عِنْدَكِ شَيْءٌ؟ فَإِنِّي رَأَيْتُ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَمَصًا شَدِيدًا ، فَأَخْرَجَتْ إِلَيَّ جِرَابًا فِيهِ صَاعٌ مِنْ شَعِيرٍ، وَلَنَا بُهَيْمَةٌ دَاجِنٌ فَذَبَحْتُهَا ، وَطَحَنَتِ الشَّعِيرَ ، فَفَرَغَتْ إِلَى فَرَاغِي، وَقَطَّعْتُهَا فِي بُرْمَتِهَا، ثُمَّ وَلَيْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: لَا تَفْضَحْنِي بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِمَنْ مَعَهُ ، فَجِئْتُهُ فَسَارَرْتُهُ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَبَحْنَا بُهَيْمَةً لَنَا وَطَحَنَّا صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ كَانَ عِنْدَنَا، فَتَعَالَ أَنْتَ وَنَفَرٌ مَعَكَ، فَصَاحَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : يَا أَهْلَ الخَنْدَقِ، إِنَّ جَابِرًا قَدْ صَنَعَ سُورًا ، فَحَيَّ هَلَّا بِهَلَكُمْ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لَا تُنْزِلُنَّ بُرْمَتَكُمْ ، وَلَا تَخْبِرُنَّ عَجِينَكُمْ حَتَّى أَجِيءَ فَجِئْتُ وَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْدُمُ النَّاسَ حَتَّى جِئْتُ امْرَأَتِي، فَقَالَتْ: بِكَ وَبِكَ، فَقُلْتُ: قَدْ فَعَلْتُ الَّذِي قُلْتِ، فَأَخْرَجَتْ لَهُ عَجِينًا فَبَصَقَ فِيهِ وَبَارَكَ، ثُمَّ عَمَدَ إِلَى بُرْمَتِنَا فَبَصَقَ وَبَارَكَ، ثُمَّ قَالَ: ادْعُ خَابِزَةً فَلْتَخْبِرُ مَعِي، وَاقْدَحِي مِنْ بُرْمَتِكُمْ وَلَا تُنْزِلُوهَا, وَهُمْ أَلْفٌ، فَأُقْسِمُ بِاللَّهِ لَقَدْ أَكَلُوا حَتَّى تَرَكُوهُ وَانْحَرَفُوا، وَإِنَّ بُرْمَتَنَا لَتَغِطْ كَمَا هِيَ، وَإِنَّ عَجِينَنَا لَيُخْبَرُ كَمَا هُوَ

অর্থ: হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দক যুদ্ধের সময় আমরা পরিখা (খাল) খনন করছিলাম। এমন সময় একটি কঠিন পাথর বেরিয়ে এলো (যা ভাঙ্গা যাচ্ছিল না)। সাহাবীগণ নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন, খন্দকে একটি পাথর বেরিয়েছে (কিন্তু আমরা ভাঙ্গতে পারছি না)। তিনি বললেন: আমি নিজে খন্দকে অবতরণ করবো। এরপর তিনি উঠে দাঁড়ালেন। এ সময় ক্ষুধার কারণে তাঁর পেটে একটি পাথর বাঁধা ছিল। আমরাও তিন দিন পর্যন্ত কিছু খাইনি। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কোদাল হাতে নিয়ে পাথরে আঘাত করলেন, ফলে তৎক্ষণাৎ পাথরটি টুকরো টুকরো হয়ে বালিতে পরিণত হলো। আমি বললাম, ইয়া রাসুলল্লাহ! আমাকে একটু বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দিন। অতঃপর আমি বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে বললাম, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে যে অবস্থায় দেখে এসেছি, তা আমি সহ্য করতে পারছি না। তোমার কাছে খাবার কিছু আছে কি? সে বললো, আমার কাছে কিছু যব ও একটি ছাগল ছানা আছে। আমি ছাগল ছানাটি যবেহ করলাম এবং যব পিষলাম। এরপর ডেকচিতে গোশত চড়িয়ে দিয়ে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে উপস্থিত হলাম। ইতোমধ্যে আটা রুটি তৈরীর উপযুক্ত হয়ে গেল এবং চুলার ডেকচিতে গোশত রান্না হয়ে গেল। আমি তাঁকে বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! অল্প কিছু খাবারের ব্যবস্থা করেছি। দয়া করে আপনি এবং সাথে এক অথবা দু'জন লোক নিয়ে চলুন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা কতোজন যাবো? আমি তাঁকে পরিমাণ খুলে বললাম। তিনি বলেন: আমরা বেশি সংখ্যকই উত্তম। তুমি তোমার স্ত্রীকে বলো, আমি না আসা পর্যন্ত ডেকচি চুলো থেকে নামাবে না এবং রুটিও বানাবে না। অতঃপর তিনি সকলকে সম্বোধন করে বললেন: সকলেই চলো। তখন মুহাজির ও আনসার সকলেই রওয়ানা দিলেন। আমি স্ত্রীর কাছে এসে বললাম, তোমার উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আনসার, মুহাজির ও তাঁর সাথের সবাই এসে গেছেন। সে বললো, তিনি কি তোমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করেছেন? আমি বললাম হ্যাঁ। অতঃপর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা প্রবেশ করো; কিন্তু ভীড় করো না। তারপর তিনি রুটি টুকরো টুকরো করে তার উপর গোশত দিতে লাগলেন এবং ডেকচি ও উনুন ঢেকে দিলেন। তিনি তা থেকে সাহাবীদের কাছে এনে ঢেকে দিতেন। এভাবে তিনি রুটি টুকরা করতেই থাকলেন। এবং তাতে তরকারী ঢেলে দিতে থাকলেন। অবশেষে সকলেই পূর্ণ তৃপ্তি সহকারে পেট ভরে খেলেন এবং কিছু অবশিষ্টও থাকলো। তিনি বললেন: এগুলো তুমি (জাবিরের স্ত্রী) খাও এবং অন্যদের হাদিয়া দাও। কেননা লোকদের ক্ষুধা পেয়েছে।
অপর বর্ণনায় আছে: জাবির রাযি. বলেন, পরিখা খননের সময় আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাঝে ক্ষুধার লক্ষণ দেখতে পেয়ে আমার স্ত্রীর কাছে ফিরে এলাম এবং তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কাছে কিছু আছে কি? কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুবই ক্ষুধার্ত দেখেছি। সে আমাকে এক সা যব ভর্তি একটি থলে বের করে দিল। আমাদের পালিত একটি ভেড়ার বাচ্চা ছিলো। আমি সেটা যবেহ করলাম। সে যব পিষে ফেললো। আমি অবসর হয়ে গোশত টুকরা করে ডেকচিতে চড়িয়ে দিলাম। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে (দাওয়াত নিয়ে) যেতে ইচ্ছা করলাম। আমার স্ত্রী বললো, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের সামনে লজ্জিত করো না। আমি তাঁর কাছে হাজির হয়ে তাঁকে চুপে চুপে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের একটি ভেড়ার বাচ্চা ছিলো। আমি সেটা যবেহ করেছি এবং সে এক সা' যব পিষে আটা তৈরি করেছে। সুতরাং দয়া করে আপনি কয়েকজন লোকসহ চলুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চস্বরে বললেন, হে খন্দক বাহিনী! জাবির তোমাদের জন্য মেহমানী (খাবার) প্রস্তুত করেছে, সুতরাং সবাই চলো। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: আমি না আসা পর্যন্ত চুলো থেকে ডেকচি নামাবে না এবং রুটিও পাকাবে না। আমি চলে আসলাম এবং নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবাইকে নিয়ে চলে এলেন। আমি আমার স্ত্রীর কাছে এসে সব বললাম। সে বললো, তুমিই লজ্জিত হবে, তুমিই অপমানিত হবে। আমি বললাম, তুমি যা বলে দিয়েছিলে, আমি তো তাই করেছি। অতঃপর সে খামীর করা আটা বের করে দিল। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে মুখের লালা মিশিয়ে বরকতের দুআ করলেন এবং ডেকচির কাছে এসেও মুখের লালা দিয়ে দুআ করলেন। অতঃপর বললেন, রাঁধুনিকে ডাক। সে তোমাদের সাথে রুটি পাকাবে এবং ডেকচি থেকে গোশত বের করবে, কিন্তু চুলো থেকে তা নামাবে না। লোকসংখ্যা ছিলো এক হাজার। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি, তারা সবাই পেট ভরে খেলেন এবং অবশিষ্ট রেখে চলে গেলেন। এদিকে আমাদের ডেকচিতে জোש মারার শব্দ হচ্ছিল এবং একই ভাবে রুটিও পাকানো হচ্ছিল। (বুখারী-৪১০১, ৪১০২, ৩০৭০, ইফা.-৩৭৯৮, মুসলিম-২০৩৯, তিরমিযী-২৮৪২, আহমাদ-১৩৭৯৯, ১৩৮০৯, ১৪৬১০, দারিমী-৪২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 বিস্ময়কর মেহমানদারী

📄 বিস্ময়কর মেহমানদারী


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 কয়েক টুকরা রুটি ৮০ জন সাহাবী খেলেন

📄 কয়েক টুকরা রুটি ৮০ জন সাহাবী খেলেন


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ أَبُو طَلْحَةَ لِأُمِّ سُلَيْمٍ لَقَدْ سَمِعْتُ صَوْتَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ضَعِيفًا، أَعْرِفُ فِيهِ الجُوعَ ، فَهَلْ عِنْدَكِ مِنْ شَيْءٍ ؟ قَالَتْ: نَعَمْ ، فَأَخْرَجَتْ أَقْرَاصًا مِنْ شَعِيرٍ ، ثُمَّ أَخْرَجَتْ خِمَارًا لَهَا، فَلَفَّتِ الخُبْزَ بِبَعْضِهِ، ثُمَّ دَشَتْهُ تَحْتَ يَدِي وَلا ثَتُنِي بِبَعْضِهِ، ثُمَّ أَرْسَلَتْنِي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: فَذَهَبْتُ بِهِ، فَوَجَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي المَسْجِدِ، وَمَعَهُ النَّاسُ، فَقُمْتُ عَلَيْهِمْ ، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : أَرْسَلَكَ أَبُو طَلْحَةَ, فَقُلْتُ : نَعَمْ ، قَالَ: بِطَعَامٍ, فَقُلْتُ : نَعَمْ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِمَنْ مَعَهُ : قُومُوا, فَانْطَلَقَ وَانْطَلَقْتُ بَيْنَ أَيْدِيهِمْ ، حَتَّى جِئْتُ أَبَا طَلْحَةَ فَأَخْبَرْتُهُ، فَقَالَ أَبُو طَلْحَةَ: يَا أُمَّ سُلَيْمٍ قَدْ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّاسِ، وَلَيْسَ عِنْدَنَا مَا نُطْعِمُهُمْ ؟ فَقَالَتْ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، فَانْطَلَقَ أَبُو طَلْحَةَ حَتَّى لَقِيَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبُو طَلْحَةَ مَعَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : هَلُتِي يَا أُمَّ سُلَيْمٍ ، مَا عِنْدَكِ, فَأَتَتْ بِذَلِكَ الخُبْزِ، فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَفُتَّ، وَعَصَرَتْ أُمُّ سُلَيْمٍ عُكَةً فَأَدَمَتْهُ ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقُولَ ، ثُمَّ قَالَ: ائْذَنْ لِعَشَرَةٍ, فَأَذِنَ لَهُمْ ، فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا ثُمَّ خَرَجُوا ، ثُمَّ قَالَ: ائْذَنْ لِعَشَرَةِ, فَأَذِنَ لَهُمْ ، فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا ثُمَّ خَرَجُوا ، ثُمَّ قَالَ: ائْذَنْ لِعَشَرَةٍ فَأَذِنَ لَهُمْ ، فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا ثُمَّ خَرَجُوا ، ثُمَّ قَالَ: ائْذَنْ لِعَشَرَةِ فَأَكَلَ القَوْمُ كُلُّهُمْ وَشَبِعُوا، وَالقَوْمُ سَبْعُونَ أَوْ ثَمَانُونَ رَجُلًا

অর্থ: হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (আমার সৎ পিতা) আবু তালহা রাযি. (আমার মা) উম্মে সুলাইম রাযি.-কে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুর্বল কণ্ঠস্বর শুনলাম। আমি লক্ষ্য করলাম তিনি ক্ষুধার্ত আছেন। তোমার কাছে কিছু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর তিনি কয়েক টুকরা যবের রুটি বের করে আনলেন এবং তার উড়নার একাংশ দ্বারা রুটি পেঁচিয়ে দিলেন। তারপর পুঁটলিটি আমার কাপড়ের নীচে গুঁজে দিলেন। অতঃপর আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পাঠান। আমি তা নিয়ে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মসজিদে বসা অবস্থায় পেলাম। তাঁর সাথে আরো লোক ছিলো। আমি তাদের কাছে দাঁড়ালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, তোমাকে কি আবু তালহা পাঠিয়েছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, খাবারের জন্য? আমি বললাম, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা চলো। সুতরাং সবাই রওয়ানা হলেন। আমিও তাদের সাথে আগে আগে এসে আবু তালহা রাযি.-কে অবহিত করলাম। আবু তালহা বলেন: হে উম্মে সুলাইম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো সাহাবীদের নিয়ে চলে এসেছেন। অথচ সকলকে খাওয়ানোর মতো কিছুই আমাদের কাছে নেই। উম্মে সুলাইম রাযি. বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। অতঃপর আবু তালহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাক্ষাত করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে বাড়িতে প্রবেশ করে বললেন: হে উম্মে সুলাইম! তোমার কাছে যা আছে নিয়ে এসো। তিনি সেই রুটিগুলো হাজির করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুটিগুলো টুকরা টুকরা করতে আদেশ দিলে সেগুলো টুকরা করা হলো। উম্মে সুলাইম তাতে ঘি ঢেলে তরকারি তৈরি করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর মর্জি মাফিক বরকতের দুআ পড়লেন। অতঃপর বললেন: দশজনকে ভেতরে আসতে বলো। তিনি (আবু তালহা) তাদের অনুমতি দিলেন। তারা ভেতরে এসে তৃপ্তির সাথে খেয়ে বেরিয়ে গেলেন। অতঃপর তিনি আরো দশজনকে আসার কথা বললেন। তারাও ভেতরে এসে তৃপ্তি সহকারে খেয়ে বেরিয়ে গেলেন। পুনরায় দশজনকে আসার কথা বললেন। এভাবে এ দলের সবাই পূর্ণ তৃপ্তির সাথে খেয়ে গেলেন। এ দলে সত্তরজন অথবা আশিজন লোক ছিলেন। (বুখারী-৩৫৭৮, ৫৩৮১, ৫৪৫০, ৬৫৮৮, ইফা.-৩৩২২, মুসলিম-২০৪০, তিরমিযী-৩৬৩০, আহমাদ-১২০৮২, ১২৮৭০, ১৩০১৫, ১৩১৩৫, ১৩২৮২, মালিক-১৭২৫, দারিমী-৪৩, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 এক পেয়ালা দুধ ৭০ জন সাহাবী তৃপ্তিসহ পান করলেন

📄 এক পেয়ালা দুধ ৭০ জন সাহাবী তৃপ্তিসহ পান করলেন


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : أَللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ إِنْ كُنْتُ لَأَعْتَمِدُ بِكَبِدِي عَلَى الأَرْضِ مِنَ الجُوعِ، وَإِنْ كُنْتُ لَأَشُدُّ الحَجَرَ عَلَى بَطْنِي مِنَ الجُوعِ، وَلَقَدْ قَعَدْتُ يَوْمًا عَلَى طَرِيقِهِمُ الَّذِي يَخْرُجُونَ مِنْهُ، فَمَرَّ أَبُو بَكْرٍ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ آيَةٍ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ ، مَا سَأَلْتُهُ إِلَّا لِيُشْبِعَنِي ، فَمَرَّ وَلَمْ يَفْعَلْ ، ثُمَّ مَرَّ بِي عُمَرُ ، فَسَأَلْتُهُ عَنْ آيَةٍ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ ، مَا سَأَلْتُهُ إِلَّا لِيُشْبِعَنِي، فَمَرَّ فَلَمْ يَفْعَلُ، ثُمَّ مَرَّ بِي أَبُو القَاسِمِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَتَبَسَّمَ حِينَ رَآنِي، وَعَرَفَ مَا فِي نَفْسِي وَمَا فِي وَجْهِي، ثُمَّ قَالَ: يَا أَبَا هِرٌ, قُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: الحَقُّ, وَمَضَى فَتَبِعْتُهُ، فَدَخَلَ، فَاسْتَأْذَنَ، فَأَذِنَ لِي ، فَدَخَلَ، فَوَجَدَ لَبَنًا فِي قَدَحٍ ، فَقَالَ: مِنْ أَيْنَ هَذَا اللَّبَنُ؟ قَالُوا : أَهْدَاهُ لَكَ فُلانٌ أَوْ فُلانَةٌ، قَالَ: أَبَا هِرْ, قُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللهِ ، قَالَ : الحَقُّ إِلَى أَهْلِ الصُّفَةِ فَادْعُهُمْ بِي, قَالَ: وَأَهْلُ الصُّفَةِ أَضْيَافُ الإِسْلَامِ لا يَأْوُونَ إِلَى أَهْلٍ وَلا مَالٍ وَلا عَلَى أَحَدٍ إِذَا أَتَتْهُ صَدَقَةٌ بَعَثَ بِهَا إِلَيْهِمْ وَلَمْ يَتَنَاوَلُ مِنْهَا شَيْئًا، وَإِذَا أَتَتُهُ هَدِيَّةٌ أَرْسَلَ إِلَيْهِمْ وَأَصَابَ مِنْهَا وَأَشْرَكَهُمْ فِيهَا. فَسَاءَ نِي ذَلِكَ ، فَقُلْتُ : وَمَا هَذَا اللَّبَنُ فِي أَهْلِ الصُّفَةِ كُنْتُ أَحَقُّ أَنَا أَنْ أُصِيبَ مِنْ هَذَا اللَّبَنِ شَرْبَةً أَتَقَوَى بِهَا، فَإِذَا جَاءَ أَمَرَنِي، فَكُنْتُ أَنَا أُعْطِيهِمْ ، وَمَا عَسَى أَنْ يَبْلُغَنِي مِنْ هَذَا اللَّبَنِ، وَلَمْ يَكُنْ مِنْ طَاعَةِ اللَّهِ وَطَاعَةِ رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِد، فَأَتَيْتُهُمْ فَدَعَوْتُهُمْ فَأَقْبَلُوا، فَاسْتَأْذَنُوا فَأَذِنَ لَهُمْ ، وَأَخَذُوا مَجَالِسَهُمْ مِنَ البَيْتِ، قَالَ: يَا أَبَا هِرٌ, قُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: خُذْ فَأَعْطِهِمْ, قَالَ: فَأَخَذْتُ القَدَحَ، فَجَعَلْتُ أُعْطِيهِ الرَّجُلَ فَيَشْرَبُ حَتَّى يَرْوَى، ثُمَّ يَرُدُّ عَلَيَّ القَدَحَ، فَأُعْطِيهِ الرَّجُلَ فَيَشْرَبُ حَتَّى يَرْوَى ، ثُمَّ يَرُدُّ عَلَيَّ القَدَحَ فَيَشْرَبُ حَتَّى يَرْوَى، ثُمَّ يَرُدُّ عَلَيَّ القَدَحَ، حَتَّى انْتَهَيْتُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَدْ رَوِيَ القَوْمُ كُلُّهُمْ ، فَأَخَذَ القَدَحَ فَوَضَعَهُ عَلَى يَدِهِ، فَنَظَرَ إِلَيَّ فَتَبَسَّمَ ، فَقَالَ: أَبَا هِرْ قُلْتُ : لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ : بَقِيتُ أَنَا وَأَنْتَ قُلْتُ : صَدَقْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَالَ: اقْعُدُ فَأَشْرَبُ, فَقَعَدْتُ فَشَرِبْتُ، فَقَالَ : اشْرَبْ, فَشَرِبْتُ، فَمَا زَالَ يَقُولُ: اشْرَبْ, حَتَّى قُلْتُ: لَا وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالحَقِّ، مَا أَجِدُ لَهُ مَسْلَكًا، قَالَ: فَأَرِنِي, فَأَعْطَيْتُهُ القَدَحَ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَسَمَّى وَشَرِبَ الفَضْلَةَ

অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ক্ষুধার কারণে আমি আমার পেট মাটির সাথে লাগিয়ে রাখতাম, আবার কখনো ক্ষুধার জ্বালায় আমার পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। একদিন আমি লোক চলাচলের পথের উপর বসে থাকলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে পথে আমার নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় আমাকে দেখে মুচকি হাসলেন এবং আমার মুখমণ্ডলের অবস্থা ও অন্তরের কথা বুঝে ফেললেন। তিনি বললেন: হে আবু হুরায়রা! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার খেদমতে উপস্থিত। তিনি বললেন: আমার সাথে এসো। তিনি রওয়ানা দিলেন। আমিও তাঁর পিছে পিছে গেলাম। তিনি অনুমতি নিয়ে বাড়ি প্রবেশ করলে আমিও প্রবেশ করলাম। তিনি এক পেয়ালা দুধ দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এ দুধ কোথা থেকে এসেছে? পরিবারের লোকেরা বললো, অমুক ব্যক্তি বা অমুক মেয়েলোক আপনার জন্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন। তিনি বললেন: হে আবু হুরায়রা! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার খেদমতে হাজির। তিনি বললেন: যাও আসহাবে সুফফাদের ডেকে নিয়ে এসো। আবু হুরায়রা রাযি. বলেন, আসহাবে সুফফা হলো ইসলামের মেহমান। তাদের বাড়ি-ঘর, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ বলতে কিছুই ছিলো না। এমন কোন বন্ধু-বান্ধবও তাদের ছিলো না যাদের বাড়িতে গিয়ে তারা থাকতে পারতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে কোনো সদকার মাল আসলে তা তিনি তাদের নিকট পাঠিয়ে দিতেন, তিনি তাতে হাত দিতেন না। আর যখন হাদিয়া বা উপহার আসতো, তখন তিনি তাদের কাছে কিছু পাঠিয়ে দিতেন এবং নিজেও তা থেকে গ্রহণ করতেন।
সেদিন তিনি আমাকে তাদের ডেকে আনার কথা বলাতে আমার খুব খারাপ লাগলো। আমি মনে মনে বললাম, আসহাবে সুফফার জন্য এতোটুকু দুধে কী হবে? আমি তো বেশি হকদার ছিলাম, এ দুধের কিছু পান করে শক্তি অনুভব করতাম। আর তারা যখন আসবে, তাদেরকে এ দুধ পরিবেশন করার জন্য তিনি তো আমাকেই আদেশ দিবেন। তাদের সবাইকে দেয়ার পর এ থেকে আমি কিছু পাব বলে তো মনে হলো না। অথচ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আদেশ মান্য করা ছাড়া কোনো উপায়ও ছিলো না। তাই আমি তাদের কাছে গিয়ে সংবাদ দিলাম। তারা এসে ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি চাইলে তিনি তাদের অনুমতি দিলেন। তারা ঘরের ভেতরে নিজ নিজ জায়গায় বসে পড়লেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: হে আবু হুরায়রা! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার কাছেই উপস্থিত। তিনি বললেন: দুধের পেয়ালাটি নিয়ে তাদের পরিবেশন করো। আবু হুরায়রা বলেন, আমি পেয়ালা নিয়ে একজনকে দিলাম। তিনি তৃপ্তির সাথে পান করে আমাকে পেয়ালা ফেরত দিলেন। এরপর আমি আরেকজনকে দিলাম, তিনিও পূর্ণ তৃপ্তির সাথে পান করে আমাকে পেয়ালাটা ফেরত দিলেন। এভাবে সবার শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পেয়ালা নিয়ে হাজির হলাম। অথচ উপস্থিত সকলেই তৃপ্তির সাথে তা পান করেছেন। তিনি পেয়ালাটা নিয়ে নিজের হাতে রেখে মুচকি হেসে বললেন: হে আবু হুরায়রা! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার খেদমতে হাজির। তিনি বললেন: আমি আর তুমি বাকি রয়ে গেছি। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি সত্যিই বলেছেন। তিনি বললেন: বসো এবং পান করো। অতএব আমি বসে তা পান করলাম। পুনরায় তিনি বললেন, পান করো। আমি পান করলাম। এভাবে তিনি আমাকে পান করার কথা বলতেই থাকলেন। অবশেষে আমি বললাম, না আর পারবো না। সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! এর জন্য আমার পেটে আর খালি জায়গা নেই। তিনি বললেন: আমাকে এবার তৃপ্ত করো। আমি তাঁকে পেয়ালা দিলে তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন এবং বিসমিল্লাহ বলে অবশিষ্ট দুধ পান করলেন। (বুখারী-৬৪৫২, ৫৩৭৫, ইফা.-৬০০৮, মুসলিম-২০২২, তিরমিযী-২৪৭৭, আহমাদ-১০৩০১, ১৬৩৩২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00