📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 কিয়ামতের দিন যালিমদের কি অবস্থা হবে?

📄 কিয়ামতের দিন যালিমদের কি অবস্থা হবে?


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 কিয়ামত দিবসে যালিমদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ হবে

📄 কিয়ামত দিবসে যালিমদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ হবে


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ ظَلَمَ قِيدَ شِبْرٍ مِنَ الْأَرْضِ طُوقَهُ مِنْ سَبْعِ أَرَضِينَ

অর্থ: হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি অন্যায়ভাবে দখল করে নেয়, কিয়ামত দিবসে এর সপ্তস্তর জমি তার গলায় লটকিয়ে দেয়া হবে। (বুখারী-২৪৫৩, ৩১৯৫, ইফা.-২২৯১, মুসলিম-৪০২৯, ইফা.-৩৯৯২, আহমাদ-২৩৮৩২, ২৫৬১২, ২৫৬৯২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 কিয়ামত দিবসে যারিমদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত

📄 কিয়ামত দিবসে যারিমদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত


عَنْ خَوْلَةَ الأَنْصَارِيَّةِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا ، قَالَتْ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: إِنَّ رِجَالًا يَتَخَوَّضُونَ فِي مَالِ اللَّهِ بِغَيْرِ حَقٌّ، فَلَهُمُ النَّارُ يَوْمَ القِيَامَةِ

অর্থ: (হযরত হামযার স্ত্রী) খাওলা আনসারীয়া রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: কিছু লোক আল্লাহ প্রদত্ত সম্পদ অন্যায়ভাবে ব্যয় করে, কিয়ামত দিবসে তাদের জন্যে জাহান্নাম অবধারিত। (বুখারী-৩১১৮, ইফা.-২৮৯৪, তিরমিযী-২৩৭০, আহমাদ-২৬৫১৪, ২৬৫৮৩, ২৬৭৭২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 যালিমরা ডানে-বামে শুধু আগুন আর আগুন দেখতে পাবে

📄 যালিমরা ডানে-বামে শুধু আগুন আর আগুন দেখতে পাবে


عَنْ عَدِي بْن حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَاءَهُ رَجُلانِ أَحَدُهُمَا يَشْكُو العَيْلَةَ، وَالْآخَرُ يَشْكُو قَطَعَ السَّبِيلِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : أَمَّا قَطْعُ السَّبِيلِ: فَإِنَّهُ لَا يَأْتِي عَلَيْكَ إِلَّا قَلِيلٌ حَتَّى تَخْرُجَ العِيرُ إِلَى مَكَّةَ بِغَيْرِ خَفِيرٍ، وَأَمَّا العَيْلَةُ: فَإِنَّ السَّاعَةَ لَا تَقُومُ ، حَتَّى يَطُوفَ أَحَدُكُمْ بِصَدَقَتِهِ، لَا يَجِدُ مَنْ يَقْبَلُهَا مِنْهُ ، ثُمَّ لَيَقِفَنَّ أَحَدُكُمْ بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ حِجَابٌ وَلَا تَرْجُمَانٌ يُتَرْجِمُ لَهُ، ثُمَّ لَيَقُولَنَّ لَهُ: أَلَمْ أُوتِكَ مَالًا ۚ فَلَيَقُولَنَّ : بَلَى، ثُمَّ لَيَقُولَنَّ أَلَمْ أُرْسِلُ إِلَيْكَ رَسُولًا ۚ فَلَيَقُولَنَّ : بَلَى، فَيَنْظُرُ عَنْ يَمِينِهِ فَلَا يَرَى إِلَّا النَّارَ، ثُمَّ يَنْظُرُ عَنْ شِمَالِهِ فَلَا يَرَى إِلَّا النَّارَ

অর্থ: হযরত আদী ইবনে হাতিম রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় দু'জন লোক তাঁর কাছে আসলেন। তাদের একজন দরিদ্রতার অভিযোগ করছিলেন এবং অপরজন রাহাজানির অভিযোগ করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: রাহাজানির বিষয়টি হচ্ছে- অচিরেই এমন একটা সময় আসবে যখন কাফেলা মক্কা পর্যন্ত বিনা পাহারায় পৌঁছে যাবে। আর দরিদ্রতার অবস্থা হচ্ছে- 'তোমাদের কেউ সদকা (যাকাত) নিয়ে ঘোরাফেরা করবে, কিন্তু তা গ্রহণ করার মত কাউকে পাবে না। এমন সময় না আসা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তারপর (কিয়ামত দিবসে) আল্লাহর নিকট তোমাদের কেউ এমনভাবে দণ্ডায়মান হবে যে, তার ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকবে না এবং কোনো দোভাষীও থাকবে না, যে তরজমা করবে। এরপর তিনি বলবেন, আমি কি তোমাকে ধন-সম্পদ দেইনি? সে বলবে, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় বলবেন, আমি কি তোমার নিকট রাসূল প্রেরণ করিনি? সে বলবে হ্যাঁ, অবশ্যই। তখন সে ব্যক্তি ডান দিকে তাকিয়ে শুধু আগুন দেখতে পাবে, তেমনিভাবে বাম দিকে দৃষ্টি করে শুধু আগুনই দেখতে পাবে। (বুখারী-১৪১৩, ১৪১৭, ৩৫৯৫, ৬০২৩, ৬৫৩৯, ৬৫৪০, ৬৫৬৩, ৭৪৪৩, ৭৫১২, ইফা.-১৩৩০, মুসলিম-১০১৬, নাসাঈ-২৫৫২, ২৫৫৩, আহমাদ-১৭৭৮২, ১৮২৮০, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00