📄 নিকৃষ্ট লোকদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : لا يَزْدَادُ الأَمْرُ إِلا شِدَّةً, وَلا الدُّنْيَا إِلَّا إِدْبَارًا, وَلَا النَّاسُ إِلَّا شُئًا, وَلَا تَقُومُ السَّاعَةُ إِلَّا عَلَى شِرَارِ النَّاسِ
অর্থ: আনাস ইবনে মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: প্রতিনিয়ত বিপদাপদ বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। দুনিয়াতে অভাব-অনটনও বাড়তে থাকবে এবং কৃপণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। তখন নিকৃষ্ট লোকদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ইবনে মাজাহ-৪০৩৯)
📄 কিয়ামতের দিন সমগ্র পৃথিবী আল্লাহর হাতের মুঠোয় থাকবে
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : يَقْبِضُ اللَّهُ الْأَرْضَ، وَيَطْوِي السَّمَوَاتِ بِيَمِينِهِ، ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا الْمَلِكُ، أَيْنَ مُلُوكُ الْأَرْضِ
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা'আলা যমীনকে নিজ মুঠোয় নিবেন এবং আকাশমণ্ডলীকে ভাঁজ করে তাঁর ডান হাতে নিবেন, অতঃপর বলবেন, আজ আমিই মালিক, দুনিয়ার বাদশাহরা কোথায়? (বুখারী-৪৮১২, ৬৫১৯, ৭৩৮২, মুসলিম-২৭৮৭, ৬৯৪৩, আহমাদ-৮৮৭২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
📄 জাহান্নামীদের ঘাম সত্তর হাত ছাড়িয়ে যাবে
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَعْرَقُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يَذْهَبَ عَرَقُهُمْ فِي الْأَرْضِ سَبْعِينَ ذِرَاعًا، وَيُلْجِمُهُمْ حَتَّى يَبْلُغَ إِذَا نَهُمْ
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কিয়ামতের দিন মানুষের অধিক পরিমাণ ঘাম হবে। এমনকি তাদের ঘাম যমীনে সত্তর হাত পর্যন্ত ছড়িয়ে যাবে এবং তাদের মুখ পর্যন্ত ঘামে নিমজ্জিত হবে; এমনকি কান পর্যন্ত হয়ে যাবে। (বুখারী-৬৫৩২, ইফা.-৬০৮৮, মুসলিম-২৮৬৩, তিরমিযী-২৪২২, ইবনে মাজাহ-৪২৭৮, আহমাদ-৯৪২৬, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)
📄 কিয়ামতের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানলে মানুষ জঙ্গলে চলে যেতো
عَنْ أَبِي ذَرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : إِنِّي أَرَى مَا لا تَرَوْنَ وَأَسْمَعُ مَا لَا تَسْمَعُونَ أَطَّتِ السَّمَاءُ وَحُقَّ لَهَا أَنْ تَشِطَ مَا فِيهَا مَوْضِعُ أَرْبَعِ أَصَابِعَ إِلَّا وَمَلَكَ وَاضِعٌ جَبْهَتَهُ سَاجِدًا لِلَّهِ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلاً وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا وَمَا تَلَذَّذْتُمْ بِالنِّسَاءِ عَلَى الْفُرُشِ وَلَخَرَجْتُمْ إِلَى الصُّعُدَاتِ تَجْأَرُونَ إِلَى اللَّهِ. لَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ شَجَرَةً تُعْضَدُ অর্থ: হযরত আবু যার রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: আমি যা দেখি, তা তোমরা দেখতে পাও না। আসমান কট্ কট্ শব্দ করছে। এরূপ শব্দ করার অধিকারও তার রয়েছে। কেননা সেখানে এমন চার আঙ্গুল পরিমাণ জায়গাও খালি নেই, যেখানে ফেরেশতারা আল্লাহর জন্য সিজদায় কপাল অবনত করেননি। আল্লাহর কসম! আমি যা জানি, তোমরা যদি তা জানতে, তাহলে তোমরা অবশ্যই কম হাসতে এবং বেশি কাঁদতে। তোমরা স্ত্রীদের সাথে বিছানায় আমোদ-আহলাদও করতে না; বরং মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার জন্য বনে-জঙ্গলে বেরিয়ে যেতে। (তিরমিযী-২৩১২, ইবনে মাজাহ-৪১৯০, আহমাদ-২১০০৫, হাদীসের শব্দাবলী তিরমিযীর)