📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 ইয়াজুজ মাজুজের পরিচয়

📄 ইয়াজুজ মাজুজের পরিচয়


আল্লামা বাগভী রহ. লিখেছেন, ইয়াজুজ-মাজুজ ইয়াফেস ইবনে নূহের বংশধর। যাহ্যাক রহ. বলেছেন, তারা তুর্কীদের বংশধর। সুদ্দী রহ. বলেছেন, তুর্কীরা ইয়াজুজদের একটি সৈন্যদল ছিলো। জুলকারনাইন যখন অত্যন্ত মজবুত লৌহ প্রাচীর নির্মাণ করলেন, তখন তারা ঐ প্রাচীরের পেছনেই রয়ে গেলো।
হযরত কাতাদা রহ. বলেন, ইয়াজুজের ২২ টি গোত্র ছিলো। জুলকারনাইন যখন প্রাচীর নির্মাণ করলেন, তখন তাদের একটি গোত্র এদিকে রয়ে গেল। আর ২১ টি গোত্র দেয়ালের পেছনে রয়ে গেল। যারা এদিকে রয়ে গেল তারাই তুর্কী।
ঐতিহাসিকগণ লিখেছেন, হযরত নূহ আলাইহিস সালামের তিন পুত্র ছিল। সাম, হাম এবং ইয়াফেস। 'আরব, 'পারস্য ও 'রোম, সামের বংশধররা আবাদ করেছে। আর আফ্রিকা আবাদ করেছে হামের বংশধররা। আর ইয়াফেসের বংশধররা হল তুর্কী এবং ইয়াজুজ-মাজুজ।
আল্লামা বাগভী রহ. লিখেছেন, ইয়াজুজ-মাজুজ তিন প্রকার :
(১). প্রথম প্রকার হচ্ছে, যারা একশত বিশ হাত লম্বা।
(২). দ্বিতীয় প্রকার হচ্ছে, যারা দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে সমান। দৈর্ঘ্য একশত ত্রিশ হাত এবং প্রস্থও ততটুকু। তাদের সম্মুখে কোনো পাহাড়ও টিকতে পারে না।
(৩). তৃতীয় প্রকার হচ্ছে, যারা একটি কান বিছিয়ে রাখে এবং অপর কান দ্বারা শরীর ঢেকে রাখে। কিয়ামতের পূর্বে তারা বের হয়ে আসবে। ঘোড়া, শূকর বা জংলী জন্তু তাদের সম্মুখে আসলে তারা তা খেয়ে ফেলবে। তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে তারা তাকে খেয়ে ফেলে। যখন তারা বের হবে তখন পূর্ব পশ্চিমের সকল সমুদ্রের পানি পান করে ফেলবে। এ দুর্ধর্ষ জাতি মানুষকে খেয়ে ফেলতে সামান্যতম দ্বিধাবোধ করবে না।
তত্ত্বজ্ঞানীগণ বলেছেন, তাদের দেশ পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। সেদেশের উত্তর দিকে এমন একটি সমুদ্র রয়েছে যার পানি শীতল হওয়ার কারণে জমাট হয়ে থাকে, ফলে তাতে জাহাজ চলাচল সম্ভব হয় না। এ সমুদ্রের পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দু'টি পাহাড় দণ্ডায়মান রয়েছে। এ দু'পাহাড়ের মাঝে যাতায়াতের কোনো পথ নেই। পাহাড় দু'টির মধ্যে এমন একটি গোপন ঘাটি রয়েছে, যে ঘাটি থেকে ইয়াজুজ-মাজুজ বেরিয়ে আসতো এবং লুটতরাজ করতো।
বাদশাহ জুলকারনাইন অত্যন্ত মজবুত একটি লৌহ প্রাচীর নির্মাণ করলেন। যার উচ্চতা প্রায় ঐ পাহাড় দু'টির সমান এবং প্রস্থ ষাট গজ। আর সে প্রাচীর দ্বারা তিনি ঘাটির পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা সারাদিন ঐ প্রাচীর ভাঙ্গার কাজে লিপ্ত থাকে। কিন্তু রাত্রে আল্লাহ তায়ালা তাঁর অসীম কুদরতে ঐ প্রাচীরকে পুনরায় পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ঐ প্রাচীরে সামান্য পরিমাণে ছিদ্র হয়েছে। কিন্তু এখনো এতকুটু পর্যন্ত ছিদ্র হয়নি যার মধ্য দিয়ে কোনো মানুষ বের হতে পারে।
হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: নিশ্চয়ই ইয়াজুজ-মাজুজ প্রতিদিন সুড়ঙ্গ পথ খনন করতে থাকে। এমনকি যখন তারা সূর্যের আলোকরশ্মি দেখার মতো অবস্থায় পৌঁছে, তখন তাদের নেতা বলে, তোমরা ফিরে চলো, আগামী কাল এসে আমরা অবশিষ্ট খনন কাজ শেষ করবো। অতঃপর আল্লাহ তাআলা (রাতের মধ্যে) সেই প্রাচীরকে আগের চেয়ে মযবুত অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। যখন তাদের আবির্ভাবের সময় হবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে মানুষের কাছে প্রেরণের ইচ্ছা করবেন, তখন তারা খনন কাজ করতে থাকবে। শেষে যখন তারা সূর্যরশ্মি দেখার মতো অবস্থায় পৌঁছবে তখন তাদের নেতা বলবে, এখন ফিরে চলো- إِنْ شَاءَ اللهُ (ইনশাআল্লাহ) আগামী কাল অবশিষ্ট খনন কাজ সম্পন্ন করবো। তারা ইনশাআল্লাহ শব্দ ব্যবহার করবে। সেদিন তারা ফিরে যাবে এবং প্রাচীর তাদের রেখে যাওয়া ক্ষীণ অবস্থায় থেকে যাবে। (পরের দিন) এ অবস্থায় তারা খননকাজ শেষ করে লোকালয়ে বের হয়ে আসবে এবং সমুদ্রের পানি পান করে শেষ করে ফেলবে। মানুষ তাদের ভয়ে পালিয়ে দূর্গের মধ্যে আশ্রয় নিবে। তারা আকাশপানে তাদের তীর নিক্ষেপ করবে। রক্তে রঞ্জিত হয়ে তা তাদের দিকে ফিরে আসবে। তখন তারা বলবে, আমরা পৃথিবীবাসীদের চরমভাবে পরাভূত করেছি এবং আসমানবাসীদের উপরও বিজয়ী হয়েছি। অতঃপর আল্লাহ তাদের ঘাড়ে এক ধরনের কীট সৃষ্টি করবেন। কীটগুলো তাদের হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই মহান সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! ভূপৃষ্ঠের গবাদি পশুগুলো তাদের (ইয়াজুজ-মাজুজের) গোশত খেয়ে মোটাতাজা হয়ে যাবে。
(তিরমিযী-৩১৫৩, ইবনে মাজাহ-৪০৮০, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
আল্লামা সানাউল্লাহ পানিপত্তি রহ. বাগভীর রহ. উদ্ধৃতি দিয়ে ইয়াজুজ- মাজুজ সম্পর্কে আরো লিখেছেন, কিয়ামতের পূর্বে ইয়াজুজ-মাজুজের দল জুলকারনাইন নির্মিত প্রাচীর ভেঙ্গে পঙ্গপালের মতো চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়বে এবং অশ্ব, শূকর সহ যাবতীয় জংলী জন্তুও তারা খেয়ে ফেলবে। তাদের দলের প্রথম ভাগ যখন সিরিয়ায় পৌঁছবে তখন পেছনের ভাগ খোরাসানে থাকবে।
আল্লামা সুয়ূতী রহ. ইবনুল মুনজের এবং ইবনে আবি হাতেমের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছেন যে, ইয়াজুজ মাজুজ পৃথিবীতে চরম অশান্তি সৃষ্টি করবে, এমনকি তারা মানুষকে খেয়ে ফেলবে। নিম্নে ইয়াজুজ-মাজুজ সম্পর্কিত কতিপয় হাদীস উল্লেখ করা হলো:

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীর ফাঁক হয়ে গিয়েছে

📄 ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীর ফাঁক হয়ে গিয়েছে


عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، أَنَّهَا قَالَتِ اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ نَوْمِهِ وَهُوَ مُحْمَرٌ وَجْهُهُ, وَهُوَ يَقُولُ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ, وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرِّ قَدِ اقْتَرَبَ فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ وَعَقَدَ بِيَدَيْهِ عَشَرَةً, قَالَتْ زَيْنَبُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ, أَنَهْلِكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ, قَالَ إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ

অর্থ: হযরত যায়নাব বিনতে জাহশ রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রক্তিমাভ চেহারা নিয়ে ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন। (ঘুম থেকে জেগেই) তিনি বললেন: 'লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ” খুব নিকটবর্তী অনিষ্টের কারণে আরবের ধ্বংস অনিবার্য। আজ ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীর এতোটুকু ফাঁক হয়ে গেছে। এরপর তিনি তাঁর হাতের আঙ্গুল দিয়ে দশ সংখ্যার বৃত্ত করে দেখান। যায়নাব রাযি. বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের মধ্যে নেককার লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাবো? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যখন পাপাচার (খারাপ কাজ) বিস্তার ঘটবে। (বুখারী-৩৩৪৬, মুসলিম-২৮৮০, তিরমিযী-২১৮৭, ইবনে মাজাহ-৩৯৫৩, আহমাদ-২৬৮৬৭, ২৬৮৭০, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 ইয়াজুজ-মাজুজ যেভাবে প্রাচীর ভেঙ্গে বেরিয়ে আসবে

📄 ইয়াজুজ-মাজুজ যেভাবে প্রাচীর ভেঙ্গে বেরিয়ে আসবে


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ يَحْفِرُونَ كُلَّ يَوْمٍ حَتَّى إِذَا كَادُوا يَرَوْنَ شُعَاعَ الشَّمْسِ قَالَ الَّذِي عَلَيْهِمُ ارْجِعُوا فَسَتَحْفِرُهُ غَدًا فَيُعِيدُهُ اللَّهُ أَشَدَّ مَا كَانَ حَتَّى إِذَا بَلَغَتْ مُدَّتُهُمْ وَأَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَبْعَثَهُمْ عَلَى النَّاسِ حَفَرُوا حَتَّى إِذَا كَادُوا يَرَوْنَ شُعَاعَ الشَّمْسِ قَالَ الَّذِي عَلَيْهِمُ ارْجِعُوا فَسَتَحْفِرُونَهُ غَدًا إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى وَاسْتَثْنَوْا فَيَعُودُونَ إِلَيْهِ وَهُوَ كَهَيْئَتِهِ حِينَ تَرَكُوهُ فَيَحْفِرُونَهُ وَيَخْرُجُونَ عَلَى النَّاسِ فَيَنْشِفُونَ الْمَاءَ وَيَتَحَصَّنُ النَّاسُ مِنْهُمْ فِي حُصُونِهِمْ فَيَرْمُونَ بِسِهَامِهِمْ إِلَى السَّمَاءِ فَتَرْجِعُ عَلَيْهَا الدَّمُ الَّذِي اجْفَظَ فَيَقُولُونَ قَهَرْنَا أَهْلَ الْأَرْضِ وَعَلَوْنَا أَهْلَ السَّمَاءِ فَيَبْعَثُ اللَّهُ نَغَفًا فِي أَقْفَائِهِمْ فَيَقْتُلُهُمْ بِهَا, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّ دَوَابَ الأَرْضِ لَتَسْمَنُ وَتَشْكُرُ شَكَرًا مِنْ لُحُومِهِمْ

অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: নিশ্চয়ই ইয়াজুজ-মাজুজ প্রতিদিন সুড়ঙ্গ পথ খনন করতে থাকে। এমনকি যখন তারা সূর্যের আলোকরশ্মি দেখার মতো অবস্থায় পৌঁছে, তখন তাদের নেতা বলে, তোমরা ফিরে চলো, আগামী কাল এসে আমরা অবশিষ্ট খনন কাজ শেষ করবো।
অতঃপর আল্লাহ তাআলা (রাতের মধ্যে) সেই প্রাচীরকে আগের চেয়ে মযবুত অবস্থায় ফিরিয়ে দেন। যখন তাদের আবির্ভাবের সময় হবে এবং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে মানুষের কাছে প্রেরণের ইচ্ছা করবেন, তখন তারা খনন কাজ করতে থাকবে। শেষে যখন তারা সূর্যরশ্মি দেখার মতো অবস্থায় পৌঁছবে তখন তাদের নেতা বলবে, এখন ফিরে চলো- إِنْ شَاءَ اللهُ (ইনশাআল্লাহ) আগামী কাল অবশিষ্ট খনন কাজ সম্পন্ন করবো। তারা ইনশাআল্লাহ শব্দ ব্যবহার করবে। সেদিন তারা ফিরে যাবে এবং প্রাচীর তাদের রেখে যাওয়া ক্ষীণ অবস্থায় থেকে যাবে। (পরের দিন) এ অবস্থায় তারা খননকাজ শেষ করে লোকালয়ে বের হয়ে আসবে এবং সমুদ্রের পানি পান করে শেষ করে ফেলবে। মানুষ তাদের ভয়ে পালিয়ে দূর্গের মধ্যে আশ্রয় নিবে। তারা আকাশপানে তাদের তীর নিক্ষেপ করবে। রক্তে রঞ্জিত হয়ে তা তাদের দিকে ফিরে আসবে। তখন তারা বলবে, আমরা পৃথিবীবাসীদের চরমভাবে পরাভূত করেছি এবং আসমানবাসীদের উপরও বিজয়ী হয়েছি। অতঃপর আল্লাহ তাদের ঘাড়ে এক ধরনের কীট সৃষ্টি করবেন। কীটগুলো তাদের হত্যা করবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই মহান সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! ভূপৃষ্ঠের গবাদি পশুগুলো তাদের (ইয়াজুজ-মাজুজের) গোশত খেয়ে মোটাতাজা হয়ে যাবে। (তিরমিযী-৩১৫৩, ইবনে মাজাহ-৪০৮০, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 ইয়াজুজ-মাজুজ এসে হত্যাযজ্ঞ চালাবে

📄 ইয়াজুজ-মাজুজ এসে হত্যাযজ্ঞ চালাবে


عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّوَّاسَ بْنَ سَمْعَانَ، يَقُولُ, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : سَيُوقِدُ الْمُسْلِمُونَ مِنْ قِسِيَ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ وَنُشَابِهِمْ وَأَتْرِسَتِهِمْ سَبْعَ سنين

অর্থ: নাওয়াস ইবনে সামআন রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: অচিরেই মুসলমানগণ ইয়াজুজ-মাজুজের তীর-ধনুক, বর্শাফলক এবং ঢালসমূহ সাত বছর ধরে জ্বালানী কাঠরূপে ভষ্মীভূত করবে। (মুসলিম-২৯৩৭, তিরমিযী-২২৪০, আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৬, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00