📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 দাজ্জাল ৪০ বছর দুনিয়াতে অবস্থান করবে

📄 দাজ্জাল ৪০ বছর দুনিয়াতে অবস্থান করবে


قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : وَإِنَّ أَيَّامَهُ أَرْبَعُونَ سَنَةَ السَّنَةُ كَنِصْفِ السَّنَةِ وَالسَّنَةُ كَالشَّهْرِ وَالشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ وَآخِرُ أَيَّامِهِ كَالشَّرَرَةِ

অর্থ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: দাজ্জাল চল্লিশ বছর বিপর্যয় ছড়াবে। তার (প্রথম) এক বছর হবে অর্ধ বছরের সমান, (পরের) এক বছর হবে এক মাসের সমান, (পরের) এক মাস এক সপ্তাহের সমান এবং অবশিষ্ট কাল অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বায়ুমন্ডলে উড়ে যাওয়ার মতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 দাজ্জাল আসার তিন বছর পূর্ব থেকে দুর্ভিক্ষ শুরু হবে

📄 দাজ্জাল আসার তিন বছর পূর্ব থেকে দুর্ভিক্ষ শুরু হবে


وَإِنَّ قَبْلَ خُرُوجِ الدَّجَّالِ ثَلاثَ سَنَوَاتٍ شِدَادٍ يُصِيبُ النَّاسَ فِيهَا جُوعٌ شَدِيدٌ يَأْمُرُ اللَّهُ السَّمَاءَ فِي السَّنَةِ الأُولَى أَنْ تَحْبِسَ ثُلُثَ مَطَرِهَا وَيَأْمُرُ الْأَرْضَ فَتَحْبِسُ ثُلُثَ نَبَاتِهَا ثُمَّ يَأْمُرُ السَّمَاءَ فِي السَّنَةِ الثَّانِيَةِ فَتَحْبِسُ ثُلُثَيْ مَطَرِهَا وَيَأْمُرُ الأَرْضَ فَتَحْبِسُ ثُلُثَى نَبَاتِهَا ثُمَّ يَأْمُرُ اللَّهُ السَّمَاءَ فِي السَّنَةِ الثَّالِثَةِ فَتَحْبِسُ مَطَرَهَا كُلَّهُ فَلَا تَقْطُرُ قَطْرَةٌ

অর্থ: দাজ্জালের আবির্ভাবের তিন বছর পূর্ব থেকে দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে, তখন মানুষ চরমভাবে ক্ষুধার যন্ত্রণা ভোগ করবে। প্রথম বছর আল্লাহ তাআলা আসমানকে তিন ভাগের এক ভাগ বৃষ্টি আটকে রাখার নির্দেশ দিবেন এবং যমীনকে নির্দেশ দিলে তা এক-তৃতীয়াংশ ফসল কম উৎপাদন করবে। এরপর তিনি আসমানকে দ্বিতীয় বছর একই নির্দেশ দিলে, তা দুই-তৃতীয়াংশ কম বৃষ্টি বর্ষণ করবে এবং যমীনকে হুকুম দিলে তাও দুই-তৃতীয়াংশ কম ফসল উৎপন্ন করবে। এরপর আল্লাহ তাআলা আকাশকে তৃতীয় বছরে একই নির্দেশ দিলে তা সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টিপাত বন্ধ করে দিবে। ফলে এক ফোঁটা বৃষ্টিও বর্ষিত হবে না। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 দুর্ভিক্ষের সময় একমাত্র আল্লাহর যিকিরই হবে মানুষের খাদ্য

📄 দুর্ভিক্ষের সময় একমাত্র আল্লাহর যিকিরই হবে মানুষের খাদ্য


وَيَأْمُرُ الأَرْضَ فَتَحْبِسُ نَبَاتَهَا كُلَّهُ فَلَا تُنْبِتُ خَضْرَاءَ فَلَا تَبْقَى ذَاتُ ظِلْفٍ إِلَّا هَلَكَتْ إِلَّا مَا شَاءَ اللهُ قِيلَ فَمَا يُعِيشُ النَّاسَ فِي ذَلِكَ الزَّمَانِ قَالَ التَّهْلِيلُ وَالتَّكْبِيرُ وَالتَّسْبِيحُ وَالتَّحْمِيدُ وَيُجْرَى ذَلِكَ عَلَيْهِمْ مَجْرَى الطَّعَامِ

অর্থ: আর তিনি যমীনকে নির্দেশ দিলে তা শস্য উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখবে। ফলে যমীনে কোনো ঘাস-পাতা জন্মাবে না, কোন সবজি অবশিষ্ট থাকবে না, বরং তা ধ্বংস হয়ে যাবে, তবে আল্লাহ যা চাইবেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, এ সময় লোকেরা কিভাবে বেঁচে থাকবে? তিনি বললেন: যারা তাহলীল (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ), তাকবীর (আল্লাহু আকবার), তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) ও তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) বলতে থাকবে, এগুলো তাদের খাদ্যনালিতে প্রবাহিত করা হবে। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 দাজ্জাল একজনকে হত্যা করে পুনরায় তাকে জীবিত করবে

📄 দাজ্জাল একজনকে হত্যা করে পুনরায় তাকে জীবিত করবে


عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ حَدِيثًا طَوِيلًا عَنِ الدَّجَّالِ فَكَانَ فِيمَا حَدَّثَنَا بِهِ أَنْ قَالَ: يَأْتِي الدَّجَّالُ، وَهُوَ مُحَرَّمْ عَلَيْهِ أَنْ يَدْخُلَ نِقَابَ المَدِينَةِ، بَعْضَ الصِّبَاحِ الَّتِي بِالْمَدِينَةِ، فَيَخْرُجُ إِلَيْهِ يَوْمَئِذٍ رَجُلٌ هُوَ خَيْرُ النَّاسِ، أَوْ مِنْ خَيْرِ النَّاسِ، فَيَقُولُ أَشْهَدُ أَنَّكَ الدَّجَّالُ الَّذِي حَدَّثَنَا عَنْكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثَهُ، فَيَقُولُ الدَّجَّالُ: أَرَأَيْتَ إِنْ قَتَلْتُ هَذَا، ثُمَّ أَحْيَيْتُهُ هَلْ تَشْكُونَ فِي الأَمْرِ ؟ فَيَقُولُونَ: لَا ، فَيَقْتُلُهُ ثُمَّ يُحْيِيهِ، فَيَقُولُ حِينَ يُحْيِيهِ: وَاللَّهِ مَا كُنْتُ قَط أَشَدَّ بَصِيرَةً مِنِّي اليَوْمَ ، فَيَقُولُ الدَّجَّالُ: أَقْتُلُهُ فَلَا أُسَلَّطَ عَلَيْهِ

অর্থ: হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে দাজ্জাল সম্পর্কে একটি দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করলেন। বর্ণিত কথাগুলোর মধ্যে তিনি এ কথাও বলেছিলেন যে, মদিনার প্রবেশ পথে দাজ্জালের অনুপ্রবেশ করা হারাম করে দেয়া হয়েছে। তাই সে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে মদিনার নিকটবর্তী কোনো একটি লবণাক্ত ভূমিতে অবতরণ করবে। ঐ সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি যাবে, যে (সকল মানুষের মধ্যে) উত্তম ব্যক্তি হবে অথবা (রাবীর সন্দেহ) উত্তম মানুষের একজন হবে। অতঃপর সে বলবে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমিই সেই দাজ্জাল, যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অবহিত করেছেন। দাজ্জাল বলবে, আমি যদি তাঁকে হত্যা করে পুনরায় জীবিত করি তাহলেও কি তোমরা আমার ব্যাপারে সন্দেহ করবে? তাঁরা বলবে, না। এরপর দাজ্জাল লোকটিকে হত্যা করে পুনরায় জীবিত করবে। লোকটি জীবিত হয়েই বলবে, আল্লাহ্র কসম! আজকের চেয়ে অধিক প্রত্যয় আমার আর কখনো ছিলো না। তারপর দাজ্জাল বলবে, আমি লোকটিকে হত্যা করবো। কিন্তু সে আর হত্যা করতে সক্ষম হবে না। (বুখারী-১৮৮২, ৭১৩২, ইফা.-১৭৬০, মুসলিম-২৯৩৮, আহমাদ-১০৯২৫, ১১৩১৮, ১১৩৪৩, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

দাজ্জাল চল্লিশ দিন, চল্লিশ মাস অথবা চল্লিশ বছর বেঁচে থাকবে
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ, قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : يَخْرُجُ الدَّجَّالُ فِي أُمَّتِي فَيَمْكُثُ أَرْبَعِينَ, لَا أَدْرِي أَرْبَعِينَ يَوْمًا, أَوْ أَرْبَعِينَ شَهْرًا, أَوْ أَرْبَعِينَ عَامًا, فَيَبْعَثُ اللَّهُ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ فَيَطْلُبُهُ, فَيُهْلِكُهُ, ثُمَّ يَمْكُثُ النَّاسُ سَبْعَ سِنِينَ لَيْسَ بَيْنَ اثْنَيْنِ عَدَاوَةٌ, ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ رِيحًا بَارِدَةً مِنْ قِبَلِ الشَّأْمِ, فَلَا يَبْقَى عَلَى وَجْهِ الأَرْضِ أَحَدٌ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ خَيْرٍ أَوْ إِيمَانٍ إِلَّا قَبَضَتْهُ حَتَّى لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ دَخَلَ فِي كَبَدِ جَبَلٍ لَدَخَلَتْهُ عَلَيْهِ حَتَّى تَقْبِضَهُ, قَالَ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ, فَيَبْقَى شِرَارُ النَّاسِ فِي خِفَّةِ الطَّيْرِ وَأَحْلامِ السِّبَاعِ لَا يَعْرِفُونَ مَعْرُوفًا وَلَا يُنْكِرُونَ مُنْكَرًا فَيَتَمَثَّلُ لَهُمُ الشَّيْطَانُ فَيَقُولُ أَلَا تَسْتَجِيبُونَ فَيَقُولُونَ فَمَا تَأْمُرُنَا فَيَأْمُرُهُمْ بِعِبَادَةِ الْأَوْثَانِ وَهُمْ فِي ذَلِكَ دَارٌ رِزْقُهُمْ حَسَنٌ عَيْشُهُمْ ثُمَّ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَلَا يَسْمَعُهُ أَحَدٌ إِلَّا أَصْغَى لِينًا وَرَفَعَ لِينًا قَالَ وَأَوَّلُ مَنْ يَسْمَعُهُ رَجُلٌ يَلُوطُ حَوْضَ إِبِلِهِ قَالَ فَيَصْعَقُ وَيَصْعَقُ النَّاسُ ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ أَوْ قَالَ يُنْزِلُ اللَّهُ مَطَرًا كَأَنَّهُ الظَّلُّ أَوِ القِلُّ, فَتَنْبُتُ مِنْهُ أَجْسَادُ النَّاسِ ثُمَّ يُنْفَخُ فِيهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ, ثُمَّ يُقَالُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ هَلُمَّ إِلَى رَبِّكُمْ . وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ, قَالَ ثُمَّ يُقَالُ أَخْرِجُوا بَعْثَ النَّارِ فَيُقَالُ مِنْ كَمْ فَيُقَالُ مِنْ كُلِّ أَلْفٍ تِسْعَمِائَةٍ وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ قَالَ فَذَاكَ يَوْمَ يَجْعَلُ الْوِلْدَانَ شِيبًا وَذَلِكَ يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاقٍ

অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন: আমার উম্মতের মধ্যে দাজ্জালের আবির্ভাব হবে এবং সে চল্লিশ পর্যন্ত অবস্থান করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার জানা নেই যে, নবী কারীম সা. চল্লিশ দিন, চল্লিশ মাস, নাকি চল্লিশ বছর বলেছেন। এরপর আল্লাহ তা'আলা হযরত ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালামকে প্রেরণ করবেন। তিনি দাজ্জালকে খুঁজে বের করে হত্যা করবেন। এরপর মানুষ সাত বছর এমনভাবে কাটাবে যে দু'জনের মধ্যেও কোনো রকম শত্রুতা থাকবে না। এরপর আল্লাহ তা'আলা শামের দিক হতে একটি শীতল বায়ু প্রবাহিত করবেন। ফলে দুনিয়াতে এমন কোনো ব্যক্তি অবশিষ্ট থাকবে না, যার মধ্যে সামান্য পরিমাণ সৎকাজের আগ্রহ বা ঈমান রয়েছে। এমনকি তোমাদের কেউ পর্বত গুহায় আশ্রয় নেয়, সেখানেও (বায়ু) প্রবেশ করে রূহ কবজ করবে। এরপর শুধু মন্দ ও খারাপ লোকেরাই বেঁচে থাকবে। তারা যৌনতা ও কুপ্রবৃত্তির বেলায় পাখির মতো এবং যুলুম অত্যাচারের ক্ষেত্রে হিংস্র জন্তুর মতো হবে। তারা ভালো কাজ বলতে কিছুই করবে না এবং খারাপ কাজ বলতে কোনটাই ছাড়বে না। শয়তান মানুষের রূপ ধরে তাদের কাছে এসে বলবে, তোমরা কি আমার কথা মানবে? তারা বলবে, তুমি আমাদের কি কাজ করতে বলো? তখন শয়তান তাদেরকে মূর্তি পূজার নির্দেশ দেবে। মূর্তি পূজা চলাকালীন সময়ে তাদের খাদ্য দ্রব্যের বৃদ্ধি পেতে থাকবে; জীবনটা অত্যন্ত বিলাসী ও আনন্দ উল্লাসময় হবে। এরপর শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে। যে ব্যক্তি শিঙ্গার শব্দ শুনতে পাবে, সে ঘাড় বাঁকিয়ে সে দিকে তাকাবে এবং ঘাড় উঠাবে। সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি আওয়াজ শুনতে পাবে, সে তখন তার উটের পানির হাউজ পরিষ্কার করতে থাকবে। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে পড়বে এবং তার আশে পাশের লোকজনও অজ্ঞান হয়ে যাবে। এরপর মহান আল্লাহ শিশির বিন্দুর ন্যায় বৃষ্টি প্রেরণ করবেন। অথবা তিনি বলেছেন, মুষলধারে বৃষ্টি অবতীর্ণ করবেন। এর প্রভাবে মানুষের শরীর (উদ্ভিদের ন্যায়) পুনরায় গজিয়ে উঠবে। তারপর যখন দ্বিতীয়বার সিঙ্গা বাজানো হবে, তখন তারা উঠে দেখতে থাকবে। তাদেরকে বলা হবে হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের রবের কাছে এগিয়ে এসো। এরপর (ফেরেশতাদেরকে হুকুম দেয়া হবে) তাদের দাঁড় করাও। কেননা, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর বলা হবে, এদের মধ্য থেকে জাহান্নামীদেরকে বের করে দাও। বলা হবে কি পরিমাণ? বলা হবে, প্রতি হাজারে নয়শ' নিরানব্বই জন (প্রতি হাজারে মাত্র একজন জান্নাতী)। এটাই হলো সেই (ভয়ংকর) দিন, যেদিন বালক বৃদ্ধ হয়ে যাবে এবং এ দিনেই (আল্লাহ তাআলা) নিজ পায়ের গোছা অনাবৃত করবেন। (মুসলিম-৭৫৬৮, ৭২৭১, ইফা.-৭১১৪, আহমাদ-৬৫১৯, হাদীসের শব্দাবলী মুসলিমের)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00