📄 ঈসা আ. ফজরের সময় বাইতুল মুকাদ্দাসে অবতরণ করবেন
فَقَالَتْ أُمُّ شَرِيكٍ بِنْتُ أَبِي الْعُكَرِ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَيْنَ الْعَرَبُ يَوْمَئِذٍ قَالَ هُمْ يَوْمَئِذٍ قَلِيلٌ وَجُلُّهُمْ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَإِمَامُهُمْ رَجُلٌ صَالِحٌ فَبَيْنَمَا إِمَامُهُمْ قَدْ تَقَدَّمَ يُصَلِّي بِهِمُ الصُّبْحَ إِذْ نَزَلَ عَلَيْهِمْ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ الصُّبْحَ فَرَجَعَ ذَلِكَ الإِمَامُ يَنْكُصُ يَمْشِي الْقَهْقَرَى لِيَتَقَدَّمَ عِيسَى يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَيَضَعُ عِيسَى يَدَهُ بَيْنَ كَتِفَيْهِ ثُمَّ يَقُولُ لَهُ تَقَدَّمْ فَصَلِّ فَإِنَّهَا لَكَ أُقِيمَتْ فَيُصَلِّي بِهِمْ إِمَامُهُمْ
অর্থ: উম্মে শুরাইক বিনতে আবুল আকার রাযি. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আরবের লোকেরা তখন কোথায় থাকবে? তিনি বললেন: তখন তাদের সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। তাদের অধিকাংশ (ঈমানদার) বান্দা তখন বাইতুল মুকাদ্দাসে অবস্থান করবে। তাদের ইমাম হবেন একজন নিষ্ঠাবান সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি। এমতাবস্থায় একদিন তাদের ইমাম তাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করবেন। এমন সময় ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালাম অবতরণ করবেন। তখন ইমাম পেছন দিকে সরে আসবেন, যাতে ঈসা ইবনে মরিয়ম আলাইহিস সালাম সামনে অগ্রসর হয়ে লোকদের নামাযে ইমামতি করতে পারেন। ঈসা আলাইহিস সালাম তাঁর হাত ইমামের দু'কাঁধের উপর রেখে বলবেন: আপনি অগ্রবর্তী হয়ে নামাযে ইমামতি করুন। কেননা এই নামায আপনার দ্বারা কায়েম (শুরু) হয়েছে। অতএব তাদের ইমাম তাদেরকে নিয়ে নামায পড়বেন। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 ৭০ হাজার ইহুদী তরবারিসহ দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে
فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ عِيسَى عَلَيْهِ السَّلامُ افْتَحُوا الْبَابَ فَيُفْتَحُ وَوَرَاءَهُ الدَّجَّالُ مَعَهُ سَبْعُونَ أَلْفِ يَهُودِي كُلُّهُمْ ذُو سَيْفٍ مُحَلَّى وَسَاجٍ فَإِذَا نَظَرَ إِلَيْهِ الدَّجَّالُ ذَابَ كَمَا يَذُوبُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ وَيَنْطَلِقُ هَارِبًا وَيَقُولُ عِيسَى عَلَيْهِ السَّلَامُ إِنَّ لِي فِيكَ ضَرْبَةً لَنْ تَسْبِقَنِي بِهَا
অর্থ: ইমাম নামাজ থেকে অবসর হলে ঈসা আলাইহিস সালাম বলবেন, দরজা খুলে দাও। তখন দরজা খুলে দেয়া হবে এবং দরজার পেছনে দাজ্জাল অবস্থানরত থাকবে। তার সাথে থাকবে ৭০ হাজার ইহূদী কারুকার্য খচিত ও খাপবদ্ধ তরবারিসহ। দাজ্জাল ঈসা আলাইহিস সালামকে দেখামাত্র পানিতে লবণ বিগলিত হওয়ার ন্যায় বিগলিত হতে থাকবে এবং পলায়ন করতে থাকবে। তখন ঈসা আলাইহিস সালাম বলবেন: তোর উপর আমার একটা আঘাত আছে, যা থেকে তোর বাঁচার কোনো উপায় নেই। (মুসলিম-৪/২২৬৬, আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 ‘লুদ’ নামক ফটকের সামনে দাজ্জালকে হত্যা করা হবে
فَيُدْرِكُهُ عِنْدَ بَابِ اللهِ الشَّرْقِ فَيَقْتُلُهُ فَيَهْزِمُ اللهُ الْيَهُودَ فَلَا يَبْقَى شَيْءٍ مِمَّا خَلَقَ اللهُ يَتَوَارَى بِهِ يَهُودِيٌّ إِلَّا أَنْطَقَ اللهُ ذَلِكَ الشَّيْءَ لَا حَجَرَ وَلَا شَجَرَ وَلَا حَائِط وَلَا دَابَّةَ إِلَّا الْغَرْقَدَةَ فَإِنَّهَا مِنْ شَجَرِهِمْ لَا تَنْطِقُ إِلَّا قَالَ يَا عَبْدَ اللهِ الْمُسْلِمَ هُذَا يَهُودِيُّ فَتَعَالَ اقْتُلْهُ
তিনি 'লুদ' এর পূর্ব ফটকে তার নাগাল পেয়ে যাবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা ইহুদীদের পরাজিত করবেন। আল্লাহর সৃষ্টি যে কোনো বস্তু-পাথর, গাছপালা, দেয়াল অথবা প্রাণী, যার আড়ালেই কোনো ইহূদী লুকিয়ে থাকবে, আল্লাহ তাকে বাকশক্তি দান করবেন এবং সে ডেকে বলবে, হে আল্লাহর মুসলমান বান্দা! এই যে এক ইহুদী, এদিকে এসো এবং তাকে হত্যা করো। তবে 'গারকাদ' নামক গাছ কথা বলবে না। কারণ সেটা ইহুদীদের গাছ। (মুসলিম-৪/২২৩৯, আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 দাজ্জাল ৪০ বছর দুনিয়াতে অবস্থান করবে
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : وَإِنَّ أَيَّامَهُ أَرْبَعُونَ سَنَةَ السَّنَةُ كَنِصْفِ السَّنَةِ وَالسَّنَةُ كَالشَّهْرِ وَالشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ وَآخِرُ أَيَّامِهِ كَالشَّرَرَةِ
অর্থ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: দাজ্জাল চল্লিশ বছর বিপর্যয় ছড়াবে। তার (প্রথম) এক বছর হবে অর্ধ বছরের সমান, (পরের) এক বছর হবে এক মাসের সমান, (পরের) এক মাস এক সপ্তাহের সমান এবং অবশিষ্ট কাল অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বায়ুমন্ডলে উড়ে যাওয়ার মতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)