📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 দাজ্জালের নির্দেশে আসমান বৃষ্টি বর্ষণ করবে

📄 দাজ্জালের নির্দেশে আসমান বৃষ্টি বর্ষণ করবে


وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَأْمُرَ السَّمَاءَ أَنْ تُمْطِرَ فَتُمْطِرَ وَيَأْمُرَ الْأَرْضَ أَنْ تُنْبِتَ فَتُنْبِتَ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَمُرَّ بِالْحَيِّ فَيُكَذِبُونَهُ فَلَا تَبْقَى لَهُمْ سَائِمَةً إِلَّا هَلَكَتْ অর্থ: দাজ্জালের আরেকটি ফিতনা হলো: সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষণের নির্দেশ দিলে বৃষ্টি হবে এবং যমীনকে ফসল উৎপাদনের নির্দেশ দিলে ফসল উৎপাদিত হবে। দাজ্জালের আরেকটি অনাচার এই যে, সে একটি জনপদ অতিক্রমকালে তারা তাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করবে। ফলে তাদের গবাদি পশু সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 দাজ্জাল মক্কা-মদিনা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়া চষে বেড়াবে

📄 দাজ্জাল মক্কা-মদিনা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়া চষে বেড়াবে


وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ, أَنْ يَمُرَّ بِالْحَيِّ فَيُصَدِّقُونَهُ فَيَأْمُرَ السَّمَاءَ أَنْ تُمْطِرَ فَتُمْطِرَ وَيَأْمُرَ الْأَرْضَ أَنْ تُنْبِتَ فَتُنْبِتَ حَتَّى تَرُوحَ مَوَاشِيهِمْ مِنْ يَوْمِهِمْ ذُلِكَ أَسْمَنَ مَا كَانَتْ وَأَعْظَمَهُ وَأَمَدَّهُ خَوَاصِرَ وَأَدَرَّهُ ضُرُوعًا وَإِنَّهُ لَا يَبْقَى شَيْءٌ مِنَ الْأَرْضِ إِلَّا وَطِئَهُ وَظَهَرَ عَلَيْهِ إِلَّا مَكَّةَ وَالْمَدِينَةَ لَا يَأْتِيهِمَا مِنْ نَقْبٍ مِنْ نِقَابِهِمَا إِلَّا لَقِيَتُهُ الْمَلَائِكَةُ بِالسُّيُوفِ صَلْتَةً

অর্থ: দাজ্জালের আরেকটি ফিতনা হবে: সে একটি জনপদ অতিক্রমকালে তারা তাকে সত্য বলে মেনে নিবে। ফলে সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষণের নির্দেশ দিলে বৃষ্টি বর্ষিত হবে। অতঃপর সে যমীনকে শস্য উৎপাদনের নির্দেশ দিলে যমীন শস্য উৎপাদন করবে। যমীন পর্যাপ্ত ফসলাদি, ঘাসপাতা ও তৃণলতা উদগত করবে, এমনকি তাদের গবাদি পশু সেদিন সন্ধ্যায় মোটাতাজা এবং উদর পূর্তি করে দুধে স্তন ফুলিয়ে ফিরে আসবে। অবস্থা এই হবে যে, সে গোটা দুনিয়া চষে বেড়াবে এবং তা তার পদানত হবে, শুধু মক্কা ও মদিনা ব্যতীত। এ দুই শহরের প্রবেশদ্বারে উন্মুক্ত তরবারিসহ সশস্ত্র অবস্থায় ফেরেশতা নিয়োজিত থাকবেন। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 মক্কা-মদিনার মুনাফিকরা দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে

📄 মক্কা-মদিনার মুনাফিকরা দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে


حَتَّى يَنْزِلَ عِنْدَ القُرَيْبِ الْأَحْمَرِ عِنْدَ مُنْقَطَعِ السَّبَخَةِ فَتَرْجُفُ الْمَدِينَةُ بِأَهْلِهَا ثَلاثَ رَجَفَاتٍ فَلَا يَبْقَى مُنَافِقٌ وَلا مُنَافِقَةٌ إِلَّا خَرَجَ إِلَيْهِ فَتَنْفِي الْخَبَثَ مِنْهَا كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ وَيُدْعَى ذَلِكَ الْيَوْمُ يَوْمَ الْخَلاصِ

অর্থ: অবশেষে সে একটি ক্ষুদ্র লাল পাহাড়ের পাদদেশে অবতরণ করবে, যা হবে তৃণলতা শূন্য স্থানের শেষভাগ। এরপর মদিনা তার অধিবাসীসহ তিনবার প্রকম্পিত হবে। ফলে মুনাফিক নারী-পুরুষ মদিনা থেকে বের হয়ে দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে। এভাবে মদিনা তার অভ্যন্তরীণ নিকৃষ্ট ময়লা বিদূরিত করবে, যেমনিভাবে হাঁপর লোহার মরিচা দূর করে। সে দিনের নাম হবে নাজাত দিন। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 ঈসা আ. ফজরের সময় বাইতুল মুকাদ্দাসে অবতরণ করবেন

📄 ঈসা আ. ফজরের সময় বাইতুল মুকাদ্দাসে অবতরণ করবেন


فَقَالَتْ أُمُّ شَرِيكٍ بِنْتُ أَبِي الْعُكَرِ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَيْنَ الْعَرَبُ يَوْمَئِذٍ قَالَ هُمْ يَوْمَئِذٍ قَلِيلٌ وَجُلُّهُمْ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَإِمَامُهُمْ رَجُلٌ صَالِحٌ فَبَيْنَمَا إِمَامُهُمْ قَدْ تَقَدَّمَ يُصَلِّي بِهِمُ الصُّبْحَ إِذْ نَزَلَ عَلَيْهِمْ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ الصُّبْحَ فَرَجَعَ ذَلِكَ الإِمَامُ يَنْكُصُ يَمْشِي الْقَهْقَرَى لِيَتَقَدَّمَ عِيسَى يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَيَضَعُ عِيسَى يَدَهُ بَيْنَ كَتِفَيْهِ ثُمَّ يَقُولُ لَهُ تَقَدَّمْ فَصَلِّ فَإِنَّهَا لَكَ أُقِيمَتْ فَيُصَلِّي بِهِمْ إِمَامُهُمْ

অর্থ: উম্মে শুরাইক বিনতে আবুল আকার রাযি. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আরবের লোকেরা তখন কোথায় থাকবে? তিনি বললেন: তখন তাদের সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। তাদের অধিকাংশ (ঈমানদার) বান্দা তখন বাইতুল মুকাদ্দাসে অবস্থান করবে। তাদের ইমাম হবেন একজন নিষ্ঠাবান সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি। এমতাবস্থায় একদিন তাদের ইমাম তাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করবেন। এমন সময় ঈসা ইবনে মারিয়াম আলাইহিস সালাম অবতরণ করবেন। তখন ইমাম পেছন দিকে সরে আসবেন, যাতে ঈসা ইবনে মরিয়ম আলাইহিস সালাম সামনে অগ্রসর হয়ে লোকদের নামাযে ইমামতি করতে পারেন। ঈসা আলাইহিস সালাম তাঁর হাত ইমামের দু'কাঁধের উপর রেখে বলবেন: আপনি অগ্রবর্তী হয়ে নামাযে ইমামতি করুন। কেননা এই নামায আপনার দ্বারা কায়েম (শুরু) হয়েছে। অতএব তাদের ইমাম তাদেরকে নিয়ে নামায পড়বেন। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00