📄 দাজ্জাল একজনকে টুকরা টুকরা করে পুনরায় জীবিত করবে
وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يُسَلَّطَ عَلَى نَفْسٍ وَاحِدَةٍ فَيَقْتُلَهَا وَيَنْشُرَهَا بِالْمِنْشَارِ حَتَّى يُلْقَى شِقَتَيْنِ ثُمَّ يَقُولُ انْظُرُوا إِلَى عَبْدِي هُذَا فَإِنِّي أَبْعَثُهُ الْآنَ ثُمَّ يَزْعُمُ أَنَّ لَهُ رَبَّا غَيْرِي فَيَبْعَثُهُ اللَّهُ وَيَقُولُ لَهُ الْخَبِيثُ مَنْ رَبُّكَ فَيَقُولُ رَبِّيَ اللَّهُ وَأَنْتَ عَدُوٌّ اللَّهِ أَنْتَ الدَّجَّالُ وَاللَّهِ مَا كُنتُ بَعْدُ أَشَدَّ بَصِيرَةً بِكَ مِنِّي الْيَوْمَ অর্থ: দাজ্জালের আরেকটি ফিতনা হবে: সে জনৈক ব্যক্তিকে পরাভূত করে হত্যা করবে। অতঃপর করাত দ্বারা তাকে ফেড়ে দুই টুকরা করে ছুঁড়ে মারবে। অতঃপর সে বলবে, তোমরা আমার এ বান্দার দিকে লক্ষ্য করো, আমি একে এখনই জীবিত করবো। তারপরও কেউ বলবে কি যে, আমি ব্যতীত তার অন্য কেউ রব আছে? এরপর আল্লাহ তাআলা সে লোকটিকে জীবিত করবেন। তখন (দাজ্জাল) খবীস তাকে বলবে, তোমার রব কে? সে বলবে, আমার রব আল্লাহ। আর তুই তো আল্লাহর দুশমন। তুই দাজ্জাল। আল্লাহর কসম! আজ আমি তোর সম্পর্কে প্রত্যক্ষভাবে বুঝতে পারছি (যে, তুই-ই দাজ্জাল)। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 দাজ্জালের নির্দেশে আসমান বৃষ্টি বর্ষণ করবে
وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَأْمُرَ السَّمَاءَ أَنْ تُمْطِرَ فَتُمْطِرَ وَيَأْمُرَ الْأَرْضَ أَنْ تُنْبِتَ فَتُنْبِتَ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنْ يَمُرَّ بِالْحَيِّ فَيُكَذِبُونَهُ فَلَا تَبْقَى لَهُمْ سَائِمَةً إِلَّا هَلَكَتْ অর্থ: দাজ্জালের আরেকটি ফিতনা হলো: সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষণের নির্দেশ দিলে বৃষ্টি হবে এবং যমীনকে ফসল উৎপাদনের নির্দেশ দিলে ফসল উৎপাদিত হবে। দাজ্জালের আরেকটি অনাচার এই যে, সে একটি জনপদ অতিক্রমকালে তারা তাকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করবে। ফলে তাদের গবাদি পশু সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 দাজ্জাল মক্কা-মদিনা ব্যতীত সমগ্র দুনিয়া চষে বেড়াবে
وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ, أَنْ يَمُرَّ بِالْحَيِّ فَيُصَدِّقُونَهُ فَيَأْمُرَ السَّمَاءَ أَنْ تُمْطِرَ فَتُمْطِرَ وَيَأْمُرَ الْأَرْضَ أَنْ تُنْبِتَ فَتُنْبِتَ حَتَّى تَرُوحَ مَوَاشِيهِمْ مِنْ يَوْمِهِمْ ذُلِكَ أَسْمَنَ مَا كَانَتْ وَأَعْظَمَهُ وَأَمَدَّهُ خَوَاصِرَ وَأَدَرَّهُ ضُرُوعًا وَإِنَّهُ لَا يَبْقَى شَيْءٌ مِنَ الْأَرْضِ إِلَّا وَطِئَهُ وَظَهَرَ عَلَيْهِ إِلَّا مَكَّةَ وَالْمَدِينَةَ لَا يَأْتِيهِمَا مِنْ نَقْبٍ مِنْ نِقَابِهِمَا إِلَّا لَقِيَتُهُ الْمَلَائِكَةُ بِالسُّيُوفِ صَلْتَةً
অর্থ: দাজ্জালের আরেকটি ফিতনা হবে: সে একটি জনপদ অতিক্রমকালে তারা তাকে সত্য বলে মেনে নিবে। ফলে সে আসমানকে বৃষ্টি বর্ষণের নির্দেশ দিলে বৃষ্টি বর্ষিত হবে। অতঃপর সে যমীনকে শস্য উৎপাদনের নির্দেশ দিলে যমীন শস্য উৎপাদন করবে। যমীন পর্যাপ্ত ফসলাদি, ঘাসপাতা ও তৃণলতা উদগত করবে, এমনকি তাদের গবাদি পশু সেদিন সন্ধ্যায় মোটাতাজা এবং উদর পূর্তি করে দুধে স্তন ফুলিয়ে ফিরে আসবে। অবস্থা এই হবে যে, সে গোটা দুনিয়া চষে বেড়াবে এবং তা তার পদানত হবে, শুধু মক্কা ও মদিনা ব্যতীত। এ দুই শহরের প্রবেশদ্বারে উন্মুক্ত তরবারিসহ সশস্ত্র অবস্থায় ফেরেশতা নিয়োজিত থাকবেন। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)
📄 মক্কা-মদিনার মুনাফিকরা দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে
حَتَّى يَنْزِلَ عِنْدَ القُرَيْبِ الْأَحْمَرِ عِنْدَ مُنْقَطَعِ السَّبَخَةِ فَتَرْجُفُ الْمَدِينَةُ بِأَهْلِهَا ثَلاثَ رَجَفَاتٍ فَلَا يَبْقَى مُنَافِقٌ وَلا مُنَافِقَةٌ إِلَّا خَرَجَ إِلَيْهِ فَتَنْفِي الْخَبَثَ مِنْهَا كَمَا يَنْفِي الْكِيرُ خَبَثَ الْحَدِيدِ وَيُدْعَى ذَلِكَ الْيَوْمُ يَوْمَ الْخَلاصِ
অর্থ: অবশেষে সে একটি ক্ষুদ্র লাল পাহাড়ের পাদদেশে অবতরণ করবে, যা হবে তৃণলতা শূন্য স্থানের শেষভাগ। এরপর মদিনা তার অধিবাসীসহ তিনবার প্রকম্পিত হবে। ফলে মুনাফিক নারী-পুরুষ মদিনা থেকে বের হয়ে দাজ্জালের সাথে যোগ দিবে। এভাবে মদিনা তার অভ্যন্তরীণ নিকৃষ্ট ময়লা বিদূরিত করবে, যেমনিভাবে হাঁপর লোহার মরিচা দূর করে। সে দিনের নাম হবে নাজাত দিন। (আবু দাউদ-৪৩২১, ইবনে মাজাহ-৪০৭৭, হাদীসের শব্দাবলী ইবনে মাজার)