📄 জান্নাতে শহীদগণের স্ত্রীদের ওড়না কেমন হবে?
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ أُمَّ حَارِثَةَ أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، وَقَدْ هَلَكَ حَارِثَةُ يَوْمَ بَدْرٍ، أَصَابَهُ غَرْبُ سَهُمٍ ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، قَدْ عَلِمْتَ مَوْقِعَ حَارِثَةَ مِنْ قَلْبِي ، فَإِنْ كَانَ فِي الجَنَّةِ لَمْ أَبْكِ عَلَيْهِ، وَإِلَّا سَوْفَ تَرَى مَا أَصْنَعُ ؟ فَقَالَ لَهَا : هَبِلْتِ، أَجَنَّةً وَاحِدَةٌ هِيَ؟ إِنَّهَا جِنَانٌ كَثِيرَةٌ، وَإِنَّهُ فِي الفِرْدَوْسِ الأَعْلَى : وَقَالَ: غَدْوَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ رَوْحَةٌ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا. وَلَقَابُ قَوْسٍ أَحَدِكُمْ ، أَوْ مَوْضِعُ قَدَمٍ مِنَ الجَنَّةِ، خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَوْ أَنَّ امْرَأَةً مِنْ نِسَاءِ أَهْلِ الجَنَّةِ اطَّلَعَتْ إِلَى الأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا، وَلَمَلَاتُ مَا بَيْنَهُمَا رِيحًا، وَلَنَصِيفُهَا يَعْنِي الخِمَارَ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
অর্থ: হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। বদরের যুদ্ধে হযরত হারিসা রাযি. অজ্ঞাত তীরের আঘাতে শহীদ হয়ে গেলে তাঁর মাতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার অন্তরে হারিসার প্রতি যে কত স্নেহ-ভালোবাসা তা আপনি জানেন। অতএব সে যদি জান্নাত লাভ করে তবে আমি তার জন্য কান্নাকাটি করবো না। আর যদি ব্যতিক্রম হয়, তবে আপনি অচিরেই দেখতে পাবেন আমি কি করি। তখন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: তুমি তো নির্বোধ। জান্নাত কি একটি, নাকি অনেক? জান্নাত অনেকগুলো। তার মধ্যে তোমার ছেলে সর্বোচ্চ জান্নাতুল ফেরদাউস লাভ করেছে। এরপর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহর রাস্তায় এক সকাল অথবা এক বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছু থেকে উত্তম। আর জান্নাতে তোমাদের কারো একটি তীর ধনুক পরিমাণ জায়গা দুনিয়া ও তার মধ্যবর্তী সবকিছুর চেয়ে উত্তম। জান্নাতের কোনো নারী যদি দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিপাত করে তবে সমস্ত দুনিয়া আলোকিত ও খুশবুতে মোহিত হয়ে যাবে। জান্নাতী নারীর নাসীফ (ওড়না) দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে উত্তম। (বুখারী-৬৫৬৭, ৬৫৬৮, ২৭৯২, ২৮০৯, ৩৯৮২, ৬৫৫০, ইফা.-৬১২১, মুসলিম-১৮৮২, তিরমিযী-১৬৪৯, ২৫২৩, ৩২৯২, ইবনে মাজাহ-৪৩৩৫, আহমাদ-৯৫২২, ৯৫৬০, ২৭৬১৬, দারিমী-২৮৩৯, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)