📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 সামান্য সময় জিহাদ করা দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে উত্তম

📄 সামান্য সময় জিহাদ করা দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে উত্তম


عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ ، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : غَدْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ رَوْحَةٌ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَقَابُ قَوْسٍ أَحَدِكُمْ ، أَوْ مَوْضِعُ قَدَمٍ مِنَ الجَنَّةِ، خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَلَوْ أَنَّ امْرَأَةً مِنْ نِسَاءِ أَهْلِ الجَنَّةِ اطَّلَعَتْ إِلَى الأَرْضِ لَأَضَاءَتْ مَا بَيْنَهُمَا ، وَلَمَلَاتُ مَا بَيْنَهُمَا رِيحًا، وَلَنَصِيفُهَا يَعْنِي الخِمَارَ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا

অর্থ: হযরত আনাস ইবনে মালেক রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) এক সকাল অথবা এক বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছু থেকে উত্তম। আর জান্নাতে তোমাদের কারো একটি তীর ধনুক জায়গা দুনিয়া ও তার মধ্যবর্তী সবকিছুর চাইতে উত্তম। জান্নাতের কোনো নারী যদি দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিপাত করে তবে সমস্ত দুনিয়া আলোকিত ও খুশবুতে মোহিত হয়ে যাবে। জান্নাতী নারীর নাসীফ (ওড়না) দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে উত্তম। (বুখারী-৬৫৬৭, ৬৫৬৮, ২৭৯২, ইফা.-৬১২১, মুসলিম-১৮৮০, ৪৭৬৭, আহমাদ-১২৩৫২, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

নোট: 'এক সকাল' ও 'এক বিকাল' দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে সামান্য সময়, অল্প কিছুক্ষণ। অর্থাৎ, সামান্য সময় আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা দুনিয়ার সমস্ত ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা দান করা কিংবা (যুগ যুগ ধরে) ইবাদত-বন্দেগী করা অপেক্ষা উত্তম।

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 জান্নাত তরবারির ছায়ার নিচে

📄 জান্নাত তরবারির ছায়ার নিচে


عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَعْضِ أَيَّامِهِ الَّتِي لَقِيَ فِيهَا انْتَظَرَ حَتَّى مَالَتِ الشَّمْسُ : ثُمَّ قَامَ فِي النَّاسِ خَطِيبًا قَالَ: أَيُّهَا النَّاسُ، لا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ العَدُوِّ، وَسَلُوا اللَّهَ العَافِيَةَ، فَإِذَا لَقِيتُمُوهُمْ فَأَصْبِرُوا ، وَاعْلَمُوا أَنَّ الجَنَّةَ تَحْتَ ظِلالِ السُّيُوفِ

অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবু আওফা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শত্রুদের সাথে কোনো এক মুখোমুখি যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে পড়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন। এরপর নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কিরামের সামনে দাঁড়িয়ে খুতবাহ (ঘোষণা) দিলেন: হে লোক সকল! শত্রুর মোকাবেলার আকাংখা করবে না এবং আল্লাহ তা'আলার নিকট নিরাপত্তার দু'আ করবে। অতঃপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে, তখন তোমরা ধৈর্য্যধারণ করবে। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই জান্নাত তরবারির ছায়ার নিচে অবস্থিত। (বুখারী-২৯৬৬, ৩০২৪, ৩০২৫, ৪১১৫, ৬৩৯২, ৭২৩৭, ৭৪৮৯, ইফা.-২৭৫৫, মুসলিম-১৭৪১, ১৭৪২, তিরমিযী-১৬৭৮, আবু দাউদ- ২৬৩১, ইবনে মাজাহ-২৭৯৬, আহমাদ-১৮৬২৮, ১৮৬৫০, ১৮৬৬০, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

নোট: 'জান্নাত তরবারির ছায়ার নিচে' এ কথার দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, মুজাহিদ যখন শত্রুদের মোকাবেলায় রণাঙ্গনে শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়, তখন আল্লাহ তা'আলা জান্নাত ও-জাহান্নামের সকল দরজা উন্মুক্ত করে দেন। কাফির নিহত হওয়ার সাথে সাথে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয় এবং মুজাহিদ শাহাদাত বরণ করলে সম্মানের সাথে তাঁকে জান্নাতে পৌঁছে দেয় হয়। এ অর্থেই বলা হয়েছে- “জান্নাত তরবারির ছায়ার নিচে।”

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত পাহারা দেয়ার ফযীলত

📄 আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত পাহারা দেয়ার ফযীলত


عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِي رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: رِبَاطُ يَوْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا عَلَيْهَا، وَمَوْضِعُ سَوْطِ أَحَدِكُمْ مِنَ الجَنَّةِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا عَلَيْهَا ، وَالرَّوْحَةُ يَرُوحُهَا العَبْدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، أَوِ الغَدْوَةُ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا عَلَيْهَا

অর্থ: হযরত সাহল ইবনে সা'দ সাঈদী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: আল্লাহর রাস্তায় একদিন সীমান্ত পাহারা দেয়া দুনিয়া ও এর উপর যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। আর জান্নাতে তোমাদের কারো চিবুক পরিমাণ জায়গা থাকা দুনিয়া এবং এর উপর যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। আল্লাহর রাস্তায় বান্দার এক সকাল অথবা এক বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও এর উপর যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। (বুখারী-২৮৯২, ২৭৯৪, ৩২৫০, ৬৪৫১, ইফা.-২৬৯০, মুসলিম-১৮৮১, তিরমিযী-১৬৪৮, নাসাঈ-৩১১৮, ইবনে মাজাহ-২৭৫৬, ৪৩৩০, আহমাদ-১৫১৩২, ২২২৯২, ২২৩৩৭, ২২৩৫০, ২২৩৬১, ২২৩৬৫, দারিমী-২৩৯৮, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 জিহাদের প্রশিক্ষণ নেয়া ও শক্তি অর্জন করার নির্দেশ

📄 জিহাদের প্রশিক্ষণ নেয়া ও শক্তি অর্জন করার নির্দেশ


عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: وَأَعِدُّوا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِنْ قُوَّةٍ أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ، أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ أَلَا إِنَّ الْقُوَّةَ الرَّمْيُ

অর্থ: হযরত উকবা ইবনে আমির রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছি: (আল্লাহ তা'আলা বলেছেন) তোমরা শত্রুদের মুকাবেলার জন্য সাধ্যানুযায়ী শক্তি অর্জন করো। জেনে রেখো! নিশ্চয়ই তীরন্দাযী হলো শক্তি। জেনে রেখো! নিশ্চয়ই তীর নিক্ষেপই শক্তি। জেনে রেখো! নিশ্চয়ই তীর নিক্ষেপই শক্তি। (মুসলিম-৫০৫৫, ৪৮৪০, তিরমিযী-৩০৮৩, আবু দাউদ-২৫১৪, ইবনে মাজাহ-২৮১৩, আহমাদ-১৬৯৭৯, দারিমী-২৪০৪, হাদীসের শব্দাবলী মুসলিমের)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00