📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 বাতিলের বিরুদ্ধে হক কথা বলা সর্বোত্তম জিহাদ

📄 বাতিলের বিরুদ্ধে হক কথা বলা সর্বোত্তম জিহাদ


عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : أَفْضَلُ الْجِهَادِ كَلِمَةُ عَدْلٍ عِنْدَ سُلْطَانٍ جَائِرٍ أَوْ أَمِيرٍ جَائِرٍ

অর্থ: হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: স্বৈরাচারী শাসক বা আমীরের সামনে হক কথা বলা সর্বোত্তম জিহাদ। (তিরমিযী-২১৭৪, আবু দাউদ-৪৩৪৪, নাসাঈ-৪২০৯, ইবনে মাজাহ-৪০১১, আহমাদ-১০৭৫৯, ১১১৯৩, হাদীসের শব্দাবলী আবু দাউদের, হাদীসটি সহীহ)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 জান, মাল ও যবান দ্বারাও জিহাদ করা যায়

📄 জান, মাল ও যবান দ্বারাও জিহাদ করা যায়


عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : جَاهِدُوا الْمُشْرِكِينَ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسَكُمْ وَالسَنْتُكُمْ -

অর্থ: হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: তোমরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে তোমাদের জান, মাল ও মুখ দ্বারা জিহাদ করো। (আবু দাউদ-২৫০৪, নাসাঈ-৩০৯৬, ৩১৯২, আহমাদ-১১৮৩৭, ১২১৪৫, ১৩২২৬, দারিমী-২৪৩১, হাদীসের শব্দাবলী আবু দাউদের)

নোট: এই হাদীস দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, জিহাদ শুধু তলোয়ার বা অস্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং যেখানে অস্ত্রের প্রয়োজন সেখানে অস্ত্র দ্বারা যুদ্ধ করবে। যেখানে জানের প্রয়োজন সেখানে জান দ্বারা যুদ্ধ করবে। যেখানে মালের প্রয়োজন সেখানে মাল দ্বারা যুদ্ধ করবে এবং যেখানে হক কথা বলার প্রয়োজন, সেখানে মুখ দ্বারা জিহাদ করবে।

বর্তমানে আমরা হক কথা বলতে ভয় পাই। আবার অনেকে সরকারী দলের দালালী করে হক কথা বলে না। কিন্তু আলোচ্য হাদীসে হক কথা বলার ফযীলত বর্ণনা করা হয়েছে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যালিম বাদশা বা সমাজের ক্ষমতাধর ব্যক্তির সামনে হক কথা বলা সর্বোত্তম জিহাদ।

তাই আসুন, আজ থেকে আমরা পাক্কা ইরাদা করি- যেখানে থাকি, যে পরিবেশে থাকি সর্বাবস্থায় হকের উপর থাকবো, হক কথা বলবো। ইনশাআল্লাহ, -আল্লাহ আমাদের তাওফীক দান করুন।-আমীন

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 কতদিন পর্যন্ত জিহাদ থাকবে?

📄 কতদিন পর্যন্ত জিহাদ থাকবে?


عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَيُقِيمُوا الصَّلاةَ، وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ، فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّ الإِسْلَامِ ، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ

অর্থ: ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: আমি লোকদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু” অর্থাৎ, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্র রাসূল, এবং নামাজ কায়েম করে ও যাকাত প্রদান করে। তারা যদি এ কাজগুলো করে, তবে আমার পক্ষ থেকে তাদের জান ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করলো। অবশ্য ইসলামের বিধান অনুযায়ী যদি কোনো কারণ থাকে, তবে সেটা ভিন্ন কথা। আর তাদের হিসাবের ভার আল্লাহ্র ওপর অর্পিত। (বুখারী-২৫, ৩৮৫, ১৩৩৫, ৩৯২, ২৭৪৩, ৬৫২৬, ৬৮৫৫, ইফা.-২৪, মুসলিম-১৩৫, ১৩৭, ১৩৮, আবু দাউদ-১৫৫৮, ২৬৪২, তিরমিযী-৩৩৪১, নাসাঈ-২৪৪৩, ৩০৯১, ইবনে মাজাহ- ৭১, ৩৯২৭, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 কিয়ামত পর্যন্ত জিহাদ অব্যাহত থাকবে

📄 কিয়ামত পর্যন্ত জিহাদ অব্যাহত থাকবে


عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ : لَنْ يَبْرَحَ هَذَا الدِّينُ قَائِمًا يُقَاتِلُ عَلَيْهِ عِصَابَةٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى تَقُومَ السَّاعَةُ

অর্থ: হযরত জাবির ইবনে সামুরা রাযি. থেকে বর্ণিত যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: এ দ্বীন ইসলাম সর্বদা প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং মুসলিমদের একটি জামাআত কিয়ামত পর্যন্ত দ্বীনের উপর অটল থেকে অব্যাহতভাবে জিহাদ চালিয়ে যাবে। (মুসলিম-৫০৬২, আবু দাউদ-২৪৮৬, আহমাদ-২১০২৩, মু'জামুল কাবীর-১৯৩১, কানযুল উম্মাল-৩৪৪৯৫, হাদীসের শব্দাবলী মুসলিমের)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00