📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 গণকের কথা বিশ্বাস করা জায়েয নেই

📄 গণকের কথা বিশ্বাস করা জায়েয নেই


عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَكَمِ السُّلَمِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ بَيْنَا أَنَا أُصَلِّي مَعَ رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم, إِذْ عَطَسَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ فَقُلْتُ, يَرْحَمُكَ اللَّهُ. فَرَمَانِي الْقَوْمُ بِأَبْصَارِهِمْ فَقُلْتُ وَاثْكُلَ أُمِّيَاهُ مَا شَأْنُكُمْ تَنْظُرُونَ إِلَى فَجَعَلُوا يَضْرِبُونَ بِأَيْدِيهِمْ عَلَى أَفْخَادِهِمْ فَلَمَّا رَأَيْتُهُمْ يُصَمِّتُونَنِي لَكِنِّي سَكَتُ فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَبِأَبِي هُوَ وَأُمِّي مَا رَأَيْتُ مُعَلِّمًا قَبْلَهُ وَلَا بَعْدَهُ أَحْسَنَ تَعْلِيمًا مِنْهُ فَوَاللَّهِ مَا كَهَرَنِي وَلَا ضَرَبَنِي وَلاَ شَتَمَنِي قَالَ إِنَّ هَذِهِ الصَّلَاةَ لَا يَصْلُحُ فِيهَا شَيْءٍ مِنْ كَلامِ النَّاسِ إِنَّمَا هُوَ التَّسْبِيحُ وَالتَّكْبِيرُ وَقِرَاءَةُ الْقُرْآنِ أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ الله صلی الله علیہ وسلم قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي حَدِيثُ عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ وَقَدْ جَاءَ اللَّهُ بالإِسْلَامِ وَإِنَّ مِنَّا رِجَالاً يَأْتُونَ الْكُهَانَ. قَالَ, فَلَا تَأْتِهِمْ. قَالَ وَمِنَّا رِجَالٌ يَتَطَيَّرُونَ . قَالَ, ذَاكَ شَيْءٌ يَجِدُونَهُ فِي صُدُورِهِمْ فَلَا يَصُدَّ نَّهُمْ

অর্থ: হযরত মুআবিয়া ইবনে হাকাম সুলামী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে (জামাআতে) নামাজ আদায় করছিলাম। এমন সময় একজন নামাজী ব্যক্তি হাঁচি দিলে আমি তার জবাবে বললাম, “ইয়ারহামুকাল্লাহ” (আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন)। এতে মুসল্লীরা আমার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাতে লাগল।
আমি বললাম, আমার মায়ের পুত্র বিয়োগ হোক! তোমাদের কি হলো? তোমরা আমার প্রতি কেন এভাবে দৃষ্টিপাত করছো? (এ কথা শুনে) তারা তাদের উরুতে হাত চাপড়াতে লাগলো। আমি যখন বুঝলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছে (তখন আমার রাগ হলো), কিন্তু আমি চুপ হয়ে গেলাম। এদিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ শেষ করলেন। তাঁর প্রতি আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক! আমি তাঁর পূর্বে ও পরে তাঁর চাইতে উত্তম শিক্ষক আর দেখিনি। আল্লাহর কসম! তিনি আমাকে তিরস্কারও করলেন না, মারলেনও না এবং মন্দও বললেন না। তিনি (শুধু এতটুকু) বললেন: নামাজের মধ্যে মানুষের কথাবার্তা বলা বৈধ নয়। নামাজ হচ্ছে তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন তিলাওয়াতের সমষ্টি অথবা অনুরূপ কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সবেমাত্র আমি জাহিলিয়াতের যুগ ছেড়ে এসেছি এবং আল্লাহ আমাদের ইসলাম কবুলের তাওফিক দান করেছেন। আমাদের অনেকে গণকের কাছে যায়। তিনি বললেন: না, তাদের নিকট যেয়ো না। আমি বললাম, আমাদের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে যারা শুভ-অশুভ লক্ষণ বিশ্বাস করে। তিনি বললেন: এটা তাদের মনগড়া বিষয়। এটি যেন তাদেরকে (কোনো ভালো কাজ করতে) বাধা না দেয়। (মুসলিম-১২২৭, ১০৮৬, ইফা.-১০৮০, নাসাঈ-১২১৮, আবু দাউদ-৯৩০, ৯৩১, ৩২৮২, ৩৯০৯, আহমাদ-২৩৫৫০, ২৩২৫৩, ২৩২৫৬, দারিমী-১৫০২, হাদীসের শব্দাবলী মুসলিমের)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00