📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 হাতের রেখা দেখে কিছু বলা ও বিশ্বাস করা হারাম

📄 হাতের রেখা দেখে কিছু বলা ও বিশ্বাস করা হারাম


عَنْ قَبِيصَةَ بن المُخَارِقِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ, قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: الْعِيَافَةُ وَالطَّيَرَةُ وَالطَّرُقُ مِنَ الْجِبْتِ

অর্থ: হযরত কাবিসা ইবনে মুখারিক রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: হাতে রেখা টেনে, কোনো চিহ্ন দেখে এবং পাখি উড়িয়ে শুভ-অশুভ (পাখি ডান দিকে উড়ে গেলে মঙ্গল আর বাম দিকে গেলে অমঙ্গল) নির্ণয় করা শয়তানী কাজ। (আবু দাউদ-৩৯০৯)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 জ্যোতিষ বিদ্যা শিক্ষা করাও হারাম

📄 জ্যোতিষ বিদ্যা শিক্ষা করাও হারাম


عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اقْتَبَسَ عِلْمًا مِنَ النُّجُومِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ, زَادَ مَا زَادَ

অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু অংশ শিক্ষা করলো, সে মূলত যাদু বিদ্যার একটি অংশ শিক্ষা করলো। আর যে ব্যক্তি যতো বেশি জ্যোতিষ বিদ্যা চর্চা করলো, সে ততো বেশি যাদু বিদ্যাই চর্চা করলো (আর যাদু বিদ্যা সম্পূর্ণ হারাম)। (আবু দাউদ-৩৯০৫, ৩৯০৭, ইবনে মাজাহ-৩৭২৬, আহমাদ-২০০১, ২৮৩৬, হাদীসের শব্দাবলী আবু দাউদের)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 গায়েবী সংবাদ বলা ও বিশ্বাস করা হারাম

📄 গায়েবী সংবাদ বলা ও বিশ্বাস করা হারাম


عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَكَمِ السُّلَمِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي حَدِيثُ عَهْدٍ بِجَاهِلِيَّةٍ, وَقَدْ جَاءَ اللَّهُ بِالإِسْلامِ, وَإِنَّ مِنَّا رِجَالاً يَأْتُونَ الْكُهَانَ, قَالَ, فَلا تَأْتِهِمْ, قُلْتُ, وَمِنَّا رِجَالٌ يَتَطَيَّرُونَ, قَالَ, ذَاكَ شَيْءٍ يَجِدُونَهُ فِي صُدُورِهِمْ, فَلَا يَصُدَّ نَّهُمْ

অর্থ: হযরত মুআবিয়া হাকাম সুলামী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আরজ করলাম। হে আল্লাহর রাসূল! আমার যুগটি জাহিলিয়াতের খুব নিকটবর্তী। আল্লাহ সবেমাত্র আমাকে ইসলামে দীক্ষিত করেছেন। আমাদের মধ্যকার কিছু লোক (গায়েবী সংবাদ জানতে) গণকের কাছে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি তাদের কাছে যেওনা। আমি বললাম, আমাদের কেউ কেউ পাখি উড়িয়ে শুভ-অশুভ নির্ণয় করে। তিনি বলেলেন: এগুলো শুধু তাদের মনের কল্পনা। এতে কোনো কাজে বাধার সৃষ্টি না করে। (মুসলিম-১২২৭, ১০৮৬, ইফা.-১০৮০, আবু দাউদ-৯৩০, ৯৩১, ৩২৮২, ৩৯০৯, নাসাঈ-১২১৮, আহমাদ-২৩২৫০, ২৩২৫৬, দারিমী-১৫০২, হাদীসের শব্দাবলী মুসলিমের)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 গণকের উপার্জন হারাম

📄 গণকের উপার্জন হারাম


عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ : أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الكَلْبِ، وَمَهْرِ البَغِيِّ، وَحُلْوَانِ الكَاهِنِ

অর্থ: হযরত আবু মাসউদ আনসারী রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর উপার্জন এবং গণকের গণনার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী-২২৩৭, ২২৮২, ৫৩৪৬, ৫৭৬১, ইফা.-২০৯৫, মুসলিম-১৫৬৭, আহমাদ-১৭০৬৯, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

হাদীসের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা: আলোচ্য হাদীসে তিনটি জিনিসকে হারাম করা হয়েছে। (ক). কুকুরের মূল্য, (খ). ব্যভিচারিণীর উপার্জন এবং (গ). গণকের গণনার উপার্জিত অর্থ। নিম্নে সংক্ষিপ্তভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00