📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 গণকেরা শয়তানের কথা বলে

📄 গণকেরা শয়তানের কথা বলে


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: المَلائِكَةُ تَتَحَدَّثُ فِي العَنَانِ وَالعَنَانُ : الغَمَامُ ، بِالأَمْرِ يَكُونُ فِي الْأَرْضِ، فَتَسْمَعُ الشَّيَاطِينُ الكَلِمَةَ، فَتَقُرُهَا فِي أُذُنِ الكَاهِنِ كَمَا تُقَرُّ القَارُورَةُ، فَيَزِيدُونَ مَعَهَا مِائَةً كَذِبَةٍ

অর্থ: হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ফেরেশতাগণ মেঘমালার মধ্যে এমন সব বিষয়ে আলোচনা করেন, যা দুনিয়াতে সংঘটিত হবে। তখন শয়তানেরা দু'একটি কথা শুনে ফেলে এবং গণকদের কানে এমনভাবে ঢেলে দেয়, যেমন বোতলে পানি ঢালা হয়। এরপর গণকেরা এ সত্য কথার সাথে আরো শত প্রকার মিথ্যা বৃদ্ধি করে মানুষের কাছে বলে। (বুখারী-৩২৮৮, ৩২১০, ৫৭৬২, ৬২১৩, ইফা.-৩০৫৫)

নোট: গণকের কাছে যাওয়া এবং তার কথা বিশ্বাস করা সম্পূর্ণ নিষেধ। কেননা গণকেরা শয়তানের কাছ থেকে কোনো কিছু শুনে তার সাথে আরো শত মিথ্যা সংযোজন করে মানুষের কাছে বলে থাকে। আলোচ্য হাদীস এ কথার সুস্পষ্ট প্রমাণ।

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 গণকেরা শতকরা নিরানব্বইটি মিথ্যা বলে

📄 গণকেরা শতকরা নিরানব্বইটি মিথ্যা বলে


عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، يَقُولُ : إِنَّ المَلائِكَةَ تَنْزِلُ فِي العَنَانِ: وَهُوَ السَّحَابُ، فَتَذْكُرُ الأَمْرَ قُضِيَ فِي السَّمَاءِ ، فَتَسْتَرِقُ الشَّيَاطِينُ السَّمْعَ فَتَسْمَعُهُ. فَتُوحِيهِ إِلَى الكُهَانِ، فَيَكْذِبُونَ مَعَهَا مِائَةَ كَذَّبَةٍ مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ

অর্থ: নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিণী আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: ফেরেশতাগণ মেঘমালার উপরে অবতরণ করেন এবং আসমানের (আল্লাহর) ফায়সালাসমূহ আলোচনা করেন। তখন শয়তানেরা চুরি করে শোনার চেষ্টা করে এবং তার কিছু শুনেও ফেলে। এরপর তারা তা গণকের কাছে পৌঁছে দেয় এবং তারা তার সেই শুনা কথার সাথে নিজেদের পক্ষ থেকে আরো একশটি মিথ্যা মিলিয়ে মানুষের কাছে বলে। (বুখারী-৩২১০, ৫৭৬২, ৬২১৩, ৭৫৬১, ইফা-২৯৮০, মুসলিম-২২২৮, ৫৭০৯, আহমাদ-২৪০৪৯, হাদীসের শব্দাবলী বুখারীর)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 হাতের রেখা দেখে কিছু বলা ও বিশ্বাস করা হারাম

📄 হাতের রেখা দেখে কিছু বলা ও বিশ্বাস করা হারাম


عَنْ قَبِيصَةَ بن المُخَارِقِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ, قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: الْعِيَافَةُ وَالطَّيَرَةُ وَالطَّرُقُ مِنَ الْجِبْتِ

অর্থ: হযরত কাবিসা ইবনে মুখারিক রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: হাতে রেখা টেনে, কোনো চিহ্ন দেখে এবং পাখি উড়িয়ে শুভ-অশুভ (পাখি ডান দিকে উড়ে গেলে মঙ্গল আর বাম দিকে গেলে অমঙ্গল) নির্ণয় করা শয়তানী কাজ। (আবু দাউদ-৩৯০৯)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 জ্যোতিষ বিদ্যা শিক্ষা করাও হারাম

📄 জ্যোতিষ বিদ্যা শিক্ষা করাও হারাম


عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ, قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اقْتَبَسَ عِلْمًا مِنَ النُّجُومِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ, زَادَ مَا زَادَ

অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু অংশ শিক্ষা করলো, সে মূলত যাদু বিদ্যার একটি অংশ শিক্ষা করলো। আর যে ব্যক্তি যতো বেশি জ্যোতিষ বিদ্যা চর্চা করলো, সে ততো বেশি যাদু বিদ্যাই চর্চা করলো (আর যাদু বিদ্যা সম্পূর্ণ হারাম)। (আবু দাউদ-৩৯০৫, ৩৯০৭, ইবনে মাজাহ-৩৭২৬, আহমাদ-২০০১, ২৮৩৬, হাদীসের শব্দাবলী আবু দাউদের)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00