📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 পাপের কারণে ফিরাউনের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করা হয়েছে

📄 পাপের কারণে ফিরাউনের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করা হয়েছে


كَدَابِ آلِ فِرْعَوْنَ * وَالَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ كَذَّبُوا بِأَيْتِنَا فَأَخَذَهُمُ اللَّهُ بِذُنُوبِهِمْ وَاللَّهُ شَدِيدُ الْعِقَابِ অর্থ: যেমন আচরণ ছিল ফেরাউন সম্প্রদায়ের এবং তাদের পূর্ববর্তীদের। তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে। ফলে তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদরেকে পাকড়াও করেছেন। আর আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর। (সূরা আলে-ইমরান-১১)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 বিপদাপদ মানুষের হাতের কামাই

📄 বিপদাপদ মানুষের হাতের কামাই


مَا أَصَابَكَ مِنْ حَسَنَةٍ فَمِنَ اللَّهِ وَمَا أَصَابَكَ مِنْ سَيِّئَةٍ فَمِنْ نَفْسِكَ অর্থ: তোমার নিকট যে কল্যাণ পৌঁছে তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, আর যে বিপদাপদ পৌঁছে তা তোমারই হাতের কামাই। (সূরা নিসা-৭৯) অপর এক আয়াতে তিনি বলেন-

ما أَصَابَ مِنْ مُّصِيبَةٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ অর্থাৎ, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো বিপদই আপতিত হয় না। (সূরা তাগাবুন-১১) নোট : মানুষ যেসব কল্যাণ লাভ করে থাকে, তা একমাত্র আল্লাহ পাকের অনুগ্রহ ও করুণাস্বরূপ। এতে বান্দার কোনো যোগ্যতা ও অধিকার নেই। কারণ সমস্ত মানুষ আল্লাহ পাকের গোলাম। তিনিই সকলকে সৃষ্টি করেছেন। অতএব কোনো ব্যক্তি যদি সারা জীবনও আল্লাহর কুদরতি কদমে সিজদায় পড়ে থাকে, তথাপিও তাঁর নিয়ামতের এক চুল পরিমাণ হকও আদায় হবে না। এ কারণে আলোচ্য আয়াতে বলা হয়েছে যে, তোমরা আল্লাহর যেসব নিয়ামত ও কল্যাণ লাভ করে থাকো, তা তোমাদের অধিকার ও পাওনা হিসেবে নয়; বরং সম্পূর্ণ আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়াস্বরূপ। পক্ষান্তরে, তোমাদের প্রতি যেসব আযাব, অকল্যাণ ও অনিষ্ট পৌঁছে, তা তোমাদের হাতের কামাই। তোমাদের গোনাহ ও পাপের কারণেই হয়ে থাকে।

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 আল্লাহর আদেশ না মানলে হঠাৎ আযাব আসবে

📄 আল্লাহর আদেশ না মানলে হঠাৎ আযাব আসবে


فَلَمَّا نَسُوا مَا ذُكِّرُوا بِهِ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ أَبْوَابَ كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى إِذَا فَرِحُوا بِمَا أُوتُوا أَخَذْنَاهُمْ بَغْتَةً فَإِذَا هُمْ مُّبْلِسُونَ (৪৪)

অর্থ: অতঃপর তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা যখন তা ভুলে গেল, আমি তাদের উপর সব কিছুর দরজা খুলে দিলাম। অবশেষে যখন তাদেরকে যা প্রদান করা হয়েছিল তার কারণে তারা উৎফুল্ল হলো, আমি হঠাৎ তাদেরকে পাকড়াও করলাম। ফলে তখন তারা হতাশ হয়ে গেল। (সূরা আনআম-৪৪)

ব্যাখ্যা: পূর্ববর্তী উম্মতের ব্যাপারে আল্লাহর রীতি এই ছিলো যে, তাদেরকে সতর্ক করার জন্য কখনো অভাব-অনটন ও দুঃখ-কষ্টে ফেলতেন, যাতে বিপদে অস্থির হয়ে তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং সকল প্রকার পাপকর্ম বর্জন করে।

আবার কখনো পার্থিব প্রাচুর্য দান করতেন, যাতে এসব নিয়ামত দেখে কৃতজ্ঞ হয় এবং আল্লাহর হুকুমকে আঁকড়ে ধরে। উভয় অবস্থাই মানুষের জন্য কল্যাণকর। কিন্তু যারা উভয় অবস্থায় নাফরমানীতে লিপ্ত থাকতো, তাদেরকে আল্লাহ পাকের আজাব পাকড়াও করতো।

আলোচ্য আয়াতে সেদিকেই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে ... فَلَمَّا نَسُوا مَا অর্থ, পূর্ববর্তী কোনো উম্মতকে প্রথমে দুঃখ-কষ্টে ফেলা হয়েছিলো। কিন্তু সেখান থেকে তারা উপদেশ গ্রহণ করেনি। এরপর তাদেরকে পার্থিব প্রাচুর্য দান করা হয়েছিলো। কিন্তু সেখান থেকেও তারা শিক্ষা গ্রহণ করেনি। অবশেষে তাদেরকে আল্লাহর আজাব পাকড়াও করেছিলো। (তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন, তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন)

📘 মহামারী ও ফিতনা > 📄 মানুষের পাপের কারণেই তাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়

📄 মানুষের পাপের কারণেই তাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়


فَاعْلَمْ أَنَّمَا يُرِيدُ اللهُ أَنْ يُصِيبَهُمْ بِبَعْضِ ذُنُوبِهِمْ وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ النَّاسِ لَفْسِقُونَ

অর্থ: জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ কেবল তাদেরকে তাদের পাপের কারণেই আযাব দিতে চান। আর মানুষের অনেকেই ফাসিক। (সূরা মায়িদা-৪৯)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00