📄 ইসলামের প্রথম (অর্থাৎ বদরের) যুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সাহাবা
১। হযরত উবায়দা ইবনুল হারিস (রা.) - মুহাজির
২। হযরত উমাইর বিন আবী ওয়াক্কাস (রা.) - মুহাজির
৩। হযরত যুশ শিমালাইন (রা.) - মুহাজির
৪। হযরত আকিল বিন সালিহ (রা.) -মুহাজির
৫। হযরত মাহজা বিন সালিহ (রা.) - মুহাজির
৬। হযরত সাফওয়ান বিন বাইদা (রা.)-মুহাজির
৭। হযরত সা'দ বিন খায়ছামা (রা.) - আনছার
৮। হযরত মুবাশ্বির বিন আব্দুল মুনযির (রা.) - আনছার
৯। হযরত উমায়র ইবনুল হুমাম (রা.) - আনছার
১০। হযরত ইয়াযীদ বিন হারিস (রা.) - আনছার
১১। হযরত রাফি বিন মুআল্লা (রা.) - আনছার
১২। হযরত হারিসা বিন সুরাকা (রা.) - আনছার
১৩। হযরত আওফ বিন হারিস (রা.) - আনছার
১৪। হযরত মুআওবিয বিন হারিস (রা.) - আনছার
📄 বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় সাহাবা
উম্মুল মু'মিনীন খাদীজা (রা.)
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের সর্বপ্রথম স্ত্রী। বিধবা (৪০ বছর) খাদীজার (রা.) সাথে তরুণ নবী (২৫ বছর) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল。
ইসলামের প্রথমাবস্থায়, খাদীজা (রা.) তার বিপুল ধন-সম্পদ পুরোপুরি ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছেন। খাদীজা (রা.) একদিকে সহধর্মিণী হিসেবে যুবক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসায় সিক্ত করেছেন। অন্য দিকে মাতৃসুলভ স্নেহ-মমতা, আদর-যত্ন, অভিভাবকত্বের বন্ধনে এতীম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আগলে রেখেছেন।
খাদীজার (রা.) দীর্ঘ ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনের (অর্থাৎ ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত) মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন ২য় বিবাহ করেননি। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরবর্তী জীবনেও সর্বক্ষেত্রেই খাদীজা (রা.)-কে স্মরণ করেছেন। স্ত্রী হিসেবে তিনিই শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারিণী।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী রমণীদের মাঝে হযরত মরিয়ম (আ.) এবং খাদীজাই (রা.) মর্যাদাশীল ও শ্রেষ্ঠ। খাদীজা (রা.) মহাবিশ্বের নর-নারীর মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত দ্বীন ইসলামকে সর্বপ্রথম গ্রহণ করেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরিশতা জিব্রাঈল (আ.) কর্তৃক আনীত কুরআন নাযিলের ঘটনায় নবীর বিচলিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় সাহস যোগানসহ হেরা গুহায় দিনরাত সাধনায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে খাদীজা (রা.) অনন্যা হয়ে আছেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল জীবিত সন্তানরা এবং পরবর্তীতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশ চালু রয়েছে খাদীজার (রা.) সন্তান-সন্ততিদের মাধ্যমেই। বিশ্বনবীর বংশ চালু থাকবে খাদীজার (রা.) মাধ্যমেই।
খাদীজা (রা.) বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান ও শ্রেষ্ঠ রমণীর মা অর্থাৎ ফাতিমা (রা.) খাদীজারই (রা.) সন্তান। ফাতিমা (রা.) বেহেশতে সকল রমণীর নেত্রী হবেন এবং তার স্বামী হযরত আলী (রা.) সকল পুরুষের মাঝে মর্যাদাবান।। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় নাতি এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইমামদ্বয় হাসান ও হোসাইন (রা.), ফাতিমারই (রা.) পুত্র সন্তান। হাসান ও হোসাইন (রা.) বেহেশতে যুবকদের নেতা হবেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয়তম স্ত্রী আয়িশা (রা.) বলেন, আহা আমি যদি খাদীজার (রা.) মত ভাগ্য নিয়ে জন্ম লাভ করতাম; তবেই আমার জীবন ধন্য হত। আয়িশা (রা.) আরও বলেন, আহা আমি যদি ফাতিমার (রা.) একগাছি চুল হতাম। এ দু'টো মন্তব্যে বুঝা যায় খাদীজার (রা.) মর্যাদা কিরূপ ছিল।
খাদীজা (রা.) সম্পর্কে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মন্তব্য হল- খাদীজার (রা.) চেয়ে উত্তম স্ত্রী আমি লাভ করিনি। যখন দুনিয়ার সকল লোক কাফির মুশরিক ছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমার কথায় ঈমান এনেছিল। যখন সারা বিশ্ব আমাকে অবিশ্বাস করেছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমাকে বিশ্বাস করেছিল। এমনকি তার সকল ধন-সম্পদ আমার হাতে তুলে দিয়েছিল। তিনি পৃথিবীর একমাত্র মহিলা যিনি পৃথিবীতে থেকে জিব্রাঈল (আ.) এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণ করেছিলেন। আল্লাহপাক কতটুকু সন্তুষ্ট থাকলে পৃথিবীর একজন মানুষকে সালাম পেশ করতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়। অতএব খাদীজা (রা.) পৃথিবীর সার্থকতম এবং শ্রেষ্ঠ রমণী।
📄 উন্মুল মু‘মিনীন খাদীজা (রা.)
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের সর্বপ্রথম স্ত্রী। বিধবা (৪০ বছর) খাদীজার (রা.) সাথে তরুণ নবী (২৫ বছর) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল。
ইসলামের প্রথমাবস্থায়, খাদীজা (রা.) তার বিপুল ধন-সম্পদ পুরোপুরি ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছেন। খাদীজা (রা.) একদিকে সহধর্মিণী হিসেবে যুবক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসায় সিক্ত করেছেন। অন্য দিকে মাতৃসুলভ স্নেহ-মমতা, আদর-যত্ন, অভিভাবকত্বের বন্ধনে এতীম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আগলে রেখেছেন।
খাদীজার (রা.) দীর্ঘ ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনের (অর্থাৎ ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত) মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন ২য় বিবাহ করেননি। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরবর্তী জীবনেও সর্বক্ষেত্রেই খাদীজা (রা.)-কে স্মরণ করেছেন। স্ত্রী হিসেবে তিনিই শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারিণী।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী রমণীদের মাঝে হযরত মরিয়ম (আ.) এবং খাদীজাই (রা.) মর্যাদাশীল ও শ্রেষ্ঠ। খাদীজা (রা.) মহাবিশ্বের নর-নারীর মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত দ্বীন ইসলামকে সর্বপ্রথম গ্রহণ করেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরিশতা জিব্রাঈল (আ.) কর্তৃক আনীত কুরআন নাযিলের ঘটনায় নবীর বিচলিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় সাহস যোগানসহ হেরা গুহায় দিনরাত সাধনায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে খাদীজা (রা.) অনন্যা হয়ে আছেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল জীবিত সন্তানরা এবং পরবর্তীতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশ চালু রয়েছে খাদীজার (রা.) সন্তান-সন্ততিদের মাধ্যমেই। বিশ্বনবীর বংশ চালু থাকবে খাদীজার (রা.) মাধ্যমেই।
খাদীজা (রা.) বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান ও শ্রেষ্ঠ রমণীর মা অর্থাৎ ফাতিমা (রা.) খাদীজারই (রা.) সন্তান। ফাতিমা (রা.) বেহেশতে সকল রমণীর নেত্রী হবেন এবং তার স্বামী হযরত আলী (রা.) সকল পুরুষের মাঝে মর্যাদাবান।। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় নাতি এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইমামদ্বয় হাসান ও হোসাইন (রা.), ফাতিমারই (রা.) পুত্র সন্তান। হাসান ও হোসাইন (রা.) বেহেশতে যুবকদের নেতা হবেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয়তম স্ত্রী আয়িশা (রা.) বলেন, আহا আমি যদি খাদীজার (রা.) মত ভাগ্য নিয়ে জন্ম লাভ করতাম; তবেই আমার জীবন ধন্য হত। আয়িশা (রা.) আরও বলেন, আহা আমি যদি ফাতিমার (রা.) একগাছি চুল হতাম। এ দু'টো মন্তব্যে বুঝা যায় খাদীজার (রা.) মর্যাদা কিরূপ ছিল।
খাদীজা (রা.) সম্পর্কে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মন্তব্য হল- খাদীজার (রা.) চেয়ে উত্তম স্ত্রী আমি লাভ করিনি। যখন দুনিয়ার সকল লোক কাফির মুশরিক ছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমার কথায় ঈমান এনেছিল। যখন সারা বিশ্ব আমাকে অবিশ্বাস করেছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমাকে বিশ্বাস করেছিল। এমনকি তার সকল ধন-সম্পদ আমার হাতে তুলে দিয়েছিল। তিনি পৃথিবীর একমাত্র মহিলা যিনি পৃথিবীতে থেকে জিব্রাঈল (আ.) এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণ করেছিলেন। আল্লাহপাক কতটুকু সন্তুষ্ট থাকলে পৃথিবীর একজন মানুষকে সালাম পেশ করতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়। অতএব খাদীজা (রা.) পৃথিবীর সার্থকতম এবং শ্রেষ্ঠ রমণী।
📄 নবীকন্যা হযরত ফাতিমা (রা.)
ফাতিমা (রা.) বেহেশতে সকল রমণীর নেত্রী হবেন। তাঁর স্বামী হযরত আলী (রা.) বেহেশতে মর্যাদাবান পুরুষদের মাঝে অন্যতম।
ফাতিমা (রা.) বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইমামদ্বয় যথাক্রমে হাসান ও হোসাইন (রা.) এর মা। আল্লাহ পাক তাঁদের মাধ্যমেই বিশ্ব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশকে কিয়ামত পর্যন্ত বিস্তার করবেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ফাতিমার (রা.) বিভিন্ন দিক দিয়ে অপূর্ব মিল ছিল। হযরত আয়িশা (রা.) বলেন, কথাবার্তা, চলাফেরা, উঠাবসা ও চারিত্রিক দিক দিয়ে হযরত ফাতিমার (রা.) তুলনায় বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাদৃশ্য কাউকে দেখিনি।
হযরত ফাতিমা (রা.) যখন বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসতেন, তখন বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে যেতেন এবং খুশি অনুভব করতেন; চুমু দিয়ে তাঁকে নিজের সামনে বসাতেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ফাতিমা (রা.) আমার শরীরের অংশ; যে তাঁর মনে কষ্ট দিল, সে যেন আমাকেই কষ্ট দিল। যে তাঁকে অসন্তুষ্ট করল, সে যেন আমাকেই অসন্তুষ্ট করল।
বিশ্বনবী জান্নাতে রমণীদের মর্যাদার ক্রমধারা বর্ণনা করেন এভাবে : জান্নাতে রমণীদের নেত্রী হবে ঈসার (আ.) মা মরিয়ম (আ.), তারপর ফাতিমা (রা.), তারপর খাদীজা (রা.), তারপর ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া (আ.)। এ চারজন নারীই বেহেশতে সকল নারীর নেত্রী হবেন। তাঁদের মর্যাদা ও সম্মান সর্বাধিক।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে (রা.) বলতেন, হে মা ফাতিমা (রা.)! তোমার সন্তুষ্টিতে স্বয়ং আল্লাহ সন্তুষ্ট হন। আর তোমার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহপাক ক্রুদ্ধ হন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন আমি সর্বপ্রথম পুলসিরাত পার হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করব। এরপর ঘোষণা করা হবে, উপস্থিত সকল আদম সন্তান তোমরা চোখ বন্ধ কর, নবীর শ্রেষ্ঠ কন্যা ফাতিমা (রা.) পুলসিরাত পার হবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর বেহেশতে প্রবেশ করবেন ফাতিমা (রা.)।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে পৃথিবীর মানুষদের মাঝে সবচেয়ে বেশি ভালবাসতেন, আদর ও স্নেহ করতেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কোন সফর, যুদ্ধ বা বাহিরে থেকে ফিরে এসে প্রথমে মসজিদে দু'রাকাত নামায আদায় করতেন এবং এরপর ফাতিমার (রা.) বাড়িতে যেতেন। এরপর নিজ গৃহে ফিরে যেতেন। একবার গৃহের কাজ করতে গিয়ে ফাতিমা (রা.) ঘুমিয়ে পড়লে, তিনজন ফিরিশতা কর্তৃক যথাক্রমে গমের যাতা ঘুরানো, হোসাইনের (রা.) দোলনা দোলানো এবং ফাতিমার পর্দা রক্ষা ও তসবী পাঠ অব্যাহত রাখা হয়েছিল। মহান আল্লাহ ফাতিমার (রা.) উপর এতটাই সন্তুষ্ট ছিলেন।
ফাতিমা (রা.) শেরে-এ-খোদা আলীর (রা.) সম্মানিত স্ত্রী এবং বেহেশতের যুবকদের সর্দার হাসান ও হোসাইনের (রা.) মা। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, হাসান ও হোসাইনকে (রা.) নিজের কলিজার টুকরা বলেছেন। এ দু'বেহেশতি মহামানব, বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিঠে চড়তেন এবং তাদের নানা বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া সাজতেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার ফাতিমা, আলী, হাসান ও হোসাইন (রা.) কে নিজের চাদরের নিচে টেনে নেন এবং বলেন, আল্লাহপাক তোমাদেরকে অপবিত্রতা দূর করে পবিত্র করণের ইচ্ছা পোষণ করেছেন। হযরত ফাতিমার (রা.) গৃহে ফেরেশতা মারফত বেহেশত থেকে খানা পরিবেশন করা হয়েছে এবং সে খানা বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেয়েছেন।