📘 মহাবিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব > 📄 ইসলামের প্রথম আকাবায় বাইয়াতকারী সাহাবা

📄 ইসলামের প্রথম আকাবায় বাইয়াতকারী সাহাবা


নবুওয়াতের দশম বছর মদীনা হতে ৬ জনের মুমিনের একটি দল এসে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সংগে মক্কায় সাক্ষাৎ করেন এবং মুসলমান হন। এ দলের মাধ্যমেই পরের বছর আকাবায় বাইয়াত অনুষ্ঠানের পথ সুগম হয়। মদীনা হতে আগত ৬ জন হলেন:

১। হযরত আবু যর গিফারী (রা.)
২। হযরত সা'দ বিন সামিত (রা.)
৩। হযরত উবাদা বিন সামিত (রা.)
৪। হযরত আবুল হাইছাম বিন তায়্যিহান (রা.)
৫। হযরত আসআদ বিন যুরারা (রা.)
৬। হযরত আজাদ বিন মুদা (রা.)

আকাবার প্রথম বাইয়াত গ্রহণকারী বিশিষ্ট কয়েকজন সাহাবার নাম:

১। হযরত আবু উমামা বিন জারাহ (রা.)
২। হযরত রাফে বিন মালিক (রা.)
৩। হযরত আওফ বিন হারিস (রা.)
৪। হযরত কুতায়বা বিন আমির বিন হুযাইফা (রা.)
৫। হযরত উকবা বিন আমির বিন নাবি (রা.)
৬। হযরত সদর বিন রাবি (রা.)

📘 মহাবিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব > 📄 ইসলামের প্রথম (অর্থাৎ বদরের) যুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সাহাবা

📄 ইসলামের প্রথম (অর্থাৎ বদরের) যুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সাহাবা


১। হযরত উবায়দা ইবনুল হারিস (রা.) - মুহাজির
২। হযরত উমাইর বিন আবী ওয়াক্কাস (রা.) - মুহাজির
৩। হযরত যুশ শিমালাইন (রা.) - মুহাজির
৪। হযরত আকিল বিন সালিহ (রা.) -মুহাজির
৫। হযরত মাহজা বিন সালিহ (রা.) - মুহাজির
৬। হযরত সাফওয়ান বিন বাইদা (রা.)-মুহাজির
৭। হযরত সা'দ বিন খায়ছামা (রা.) - আনছার
৮। হযরত মুবাশ্বির বিন আব্দুল মুনযির (রা.) - আনছার
৯। হযরত উমায়র ইবনুল হুমাম (রা.) - আনছার
১০। হযরত ইয়াযীদ বিন হারিস (রা.) - আনছার
১১। হযরত রাফি বিন মুআল্লা (রা.) - আনছার
১২। হযরত হারিসা বিন সুরাকা (রা.) - আনছার
১৩। হযরত আওফ বিন হারিস (রা.) - আনছার
১৪। হযরত মুআওবিয বিন হারিস (রা.) - আনছার

📘 মহাবিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব > 📄 বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় সাহাবা

📄 বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় সাহাবা


উম্মুল মু'মিনীন খাদীজা (রা.)
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের সর্বপ্রথম স্ত্রী। বিধবা (৪০ বছর) খাদীজার (রা.) সাথে তরুণ নবী (২৫ বছর) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল。
ইসলামের প্রথমাবস্থায়, খাদীজা (রা.) তার বিপুল ধন-সম্পদ পুরোপুরি ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছেন। খাদীজা (রা.) একদিকে সহধর্মিণী হিসেবে যুবক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসায় সিক্ত করেছেন। অন্য দিকে মাতৃসুলভ স্নেহ-মমতা, আদর-যত্ন, অভিভাবকত্বের বন্ধনে এতীম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আগলে রেখেছেন।
খাদীজার (রা.) দীর্ঘ ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনের (অর্থাৎ ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত) মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন ২য় বিবাহ করেননি। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরবর্তী জীবনেও সর্বক্ষেত্রেই খাদীজা (রা.)-কে স্মরণ করেছেন। স্ত্রী হিসেবে তিনিই শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারিণী।

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী রমণীদের মাঝে হযরত মরিয়ম (আ.) এবং খাদীজাই (রা.) মর্যাদাশীল ও শ্রেষ্ঠ। খাদীজা (রা.) মহাবিশ্বের নর-নারীর মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত দ্বীন ইসলামকে সর্বপ্রথম গ্রহণ করেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরিশতা জিব্রাঈল (আ.) কর্তৃক আনীত কুরআন নাযিলের ঘটনায় নবীর বিচলিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় সাহস যোগানসহ হেরা গুহায় দিনরাত সাধনায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে খাদীজা (রা.) অনন্যা হয়ে আছেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল জীবিত সন্তানরা এবং পরবর্তীতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশ চালু রয়েছে খাদীজার (রা.) সন্তান-সন্ততিদের মাধ্যমেই। বিশ্বনবীর বংশ চালু থাকবে খাদীজার (রা.) মাধ্যমেই।
খাদীজা (রা.) বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান ও শ্রেষ্ঠ রমণীর মা অর্থাৎ ফাতিমা (রা.) খাদীজারই (রা.) সন্তান। ফাতিমা (রা.) বেহেশতে সকল রমণীর নেত্রী হবেন এবং তার স্বামী হযরত আলী (রা.) সকল পুরুষের মাঝে মর্যাদাবান।। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় নাতি এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইমামদ্বয় হাসান ও হোসাইন (রা.), ফাতিমারই (রা.) পুত্র সন্তান। হাসান ও হোসাইন (রা.) বেহেশতে যুবকদের নেতা হবেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয়তম স্ত্রী আয়িশা (রা.) বলেন, আহা আমি যদি খাদীজার (রা.) মত ভাগ্য নিয়ে জন্ম লাভ করতাম; তবেই আমার জীবন ধন্য হত। আয়িশা (রা.) আরও বলেন, আহা আমি যদি ফাতিমার (রা.) একগাছি চুল হতাম। এ দু'টো মন্তব্যে বুঝা যায় খাদীজার (রা.) মর্যাদা কিরূপ ছিল।

খাদীজা (রা.) সম্পর্কে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মন্তব্য হল- খাদীজার (রা.) চেয়ে উত্তম স্ত্রী আমি লাভ করিনি। যখন দুনিয়ার সকল লোক কাফির মুশরিক ছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমার কথায় ঈমান এনেছিল। যখন সারা বিশ্ব আমাকে অবিশ্বাস করেছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমাকে বিশ্বাস করেছিল। এমনকি তার সকল ধন-সম্পদ আমার হাতে তুলে দিয়েছিল। তিনি পৃথিবীর একমাত্র মহিলা যিনি পৃথিবীতে থেকে জিব্রাঈল (আ.) এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণ করেছিলেন। আল্লাহপাক কতটুকু সন্তুষ্ট থাকলে পৃথিবীর একজন মানুষকে সালাম পেশ করতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়। অতএব খাদীজা (রা.) পৃথিবীর সার্থকতম এবং শ্রেষ্ঠ রমণী।

📘 মহাবিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব > 📄 উন্মুল মু‘মিনীন খাদীজা (রা.)

📄 উন্মুল মু‘মিনীন খাদীজা (রা.)


বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লামের সর্বপ্রথম স্ত্রী। বিধবা (৪০ বছর) খাদীজার (রা.) সাথে তরুণ নবী (২৫ বছর) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল。
ইসলামের প্রথমাবস্থায়, খাদীজা (রা.) তার বিপুল ধন-সম্পদ পুরোপুরি ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেছেন। খাদীজা (রা.) একদিকে সহধর্মিণী হিসেবে যুবক নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালবাসায় সিক্ত করেছেন। অন্য দিকে মাতৃসুলভ স্নেহ-মমতা, আদর-যত্ন, অভিভাবকত্বের বন্ধনে এতীম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আগলে রেখেছেন।
খাদীজার (রা.) দীর্ঘ ২৫ বছরের বিবাহিত জীবনের (অর্থাৎ ৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত) মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন ২য় বিবাহ করেননি। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরবর্তী জীবনেও সর্বক্ষেত্রেই খাদীজা (রা.)-কে স্মরণ করেছেন। স্ত্রী হিসেবে তিনিই শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারিণী।

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী রমণীদের মাঝে হযরত মরিয়ম (আ.) এবং খাদীজাই (রা.) মর্যাদাশীল ও শ্রেষ্ঠ। খাদীজা (রা.) মহাবিশ্বের নর-নারীর মাঝে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত দ্বীন ইসলামকে সর্বপ্রথম গ্রহণ করেন।
বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ফিরিশতা জিব্রাঈল (আ.) কর্তৃক আনীত কুরআন নাযিলের ঘটনায় নবীর বিচলিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় সাহস যোগানসহ হেরা গুহায় দিনরাত সাধনায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে খাদীজা (রা.) অনন্যা হয়ে আছেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল জীবিত সন্তানরা এবং পরবর্তীতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশ চালু রয়েছে খাদীজার (রা.) সন্তান-সন্ততিদের মাধ্যমেই। বিশ্বনবীর বংশ চালু থাকবে খাদীজার (রা.) মাধ্যমেই।
খাদীজা (রা.) বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান ও শ্রেষ্ঠ রমণীর মা অর্থাৎ ফাতিমা (রা.) খাদীজারই (রা.) সন্তান। ফাতিমা (রা.) বেহেশতে সকল রমণীর নেত্রী হবেন এবং তার স্বামী হযরত আলী (রা.) সকল পুরুষের মাঝে মর্যাদাবান।। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় নাতি এবং বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ইমামদ্বয় হাসান ও হোসাইন (রা.), ফাতিমারই (রা.) পুত্র সন্তান। হাসান ও হোসাইন (রা.) বেহেশতে যুবকদের নেতা হবেন। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয়তম স্ত্রী আয়িশা (রা.) বলেন, আহا আমি যদি খাদীজার (রা.) মত ভাগ্য নিয়ে জন্ম লাভ করতাম; তবেই আমার জীবন ধন্য হত। আয়িশা (রা.) আরও বলেন, আহা আমি যদি ফাতিমার (রা.) একগাছি চুল হতাম। এ দু'টো মন্তব্যে বুঝা যায় খাদীজার (রা.) মর্যাদা কিরূপ ছিল।

খাদীজা (রা.) সম্পর্কে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মন্তব্য হল- খাদীজার (রা.) চেয়ে উত্তম স্ত্রী আমি লাভ করিনি। যখন দুনিয়ার সকল লোক কাফির মুশরিক ছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমার কথায় ঈমান এনেছিল। যখন সারা বিশ্ব আমাকে অবিশ্বাস করেছিল, তখন খাদীজাই (রা.) আমাকে বিশ্বাস করেছিল। এমনকি তার সকল ধন-সম্পদ আমার হাতে তুলে দিয়েছিল। তিনি পৃথিবীর একমাত্র মহিলা যিনি পৃথিবীতে থেকে জিব্রাঈল (আ.) এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণ করেছিলেন। আল্লাহপাক কতটুকু সন্তুষ্ট থাকলে পৃথিবীর একজন মানুষকে সালাম পেশ করতে পারেন, তা সহজেই অনুমেয়। অতএব খাদীজা (রা.) পৃথিবীর সার্থকতম এবং শ্রেষ্ঠ রমণী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00