📄 যাক্কুম
মাসআলা-৭১: জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে নিম্নোক্ত চার প্রকার খাবার পরিবেশন করা হবে:
১- যাকুম, ২. দ্বারি', ৩. গিসলিন, ৪. জা গুসসা
১. যাক্কুম
মাসআলা-৭২: দুর্গন্ধময় তিক্ত, কাটা যুক্ত এক ধরণের খাবার, তা জাহান্নামীদের খাবার হবে। যা জাহান্নামের তলদেশ থেকে উৎপন্ন হয়, যার মুকুলসমূহ বিষাক্ত সাপের মাথার ন্যায় হবে:
মাসআলা-৭৩: যাক্কুম খাওয়ানোর পর জাহান্নামীদেরকে উত্তপ্ত পানি পান করতে দেয়া হবে:
মাসআলা-৭৪: জাহান্নামের মেহমান খানায় জাহান্নামীদের মেহমানদারীর পর তাদেরকে তাদের স্ব স্ব স্থানে পৌছিয়ে দেয়া হবে:
أَذْلِكَ خَيْرٌ نُّزُلاً أَمْ شَجَرَةُ الزَّقُومِ إِنَّا جَعَلْنَاهَا فِتْنَةً لِلظَّالِمِينَ إِنَّهَا شَجَرَةٌ تَخْرُجُ فِي أَصْلِ الْجَحِيمِ طَلْعُهَا كَأَنَّهُ رُءُوسُ الشَّيَاطِينِ فَإِنَّهُمْ لَآكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْباً مِنْ حَمِيمٍ ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى الْجَحِيمِ
অর্থ: আপ্যায়নের জন্য এগুলো উত্তম না যাক্কুম” বৃক্ষ? নিশ্চয় আমি তাকে যালিমদের জন্য করে দিয়েছি পরীক্ষা। নিশ্চয় এ গাছটি জাহান্নামের তলদেশ থেকে বের হয়। এর ফল যেন শয়তানের মাথা; নিশ্চয় তারা তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে। তদুপরি তাদের জন্য থাকবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ। তারপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের আগুনে। (সূরা সাফফাত ৩৭:৬২-৬৮)
মাসআলা-৭৫: যাক্কুমের বিষাক্ততা পেটে এমনভাবে ব্যাথা দিবে যেন গরম পানি পেটে ফুটতেছে:
إِنَّ شَجَرَةَ الزَّقُومِ طَعَامُ الْأَثِيمِ كَالْمُهْلِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ كَغَلَي الْحَمِيمِ
অর্থ: "নিশ্চয় যাক্কুম বৃক্ষ হবে, পাপীদের খাদ্য, গলিত তাম্রের মত, ওটা তার উদরে ফুটতে থাকবে ফুটন্ত পানির মত।" (সূরা দুখান: ৪৩-৪৬)
মাসআলা-৭৬: জাহান্নামীদের খাবার এত বিষাক্ত হবে যে, যদি তার এক ফোটা পৃথিবীতে ছড়ানো হয়, তাহলে এ কারণে সমগ্র-পৃথিবী বসবাস অনুপযোগী হয়ে যাবে:
عَنْ ابْنِ عَبَّاسِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ أَنَّ قَطْرَةً مِنَ الزَّقُومِ قُطِرَتْ فِي دَارِ الدُّنْيَا لَأَفْسَدَتْ عَلَى أَهْلِ الدُّنْيَا مَعَايِشَهُمْ ، فَكَيْفَ بِمَنْ يَكُونُ طَعَامَهُ؟»
অর্থ: "আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: যদি যাক্কুমের এক ফোটা দুনিয়াতে নিক্ষেপ করা হয়, তাহলে সমগ্র দুনিয়ার প্রাণীদের জীবন-যাপনের মাধ্যম বিনষ্ট হয়ে যাবে, তাহলে ঐ ব্যক্তির কি অবস্থা হবে যার প্রধান খাবার হবে যাক্কুম? (আহমদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ)৩১
টিকাঃ
৩১ অতি তিক্ত স্বাদযুক্ত জাহান্নামের এক গাছ।
📄 জাহান্নাম এর খানাপিনা
পানাহারের বিষয়ে মানুষ কত উন্নত মনোভাব রাখে তা প্রত্যেকে তার নিজের আলোকে চিন্তা করতে পারে। যে খাবার গলে পঁচে দুর্গন্ধ গেছে, বা তার রুচীসম্মত হয়নি তাতো সে স্পর্শ করাও ভাল মনে করে না। কোনো কোনো মানুষ খাবারে লবণ মরিচের সামান্য কম বেশিকেও সহ্য করে না। স্বাদ ব্যতীত, খাবার দাবার মানুষের স্বাস্থ্যের সাথেও গভীর সম্পর্ক রাখে, তাই উন্নত বিশ্বে খাদ্য দ্রব্যের প্রতি অত্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়। বাহারী স্বাদের জন্য মানুষ কত সুন্দর সুন্দর পানাহার সামগ্রী তৈরী করে, কোনো অতিরঞ্জন ব্যতীতই বলা যায় যে, তার সঠিক পরিসংখ্যান পেশ করা অসম্ভব। পৃথিবীতে এত বাহারী স্বাদের পাগল মানুষ যখন পরকালে স্বীয় কৃতকর্মের পরীক্ষার জন্য সম্মুখীণ হবে, তখন সর্বপ্রথম তার যে চাহিদা দেখা দিবে তা হলো পানির মারাত্মক পিপাসা। নবীগণের সরদার মুহাম্মদ স্বীয় হাউজে (জান্নাতে প্রবেশের পূর্বে হাশরের মাঠে) আসন গ্রহণ করবেন, যেখানে তিনি নিজ হাতে পানি সরবরাহ করে ঈমানদারদের পিপাসা মিটাবেন। কাফির মুশরিকরাও তাদের পিপাসা মিটানোর জন্য হাউজের নিকট আসবে, কিন্তু আল্লাহর রাসূল নিজ হাতে তাদেরকে দূরে সরিয়ে দিবেন। (ইবনে মাজা)
বিদআতীরাও পানি পান করার জন্য আসার চেষ্টা করবে কিন্তু তাদেরকেও দূরে সরিয়ে দেয়া হবে। (বুখারী)
কাফির, মুশরিক ও বিদআতীরা হাশরের মাঠে এ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পিপাসাত অবস্থায় অতিক্রম করবে এবং শেষ পর্যন্ত এ অবস্থায়ই জাহান্নামে যাবে। (সূরা মারইয়াম: ৮৬)
জাহান্নামে যাওয়ার পর যখন তারা খাবার চাইবে, তখন তাদেরকে জাক্কুম বৃক্ষ ও কাটা বিশিষ্ট ঘাস দেয়া হবে।
জাহান্নামীরা অরুচী সত্ত্বেও এক লোকমা করে মুখে দিবে তাতে তাদের ক্ষুধা তো মিটবেই না বরং শাস্তির মাত্রা আরো বৃদ্ধি পাবে। উল্লেখ্য জাক্কুম বৃক্ষ ও কাটা বিশিষ্ট ঘাস জাহান্নামেই উৎপন্ন হবে। এর অর্থ হলো এই যে, এ উভয় খাবার এতটা গরম তো অবশ্যই হবে যতটা গরম হবে জাহান্নামের আগুন। বরং বলা যেতে পারে যে এ খাবার আগুনের কয়লার ন্যায় হবে, যা জাহান্নামীরা তাদের ক্ষুধা মিঠানোর জন্য গলধকরণ করবে। মূলত জাহান্নামের খাবার তার বেদনাদায়ক আযাবেরই এক প্রকার কঠিন আযাব হবে। আল্লাহ মাফ করুন! খাওয়ার পর জাহান্নামী পানি চাইবে, তখন পাহারাদার তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তির স্থান থেকে তার ঝর্ণার নিকট নিয়ে আসবে, যেখানে কঠিন গরম পানি দিয়ে তাদেরকে সাদর সম্ভাষণ জানানো হবে। ঐ পানি জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুনে বাষ্প না হয়ে পানি হয়ে থাকবে। সম্ভবত কোনো শক্ত পাথর হবে যা জাহান্নামের আগুনে বিগলিত হয়ে পানিতে পরিণত হয়েছে, আর তাই জাহান্নামীদের পানীয় হবে। (আল্লাহই এ ব্যাপারে ভাল জানেন।)
জাহান্নামী তা পান করতে গেলে প্রথম ঢোকেই তাদের মুখের সমস্ত গোশত গলে নীচে নেমে যাবে। (মোস্তাদরাক হাকেম)
আর পানির যে অংশ পেটে যাবে তার মাধ্যমে তার সমস্ত নাড়ী-ভুঁড়ি কেটে পিঠ দিয়ে গড়িয়ে পায়ে এসে পড়বে। (তিরমিযী)
মূলত তা পান করাও বেদনাদায়ক শাস্তিরই আরেক প্রকার শাস্তি হবে। এ আদর আপ্যায়নের পর দারোয়ান তাকে আবার জাহান্নামের শাস্তির স্থানে নিয়ে যাবে। জাহান্নামের পানাহারে জাহান্নামীরা অতিষ্ঠ হয়ে জান্নাতীদের নিকট আবেদন করবে যে, কিছু পানি বা অন্য কোনোকিছু আমাদেরকেও পান করার জন্য দাও। জান্নাতীরা বলবে জান্নাতের পানাহার আল্লাহ কাফিরদের জন্য হারাম করেছেন। (সূরা আরাফ: ৫০)
জাহান্নামের উত্তপ্ত আগুন বেদনাদায়ক হওয়া সত্ত্বেও বিষাক্ত, দুর্গন্ধময় ও কাটা বিশিষ্ট হবে। সাথে সাথে গরম পানি, দুর্গন্ধময় রক্ত, বমি ইত্যাদি পানীয় রূপে কঠিন আযাব হিসেবে দুষ্ট প্রকৃতির লোকদেরকে দেয়া হবে। সর্বজ্ঞ ও সর্ববিষয়ে অবগত তো একমাত্র আল্লাহ কিন্তু কুরআন ও হাদীস গবেষণার মাধ্যমে যতটুকু বুঝা যায় তাহলো এই যে, কাফিরদের জীবনের মূল দু'টি বিষয়ের ওপর, আর তা হলো পেট ও রিপুর গোলামী।
এ উভয় বিষয় এমন পানাহারের দাবী করে যাতে তার চাহিদার আগুন আরো উত্তপ্ত হয়, চাই তা হালালভাবে হোক আর হারামভাবে, জায়েয পদ্ধতিতে হোক আর নাজায়েয পদ্ধতিতে, পাক হোক আর নাপাক, যুলুমের মাধ্যমে অর্জিত হোক না খিয়ানতের মাধ্যমে, লুটপাটের মাধ্যমে অর্জিত হোক না চুরি ডাকাতির মাধ্যমে তার কোনো যাচাই বাছাই নেই। তাই কুরআন মাজীদে কোনো কোনো স্থানে কাফিরদেরকে জাহান্নামে শাস্তির সাথে সাথে যথেষ্ট পানাহার করতে এবং আনন্দ করার ভর্ৎসনাও দেয়া হয়েছে।
সূরা হিজরে এরশাদ হয়েছে: ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا وَيَتَمَتَّعُوا وَيُلْهِهِمُ الْأَمَلُ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
অর্থ: "তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা খেতে থাকুক, ভোগ করতে থাকুক এবং আশা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখুক, পরিণামে তারা বুঝবে।” (সূরা হিজর: ৩)
সূরা মুরসালাতে এরশাদ হয়েছে: كُلُوا وَتَمَتَّعُوا قَلِيلًا إِنَّكُمْ مُجْرِمُونَ
অর্থ: "তোমরা অল্প কিছুদিন পানাহার ও ভোগ করে নাও, তোমরা তো অপরাধী।" (সূরা মুরসালাত: ৪৬)
অন্যত্র এরশাদ হয়েছে: وَالَّذِينَ كَفَرُوا يَتَمَتَّعُونَ وَيَأْكُلُونَ كَمَا تَأْكُلُ الْأَنْعَامُ وَالنَّارُ مَثْوًى لَهُمْ
অর্থ: "আর যারা কুফরী করে তারা ভোগ-বিলাসে লিপ্ত থাকে, জন্তু জানোয়ারের ন্যায় উদর-পূর্তি করে, তাদের নিবাস জাহান্নাম।” (সূরা মুহাম্মদ: ১২)
অতএব পেট ও রিপুর গোলাম পৃথিবীতে ভাল ভাল পানাহারে তৃপ্তিলাভ করে যখন স্বীয় স্রষ্টার নিকট উপস্থিত হবে, তখন কুফরীর পরিবর্তে জাহান্নামের আগুন আর সুস্বাদু খাবারের পরিবর্তে উত্তপ্ত, কাটা বিশিষ্ট, ঘাস গরম পানি অসহ্য দূর্গন্ধময় রক্ত ও বমির মাধ্যমে সাদর সম্ভাষণ জানানো হবে। (আল্লাহ এ ব্যাপারে ভাল জানেন)
উল্লেখ্য যে, কাফিরদের জন্য তো চিরস্থায়ী জাহান্নাম আছেই সাথে সাথে অন্যান্য আযাবও থাকবে। এমনিভাবে যে মুসলমান হালাল হারামের মাঝে পার্থক্য করেনি সেও জাহান্নাম ও ঐ সমস্ত পানাহারের শাস্তি ভোগ করবে, যা কিতাব ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত। ইয়াতিমের সম্পদ ভোগকারীর ব্যাপারে তো কুরআনে স্পষ্ট বর্ণনা এসেছে যে, إِنَّ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ أَمْوَالَ الْيَتَامَى ظُلْماً إِنَّمَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ نَاراً وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيراً
অর্থ: "যারা অন্যায়ভাবে ইয়াতিমদের ধন-সম্পদ গ্রাস করে নিশ্চয়ই তারা স্বীয় উদরে অগ্নি ব্যতীত কিছুই ভক্ষণ করে না এবং সত্বরই তারা অগ্নি শিখায় উপনীত হবে।” (সূরা নিসা: ১০)
মদ পানকারীদের ব্যাপারে রাসূল এরশাদ করেছেন: "তাদেরকে জাহান্নামে জাহান্নামীদের ঘাম পান করানো হবে।” (মুসলিম)
মুসনাদ আহমদে অন্য এক বর্ণনায় এসেছে ব্যভিচারকারী নর ও নারীর লজ্জাস্থান থেকে নির্গত দুর্গন্ধময় নিকৃষ্ট পদার্থও মদ পানকারীদের পানীয় হবে। (আল্লাহই এ ব্যাপারে ভাল জানেন)
অতএব হে ইয়াতিমও বিধবাদের সম্পদ গ্রাসকারীরা। অন্যের সম্পদে অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপকারীরা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারীরা, জুয়া, সুদ ঘুষের উপার্জনে নির্মিত অট্টালিকায় বসবাসকারীরা, হে মদ ও যুবক যুবতী নিয়ে মত্ত ব্যক্তিবর্গ! একবার নয় হাজার বার চিন্তা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করো যে, জাহান্নামে সৃষ্ট জাকুম বৃক্ষ, কাটা বিশিষ্ট ঘাস ভক্ষণ করবে? আগুনে পোড়ানো মানুষের শরীর থেকে নির্গত ঘাম ও বমি মিশ্রিত খাবার খাবে? দুর্গন্ধময় নিকৃষ্ট এবং কাল পানির উত্তপ্ত পান পাত্র পান করে জীবন রক্ষা করবে?
(فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ)
অর্থ: "অতঃপর আছে কি কোনো উপদেশ গ্রহণকারী।"
মাসআলা-৭১: জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে নিম্নোক্ত চার প্রকার খাবার পরিবেশন করা হবে:
১- যাকুম, ২. দ্বারি', ৩. গিসলিন, ৪. জা গুসসা
টিকাঃ
৩১ অতি তিক্ত স্বাদযুক্ত জাহান্নামের এক গাছ।
📄 যারি'
২. দ্বারি'
মাসআলা-৭৭: যাকুম ব্যতীত কাটা বিশিষ্ট বৃক্ষ ও জাহান্নামীদের খাবার হবে, যা বর্ণনাতীত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধময় হবে:
মাসআলা-৭৮: দ্বারি' জাহান্নামীদের ক্ষুধাকে বিন্দু পরিমাণেও কমাবে না বরং তাদের ক্ষুধা আরো বৃদ্ধি করবে:
تُسْقَى مِنْ عَيْنٍ آنِيَةٍ لَيْسَ لَهُمْ طَعَامٌ إِلَّا مِنْ ضَرِيحٍ لَا يُسْمِنُ وَلَا يُغْنِي مِنْ جُوعٍ
অর্থ: "তাদেরকে উত্তপ্ত প্রস্রবণ থেকে (পানি) পান করানো হবে, তাদের জন্য বিষাক্ত কন্টক ব্যতীত খাদ্য নেই। যা তাদেরকে পুষ্ট করবে না এবং ক্ষুধাও নিবৃত্ত করবে না।" (সূরা গাসিয়া: ৫-৭)
📄 গিসলিন
৩. গিসলিন
মাসআলা-৭৯: যাক্কুম ও দ্বারি' ব্যতীত জাহান্নামীদের শরীর থেকে নির্গত দুর্গন্ধময় পদার্থও জাহান্নামীদেরকে খাবার হিসেবে দেয়া হবে:
فَلَيْسَ لَهُ الْيَوْمَ هَا هُنَا حَمِيمٌ وَلَا طَعَامُ إِلَّا مِنْ غِسْلِيْنِ لا يَأْكُلُهُ إِلَّا الْخَاطِئُونَ
অর্থ: "অতএব এদিন সেখানে তাদের কোনো সুহৃদ থাকবে না এবং কোনো খাদ্য থাকবে না, ক্ষত নিঃসৃত স্রাব ব্যতীত, যা অপরাধীরা ব্যতীত কেউ খাবে না।" (সূরা হাক্কা: ৩৫-৩৭)