📘 মৃত্যুর পরে অনন্ত জীবন > 📄 স্বাস্থ্য বৃদ্ধিকরণের মাধ্যমে আযাব

📄 স্বাস্থ্য বৃদ্ধিকরণের মাধ্যমে আযাব


বর্তমান শরীর নিয়ে যেহেতু জাহান্নামের আযাব সহ্য করা অসম্ভব তাই জাহান্নামীদের শরীর অধিক পরিমাণে বড় করা হবে, যা নিজেই একটি শাস্তি হয়ে যাবে। রাসূল বলেন: “জাহান্নামে কাফিরের একটি দাঁত উহুদ পাহাড় সম হবে।” (মুসলিম)
কোনো কোনো কাফিরের চামড়া তিন দিনের রাস্তার দূরত্বের ন্যায় মোটা হবে। (মুসলিম)
কোনো কোনোটি ৪২ হাত (৬৩ ফিট) মোটা হবে। (তিরমিযী) এ পার্থক্য কাফিরের আমলের পার্থক্যের কারণে হবে।
কোনো কোনো কাফিরের দু'কাঁধের মাঝের দূরত্ব হবে দ্রুত গতি সম্পন্ন কোনো অশ্বের তিনদিন পথ চলার দূরত্বের সমান। (মুসলিম)
কোনো কোনো কাফিরের শুধু কান ও কাঁধের মাঝের দূরত্ব হবে ৭০ বছর চলার দূরত্ব। কোনো কোনো কাফেরের বসার স্থান মক্কা ও মদীনার দূরত্বের সমান হবে। (৪১০ কি. মি) (তিরমিযী)
কোনো কোনো কাফিরের শরীর এত বড় হবে যে তা জাহান্নামের একটি কোণে পরিণত হবে। (ইবনে মাজা)
কোনো কোনো কাফিরের বাহু ও রান পাহাড় সম হবে। (আহমদ) এ প্রথিবীতে আল্লাহ কোনো পার্থক্যহীন ভাবে সমস্ত মানুষকে অত্যন্ত সুন্দর আকৃতি ও মানানসই শরীর দান করেছেন। যদি ঐ মানানসই শরীরের কোনো একটি অঙ্গ বে-মানান হয়, তাহলে মানুষের আকৃতি অত্যন্ত কুৎসিত ও হাস্যকর হয়ে যায়। চিন্তা করুন ৫ বা ৬ ফিট শরীরের সাথে ১০ ফিট লম্বা বাহু যদি সংযুক্ত হয় বা কপালের ওপর ১ ফিট লম্বা নাক সংযোগ করা হলে, মানুষের আকৃতি কি পরিমাণ কুৎসিত হতে পারে। বরং তা হবে অত্যন্ত ভয়ানক। সম্ভবত জাহান্নামে কাফিরের শরীরকে, এ বে-মানান আকৃতিতে বৃদ্ধি করে, অত্যধিক ভীতিকর ও আতংকময় করা হবে। (আল্লাহই এ ব্যাপারে ভাল জানেন)
মানব শরীরে কষ্টের দিক থেকে তার চামড়া সর্বাধিক অনুভূতি পরায়ণ। আর একারণেই কাফিরকে জাহান্নামে অধিক শাস্তি দেয়ার লক্ষ্যে, জলন্ত চামড়াকে পরিবর্তনের কথা কুরআনে বার বার বিশেষভাবে এসেছে। (এ ব্যাপারে সূরা নিসা : আয়াত ৪ দ্রষ্টব্য)
চামড়াকে যখন টানা হয়, তখন কেমন ব্যাথা হয়। তার অনুমান এভাবে করা যায় যে, বাহু বা পায়ের ভাঙ্গা হাড্ডিকে জোড়া দেয়ার জন্য, চামড়াকে যদি সামান্য পরিমাণে টানা হয়, তাহলে এর ব্যাথায় মানুষ ছটফট করতে শুরু করে দেয়। ঐ চামড়াকে টেনে যখন এত লম্বা করা হবে, যার বর্ণনা হাদীসে এসেছে, তাতে কাফিরের মারাত্মক কষ্ট হবে। সম্ভবত দুনিয়াতে তার কল্পনা করাও সম্ভব নয়।
এত বিশাল দেহের অধিকারী কাফিরকে যখন বড় বড় সাপ ও বিচ্ছু বার বার দংশন করতে থাকবে, বরং তার গোশত খেতে থাকবে, তখন তার বিষের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় বেহুশ, ফুলা, রক্ত রঞ্জিত এবং হাঁপানো ও কম্পমান কাফিরের ভয়ানক দৃশ্যের কল্পনা করুন!
মানুষকে তার শরীর নিয়ে নড়াচড়া করার ক্ষমতাও একটি নির্দিষ্ট পরিমাপের মধ্যে। এ শরীর যদি অস্বাভাবিক ভাবে মোটা হয়ে যায়, তাহলে মানুষের জন্য উঠাবসা ও চলাফেরা করা এত কঠিন হয়ে যায়, যেন জীবনটা একটা আযাব। আর মোটা হওয়ার কারণে শরীরে আরো বহু প্রকার সমস্যা দেখা দেয়। যেমন মন রোগ, শ্বাস কষ্ট, চোখের সমস্যা, জাহান্নামে কাফিরের শরীর বড় হওয়ার কারণে অন্যান্য সমস্যাও আযাব আকারে দেখা দিবে, কি দিবে না এটা তো আল্লাহই ভাল জানেন। কিন্তু একথা স্পষ্ট যে, ফেরেশতা গুর্জ ও হাতুড়ি দিয়ে তাকে মারবে বা সাপ ও বিচ্ছু ছোবল মারতে থাকবে। ফলে কাফির নড়াচড়া করতে পারবে না। আর যদি কখনো তাকে জোর করে এক স্থান থেকে, অন্য স্থানে স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে কাফিরের জন্য এক এক কদম উঠানো এত কঠিন হবে যে, এটাই একটি বেদনাদায়ক শাস্তিতে পরিণত হবে। কাফির জাহান্নামে চিল্লিয়ে চিল্লিয়ে বলবে: হে আল্লাহ! একবার এখান থেকে বের কর, পরে আমরা নেককার হয়ে এখানে আসব। উত্তরে বলা হবে-
فَذُوقُوا فَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ نَصِيرٍ
অর্থ: "সুতরাং শাস্তি আস্বাদন কর; যালিমদের কোনো সাহায্যকারী নেই।” (সূরা ফাতির: ৩৭)
আল্লাহ স্বীয় রহমত, দয়া, অনুগ্রহে আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন। নিঃসন্দেহে তিনি অত্যন্ত উদারভাবে নিআমত দানকারী বাদশা, অনুগ্রহ পরায়ণ, অত্যন্ত করুণাময় ও দয়ালু।

মাসআলা-৩২৮: জাহান্নামে কাফিরের এক একটি দাঁত উহুদ পাহাড় সম হবে:
মাসআলা-৩২৯: জাহান্নামে কাফিরের শরীরের চামড়া তিনদিন চলার রাস্তার সমান মোটা হবে:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ هِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «ضِرْسُ الْكَافِرِ ، أَوْ نَابُ الْكَافِرِ ، مِثْلُ أُحُدٍ وَغِلَظُ جِلْدِهِ مَسِيرَةُ ثَلَاثٍ»
অর্থ: "আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: কাফিরদের দাঁত বা তার নখ জাহান্নামে উহুদ পাহাড়ের ন্যায় হবে। আর তার চামড়া তিন মাইল রাস্তা পরিমাণ মোটা হবে।" (মুসলিম ৪/২৮৫১)

মাসআলা-৩৩০: কোনো কোনো কাফিরের দাঁত উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড় হবে:
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: «إِنَّ الْكَافِرَ لَيَعْظُمُ حَتَّى إِنَّ ضِرْسَهُ لَأَعْظَمُ مِنْ أُحُدٍ.
অর্থ: "আবু সাঈদ খুদরী (রা) নবী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই জাহান্নামে কাফিরের শরীরকে বড় করা হবে, এমনকি তার দাঁত হবে উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বড়।” (ইবনে মাজা ৩/৪৩২২)

মাসআলা-৩৩১: জাহান্নামে কাফিরের দু কাঁধের মাঝের দূরত্ব হবে কোনো দ্রুতগামী ঘোড়ার তিনদিন চলার রাস্তার সমান:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا بَيْنَ مَنْكِبَي الْكَافِرِ مَسِيرَةُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ لِلرَّاكِبِ الْمُسْرِعِ»
অর্থ: "আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: জাহান্নামে কাফিরের দু'কাঁধের মাঝের দূরত্ব হবে কোনো দ্রুতগামী ঘোড়ার তিনদিন পথ চলার সমান।" (মুসলিম ৮/৬৫৫১)

মাসআলা-৩৩২: কোনো কোনো কাফিরের কান ও কাঁধের মাঝে ৭০ বছরের দূরত্ব হবে, তাদের শরীরে রক্ত ও বমির ঝর্ণা প্রবাহিত হবে:
নোট: ২১ নং মাসআলার হাদীস দ্রষ্টব্য।

মাসআলা-৩৩৩: জাহান্নামে কাফিরের চামড়া ৪২ হাত (৬৩ফিট) মোটা হবে, একটি দাঁত উহুদ পাহাড়ের সমান হবে, তার বসার স্থান মক্কা ও মদীনার দূরত্বের সমান হবে (৪১০ কি. মি.):
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَاللهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: «إِنَّ غِلَظَ جِلْدِ الْكَافِرِ اثْنَانِ وَأَرْبَعُونَ ذِرَاعًا، وَإِنَّ ضِرْسَهُ مِثْلُ أُحُدٍ، وَإِنَّ مَجْلِسَهُ مِنْ جَهَنَّمَ مَا بَيْنَ مَكَّةَ وَالْمَدِينَةِ»
অর্থ: "আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: কাফিরের চামড়া ৪২ হাত মোটা হবে, একটি দাঁত উহুদ পাহাড়ের সমান হবে, আর তার বসার স্থান হবে মক্কা এবং মদীনার দূরত্বের সমান।" (তিরমিযী ৪/২৫৭৭)

মাসআলা-৩৩৪: জাহান্নামীর একটি পার্শ্ব বাইজা পাহাড়ের সমান এবং একটি রান ওযকান পাহাড়ের সমান হবে:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، هُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " ضِرْسُ الْكَافِرِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِثْلُ أُحُدٍ، وَعَرْضُ جِلْدِهِ سَبْعُونَ ذِرَاعًا، وَفَخِذُهُ مِثْلُ وَرِقَانَ ، وَمَقْعَدُهُ مِنَ النَّارِ مِثْلُ مَا بَيْنِي وَبَيْنَ الرَّبَذَةِ "
অর্থ: "আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: কিয়ামতের দিন কাফেরের দাঁত হবে উহুদ পাহাড়ের সমান, তার চামড়া ৭০ হাত মোটা হবে, তার পার্শ্ব হবে বাইজা পাহাড়ের সমান, আর রান হবে ওযকান পাহাড়ের সমান, তার বসার স্থান হবে আমার ও রাবযের দূরত্বের সমান।" (আহমদ, হাকেম)
নোট: বিভিন্ন হাদীসে জাহান্নামীর বিভিন্ন রকমের অবস্থার কথা বর্ণিত হয়েছে, কোথাও চামড়া ৪২ হাত কোথাও ৭০ হাত বর্ণনা করা হয়েছে, এ পার্থক্য জাহান্নামীদের পাপ ও অন্যায় হিসেবে নির্ধারণ হবে। (এ বিষয়ে আল্লাহই সর্বাধিক অবগত)

মাসআলা-৩৫৫: কোনো কোনো কাফিরের শরীর এত বড় করে দেয়া হবে যে সে প্রশস্ত জাহান্নামের এক কোণে পড়ে থাকবে:
عَنِ الْحَارِثِ بْنِ أُقَيْشِ لَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ: إِنَّ مِنْ أُمَّتِي مَنْ يَعْظُمُ لِلنَّارِ حَتَّى يَكُونَ أَحَدَ زَوَايَاهَا
অর্থ: "হারেস বিন উকাইশ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: আমার উম্মতের কোনো ব্যক্তির শরীর এত বড় করে দেয়া হবে যে, সে জাহান্নামের এক কোণ দখল করে থাকবে।” (ইবনে মাজা)

টিকাঃ
১৫০ কিতাবুল জান্না ওয়া সিফাতু নায়িমিহা, বাব জাহান্নাম।
১৫১ কিতাবুয্যুহদ, বাব সিফাতুন্নার (২/৩৪৮৯)
১৫২ কিতাবুল জান্না ওয়া সিফাতিহা, বাব জাহান্নাম।
১৫৩ আবওয়াব সিফাত জাহান্নাম, বাব ইমাম আহলিন্নার।
১৫৪ সিলসিলা আহাদীস সহীহা লি আলবানী, হাদীস নং-১১০৫।
১৫৫ কিতাবুয্যুহদ সিফাতুন্নার, (২/৩৪৯০)

📘 মৃত্যুর পরে অনন্ত জীবন > 📄 কিছু অনুউল্লেখিত শাস্তি

📄 কিছু অনুউল্লেখিত শাস্তি


মাসআলা-৩৩৬: কাফিরদের পাপের পরিমাণের ওপর তাদেরকে এমন কিছু অনির্দিষ্ট আযাব দেয়া হবে, যার উল্লেখ না কুরআনে হয়েছে না হাদীসে:
وَآخَرُ مِن شَكْلِهِ أَزْوَاجٌ
অর্থ: "আরো আছে এরূপ ভিন্ন ধরনের শাস্তি।" (সূরা ছোয়াদ: ৫৮)
মাসআলা-৩৩৭: কোনো কোনো কাফিরকে কঠিন বেদনাদায়ক শাস্তি দেয়া হবে:
وَالَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ رَبِّهِمْ لَهُمْ عَذَابٌ مِّن رِجْرٍ أَلِيمٌ
অর্থ: "যারা তাদের প্রতিপালকের নির্দেশনাবলী প্রত্যাখ্যান করে, তাদের জন্য রয়েছে অতিশয় যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।" (সূরা জাসিয়া: ১১)
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ أَنَّ لَهُمْ مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعاً وَمِثْلَهُ مَعَهُ لِيَفْتَدُوا بِهِ مِنْ عَذَابِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَا تُقُتِلَ مِنْهُمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
অর্থ: নিশ্চয় যারা কুফরী করেছে, যদি জমিনে যা আছে তার সব ও তার সাথে সমপরিমাণও তাদের জন্য থাকে, যাতে তারা তার মাধ্যমে কিয়ামতের আযাব থেকে রক্ষার মুক্তিপণ দিতে পারে, তাহলেও তাদের থেকে তা গ্রহণ করা হবে না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। (সূরা মায়িদা ৫:৩৬)
মাসআলা-৩৩৮: কোনো কোনো কাফিরদেরকে বহু কঠিন শাস্তি দেয়া হবে:
وَلَا يَحْزُنُكَ الَّذِينَ يُسَارِعُونَ فِي الْكُفْرِ إِنَّهُمْ لَنْ يَضُرُّوا اللَّهَ شَيْئًا يُرِيدُ اللَّهُ أَلَّا يَجْعَلَ لَهُمْ حَظًّا فِي الْآخِرَةِ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
অর্থ: যারা কুফরীতে দ্রুত ধাবিত হয় তারা যেন তোমাকে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত না করে, নিশ্চয় তারা আল্লাহর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ চান যে, তাদের জন্য আখিরাতে কোনো অংশ রাখবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে মহা আযাব। (সূরা আলে ইমরান ৩:১৭৬)
মাসআলা-৩৩৯: কোনো কোনো কাফিরদেরকে কঠিন আযাব দেয়া হবে:
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِ اللَّهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ
অর্থ: "নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীর প্রতি অবিশ্বাস করে তাদের জন্য কঠোর শাস্তি রয়েছে।" (সূরা আলে ইমরান: ৪)
وَالَّذِينَ يَمْكُرُونَ السَّيِّئَاتِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ
অর্থ: "আর যারা মন্দ কর্মের ফন্দি আঁটে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।" (সূরা ফাতির: ১০)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00