📄 ঈসা (আ)
৬. ঈসা (আ)
لَقَدْ كَفَرَ الَّذِينَ قَالُوا إِنَّ اللهَ هُوَ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ وَقَالَ الْمَسِيحُ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اعْبُدُوا اللهَ رَبِّي وَرَبَّكُمْ إِنَّهُ مَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ
অর্থ: অবশ্যই তারা কুফরী করেছে, যারা বলেছে, 'নিশ্চয় আল্লাহ হচ্ছেন মারইয়াম পুত্র মাসীহ'। আর মাসীহ বলেছে, 'হে বনী ইসরাঈল! তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব আল্লাহর ইবাদাত কর'। নিশ্চয় যে আল্লাহর সাথে শরীক করে, তার উপর অবশ্যই আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন এবং তার ঠিকানা আগুন। আর যালিমদের কোনো সাহায্যকারী নেই। (সূরা মায়িদা ৫:৭২)
📄 অন্যান্য নবী ও রাসূলগণ
৭. অন্যান্য নবী ও রাসূলগণ
وَمَا نُرْسِلُ الْمُرْسَلِينَ إِلَّا مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ فَمَنْ آمَنَ وَأَصْلَحَ فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ وَالَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا يَمَسُّهُمُ الْعَذَابُ بِمَا كَانُوا يَفْسُقُونَ
অর্থ: " আমি রাসূলদেরকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরণ করি। অতএব যারা ঈমান এনেছে ও শুধরে নিয়েছে, তাদের জন্য কোনো ভয় নেই এবং তারা চিন্তিত হবে না। আর যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে তাদেরকে স্পর্শ করবে আযাব, এ কারণে যে, তারা নাফরমানী করত। (সূরা আনআম ৬:৪৮-৪৯)
📄 মুহাম্মদ ﷺ
৮. মুহাম্মদ
قُلْ إِنَّمَا أَعِظُكُمْ بِوَاحِدَةٍ أَن تَقُومُوا لِلَّهِ مَثْنَى وَفُرَادَى ثُمَّ تَتَفَكَّرُواْ مَا بِصَاحِبِكُمْ مِّن جِنَّةٍ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌ لَكُمْ بَيْنَ يَدَى عَذَابٍ شَدِيدٍ
অর্থ: বল, 'আমি তো তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু'জন অথবা এক একজন করে দাঁড়িয়ে যাও, অতপর চিন্তা করে দেখ, তোমাদের সাথীর মধ্যে কোনো পাগলামী নেই। সে তো আসন্ন কঠোর আযাব সম্পর্কে তোমাদের একজন সতর্ককারী বৈ কিছু নয়।' (সূরা সাবা ৩৪:৪৬)
মাসআলা-২২৫: রাসূলুল্লাহ সর্বপ্রথম তাঁর নিকট আত্মীয়দেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য তাকিদ দিয়েছেন:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: لَمَّا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ {وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ } ، دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُرَيْشًا، فَاجْتَمَعُوا فَعَمَّ وَخَضَ، فَقَالَ: «يَا بَنِي كَعْبِ بْنِ لُؤَيِّ، أَنْقِذُوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ، يَا بَنِي مُرَّةَ بْنِ كَعْبٍ، أَنْقِذُوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ، يَا بَنِي عَبْدِ شَمْسٍ، أَنْقِذُوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ ، يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافٍ ، أَنْقِذُوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ يَا بَنِي هَاشِمٍ ، أَنْقِذُوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ، يَا بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، أَنْقِذُوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ النَّارِ، يَا فَاطِمَةُ، أَنْقِذِي نَفْسَكِ مِنَ النَّارِ، فَإِنِّي لَا أَمْلِكُ لَكُمْ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا، غَيْرَ أَنَّ لَكُمْ رَحِمًا سَأَبُلُهَا بِبَلَالِهَا»
অর্থ: "আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো "তোমার নিকট আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দাও" তখন রাসূলুল্লাহ কুরাইশদেরকে ডেকে একত্র করলেন, তাদেরকে ব্যাপক ও বিশেষভাবে বললেন: হে কা'ব বিন লুয়াই বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে মুররা বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে আবদে শামস বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে হাশেম বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে আবদু মোত্তালিব বংশ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। হে ফাতেমা! তুমি তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। আল্লাহর নিকট আমি তোমার জন্য কোনো কিছু করার ক্ষমতা রাখি না। তবে দুনিয়াতে তোমাদের সাথে আমার যে সম্পর্ক আছে তা আমি অটুট রাখব।" (মুসলিম) ৯১
মাসআলা-২২৬: প্রত্যেক মুসলমান নারী পুরুষকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে:
عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ رَضِ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّارَ قَالَ: «اتَّقُوا النَّارَ ثُمَّ أَعْرَضَ وَأَشَاحَ، ثُمَّ قَالَ: «اتَّقُوا النَّارَ ثُمَّ أَعْرَضَ وَأَشَاحَ حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ كَأَنَّمَا يَنْظُرُ إِلَيْهَا، ثُمَّ قَالَ: «اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقٌ تَمْرَةٍ، فَمَنْ لَمْ يَجِدُ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ»
অর্থ: "আদী বিন হাতেম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ জাহান্নামের কথা স্মরণ করলেন এবং তাঁর মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং চরম অস্বস্তি কর ভাব প্রকাশ করলেন। অতপর তিনি বললেন: তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর, তিনি পুনরায় মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও এমন ভাব প্রকাশ করলেন, যাতে আমাদের মনে হচ্ছিল যেন তিনি তা দেখছেন, অতপর তিনি বললেন: তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে আত্মরক্ষা কর, যদি তা এক টুকরা খেজুরের বিনিময়েও হয়। আর যার এ সমর্থটুকুও নেই সে যেন ভাল কথার মাধ্যমে তা করে।” (মুসলিম ২/১০১৬) ৯২
মাসআলা-২২৭: লোকেরা জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে সর, লোকেরা জাহান্নামের আগুন থেকে দূরে সর:
أَبُو هُرَيْرَةَ هُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : «مَثَلِي كَمَثَلِ رَجُلٍ اسْتَوْقَدَ نَارًا، فَلَمَّا أَضَاءَتْ مَا حَوْلَهَا جَعَلَ الْفَرَاشُ وَهَذِهِ الدَّوَابُّ الَّتِي فِي النَّارِ يَقَعْنَ فِيهَا، وَجَعَلَ يَحْجُزُهُنَّ وَيَغْلِبُنَهُ فَيَتَقَحَّمْنَ فِيهَا ، قَالَ فَذَالِكُمْ مَثَلِي وَمَثَلُكُمْ ، أَنَا آخِذْ بِحُجَزِكُمْ عَنِ النَّارِ، هَلُمَّ عَنِ النَّارِ. هَلُمَّ عَنِ النَّارِ فَتَغْلِبُونِي تَقَحَمُونَ فِيهَا»
অর্থ: "আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: আমার উদাহরণ ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আগুন জ্বালাল এর পর যখন তার আস পাশে আলোকিত হলো তখন কীট-পতঙ্গ তাতে পতিত হতে লাগল, তখন ঐ লোক এগুলোকে বাধা দিতে লাগল, কিন্তু কিট-পতঙ্গ তাকে উপেক্ষা করে সেখানে পতিত হতে লাগল, এটিই আমার ও তোমাদের উদাহরণ, আমি তোমাদের কোমর টেনে তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাতে চাচ্ছি এবং বলতেছি যে, হে লোকেরা! আগুন থেকে দূরে থাক, হে লোকেরা! আগুন থেকে দূরে থাক, কিন্তু তোমরা আমাকে উপেক্ষা করে জাহান্নামের দিকে যাচ্ছ।" (মুসলিম ৪/২২৮৪) ৯৩
মাসআলা-২২৮: আমীর, গরীব, নারী-পুরুষ, আলেম, জাহেল, আবেদ, সংসার ত্যাগী সকলকেই সব কিছুর বিনিময়ে জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য চেষ্টা করা উচিত:
عَدِيَّ بْنَ حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، ثُمَّ لَيَقِفَنَّ أَحَدُكُمْ بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ حِجَابٌ وَلَا تَرْجُمَانٌ يُتَرْجِمُ لَهُ، ثُمَّ لَيَقُولَنَّ لَهُ: أَلَمْ أُوتِكَ مَالًا ۚ فَلَيَقُولَنَّ: بَلَى ثُمَّ لَيَقُولَنَّ أَلَمْ أُرْسِلْ إِلَيْكَ رَسُولًا فَلَيَقُولَنَّ : بَلَى، فَيَنْظُرُ عَنْ يَمِينِهِ فَلَا يَرَى إِلَّا النَّارَ، ثُمَّ يَنْظُرُ عَنْ شِمَالِهِ فَلَا يَرَى إِلَّا النَّارَ، فَلْيَتَّقِينَ أَحَدُكُمُ النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ ، فَإِنْ لَمْ يَجِدُ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ "
অর্থ: "আদী বিন হাতেম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: তোমাদের কেউ আল্লাহর সামনে একদিন এমন ভাবে দাঁড়াবে যে, তার মাঝে ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকবে না, এবং কোনো অনুবাদকও থাকবে না, আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করবেন: আমি কি তোমাকে ধন-সম্পদ দান করিনি? সে বলবে: হ্যাঁ নিশ্চয়ই। আল্লাহ আবার জিজ্ঞেস করবেন, আমি কি তোমার নিকট রাসূল পাঠাইনি? সে বলবে: হ্যাঁ নিশ্চয়ই, অতপর সে তার ডান দিকে তাকাবে, কিন্তু আগুন ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাবে না, অতপর সে তার বাম দিকে তাকাবে কিন্তু সেখানেও আগুন ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাবে না। অতএব তোমাদের প্রত্যেকেই একটি খেজুরের টুকরা দিয়ে হলেও যেন নিজেকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে। যদি এটাও সে না পায় তবে উত্তম কথা দিয়ে হলেও যেন নিজকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচায়।" (বুখারী ২/১৪১৩) ৯৪
মাসআলা-২২৯: রাসূলুল্লাহ স্বীয় উম্মতদের সতর্ক করার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন:
عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ «أَنْذَرْتُكُمُ النَّارَ، أَنْذَرْتُكُمُ النَّارَ، فَمَا زَالَ يَقُولُهَا حَتَّى لَوْ كَانَ فِي مَقَامِي هَذَا سَمِعَهُ أَهْلُ السُّوقِ، حَتَّى سَقَطَتْ خَمِيصَةٌ كَانَتْ عَلَيْهِ عِنْدَ رِجْلَيْهِ
অর্থ: "নুমান বিন বাশীর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ কে বলতে শুনেছি তিনি বলেছেন: হে লোকেরা! আমি তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে ভয় দেখাচ্ছি, আমি তোমাদেরকে জাহান্নাম থেকে ভয় দেখাচ্ছি, তিনি ধারাবাহিকভাবে এ কথাটি বলতে ছিলেন এমতাবস্থায় তাঁর আওয়াজ এত উচ্চ হলো যে, যদি রাসূলুল্লাহ আমার স্থানে হতেন তাহলে বাজারে উপস্থিত লোকেরা তাঁর আওয়াজ শুনে ফেলত। (তিনি এত ব্যাকুলভাবে একথা গুলো) বলছিলেন যে তার চাদর তাঁর কাঁধ থেকে পায়ে পড়ে গেল।” (দারেমী ৩/২৮৫৪)৯৫
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ اللهُ فِي حَدِيثِ حُجَّةِ الْوَدَاعِ قَالَ ...... فَخَطَبَ النَّاسَ وَقَالَ أَنْتُمْ تُسْأَلُونَ عَنِّي، فَمَا أَنْتُمْ قَائِلُونَ؟» قَالُوا : نَشْهَدُ أَنَّكَ قَدْ بَلَّغْتَ وَأَدَّيْتَ وَنَصَحْتَ، فَقَالَ: بِإِصْبَعِهِ السَّبَّابَةِ، يَرْفَعُهَا إِلَى السَّمَاءِ وَيَنْكُتُهَا إِلَى النَّاسِ «اللَّهُمَّ اشْهَدُ ، ثَلَاثَ مَرَّاتٍ،
অর্থ: "জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বিদায় হজ্বের ঘটনায় বর্ণিত হয়েছে, রাসূলূল্লাহ লোকদেরকে লক্ষ্য করে বললেন: (কিয়ামতের দিন যদি তোমরা আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেসিত হও) তাহলে তোমরা কি বলবে? তারা বলল: আমরা সাক্ষি দিব যে, আপনি দায়িত্ব পালন করেছেন, উপদেশ দিয়েছেন। এরপর তিনি তাঁর শাহাদাত আঙ্গুল আকাশের দিকে তুলে লোকদের দিকে ইশারা করে তিনবার বললেন: হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষি থাক।" (মুসলিম ২/১২১৮)৯৬
টিকাঃ
৯১ কিতাবুল ঈমান বাব মান মাতা আলাল কুফরি ফাহুয়া ফিন্নার।
৯২ কিতাবুয যাকা, বাবুল হাসসে আলাস্ সাদাকা, ওয়ালাও বিসিকে তামরা।
৯৩ কিতাবুল ফাযায়েল, বাব সাফাকাতিহি (স) আলা উম্মাতিহি।
৯৪ কিতাবুয যাকা, বাববুস্ সাদাকা কাবলার রাদ।
৯৫ আলবানী লিখিত মেশকাতুল মাসাবিহ, কিতাব আহওয়ালুল কিয়ামা, বাব সিফাতুন্নার, ওয়া আহলিহা, আল ফাসলুস সানী, ৩/৪৫৭৮)।
৯৬ কিতাবুল হজ্ব, বাব হাজ্বাতুন্ নবী (স)।