📄 হিসাব-নিকাশ
অতপর বান্দার সব আমলের হিসাব-নিকাশ শুরু হবে। ছোট বড় কোন আমলই বাদ পড়বে না। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
إِلَيْنَا إِيَابَهُمْ . ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا حِسَابَهُمْ .
"তাদেরকে আমার কাছে ফিরে আসতে হবে, অতপর আমি অবশ্যই তাদের হিসেব নিব। "১৩১
হিসাব-নিকাশ হবে প্রত্যেকে তার হাতে যে নিখুঁত আমলনামা দেয়া হবে পড়ার জন্য তার উপর ভিত্তি করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
فَمَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَأُوْلَئِكَ يَقْرَءُونَ كِتَابَهُمْ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلًا .
"যাদের ডান হাতে কিতাব বা আমলনামা দেয়া হবে তারা তাদের কিতাব পড়বে তাদেরকে সামান্যমত জুলুম করা হবে না। "১৩২
আল্লাহ্ তা'আলা আরও বলেন:
فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ فَيَقُولُ هَاؤُمُ اقْرَءُوا كِتَابِي إِنِّي ظَنَنْتُ أَنِّي مُلَاقٍ حِسَابِي ، فَهُوَ فِي عِيشَةٍ رَاضِيَةٍ فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ . قُطُوفُهَا دَانِيَةٌ . كُلُوا وَاشْرَبُوا هَنِيئًا بِمَا أَسْلَفْتُمْ فِي الْأَيَّامِ الْخَالِيَةِ . وَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِشِمَالِهِ فَيَقُولُ يَا لَيْتَنِي لَمْ أُوْتَ كِتَابِي ، وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِي.
"তখন যাকে তার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবে লও তোমার আমলনামা, পড়ে দেখ। আমি জানতাম যে আমাকে আমার হিসেবের সম্মুখীন হতে হবে। সুতরাং সন্তোষজন জীবন লাভ করবে। সুমহান জান্নাতে। যার ফলগুলো অবনমিত থাকবে না গালের মধ্যে। তাদেরকে বলা হবে পানাহার কর তৃপ্তির সাথে, তোমরা অতীত দিনে যা করেছিলে তার বিনিময়ে। আর যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে সে বলবে হায়। আমাকে যদি আমার আমলনামা দেয়া না হত। এবং আমি যদি না জানতাম আমার হিসেব।"১৩৩ আল্লাহ্ তা'আলা আরও বলেন:
فَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ بِيَمِينِهِ . فَسَوْفَ يُحَاسَبُ حِسَابًا يَسِيرًا وَيَنقَلِبُ إِلَى أَهْلِهِ مَسْرُورًا ، وَأَمَّا مَنْ أُوتِيَ كِتَابَهُ وَرَاءَ ظَهْرِهِ . فَسَوْفَ يَدْعُو ثُبُورًا . وَيَصْلَى سَعِيرًا .
"যাকে আমলনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে তাকে সহজ ভাবে হিসেব নেয়া হবে। এবং সে স্বপরিবারে আনন্দে ফিরে আসবে। আর যাকে তার আমলনামা পৃষ্ঠদেশ দিয়ে দেয়া হবে সে চিৎকার করতে থাকবে। এবং প্রজ্জ্বলিত আগুনে নিক্ষিপ্ত হবে।”১৩৪
তারা যখন দুনিয়ায় কৃত তাদের আমলের হিসেব দিতে থাকবে তখন তাদের সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে যদি তারা কোন ব্যপারে মিথ্যা বলার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
يَوْمَ تَشْهَدُ عَلَيْهِمْ أَلْسِنَتُهُمْ وَأَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُمْ بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
"যেদিন তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ দিবে তার জিহ্বা, তাদের হাত, পা, তারা দুনিয়ায় যা করেছে সে প্রসঙ্গে। "১৩০ আল্লাহ্ তা'আলা আরও বলেন:
الْيَوْمَ نَخْتِمُ عَلَى أَفْوَاهِهِمْ وَتُكَلِّمُنَا أَيْدِيهِمْ وَتَشْهَدُ أَرْجُلُهُمْ بِمَا كَانُوا يَكْسِبُونَ .
"আজকে তাদের মুখে তালা লাগিয়ে দিব, তাই তাদের হাতগুলো আমাদের সাথে কথা বলবে। আর তাদের পাগুলো সাক্ষ্য দিবে তারা কি করেছে সে বিষয়ে। "১৩৬
টিকাঃ
১৩১ সূরা আল গাশিয়া, ২৫,২৬।
১৩২. সূরা ইসরা, ৭১।
১৩৩. সূরা হাক্কা, ১৯-২৬।
১৩৪. সূরা ইসশিকাক, ৭-১২।
১৩৫. সূরা নূর, ২৪।
১৩৬. ইয়াসীন, ৬৫।
📄 মীযান বা দাঁড়িপাল্লা
যখন বান্দারা হিসেব দিতে থাকবে তাদের আমলের তখন তাদের আমলগুলো ওযন করার জন্য মীযান বা পাল্লা স্থাপন করা হবে। এ ভাবে তাদের আমলের ওযন করে তাদের মধ্যে ইনসাফ ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা হবে। আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا وَإِنْ كَانَ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ أَتَيْنَا بِهَا وَكَفَى بِنَا حَاسِبِينَ .
"এবং কিয়ামত দিবসে আমি স্থাপন করব ন্যায় বিচারের মানদণ্ড। সুতরাং কারো প্রতি কোন অবিচার করা হবে না। এবং কর্ম যদি তিল পরিমাণের ওযনেরও হয় তবুও তা আমি উপস্থিত করব। হিসেব গ্রহণকারীরূপে আমি যথেষ্ট। "১৩৭ এ আয়াতের وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ বাক্যে 'মাওয়াযীন' শব্দটি বহুবচন ব্যবহৃত হয়েছে।
এ থেকে মনে হয় কিয়ামত দিবসে বান্দাদের আমলগুলো ওযন করার জন অনেকগুলো ন্যায় বিচারের মানদণ্ড স্থাপন করা হবে। আবার বহুবচনের ব্যবহার বান্দাদের আমলের সংখ্যাধিক্যের কারণেও হতে পারে। "১৩৮
সহীহ হাদীস থেকে জানা যায় যে, মীযানের দুটি বাস্তব পাল্লা থাকবে, যা দেখা যাবে। আবু আব্দুর রহমান আল ইবিনী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ সা. বলেছেন, আল্লাহ্ তা'আলা অচীরেই আমার উম্মতের এক লোককে সৃষ্টির সামনে কিয়ামতের দিন নিয়ে আসবেন। তখন তার নিরানব্বইটি পাপের স্তুপ প্রকাশ করা হবে। প্রত্যেক স্তুপের ব্যপ্তি হবে চোখের দৃষ্টি যাওয়া পর্যন্ত। অতপর তাকে বলা হবে তুমি কি এসব পাপের মধ্যে কিছু অস্বীকার করতে চাও? আমার আমলনামা লেখকরা কি তোমার প্রতি জুলুম করেছে? সে বলবে, না হে আমার প্রতিপালক। তখন আল্লাহ বলবেন তোমার কি কোন ওযর আপত্তি কিংবা সৎকর্ম আছে? তখন লোকটি হতবাক হয়ে যাবে। সে বলবে না হে আমার প্রভু। তখন আল্লাহ বলবেন হা আছে। তোমার একটা সৎকর্ম আমার কাছে গচ্ছিত আছে। আজকে তোমাকে জুলুম করা হবে না। তখন তার জন্য একটা কার্ড বের করে নিয়ে আসা হবে যাতে লিখা থাকবে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ'। তখন সে বলবে হে আমার প্রতিপালক এ সব স্তুপের পাশে এই কার্ড দিয়ে কি হবে? তখন আল্লাহ বলবেন তোমাকে কোন জুলুম করা হবে না। মহানবী (সা.) বলেন : তখন পাপের স্তুপগুলো এক পাল্লায় আর কার্ডটি অপর পাল্লায় রাখা হবে। তখন স্তুপগুলো হালকা হয়ে যাবে আর কার্ডের পাল্লা ভারি হয়ে পড়বে। আল্লাহর নামের তুলনায় অন্য কিছু ভারী হতে পারে না।”১৩৬
অপর এক হাদীসে আছে, কিয়ামত দিবসে মানদণ্ড স্থাপন করা হবে, তখন লোকটিকে এনে এক পাল্লায় রাখা হবে।”১৪০
এ বর্ণনা থেকে জানা গেল যে, আমলের সাথে মীযানের পাল্লায় আমলকারীকেও ওযন করা হবে। বুখারী ইত্যাদির হাদীস থেকে এ ধরনের বক্তব্যের সমর্থন পাওয়া যায়। ১৪১
টিকাঃ
১৩৭. সূরা আম্বিয়া, ৪৭।
১৩৮. ইবনে ইজ্জ, শারহুল আকীদা আত ত্বাহাবিয়া, পৃ-৬০৯।
১৩৯. আহমদ, ৬৬৯৯; তিরমিযি, ২৫৬৩; হাকেম, হাদীসটি সহীহ, ফতহুর রব্বানী, খ:২৪, পৃ১৫৭।
১৪০. আহমদ, ৬৭৬৯; এর সনদে ইবনে লুহাইয়্যানামক একজন দুর্বল রাবী আছেন।
১৪১. ইবনুল ইজ্জ, শারহুল আকীদা আত ত্বাহাবিয়া, পৃঃ ৬১০।
📄 ঘোর অন্ধকারের মুখোমুখি
মানুষের হিসেব নিকাশের পর তারা পুলসিরাতের আগে একটা অন্ধকারের মুখোমুখি হবেন। আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদীস থেকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ্ সা. কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যেদিন পৃথিবী ও আকাশমণ্ডলী ধ্বংস হয়ে সব পরিবর্তন হয়ে যাবে সেদিন লোকেরা কোথায় থাকবে? মহানবী (সা.) উত্তরে বলেন তারা পুলসিরাতের আগে এক অন্ধকারে থাকবে। "১৪২
এ স্থানে মুমিনরা মুনাফিকদের থেকে আলাদা হয়ে যাবেন, আর মুনফিকরা অন্ধকারে পড়ে থাকবে কিন্তু মুমিনরা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
টিকাঃ
১৪২. মুসলিম, ৪৭৩।
📄 পুলসিরাত
হিসেব নিকাশ, আমলের ওযন দান ও সৌভাগ্যবান ও সৌভাগ্যহীনদের মধ্যে পার্থক্য হয়ে যাওয়ার পর সমস্ত মানুষকে পুলসিরাত অতিক্রম করে যেতে হবে। পুলসিরাত হল জাহান্নামের উপর নির্মিত একটা অতিসুক্ষ্ম সেতু। যা তরবারীর ধারের চেয়ে বেশী ধারালো হবে এবং অত্যন্ত পিচ্ছিল হবে। সমস্ত মানুষকে তা অতিক্রম করে যাবার আদেশ দেয়া হবে। কারো কারো মতে তা কিছু কিছু মানুষের কাছে তরবারীর চেয়ে ধারালো বলে মনে হবে ফলে সে তার উপর দিয়ে অতিক্রম করে যাবার সময় ব্যর্থ হবে ফলে জাহান্নামে পড়ে যাবে। আবার তা কারো কারো জন্য প্রশস্ত হয়ে যাবে তখন সে বিনা দ্বিধায় ও বিনা ভয়ে অতিক্রম করে চলে গিয়ে আল্লাহ কর্তৃক তার জন্য রাখা নেয়ামত ভোগ করবে। "১৪৩
এসব বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:
وَإِنْ مِنْكُمْ إِلَّا وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَقْضِيًّا . ثُمَّ نُنَجِّي الَّذِينَ اتَّقَوْا وَنَذَرُ الظَّالِمِينَ فِيهَا جِثِيًّا.
"তোমাদের প্রত্যেককে তা অতিক্রম করতে হবে। এটা তোমার প্রতিপালকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। পরে আমি মুত্তাকীদের উদ্ধার করবো এবং জালিমদেরকে নতজানু অবস্থায় রেখে দিব।"১৪৪
এ আয়াতের তাফসীরে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন: এ আয়াতের অর্থ হল তাদের পুলসিরাতের উপর দিয়ে অবশ্যই যেতে হবে।” পুলসিরাত হল তরবারীর ধারের মত ধারালো এক সেতু। এ সেতুর উপর দিয়ে প্রথম পথ যাত্রীরা বিদ্যুৎগতিতে অতিক্রম করবে। দ্বিতীয় যাত্রীদল বাতাসের গতিতে অতিক্রম করবে। আর তৃতীয় দল দ্রুতগামী অশ্বারোহীর মত গতিতে যাবে। অতপর যাত্রীদের দল যেতে থাকবে তখন ফেরেস্তারা বলতে থাকবে সালাম। এ সব বক্তব্যের পক্ষে বুখারী মুসলিমে অনেক সহীহ হাদীস রয়েছে। ১৪৫
আল্লাহ্ তা'আলা আরও বলেন:
وَلَوْ نَشَاءُ لَطَمَسْنَا عَلَى أَعْيُنِهِمْ فَاسْتَبَقُوا الصِّرَاطَ فَأَنَّى يُبْصِرُونَ .
"আমি ইচ্ছা করলে তাদের চোখগুলোকে লোপ করে দিতে পারতাম। তখন তারা পুলসিরাত অতিক্রম করতে চাইলে কী করে দেখতে পেত?"১৪৬
আবু হুরাইরা হতে বর্ণিত যে, কিছু লোক রাসূলুল্লাহ্ সা. জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি কিয়ামত দিবসে আমাদের প্রভুকে দেখতে পাব? তখন তিনি বললেন: তোমরা চৌদ্দ তারিখের রাতে চাঁদ দেখতে সমস্যাবোধ কর, যখন তার সামনে কোন মেঘ থাকে না? অবশেষে রাসূলুল্লাহ্ সা. বলেন আল্লাহ্ তা'আলা জাহান্নামের উপর পুলসিরাত নির্মাণ করবেন। তখন দোয়া হবে আল্লাহ রক্ষাকর, আল্লাহ রক্ষা কর। সেখানে সোদানের কাটার মত বড় পেরাক থাকবে। তবে তা যে কত বড় তা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। অতপর লোকদেরকে তাদের আমল অনুযায়ী নিয়ে যাওয়া হবে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ তার আমলের জন্য ধ্বংস হবে, আর কেউ কেউ পড়ে যাবে অতপর আবার মুক্তি পাবে। ১৪৭
পুলসিরাত পূর্ণ নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্ধে অতিক্রম করার পর মুমিনদেরকে জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে এক সেতুর সামনে দাঁড় করানো হবে। বুখারী শরীফের এক হাদীসে আছে, মুমিনদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করার পর জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে এক সেতুর সামনে দাঁড় করানো হবে। তখন তাদের পরস্পরের মধ্যে যদি দুনিয়ার জীবনে জোর জুলুমের কিছু থেকে থাকে তার প্রতিশোধ নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। যখন তারা সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও পরিস্কার হয়ে যাবে তখন তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করার অনুমতি দেয়া হবে। যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন, তারা প্রত্যেকেই দুনিয়ার জীবনে তাদের বাড়ী ঘর যেভাবে চিনে জান্নাতে তারা তাদের জান্নাতী ঘর তার চেয়ে বেশী চিনবে। ১৪৮ হাসান থেকে মুরছাল সনদে বর্ণিত আছে যে, আমি শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ সা. বলেছেন, জান্নাতবাসীদেরকে পুলসিরাত অতিক্রম করার পর থামিয়ে দেয়া হবে। তখন তারা তাদের দুনিয়ার জীবনের পরস্পরের মধ্যে জুলুমের প্রতিশোধ নিবে। তারপর জান্নাতে প্রবেশ করবে। তখন তাদের কারো অন্তরে অন্য কারো প্রতি কোন রকমের ঘৃণা ও হিংসা থাকবে না।" ১৪৯
টিকাঃ
১৪৩. ড. এমাদুদ্দিন খলীল, কুরবান ইয়াকিনিয়াত আল কাওনিয়া, পৃ-২৫৩।
১৪৪. সূরা মরিয়াম, ৭১-৭২।
১৪৫. মুহাম্মদ আলী সাবৃনী, মুখতাছার তাফসীরে ইবনে কাসীর, খ-২, পৃ-৬৪২।
১৪৬. সূরা ইয়াসীন, ৬৬।
১৪৭. বুখারী, ৬০৮৮; মুসলিম, ২৬৯।
১৪৮. বুখারী, ২২৬০; ফাতহুল বারী, খ-১১, পৃ-৩৯৯; আহমদ, ১০৬৭৩।
১৪৯. ফাতহুল বারী, খ:১১, পৃ-৩৯৯।